বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৫ পি.এম
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য পদে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা মশাল মিছিল করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে, চুয়েটের সকল আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা মশাল হাতে নিয়ে স্বাধীনতা চত্বরে সমবেত হয়।
স্বাধীনতা চত্বরে এসে শিক্ষার্থীরা ‘তোমার ভিসি, আমার ভিসি; সায়েম স্যার, সায়েম স্যার। উই ওয়ান্ট সায়েম স্যার’ স্লোগান দিতে শুরু করে। সকল শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত মিছিলটি চুয়েটের যানবাহন শাখা সংলগ্ন সড়কটি প্রদক্ষিণ করে বাস্কেটবল মাঠে এসে মিলিত হয়।
শেষে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে একটি সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে পরবর্তী দিনের দেয়াল লিখন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
এছাড়াও, প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে শিক্ষার্থীরা মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে। তারা মোমবাতির মাধ্যমে ‘৫৬’ সংখ্যাটি ফুটিয়ে তোলে, যা অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের উপাচার্য হিসেবে ৫৬ দিনের মেয়াদকালকে চিহ্নিত করে।
মশাল মিছিল নিয়ে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান মন্তব্য করেন, "আঁধারে সবার হাতে একসঙ্গে জ্বলে ওঠা মশাল আন্দোলনের সুদৃঢ় ঐক্য প্রদর্শন করে। সায়েম স্যার একজন বহুমুখী গুণসম্পন্ন মানুষ। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য একজন শিক্ষক ও উপাচার্য ছিলেন। তার গত ৫৬ দিনের নেতৃত্বে চুয়েট দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পথে ছিলো।"
তিনি আরও বলেন, "কিন্তু হঠাৎ করে তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা টা কোনো ভাবেই আমরা মেনে নিতে পারছি না। তাই তাকে পুনরায় উপাচার্য পদে নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের দাবি ও আন্দোলন চলবে। আমাদের একটাই দাবি—সায়েম স্যারকে আবারও উপাচার্য হিসেবে চাই।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরে পেশাদার পাখি ও বন্যপ্রাণী শিকারের অভিযোগে স্বামীর ঘর ত্যাগ করে প্রায় তিন বছর ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন তানিয়া আক্তার নামে এক গৃহবধূ। তিনি স্বামীর পাখি শিকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
তানিয়া আক্তারের বাবার বাড়ি উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামে। তার অভিযোগ, স্বামী বধু মিয়া দীর্ঘ সময় ধরে সীমান্তবর্তী এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির পাখি শিকার করে আসছেন। স্বামীর এই কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
তানিয়া আক্তার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ ও বিষটোপ ব্যবহার করে পাখি শিকার করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন যে, তার স্বামী বধু মিয়া এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বালিহাঁস, ডাহুক, শালিক ও জালালি কবুতরসহ বিভিন্ন পাখি শিকার করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়।
তানিয়া আক্তার বলেন, "আমার স্বামী সবসময় পাখি শিকার করে এবং শিকার করা পাখি বাড়িতে এনে রাখে। বিষয়টি আমার কাছে খুবই খারাপ লাগে। তাছাড়া সে বাচ্চা-কাচ্চার খোঁজখবর রাখে না, আমার ও সন্তানদের ভরণপোষণও দিচ্ছে না। বন বিভাগও তাকে নিয়ে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছে। তার এসব কর্মকাণ্ড ও বেপরোয়া জীবনযাপনের কারণে আমি তিন বছর ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছি। আমি চাই, সে নিজেকে সংশোধন করে স্বাভাবিক ও ভালো জীবনযাপন করুক এবং বন্যপ্রাণী ধ্বংসের কাজ থেকে বিরত থাকুক।"
কমলপুর গ্রামের কিশোর নাহিদ মিয়া বলেন, "বধু মিয়া নিয়মিত পাখি শিকার করেন বলে আমরা জানি। এ কারণে তার পারিবারিক জীবনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।"
অভিযুক্ত বধু মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "একসময় আমি পাখি শিকার করতাম, এখন করি না। আমি আমার স্ত্রী-সন্তানদের ভরণপোষণ দেব এবং শিগগিরই তাদের বাড়িতে নিয়ে আসব।"
হবিগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য কর্মকর্তা সাবরিনা শিমু বলেন, "ওই শিকারির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব। বন্যপ্রাণীবান্ধব এমন সচেতনতা অবশ্যই প্রশংসনীয়। আমরা সবার কাছ থেকেই এমন সচেতনতা প্রত্যাশা করি।"
স্থানীয়দের ভাষ্য, সীমান্তবর্তী এলাকায় বন্যপ্রাণী ও পাখি শিকার বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা প্রয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, বাস ও সিএনজি অটোরিকশায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অগ্নিসংযোগ ও বোমা হামলার ঘটনাগুলো একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। তিনি উল্লেখ করেন, "যারা আগুন দিচ্ছে ও বোমা ছুড়ছে, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের শত্রু। সবাইকে সতর্ক ও প্রস্তুত থাকতে হবে। রাজপথ কারও ইজারা নেওয়া নয়।"
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ পর্যন্ত একটি বিশাল প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে, যা পরিকল্পিত সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।
রিজভী আরও বলেন, ছাত্রদলের সমাবেশে তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছে। তিনি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাস ও সিএনজি অটোরিকশায় সাম্প্রতিক অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলোকে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত অপরাধীরা স্বীকার করেছে যে, তারা প্রতিবেশি দেশ থেকে ফোনকলের মাধ্যমে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর নির্দেশনা পেয়েছিল এবং সেসব ঘটনার ছবি তোলা ও প্রমাণের জন্য তা ফেরত পাঠানোর জন্য অর্থও পেয়েছিল।
রিজভী বলেন, এই পরিকল্পিত সন্ত্রাসবাদ প্রতিবেশী দেশের একটি ফোন নম্বর থেকে পরিচালিত হচ্ছে, যা ষড়যন্ত্রের গভীরতা উন্মোচন করে।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সর্বদা জাতীয় স্বার্থ ও জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়।
সমাবেশে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, গত ১৭ বছরে জনগণ ফ্যাসিবাদী সরকারের দুর্নীতি ও দুঃশাসন প্রত্যক্ষ করেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার একদিকে যেমন দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে, তেমনি রাজপথে ষড়যন্ত্রকারীদেরও সক্রিয়ভাবে মোকাবিলা করছে।
বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল মন্তব্য করেন, সরকার যখন অর্থনীতি পুনর্গঠন ও একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে, তখন ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্বার্থান্বেষী মহল অগ্নিসংযোগ ও ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে ছাত্র সংগঠনটির বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আকিজ গ্রুপ জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: সিনিয়র ম্যানেজার (ফ্যাক্টরি)
বিভাগ: প্ল্যানেট কেয়ার লিমিটেড
পদসংখ্যা: ১টি
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং
অন্যান্য যোগ্যতা: টেক্সটাইল শিল্পে কাজের দক্ষতা রয়েছে এমন প্রার্থীদের জন্য এটি একটি সুযোগ।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১২ থেকে ১৫ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ৪২ থেকে ৫২ বছর
কর্মস্থল: গোপালগঞ্জ
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়ন থেকে শরীফপুর ইউনিয়নে নির্মাণাধীন হাছানহাট সংযোগ সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে জিআই তার ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা মোট ৫ কোটি টাকার প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুর রেলিংয়ে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রীও ব্যবহার করা হয়েছে।
এদিকে, পায়ের আঘাতে স্ল্যাব ভেঙে পড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, স্ল্যাবের ভাঙা অংশে রডের পরিবর্তে জিআই তার রয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদকে বদলি করা হয়েছে।
নোয়াখালী এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল কৌশিক বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা প্রকৌশলীকে বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, উপজেলা প্রকৌশলীকে ঢাকা থেকে বদলি করা হয়েছে এবং দুই কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে। এলজিইডি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ত্রুটিপূর্ণ কাজ সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়ন থেকে শরীফপুর ইউনিয়ন পর্যন্ত নির্মাণাধীন সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪৯.৬ মিটার। বিশ্বব্যাংক প্রকপ্লে আওতায় সেতুর প্রকল্প ব্যয় ৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কাজটি করছে মেসার্স হক ট্রেডার্স, যেখানে মাঠ পর্যায়ে কাজ বাস্তবায়ন করছেন ঠিকাদার মো. ফরহাদ পাটোয়ারী।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, সেতু নির্মাণের শুরু থেকেই নিম্নমানের সিমেন্ট, বালু, রড, ইটের খোয়া ও পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। ফুটপাতের স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে জিআই তার ব্যবহার করা হয়েছে এবং সেতুর রেলিংয়ে নিম্নমানের রড ও নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জিয়াউল হক বাবলু বলেন, একলাশপুর, শরীফপুর ও নেয়াজপুর ইউনিয়নসহ চারটি ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষ প্রতিদিন সেতুটির ওপর দিয়ে যাতায়াত করেন। তিনি জানান, শুরু থেকেই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের বিষয়ে ঠিকাদার ও উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফুটপাতের স্ল্যাব নির্মাণের পর হালকা আঘাতেই সেটি ভেঙে পড়ে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. মামুন বলেন, সেতুর রেলিংয়ে নিম্নমানের মেয়াদোত্তীর্ণ সিমেন্ট ও রড ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি জানান, নিম্নমানের সিমেন্ট ব্যবহারের কারণে হাত দিয়ে টান দিলেই রেলিং থেকে সিমেন্ট ও পাথর খসে পড়ছে। এ ধরনের কাজের কারণে সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠার পর নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল কৌশিক পৃথক তিনটি চিঠি দেন। এর মধ্যে বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ ও উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা নির্মাণকাজ যথাযথভাবে তদারকি করেননি। এটি তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং সরকারি চাকরিবিধির পরিপন্থী। তাদের বিরুদ্ধে কেন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে না, তা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হক ট্রেডার্সকে দেওয়া চিঠিতে নকশা ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী নির্মাণকাজের ত্রুটি সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে সংশোধিত কাজের বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে নির্বাহী প্রকৌশলীকে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, কাজের গুণগত মান নিশ্চিত না করে কোনো বিল পরিশোধ করা যাবে না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার ফরহাদ পাটোয়ারী জানান, তিনি ৫ আগস্টের পর বাবলু নামে এক ঠিকাদারের কাছ থেকে কাজটি কিনে নিয়ে বাস্তবায়ন করছেন। তিনি বলেন, "এটি একটি চলমান কাজ। একটি স্থানে দুটি স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক জিআই তার ব্যবহার করা হয়েছিল।" বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এলে দুপাশের পুরো স্ল্যাব ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করে দেওয়া হয়।
নোয়াখালী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, কয়েকটি স্ল্যাব নিম্নমানের মনে হওয়ায় সেগুলো ভেঙে নতুন করে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, "গত সোমবার স্ল্যাবগুলো ভাঙার সময় অতিউৎসাহী কিছু লোকজন সেখানে গিয়ে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে ভাইরাল করে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ