বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৩ পি.এম
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা কলেজের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়। এই ঘটনায় অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে পথচারীও রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
দুই ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ককটেল বিস্ফোরণের কারণে সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কে কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। এর ফলে সড়কের দুই পাশে বিপুল সংখ্যক যানবাহন আটকা পড়ে, যা দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি ডিগ্রী কলেজের একাশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা পৃথক মিছিল বের করেন। যখন উভয় সংগঠনের মিছিল কলেজের প্রধান ফটকের সামনে আসে, তখন নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। সংঘর্ষ গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ছাতক উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাহবুর আলম জানান, কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রথমে ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ছাত্র শিবিরের কয়েকজন কর্মী কলেজের বাইরের বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তিমূলক বক্তব্য দেন। এর প্রতিবাদ করায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উপর ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়।
অন্যদিকে, গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি ডিগ্রী কলেজ ছাত্র শিবিরের সভাপতি জুনায়েদ আহমদ পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, প্রতি বছরের মতো ছাত্রশিবির নবীণবরণকে ঘিরে শিক্ষাবান্ধব কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের নানা উপহার সামগ্রী দিয়ে বরণ করে নেওয়ার সময় ছাত্রদলের সন্ত্রাসী বাহিনী ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীদের উপর ন্যাক্কারজনকভাবে আক্রমণ করে।
গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহ সফিকুল আলম জানান, বৃহস্পতিবার কলেজে নতুন ক্লাস শুরু হয়েছে এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা নবীনবরণ ও ক্লাস নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। কলেজের ভেতরে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, তবে শুনেছি কলেজের গেটের বাইরে ছাত্রদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
ছাতক থানার এস আই ভক্ত চন্দ্র দত্ত বলেন, গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদে (সিভিল জজ) নিয়োগের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এই ফলাফলে বিধি অনুযায়ী কোটা সংরক্ষণপূর্বক মেধাক্রম অনুসারে ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ ও মনোনীত করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে ফলাফলটি প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ ও মনোনীত ২০০ প্রার্থীর রোল নম্বর মেধাক্রম অনুসারে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, যদি কোনো প্রার্থী অসত্য তথ্য প্রদান করে, তথ্য গোপন করে, যোগ্যতার ঘাটতি থাকে অথবা আবেদনপত্রে কোনো ধরনের অসঙ্গতি বা গরমিল থাকে, তাহলে তার মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে।
মনোনীত প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য উপস্থিতির স্থান, তারিখ ও সময় নির্ধারণ করে পরবর্তী সময়ে দৈনিক পত্রিকা, কমিশনের নোটিশ বোর্ড এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যদি কোনো প্রার্থী অযোগ্য ঘোষণা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হবে।
এছাড়া, প্রাক-পরিচয় যাচাই বা পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনে যদি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিরূপ তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে তার সাময়িক মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে।
এই সাময়িক মনোনয়ন কোনো প্রার্থীর নিয়োগপ্রাপ্তির অধিকার সৃষ্টি করে না। অর্থাৎ স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ নির্ধারিত অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই নিয়োগের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে কমিশন থেকে জানানো হয়েছে।
প্রকাশিত ফলাফলে কোনো ধরনের ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে অথবা যুক্তিসঙ্গত কারণে প্রয়োজনবোধে ফলাফল পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন বা পুনর্নির্ধারণের ক্ষমতাও কমিশন সংরক্ষণ করেছে।
ফলাফল জানার পদ্ধতি: প্রার্থীর রোল দেখুন এখানে .
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে তরুণদের সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আবারও রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সংগঠনটি জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিইসি পদত্যাগ না করলে ভারতজুড়ে জোরদার আন্দোলন শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ‘গণতন্ত্রের জন্য হুমকি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে দ্রুত তার অপসারণের দাবি জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে দেশব্যাপী অহিংস ও রাজপথের কঠোর কর্মসূচি শুরু করা হবে।
এর আগে, বিভিন্ন নাগরিক ইস্যু নিয়ে মাঠে নেমে ভারতজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছিল স্যাটায়ারভিত্তিক এই তরুণ সংগঠন। নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রিক চলমান বিবাদের মধ্যে সিজেপির এই ঘোষণা ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়তি উত্তাপ সৃষ্টি করছে।
সম্প্রতি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ১০ মাসে ভোটার তালিকা সংশোধন ও নতুন মডিউল চালুর বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশি অন্তত ১৪ বার আপত্তি উত্থাপন করেছেন। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি ভোটারের নাম বাদ দিয়ে ক্ষমতাসীনদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কমিশন এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার অংশ বলে দাবি করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য পদে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা মশাল মিছিল করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে, চুয়েটের সকল আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা মশাল হাতে নিয়ে স্বাধীনতা চত্বরে সমবেত হয়।
স্বাধীনতা চত্বরে এসে শিক্ষার্থীরা ‘তোমার ভিসি, আমার ভিসি; সায়েম স্যার, সায়েম স্যার। উই ওয়ান্ট সায়েম স্যার’ স্লোগান দিতে শুরু করে। সকল শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত মিছিলটি চুয়েটের যানবাহন শাখা সংলগ্ন সড়কটি প্রদক্ষিণ করে বাস্কেটবল মাঠে এসে মিলিত হয়।
শেষে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে একটি সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে পরবর্তী দিনের দেয়াল লিখন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
এছাড়াও, প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে শিক্ষার্থীরা মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে। তারা মোমবাতির মাধ্যমে ‘৫৬’ সংখ্যাটি ফুটিয়ে তোলে, যা অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের উপাচার্য হিসেবে ৫৬ দিনের মেয়াদকালকে চিহ্নিত করে।
মশাল মিছিল নিয়ে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান মন্তব্য করেন, "আঁধারে সবার হাতে একসঙ্গে জ্বলে ওঠা মশাল আন্দোলনের সুদৃঢ় ঐক্য প্রদর্শন করে। সায়েম স্যার একজন বহুমুখী গুণসম্পন্ন মানুষ। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য একজন শিক্ষক ও উপাচার্য ছিলেন। তার গত ৫৬ দিনের নেতৃত্বে চুয়েট দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পথে ছিলো।"
তিনি আরও বলেন, "কিন্তু হঠাৎ করে তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা টা কোনো ভাবেই আমরা মেনে নিতে পারছি না। তাই তাকে পুনরায় উপাচার্য পদে নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের দাবি ও আন্দোলন চলবে। আমাদের একটাই দাবি—সায়েম স্যারকে আবারও উপাচার্য হিসেবে চাই।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরে পেশাদার পাখি ও বন্যপ্রাণী শিকারের অভিযোগে স্বামীর ঘর ত্যাগ করে প্রায় তিন বছর ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন তানিয়া আক্তার নামে এক গৃহবধূ। তিনি স্বামীর পাখি শিকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
তানিয়া আক্তারের বাবার বাড়ি উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামে। তার অভিযোগ, স্বামী বধু মিয়া দীর্ঘ সময় ধরে সীমান্তবর্তী এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির পাখি শিকার করে আসছেন। স্বামীর এই কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
তানিয়া আক্তার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ ও বিষটোপ ব্যবহার করে পাখি শিকার করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন যে, তার স্বামী বধু মিয়া এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বালিহাঁস, ডাহুক, শালিক ও জালালি কবুতরসহ বিভিন্ন পাখি শিকার করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়।
তানিয়া আক্তার বলেন, "আমার স্বামী সবসময় পাখি শিকার করে এবং শিকার করা পাখি বাড়িতে এনে রাখে। বিষয়টি আমার কাছে খুবই খারাপ লাগে। তাছাড়া সে বাচ্চা-কাচ্চার খোঁজখবর রাখে না, আমার ও সন্তানদের ভরণপোষণও দিচ্ছে না। বন বিভাগও তাকে নিয়ে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছে। তার এসব কর্মকাণ্ড ও বেপরোয়া জীবনযাপনের কারণে আমি তিন বছর ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছি। আমি চাই, সে নিজেকে সংশোধন করে স্বাভাবিক ও ভালো জীবনযাপন করুক এবং বন্যপ্রাণী ধ্বংসের কাজ থেকে বিরত থাকুক।"
কমলপুর গ্রামের কিশোর নাহিদ মিয়া বলেন, "বধু মিয়া নিয়মিত পাখি শিকার করেন বলে আমরা জানি। এ কারণে তার পারিবারিক জীবনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।"
অভিযুক্ত বধু মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "একসময় আমি পাখি শিকার করতাম, এখন করি না। আমি আমার স্ত্রী-সন্তানদের ভরণপোষণ দেব এবং শিগগিরই তাদের বাড়িতে নিয়ে আসব।"
হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য কর্মকর্তা সাবরিনা শিমু বলেন, "ওই শিকারির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব। বন্যপ্রাণীবান্ধব এমন সচেতনতা অবশ্যই প্রশংসনীয়। আমরা সবার কাছ থেকেই এমন সচেতনতা প্রত্যাশা করি।"
স্থানীয়দের ভাষ্য, সীমান্তবর্তী এলাকায় বন্যপ্রাণী ও পাখি শিকার বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা প্রয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ