ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকায় মাদকের ১৮ ‘ঘুণ্টিঘর’ চিহ্নিত


ঢাকায় মাদকের ১৮ ‘ঘুণ্টিঘর’ চিহ্নিত

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযানের পর গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এই এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবন একটি ওপেন সিক্রেট হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে স্কুলশিক্ষার্থী, রিকশাওয়ালা ও চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের আনাগোনা বেড়ে যায় ঘুণ্টিঘর এলাকায়। রাতের গভীরতায় ঘুণ্টিঘর আরও জমজমাট হয়ে ওঠে। তবে রাজধানীতে মাদক কারবারের হটস্পট হিসেবে এটি একমাত্র ঘুণ্টিঘর নয়।

আরো পড়ুন

১৮ বছরের আগেই ৪৭.২ শতাংশ তরুণীর বিয়ে

আরও পড়ুন: হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিসে সন্ত্রাসীদের হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট

গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুণ্টিঘরের মতো ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১৭টি মাদকের হটস্পট বিদ্যমান। এসব স্থানে প্রশাসনের চোখের সামনে গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইনসহ নিত্যনতুন মাদক নির্বিঘ্নে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি কিছু স্থানে ক্রিস্টাল মেথ বা আইসের মতো ভয়ংকর মাদকও প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। নিরাপদে মাদক সেবনের জন্য আলাদা টাকাও নিচ্ছে চক্র।

আরো পড়ুন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ২১ অক্টোবর ২০২৬

গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর প্রকাশ্যে আসার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কারবারিদের গ্রেপ্তারে সক্রিয় হয়েছে। মাদকের হটস্পট চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে এবং মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। ডিবি পুলিশ ঢাকায় মাদকের কোনো হটস্পটের অস্তিত্ব রাখতে চায় না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তবে অস্ত্র ও জনবল সংকটে একক অভিযান পরিচালনা করা নিজেদের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কর্মকর্তারা। তারা নতুন কৌশলে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা শুরু করেছেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যেকোনোভাবে মাদক সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দিতে চান। অন্যদিকে, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা জানিয়ে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছিল। তখন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ৫০ থানায় সক্রিয় সাড়ে ৩ শতাধিক শীর্ষ মাদক কারবারির তালিকা তৈরি করেছিল। কিন্তু বিশেষ অভিযানটির কয়েক মাস পার হয়ে গেলেও ৩ শতাধিক কারবারি এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত শক্তির প্রতিফলন: আনসার মহাপরিচালক

আরো পড়ুন

লিগ্যাল এইডে এডিআর-এ নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় উপকারভোগীর সংখ্যা ৫ লাখ

গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর ও পার্শ্ববর্তী মুন্সিরটেক নয়, রাজধানীজুড়ে আরও বেশ কয়েকটি হটস্পট রয়েছে। এখানে মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও সেবন ওপেন সিক্রেট। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রাণভয়ে প্রতিবাদ করেন না, কারণ প্রতিবাদ করলে কারবারিরা হামলা করে। এমনকি গুলি করতেও দ্বিধা করে না তারা। ঘুণ্টিঘরের মতো অন্যতম স্পট হচ্ছে সবুজবাগের ওহাব কলোনি, কড়াইল বস্তি, পল্লবীর জেনেভা ক্যাম্প, শাহআলী মাজার, মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প, ভাটারা বালুর মাঠ, কারওয়ান বাজার থেকে নাখালপাড়া রেললাইন, হাজারীবাগের গণকটুলি সিটি কলোনি, উত্তরা রেলওয়ে স্টেশনের আশপাশ এলাকা, কোতোয়ালি সুইপার কলোনি, স্বামীবাগ রেললাইন, লালবাগের শহীদনগরের ৪ ও ৫ নম্বর গলি, ডেমরা সারুলিয়া নদীরপাড়, শ্যামপুর আইজি গেট বস্তি, কদমতলীর ওয়াসা রেলগেট, শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি ও কাফরুল কাঁঠাল মাঠ এলাকা।

আরো পড়ুন

আরও পড়ুন: নিকলীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের তাণ্ডব, গ্রেফতার-২

উৎসবমুখর দুর্গাপূজা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত শক্তির প্রতিফলন : আনসার মহাপরিচালক

সরেজমিনে দেখা গেছে, কারওয়ানবাজার-নাখালপাড়া রেললাইন এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবনের হটস্পট আগের মতোই সক্রিয় রয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যার পর এফডিসি রেলগেটের কাছে দেখা যায় তিন কিশোর কাগজে মোড়া গাঁজার পুঁটলি পলিথিনে ভরে ছোটাছুটি করছে। তারা যাতায়াতকারী লোকদের বলছে ১০০ না ২০০। লাগবে নাকি সিদ্ধি? অনেকে তাদের কাছ থেকে কিনে নিচ্ছে। শুধু রেলগেট নয়, এফডিসি রেলগেট থেকে তেজগাঁও রেলগেট পর্যন্ত বিস্তৃত মাদকের বাজার। এই এলাকায় রেললাইনের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকে বিক্রেতারা। ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে তারা হাঁক দেন। ক্রেতারা টাকা হাতে দাঁড়ালেই তারা বের করে দেন গাঁজা, ইয়াবা। কেউ কেউ রেললাইনের পাথরের নিচে লুকিয়ে রাখেন মাদক। গ্রাহক এলে বের করে বিক্রি করে এবং মুহূর্তের মধ্যে কিছুটা দূরে গিয়ে নতুন ক্রেতা খুঁজতে থাকেন।

আরো পড়ুন

বসুন্ধরা সার্বজনীন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক

আরও পড়ুন: গজারিয়ায় ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে ১০০ রোগীর সেবা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প একটি গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এখানকার কয়েকজন শীর্ষ কারবারি গ্রেপ্তার হলেও মাদক কারবার থামানো সম্ভব হয়নি। ক্যাম্পের মুরগিপট্টি, বাবর রোড, আল ফালাহ মডেল ক্লিনিক গলি, হুমায়ুন রোডসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত মাদক বিক্রি ও সেবন চলছে। ক্যাম্প এলাকায় ঢুকলেই নারী ও শিশুদের হাতে ইয়াবা ও হেরোইন দেখা যায়। অপরিচিত কেউ ক্যাম্প এলাকায় প্রবেশ করলে নজরদারিও করেন কারবারিরা। পল্লবীর এডিসি ক্যাম্প, কেটিসি ক্যাম্প, রহমত ক্যাম্প, মাদরাসা ক্যাম্প, মুসলিম ক্যাম্প, কনসাল ক্যাম্প, থার্টিনাস ক্যাম্প, কালাপানি বস্তি, কুর্মিটোলা ক্যাম্প, মুড়াপাড়া ক্যাম্প, এমসিসি ক্যাম্প, মিল্লাত ক্যাম্প, শাহপরান ক্যাম্পও মাদকের অন্যতম হাব। ফোর স্টার গ্রুপের ছত্রছায়ায় কারবারিরা এসব ক্যাম্পে মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে।

আরো পড়ুন

‘আওয়ামী লীগের নেতারা নিজের স্বার্থ রক্ষায় বেশি ব্যস্ত’

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পল্লবীতে মাদকের কলকাঠি নাড়ছে রাজিয়া বেগম, ফতেহ, লাভলী বেগম, নাদিম, জুম্মন, হালিমা, সাহাজামান, বট রনি, আফসানা, রুমা, রজনী আক্তার ও শাহিনুর বেগম। মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্পে মাদক নিয়ন্ত্রণ করছে গলাকাটা মনু, চোর জানু ওরফে জানে আলম, সারফু আরমান, তাজ, আনোয়ার হোসেন কাল্লু, চাপাই আরিফ, সিডি স্বপন। গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে রহিমা, মনিরুল হক রবিন, মিনু, স্বামীবাগ রেললাইনে আমির হোসেন, কড়াইল বস্তির মাদক নিয়ন্ত্রণ করছে জিল্লুর রহমান, এরশাদ মিয়া, টোকাই আনোয়ার, লিটন, বরিশাইল্লা নাসির, মিজানুর রহমান, আইলশা মনির, ঘাড় কাটা বাবুল ও রনি। সবুজবাগ ওহাব কলোনির মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে ফর্মা বাবুল, মো. শামীম, আশিকুর রহমান শান্ত, সুফিয়া ও তার মেয়ে তানিয়া বেগম। শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি নিয়ন্ত্রণ করছে হারিছ মিয়া, সজল হোসেন, শাওন চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন, মানিক ও কানা সোহেল।

আরও পড়ুন: কালীগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল করতে চান সাংবাদিক পনির খন্দকার

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মোহাম্মদ ওসমান গণি জানিয়েছেন, রাজধানীতে মাদকের হটস্পটগুলোর নতুন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

আরো পড়ুন

বিএনপি নেতার মুক্তির আকুতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির সামনে দুই কন্যা

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ডিএমপি সব সময় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর থেকে গত ৬ মাসে ৫ শতাধিক মাদক সেবনকারী ও বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবুও এখানে মাদকের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। এই ঘুণ্টিঘরসহ ঢাকায় অন্যান্য হটস্পটগুলোর অস্তিত্ব রাখা হবে না।

আরও পড়ুন: হাড়ের ক্ষয়জনিত রোগ প্রতিরোধে দেশজুড়ে স্ক্রিনিংয়ের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক (ডিডি) মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ঘুণ্টিঘরের মতো স্পটে ডিএনসির একার পক্ষে অভিযান পরিচালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ। এজন্য অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় সমন্বিত অভিযান জোরদার করা হয়েছে। ঘুণ্টিঘরের পর ওহাব কলোনিতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ভাটারা বালুর মাঠেও অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেখানে আপাতত মাদক কারবার বন্ধ রয়েছে জানার পর অভিযান স্থগিত করা হয়।

ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের ডিডি মো. রাজিউর রহমান জানিয়েছেন, কড়াইল বস্তি থেকে আট শীর্ষ কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও শীর্ষ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাদের পরবর্তী টার্গেট মিরপুর এলাকা। এরপর ধাপে ধাপে অন্য এলাকাতেও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী ইউএনওদের উন্নয়নে বাধা কাটাতে বার্তা দেবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী ইউএনওদের উন্নয়নে বাধা কাটাতে বার্তা দেবেন

দেশে প্রথমবারের মতো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সম্মেলন ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের অনুরূপ। ৫ শতাধিক ইউএনও সরাসরি সরকারপ্রধান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা গ্রহণ করবেন। মাঠপর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইউএনওদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি দিকনির্দেশনায় মাঠ প্রশাসন আরও উজ্জীবিত হবে। একই সঙ্গে, উপজেলা উন্নয়নে বিভিন্ন বাধা দূর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা দেবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই সম্মেলন এক দিনের হবে।

আরো পড়ুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর জেলা প্রশাসক সম্মেলন আয়োজনের রেওয়াজ রয়েছে। ডিসিরা সরকারের মন্ত্রী-সচিবদের সামনে মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। ইউএনওরা যদি সরকারের কাছে মাঠ প্রশাসনের সমস্যা এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধাগুলোর কথা তুলে ধরেন, তাহলে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে। এই কারণেই ডিসি সম্মেলনের আদলে ইউএনও সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরো পড়ুন

যে কারণে আপনি সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেবেন।

গত ৩ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত সারা দেশের ইউএনওদের নিয়ে এক সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রতি বছর ডিসি সম্মেলনের মতো ইউএনওদের নিয়ে সম্মেলন করার প্রস্তাব দেন। সেই সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিবও উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা পর্যায়ে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং নাগরিক সেবা প্রদান করার ক্ষেত্রে ইউএনওরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

আরো পড়ুন

ঢাকায় মাদকের ১৮ ‘ঘুণ্টিঘর’

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১ ডিসেম্বর ডিসি সম্মেলনের আদলে আয়োজিত এ সম্মেলন হতে পারে। সম্মেলনটি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর সময়ও চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ইউএনও সম্মেলন সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ ডিসেম্বর এটি হবে, এমন প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এটি কোথায় অনুষ্ঠিত হবে জানতে চাইলে দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, এখনো ভেন্যু নির্ধারণ হয়নি। সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র বিবেচনায় আছে, এবং বিকল্প ভেন্যু হিসেবে ওসমানী উদ্যান রয়েছে। সম্মেলনের আলোচ্যসূচি নিয়েও কাজ চলছে বলে জানা গেছে।

আরো পড়ুন

লিগ্যাল এইডে এডিআর-এ নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় উপকারভোগীর সংখ্যা ৫ লাখ।

সূত্র জানায়, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, প্রবাসী কার্ডসহ অগ্রাধিকার বিষয় আলোচনা গুরুত্ব পাবে। গ্রামগঞ্জে যারা প্রবাসে আছেন তারা যেন বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠান, এজন্য প্রবাসী কার্ড নিয়ে দিকনির্দেশনা দেবেন। সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হবে ওই সম্মেলনে। বৃক্ষরোপণ যেন সত্যিকারের উপকারে আসে, সে বিষয়ে নানা দিকনির্দেশনা আসবে। সরকারের খাল খনন নিয়ে কী বাধা, কী কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, এসব বিষয় জানতে চাওয়া হতে পারে। এছাড়া, সম্মেলনে উপজেলার উন্নয়ন কার্যাবলির সমন্বয় ছাড়াও সরকারি কর্মসূচি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতিসঞ্চার, ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালীকরণ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কৃষি উন্নয়ন, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হবে।

সভায় এলাকার উন্নয়নে ইউএনওদের কাছ থেকে সরাসরি নানা বিষয়ে শুনতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। ইউএনওদের সরাসরি সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার কারণে প্রান্তিক উন্নয়ন, সমস্যা বা এলাকার রাজনীতির হস্তক্ষেপ থাকলেও সেটি তুলে ধরার সুযোগ হবে ইউএনওদের।

আরো পড়ুন

উৎসবমুখর দুর্গাপূজা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত শক্তির প্রতিফলন : আনসার মহাপরিচালক।

এছাড়া, মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব পালনকালে ইউএনওদের যেসব প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়, সে বিষয়ে সম্মেলনে স্থানীয় সরকার বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও সরাসরি দিকনির্দেশনা দেবেন বলে জানা গেছে।

সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, এটি সরকারের খুবই ভালো উদ্যোগ। এতে কর্মকর্তারা উজ্জীবিত হন। কাজেও গতি আসে। মাঠের সমস্যা সরাসরি বলতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীও লিখিত তথ্যের চেয়ে বিষয়গুলো সরাসরি শুনতে পারেন।

আরো পড়ুন

চট্টগ্রামের জেএমসেন হল পূজামণ্ডপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি আরো বলেন, এরশাদ শাসনামলে এটি হয়েছিল, তবে সব ইউএনওকে নিয়ে একত্রে নয়, বিভাগ অনুযায়ী। আমি মনে করি, সব ইউএনওকে নিয়ে আলোচনা করলে জনসভার মতো হতে পারে, সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকটা কয়েকটা জেলা বা বিভাগওয়ারি হলে আরো কার্যকর হবে। সরকারপ্রধান এবং ইউএনওদের যোগাযোগ কার্যকর হবে বেশি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চণ্ডিপুর দুর্গাপূজার মণ্ডপে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বক্তব্য: "আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ"

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


চণ্ডিপুর দুর্গাপূজার মণ্ডপে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বক্তব্য: "আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ"

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা.এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, "আমরা হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান এভাবে আমাদের দেশকে ভাগাভাগি করতে চাই না। এটা আমাদের ধর্মীয় ভাগ, আমাদের এক একজনের ধর্ম একেক মত কিন্তু আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ, আমরা বাংলাদেশি।"

তিনি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হিলির চণ্ডিপুর সার্বজনিন দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, "নিজেকে ছোট ভাবার কোনো সুযোগ নেই, আমাদের সবার সমান অধিকার। নিজেকে দুর্বল ভাববেন না কোনো সময়। আমরা সবসময় সমঅধিকারে বিশ্বাস করি। সকল নাগরিকের সমান অধিকার।"

এসময় তিনি উল্লেখ করেন যে, "অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠিন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। কোনো অবস্থাতেই ডানে-বামে চেয়ে দেখেন না যে, এ মানুষটি কে বা সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, লাভবান হচ্ছে তিনি কোন দলের লোক। বর্তমান সরকার দেখছে, দেশের মানুষের জন্য কোনটা সবচেয়ে ভালো সেটি করা উচিত। সেটিই বর্তমান সরকার করছে। সেটা করার ব্যাপারে আমরা খুবই প্রতিজ্ঞ। আমরা অবশ্যই এর থেকে একচুলও পিছিয়ে যাবো না।"

এর আগে, তিনি মন্দির প্রাঙ্গনে পৌঁছালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা, সহকারী কমিশনার মেহদি ইমাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেনসহ মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেতানিয়াহুকে নিয়ে ট্রাম্প-ভ্যান্সের ভিন্ন অবস্থান, ইসরাইলের নির্বাচনে প্রভাব পড়বে কি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ পি.এম


নেতানিয়াহুকে নিয়ে ট্রাম্প-ভ্যান্সের ভিন্ন অবস্থান, ইসরাইলের নির্বাচনে প্রভাব পড়বে কি?

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরাইলের আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি ইসরাইলের নির্বাচনে জড়িত না হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিতে চান।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সাংবাদিক মার্ক হ্যালপেরিনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স এই মন্তব্য করেন। এর ঠিক এক দিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানান।

ভ্যান্স বলেন, ‘আমি তাকে (নেতানিয়াহু) সমর্থন করার বিপক্ষে নই, আবার সমর্থনের পক্ষেও নই। ইসরাইলের নির্বাচনে আমি জড়াচ্ছি না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের প্রার্থীদের সমর্থন করি। আমার মনোযোগ এখন মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরেই।’

গত এপ্রিলে হাঙ্গেরিতে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানকে সমর্থন জানিয়েছিলেন ভ্যান্স, তবে নির্বাচনে পিটার ম্যাগায়ারের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে যান অরবান।

এদিকে, ট্রাম্প দুই মেয়াদে নেতানিয়াহু ও তার ডানপন্থি সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। প্রথম মেয়াদে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তর করেন, গোলান মালভূমিতে ইসরাইলের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেন এবং ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ইরানের পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। ট্রাম্প ফিলিস্তিন ইস্যুকে পাশ কাটিয়ে আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগও গ্রহণ করেন।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন ইসরাইলে অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত রেখেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) বিরুদ্ধে চাপ বৃদ্ধি করেছে ওয়াশিংটন।

অন্যদিকে, ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী জেডি ভ্যান্স রিপাবলিকান দলের মধ্যে ইসরাইলকে নিঃশর্ত সমর্থন দেয়ার বিরোধিতাকারীদের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধে মার্কিন নাগরিকদের খরচ বেড়ে যাওয়ায় রিপাবলিকান কিছু সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পেয়েছে।

যদিও ভ্যান্স ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন, তথাপি নেতানিয়াহুর নির্বাচনী জোটের প্রতি তার অঙ্গীকার নিয়ে ইহুদি রিপাবলিকানদের একাংশ সংশয় প্রকাশ করেছেন।

গত জুনে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছিল ইসরাইল। ওই সময় ভ্যান্স মন্তব্য করেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তার প্রতিটি সমস্যা সমাধানের জন্য শুধু মানুষ হত্যা করে যেতে পারেন না।’

এছাড়া, ট্রাম্পকে বিচ্ছিন্ন না করার জন্য নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভাকে সতর্ক করে ভ্যান্স বলেন, ইসরাইলের হাতে এখন ‘একমাত্র শক্তিশালী মিত্র’ হলেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন এবং ভ্যান্সের সমর্থন জানাতে অস্বীকৃতি আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির অবস্থানে কী প্রভাব ফেলবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিছু জনমত জরিপে দেখা গেছে, লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযান নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা এবং ইরানের সঙ্গে সংঘাত আরও বাড়ানো এড়াতে ট্রাম্পের অবস্থানের কারণে ইসরাইলি ভোটারদের একাংশ তার ওপর অসন্তুষ্ট।

২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে জনমত জরিপগুলোতে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ইয়াশার পার্টি। দলটির নেতা ও ইসরাইলের সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট জানিয়েছেন, সরকার গঠনের লক্ষ্যে বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে জোট গড়ার চেষ্টা করবেন তিনি।

সূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিমোজের ঐতিহাসিক টাউন হলে আগুন, ৩৪ বছর বয়সী সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৭ পি.এম


লিমোজের ঐতিহাসিক টাউন হলে আগুন, ৩৪ বছর বয়সী সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

ফ্রান্সের লিমোজ শহরের ১৯ শতকের ঐতিহাসিক টাউন হলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। ৩৪ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতার মধ্যে ভবনটিতে আগুন লাগে। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে টাউন হলের ছাদ ও ঘড়ির টাওয়ারের বড় অংশ ধসে পড়ে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ব্যক্তি উগ্র বামপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ তাকে আগে থেকেই চেনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি ফ্রান্সের জাতীয় নিরাপত্তা নজরদারি তালিকাতেও ছিলেন। তবে অগ্নিকাণ্ডে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

লিমোজ শহরের টাউন হলের আগুনের ঘটনা দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভের সময় ঘটে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং স্কুলসহ বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার মান নিয়ে অসন্তোষের কারণে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন ও প্রতিবাদী গোষ্ঠী যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত জোরদার করেছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ঘটনাটির সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরাসি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তদন্তে সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশের সংশ্লিষ্টতাও রয়েছে। তবে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।

এদিকে নতুন করে বিক্ষোভের আশঙ্কায় দেশটির বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু শনিবারের সম্ভাব্য বিক্ষোভে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্যারিস, মার্সেই, লিয়ঁসহ কয়েকটি শহরের কিছু এলাকায় রাতের কারফিউও জারি বা বহাল রাখা হয়েছে।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ এর আগে স্বীকার করেছেন, সপ্তাহান্তের সহিংসতার সময় কয়েকটি শহরে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। ওই সহিংসতায় দোকানপাট ও সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, অস্থিরতা শুরুর পর থেকে দেশজুড়ে আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

বিক্ষোভের আয়োজকেরা আগামী শনিবার আবারও কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া ফরাসি শ্রমিক সংগঠন সিজিটি আগামী ৫ নভেম্বর বড় ধরনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। তথ্যসূত্র: বিবিসি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%