ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৮ বছরের আগেই ৪৭.২ শতাংশ তরুণীর বিয়ে: ইউনিসেফের তথ্য


১৮ বছরের আগেই ৪৭.২ শতাংশ তরুণীর বিয়ে: ইউনিসেফের তথ্য

দেশের ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী মেয়েদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে। তাদের মধ্যে ৪৭.২ শতাংশ বাল্যবিবাহের শিকার হয়েছে। এছাড়া, ১৩.৪ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে। অল্প বয়সে বিয়ের ফলে মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং স্বাস্থ্যগত জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে, নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০২৫-এর তথ্য তুলে ধরে মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এসব বিষয় জানায়। সংস্থাটি উল্লেখ করে যে, বাল্যবিবাহ বন্ধ করা, মেয়েদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।

আরো পড়ুন

আরও পড়ুন: সাইবার সিকিউরিটি আইন সংশোধনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

লিগ্যাল এইডে এডিআর-এ নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় উপকারভোগীর সংখ্যা ৫ লাখ।

বাংলাদেশে তিন দিনের সফর শেষে শিশুদের কল্যাণে তিনটি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল। তার প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে মেয়েদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের সরকারি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।

ইউনিসেফের মতে, বাল্যবিবাহের কারণে মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। পাশাপাশি, অল্প বয়সে গর্ভধারণের ঝুঁকিও তৈরি হয়। এতে তাদের শারীরিক সুস্থতা ও ব্যক্তিগত বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয় এবং ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশ সফরের সময় ঢাকার কড়াইল বস্তির পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন ক্যাথরিন রাসেল। তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

আরও পড়ুন: যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকির গ্রেপ্তার

বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পাওয়া ১৪ বছর বয়সী বুশরার সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ক্যাথরিন রাসেল জানান, ইউনিসেফের সহায়তায় পরিচালিত একটি শিশু সুরক্ষা কেন্দ্রের কমিউনিটি নেতারা তার বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বুশরাকে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা করেছেন।

তিনি বলেন, "মেয়েদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা গেলে তা তাদের, তাদের কমিউনিটি ও বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে সহায়তা করবে।"

ঢাকা সফরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ক্যাথরিন রাসেল। এ সময় শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর সরকারি অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন তিনি। পাশাপাশি, তা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন।

আরো পড়ুন

আরও পড়ুন: সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৯৬৩ শিশুর মৃত্যু

‘আওয়ামী লীগের নেতারা নিজের স্বার্থ রক্ষায় বেশি ব্যস্ত’

ক্যাথরিন রাসেল বলেন, "বাজেটের মধ্য দিয়েই অগ্রাধিকার প্রতিফলিত হয়। শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সুরক্ষায় বিনিয়োগ মানে বাংলাদেশের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ।"

এদিকে রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না করার আহ্বান জানিয়ে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক বলেন, সহিংসতা, বাস্তুচ্যুতি ও অনিশ্চয়তায় রোহিঙ্গা শিশুরা অনেক কিছু হারিয়েছে। এখন তাদের শিক্ষা থেকেও বঞ্চিত হতে দেওয়া যাবে না। এ শিশুদের পাশাপাশি আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্যও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: বিরোধীরা আবোল-তাবোল বলছে: খোকন তালুকদার এমপি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নতুন ডিজিটাল সেবা শুরু করল সৌদি আরব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২২ পি.এম


ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নতুন ডিজিটাল সেবা শুরু করল সৌদি আরব

সৌদি আরব নতুন একটি ডিজিটাল সেবা চালু করেছে, যা ওমরাহ যাত্রীদের ভিড় এড়িয়ে নির্বিঘ্নে ইবাদত ও চলাচলের সুযোগ প্রদান করবে। এই সেবার মাধ্যমে মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারাম এবং মদিনার মসজিদে নববীতে সরাসরি ভিড়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে। মুসল্লিরা ইন্টারঅ্যাকটিভ ডিজিটাল মানচিত্রের সাহায্যে দুই পবিত্র মসজিদের গুরুত্বপূর্ণ স্থান, বিভিন্ন সেবাকেন্দ্র এবং যাতায়াতের পথ সহজে খুঁজে নিতে পারবেন।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সেবার মান উন্নত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ মুসল্লি সমবেত হন মক্কার মসজিদুল হারাম এবং মদিনার মসজিদে নববীতে। বিশেষ করে ওমরাহর মৌসুম, রমজান মাস এবং ছুটির দিনগুলোতে মুসল্লিদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বিপুলসংখ্যক মানুষের চলাচল, তাওয়াফ ও সাঈ সম্পন্ন করা এবং বিভিন্ন সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সৌদি কর্তৃপক্ষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

এই পরিস্থিতিতে মুসল্লিদের চলাচল আরও সুশৃঙ্খল করা এবং ভিড় ব্যবস্থাপনায় কার্যকারিতা বাড়াতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। নতুন ডিজিটাল সেবার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, পবিত্র কাবা শরিফের চারপাশে তাওয়াফের এলাকা এবং সাফা ও মারওয়ার মধ্যবর্তী সাঈয়ের পথে ভিড়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য জানার সুযোগ। এর ফলে ওমরাহযাত্রীরা সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ইবাদতের সময় ও চলাচলের পরিকল্পনা করতে পারবেন। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় অপেক্ষা এবং চলাচলের চাপ কমাতেও সেবাটি সহায়ক হতে পারে।

বিশেষ করে বয়স্ক মুসল্লি, শিশুদের সঙ্গে আসা পরিবার এবং শারীরিকভাবে চলাচলে সীমাবদ্ধতা রয়েছে—এমন ব্যক্তিদের জন্য আগাম তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে ভিড়ের তথ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা দিলেও এটি সব সময় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অপেক্ষার নিশ্চয়তা দেয় না; মুসল্লিদের কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা অনুসরণ করতে হবে।

এ সেবার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে ইন্টারঅ্যাকটিভ ডিজিটাল মানচিত্র, যার মাধ্যমে দুই পবিত্র মসজিদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান, প্রবেশপথ, সেবাকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় স্থাপনার অবস্থান জানা যাবে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মানচিত্রে প্রায় ৯৫০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও পয়েন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি ১৭টিরও বেশি শ্রেণিতে এক লাখের বেশি সম্ভাব্য চলাচলের পথের নির্দেশনা রাখা হয়েছে। ফলে নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা সেবা খুঁজে পেতে মুসল্লিদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিজিটাল মানচিত্রে বিভিন্ন স্থান ও সেবা শনাক্ত করার সুবিধা থাকায় অপরিচিত পরিবেশে আসা বিদেশি ওমরাহযাত্রীদের জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে প্রথমবারের মতো সৌদি আরবে আসা মুসল্লিরা প্রয়োজনীয় স্থানের অবস্থান ও যাতায়াতের পথ সম্পর্কে আগাম ধারণা নিতে পারবেন। এতে দুই পবিত্র মসজিদের বিস্তৃত প্রাঙ্গণে চলাচল এবং প্রয়োজনীয় সেবা খুঁজে নেয়া আরও সহজ হতে পারে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও প্রতিবন্ধী মুসল্লিদের সুবিধার বিষয়টিও নতুন ব্যবস্থায় গুরুত্ব পেয়েছে। তাদের জন্য সহজে প্রবেশযোগ্য স্থান এবং উপযোগী চলাচলের পথ চিহ্নিত করার সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মসজিদ প্রাঙ্গণে স্থাপিত ডিজিটাল স্ক্রিন ও বিভিন্ন স্থানে থাকা কিউআর কোডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এসব সুবিধা মুসল্লিদের তথ্যপ্রাপ্তি সহজ করার পাশাপাশি সেবাগ্রহণে স্বনির্ভরতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

সৌদি আরবে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। বিপুলসংখ্যক মুসল্লির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তাদের চলাচল সহজ করা এবং পবিত্র স্থানগুলোতে সেবার মান উন্নত করা দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অন্যতম অগ্রাধিকার। সরাসরি ভিড়ের তথ্য এবং ডিজিটাল মানচিত্রের সমন্বিত ব্যবহার সেই প্রচেষ্টাকে আরও কার্যকর করার সুযোগ তৈরি করছে।

সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের মাধ্যমে ওমরাহযাত্রীরা ভিড়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে আগাম ধারণা নিয়ে তাদের চলাচল ও ইবাদতের পরিকল্পনা করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এতে সময় সাশ্রয়, অপ্রয়োজনীয় অপেক্ষা কমানো এবং পবিত্র দুই মসজিদে ইবাদতের অভিজ্ঞতা আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার সুযোগ তৈরি হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় মাদকের ১৮ ‘ঘুণ্টিঘর’ চিহ্নিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ পি.এম


ঢাকায় মাদকের ১৮ ‘ঘুণ্টিঘর’ চিহ্নিত

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযানের পর গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এই এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবন একটি ওপেন সিক্রেট হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে স্কুলশিক্ষার্থী, রিকশাওয়ালা ও চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের আনাগোনা বেড়ে যায় ঘুণ্টিঘর এলাকায়। রাতের গভীরতায় ঘুণ্টিঘর আরও জমজমাট হয়ে ওঠে। তবে রাজধানীতে মাদক কারবারের হটস্পট হিসেবে এটি একমাত্র ঘুণ্টিঘর নয়।

আরো পড়ুন

১৮ বছরের আগেই ৪৭.২ শতাংশ তরুণীর বিয়ে

গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুণ্টিঘরের মতো ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১৭টি মাদকের হটস্পট বিদ্যমান। এসব স্থানে প্রশাসনের চোখের সামনে গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইনসহ নিত্যনতুন মাদক নির্বিঘ্নে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি কিছু স্থানে ক্রিস্টাল মেথ বা আইসের মতো ভয়ংকর মাদকও প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। নিরাপদে মাদক সেবনের জন্য আলাদা টাকাও নিচ্ছে চক্র।

আরো পড়ুন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ২১ অক্টোবর ২০২৬

গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর প্রকাশ্যে আসার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কারবারিদের গ্রেপ্তারে সক্রিয় হয়েছে। মাদকের হটস্পট চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে এবং মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। ডিবি পুলিশ ঢাকায় মাদকের কোনো হটস্পটের অস্তিত্ব রাখতে চায় না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তবে অস্ত্র ও জনবল সংকটে একক অভিযান পরিচালনা করা নিজেদের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কর্মকর্তারা। তারা নতুন কৌশলে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা শুরু করেছেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যেকোনোভাবে মাদক সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দিতে চান। অন্যদিকে, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা জানিয়ে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছিল। তখন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ৫০ থানায় সক্রিয় সাড়ে ৩ শতাধিক শীর্ষ মাদক কারবারির তালিকা তৈরি করেছিল। কিন্তু বিশেষ অভিযানটির কয়েক মাস পার হয়ে গেলেও ৩ শতাধিক কারবারি এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।

আরো পড়ুন

লিগ্যাল এইডে এডিআর-এ নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় উপকারভোগীর সংখ্যা ৫ লাখ

গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর ও পার্শ্ববর্তী মুন্সিরটেক নয়, রাজধানীজুড়ে আরও বেশ কয়েকটি হটস্পট রয়েছে। এখানে মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও সেবন ওপেন সিক্রেট। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রাণভয়ে প্রতিবাদ করেন না, কারণ প্রতিবাদ করলে কারবারিরা হামলা করে। এমনকি গুলি করতেও দ্বিধা করে না তারা। ঘুণ্টিঘরের মতো অন্যতম স্পট হচ্ছে সবুজবাগের ওহাব কলোনি, কড়াইল বস্তি, পল্লবীর জেনেভা ক্যাম্প, শাহআলী মাজার, মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প, ভাটারা বালুর মাঠ, কারওয়ান বাজার থেকে নাখালপাড়া রেললাইন, হাজারীবাগের গণকটুলি সিটি কলোনি, উত্তরা রেলওয়ে স্টেশনের আশপাশ এলাকা, কোতোয়ালি সুইপার কলোনি, স্বামীবাগ রেললাইন, লালবাগের শহীদনগরের ৪ ও ৫ নম্বর গলি, ডেমরা সারুলিয়া নদীরপাড়, শ্যামপুর আইজি গেট বস্তি, কদমতলীর ওয়াসা রেলগেট, শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি ও কাফরুল কাঁঠাল মাঠ এলাকা।

আরো পড়ুন

উৎসবমুখর দুর্গাপূজা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত শক্তির প্রতিফলন : আনসার মহাপরিচালক

সরেজমিনে দেখা গেছে, কারওয়ানবাজার-নাখালপাড়া রেললাইন এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবনের হটস্পট আগের মতোই সক্রিয় রয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যার পর এফডিসি রেলগেটের কাছে দেখা যায় তিন কিশোর কাগজে মোড়া গাঁজার পুঁটলি পলিথিনে ভরে ছোটাছুটি করছে। তারা যাতায়াতকারী লোকদের বলছে ১০০ না ২০০। লাগবে নাকি সিদ্ধি? অনেকে তাদের কাছ থেকে কিনে নিচ্ছে। শুধু রেলগেট নয়, এফডিসি রেলগেট থেকে তেজগাঁও রেলগেট পর্যন্ত বিস্তৃত মাদকের বাজার। এই এলাকায় রেললাইনের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকে বিক্রেতারা। ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে তারা হাঁক দেন। ক্রেতারা টাকা হাতে দাঁড়ালেই তারা বের করে দেন গাঁজা, ইয়াবা। কেউ কেউ রেললাইনের পাথরের নিচে লুকিয়ে রাখেন মাদক। গ্রাহক এলে বের করে বিক্রি করে এবং মুহূর্তের মধ্যে কিছুটা দূরে গিয়ে নতুন ক্রেতা খুঁজতে থাকেন।

আরো পড়ুন

বসুন্ধরা সার্বজনীন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প একটি গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এখানকার কয়েকজন শীর্ষ কারবারি গ্রেপ্তার হলেও মাদক কারবার থামানো সম্ভব হয়নি। ক্যাম্পের মুরগিপট্টি, বাবর রোড, আল ফালাহ মডেল ক্লিনিক গলি, হুমায়ুন রোডসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত মাদক বিক্রি ও সেবন চলছে। ক্যাম্প এলাকায় ঢুকলেই নারী ও শিশুদের হাতে ইয়াবা ও হেরোইন দেখা যায়। অপরিচিত কেউ ক্যাম্প এলাকায় প্রবেশ করলে নজরদারিও করেন কারবারিরা। পল্লবীর এডিসি ক্যাম্প, কেটিসি ক্যাম্প, রহমত ক্যাম্প, মাদরাসা ক্যাম্প, মুসলিম ক্যাম্প, কনসাল ক্যাম্প, থার্টিনাস ক্যাম্প, কালাপানি বস্তি, কুর্মিটোলা ক্যাম্প, মুড়াপাড়া ক্যাম্প, এমসিসি ক্যাম্প, মিল্লাত ক্যাম্প, শাহপরান ক্যাম্পও মাদকের অন্যতম হাব। ফোর স্টার গ্রুপের ছত্রছায়ায় কারবারিরা এসব ক্যাম্পে মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে।

আরো পড়ুন

‘আওয়ামী লীগের নেতারা নিজের স্বার্থ রক্ষায় বেশি ব্যস্ত’

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পল্লবীতে মাদকের কলকাঠি নাড়ছে রাজিয়া বেগম, ফতেহ, লাভলী বেগম, নাদিম, জুম্মন, হালিমা, সাহাজামান, বট রনি, আফসানা, রুমা, রজনী আক্তার ও শাহিনুর বেগম। মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্পে মাদক নিয়ন্ত্রণ করছে গলাকাটা মনু, চোর জানু ওরফে জানে আলম, সারফু আরমান, তাজ, আনোয়ার হোসেন কাল্লু, চাপাই আরিফ, সিডি স্বপন। গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে রহিমা, মনিরুল হক রবিন, মিনু, স্বামীবাগ রেললাইনে আমির হোসেন, কড়াইল বস্তির মাদক নিয়ন্ত্রণ করছে জিল্লুর রহমান, এরশাদ মিয়া, টোকাই আনোয়ার, লিটন, বরিশাইল্লা নাসির, মিজানুর রহমান, আইলশা মনির, ঘাড় কাটা বাবুল ও রনি। সবুজবাগ ওহাব কলোনির মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে ফর্মা বাবুল, মো. শামীম, আশিকুর রহমান শান্ত, সুফিয়া ও তার মেয়ে তানিয়া বেগম। শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি নিয়ন্ত্রণ করছে হারিছ মিয়া, সজল হোসেন, শাওন চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন, মানিক ও কানা সোহেল।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মোহাম্মদ ওসমান গণি জানিয়েছেন, রাজধানীতে মাদকের হটস্পটগুলোর নতুন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

আরো পড়ুন

বিএনপি নেতার মুক্তির আকুতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির সামনে দুই কন্যা

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ডিএমপি সব সময় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর থেকে গত ৬ মাসে ৫ শতাধিক মাদক সেবনকারী ও বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবুও এখানে মাদকের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। এই ঘুণ্টিঘরসহ ঢাকায় অন্যান্য হটস্পটগুলোর অস্তিত্ব রাখা হবে না।

ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক (ডিডি) মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ঘুণ্টিঘরের মতো স্পটে ডিএনসির একার পক্ষে অভিযান পরিচালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ। এজন্য অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় সমন্বিত অভিযান জোরদার করা হয়েছে। ঘুণ্টিঘরের পর ওহাব কলোনিতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ভাটারা বালুর মাঠেও অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেখানে আপাতত মাদক কারবার বন্ধ রয়েছে জানার পর অভিযান স্থগিত করা হয়।

ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের ডিডি মো. রাজিউর রহমান জানিয়েছেন, কড়াইল বস্তি থেকে আট শীর্ষ কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও শীর্ষ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাদের পরবর্তী টার্গেট মিরপুর এলাকা। এরপর ধাপে ধাপে অন্য এলাকাতেও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী ইউএনওদের উন্নয়নে বাধা কাটাতে বার্তা দেবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী ইউএনওদের উন্নয়নে বাধা কাটাতে বার্তা দেবেন

দেশে প্রথমবারের মতো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সম্মেলন ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের অনুরূপ। ৫ শতাধিক ইউএনও সরাসরি সরকারপ্রধান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা গ্রহণ করবেন। মাঠপর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইউএনওদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি দিকনির্দেশনায় মাঠ প্রশাসন আরও উজ্জীবিত হবে। একই সঙ্গে, উপজেলা উন্নয়নে বিভিন্ন বাধা দূর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা দেবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই সম্মেলন এক দিনের হবে।

আরো পড়ুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর জেলা প্রশাসক সম্মেলন আয়োজনের রেওয়াজ রয়েছে। ডিসিরা সরকারের মন্ত্রী-সচিবদের সামনে মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। ইউএনওরা যদি সরকারের কাছে মাঠ প্রশাসনের সমস্যা এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধাগুলোর কথা তুলে ধরেন, তাহলে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে। এই কারণেই ডিসি সম্মেলনের আদলে ইউএনও সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরো পড়ুন

যে কারণে আপনি সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেবেন।

গত ৩ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত সারা দেশের ইউএনওদের নিয়ে এক সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রতি বছর ডিসি সম্মেলনের মতো ইউএনওদের নিয়ে সম্মেলন করার প্রস্তাব দেন। সেই সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিবও উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা পর্যায়ে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং নাগরিক সেবা প্রদান করার ক্ষেত্রে ইউএনওরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

আরো পড়ুন

ঢাকায় মাদকের ১৮ ‘ঘুণ্টিঘর’

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১ ডিসেম্বর ডিসি সম্মেলনের আদলে আয়োজিত এ সম্মেলন হতে পারে। সম্মেলনটি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর সময়ও চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ইউএনও সম্মেলন সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ ডিসেম্বর এটি হবে, এমন প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এটি কোথায় অনুষ্ঠিত হবে জানতে চাইলে দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, এখনো ভেন্যু নির্ধারণ হয়নি। সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র বিবেচনায় আছে, এবং বিকল্প ভেন্যু হিসেবে ওসমানী উদ্যান রয়েছে। সম্মেলনের আলোচ্যসূচি নিয়েও কাজ চলছে বলে জানা গেছে।

আরো পড়ুন

লিগ্যাল এইডে এডিআর-এ নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় উপকারভোগীর সংখ্যা ৫ লাখ।

সূত্র জানায়, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, প্রবাসী কার্ডসহ অগ্রাধিকার বিষয় আলোচনা গুরুত্ব পাবে। গ্রামগঞ্জে যারা প্রবাসে আছেন তারা যেন বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠান, এজন্য প্রবাসী কার্ড নিয়ে দিকনির্দেশনা দেবেন। সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হবে ওই সম্মেলনে। বৃক্ষরোপণ যেন সত্যিকারের উপকারে আসে, সে বিষয়ে নানা দিকনির্দেশনা আসবে। সরকারের খাল খনন নিয়ে কী বাধা, কী কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, এসব বিষয় জানতে চাওয়া হতে পারে। এছাড়া, সম্মেলনে উপজেলার উন্নয়ন কার্যাবলির সমন্বয় ছাড়াও সরকারি কর্মসূচি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতিসঞ্চার, ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালীকরণ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কৃষি উন্নয়ন, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হবে।

সভায় এলাকার উন্নয়নে ইউএনওদের কাছ থেকে সরাসরি নানা বিষয়ে শুনতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। ইউএনওদের সরাসরি সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার কারণে প্রান্তিক উন্নয়ন, সমস্যা বা এলাকার রাজনীতির হস্তক্ষেপ থাকলেও সেটি তুলে ধরার সুযোগ হবে ইউএনওদের।

আরো পড়ুন

উৎসবমুখর দুর্গাপূজা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত শক্তির প্রতিফলন : আনসার মহাপরিচালক।

এছাড়া, মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব পালনকালে ইউএনওদের যেসব প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়, সে বিষয়ে সম্মেলনে স্থানীয় সরকার বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও সরাসরি দিকনির্দেশনা দেবেন বলে জানা গেছে।

সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, এটি সরকারের খুবই ভালো উদ্যোগ। এতে কর্মকর্তারা উজ্জীবিত হন। কাজেও গতি আসে। মাঠের সমস্যা সরাসরি বলতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীও লিখিত তথ্যের চেয়ে বিষয়গুলো সরাসরি শুনতে পারেন।

আরো পড়ুন

চট্টগ্রামের জেএমসেন হল পূজামণ্ডপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি আরো বলেন, এরশাদ শাসনামলে এটি হয়েছিল, তবে সব ইউএনওকে নিয়ে একত্রে নয়, বিভাগ অনুযায়ী। আমি মনে করি, সব ইউএনওকে নিয়ে আলোচনা করলে জনসভার মতো হতে পারে, সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকটা কয়েকটা জেলা বা বিভাগওয়ারি হলে আরো কার্যকর হবে। সরকারপ্রধান এবং ইউএনওদের যোগাযোগ কার্যকর হবে বেশি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চণ্ডিপুর দুর্গাপূজার মণ্ডপে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বক্তব্য: "আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ"

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


চণ্ডিপুর দুর্গাপূজার মণ্ডপে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বক্তব্য: "আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ"

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা.এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, "আমরা হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান এভাবে আমাদের দেশকে ভাগাভাগি করতে চাই না। এটা আমাদের ধর্মীয় ভাগ, আমাদের এক একজনের ধর্ম একেক মত কিন্তু আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ, আমরা বাংলাদেশি।"

তিনি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হিলির চণ্ডিপুর সার্বজনিন দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, "নিজেকে ছোট ভাবার কোনো সুযোগ নেই, আমাদের সবার সমান অধিকার। নিজেকে দুর্বল ভাববেন না কোনো সময়। আমরা সবসময় সমঅধিকারে বিশ্বাস করি। সকল নাগরিকের সমান অধিকার।"

এসময় তিনি উল্লেখ করেন যে, "অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠিন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। কোনো অবস্থাতেই ডানে-বামে চেয়ে দেখেন না যে, এ মানুষটি কে বা সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, লাভবান হচ্ছে তিনি কোন দলের লোক। বর্তমান সরকার দেখছে, দেশের মানুষের জন্য কোনটা সবচেয়ে ভালো সেটি করা উচিত। সেটিই বর্তমান সরকার করছে। সেটা করার ব্যাপারে আমরা খুবই প্রতিজ্ঞ। আমরা অবশ্যই এর থেকে একচুলও পিছিয়ে যাবো না।"

এর আগে, তিনি মন্দির প্রাঙ্গনে পৌঁছালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা, সহকারী কমিশনার মেহদি ইমাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেনসহ মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%