ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টানা বৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পানির মধ্যে বন্দী, দুটি নারী হলে বিদ্যুতের অভাব


টানা বৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পানির মধ্যে বন্দী, দুটি নারী হলে বিদ্যুতের অভাব

টানা বৃষ্টির কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এর পাশাপাশি, দুইটি নারী হলে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার আবাসিক শিক্ষার্থী।

গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা গেছে, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের সামনে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে রয়েছে। সকাল থেকে দুটো হলে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে প্রভাব পড়েছে।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হল সংসদের সহ-সভাপতি তাসনিম আক্তার আলিফ নাবিলা গণমাধ্যমকে বলেন, "সকাল থেকে হলে বিদ্যুৎ নেই। মোবাইলের চার্জও শেষের দিকে। আরও কিছু ঘণ্টা বৃষ্টি হলে নিচতলার কক্ষগুলোতেও পানি ঢুকে যেতে পারে।"

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

হলটির শিক্ষার্থী ফারজানা রহমান নদী গণমাধ্যমকে জানান, জলাবদ্ধতার কারণে হলের দোকানগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। খাবারের সংকটও দেখা দিয়েছে। হলের সামনে কোমরসমান পানি থাকায় বাইরে বের হওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ, উপাচার্য চত্বর, গণিত ভবন, কার্জন হল ও পলাশী এলাকাতেও পানি জমে রয়েছে।

অন্যদিকে, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলেও ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। শহীদুল্লাহ হলের নিচতলার কক্ষগুলোর বারান্দায়ও পানি উঠে গেছে।

হলটির আবাসিক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জুনায়েদ আবরার গণমাধ্যমকে বলেন, "হলটির মাঠে বুকসমান পানি জমেছে। আরও কিছুক্ষণ বৃষ্টি হলে নিচতলার কক্ষগুলোতে পানি প্রবেশ করতে পারে। তবে ক্যান্টিন চালু থাকলেও ভবনের ভেতরে খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।"

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

টানা বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। তাঁরা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির অপেক্ষায় রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জরুরি পরিস্থিতির কারণে ১১টি জেলায় বিজিবি মোতায়েন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


জরুরি পরিস্থিতির কারণে ১১টি জেলায় বিজিবি মোতায়েন

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যার কারণে ১১টি জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এই ১১ জেলায় বিজিবি উদ্ধার তৎপরতার পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করবে বলে জানা যায়।

রোববার (১২ জুলাই) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এই জেলাগুলো হলো- কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, ফেনী, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও জামালপুর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টানা ভারী বর্ষণের ফলে, পাহাড়ি ঢল, বন্যা এবং ভূমিধসে সৃষ্ট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের উদ্ধার করা হবে। নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা, ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার ও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষায় বান্দরবান, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, ফেনী, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও জামালপুর জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে, দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই ১১ জেলায় মোট ৯০টি পয়েন্টে সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনার কাজ করছে বিজিবি। এর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

এছাড়া, বান্দরবানের বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতোমধ্যেই ১১৬ জন পর্যটকসহ ১২২টি পরিবারের ৬ শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে এবং ৪৮ জনকে জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া বান্দরবান-রোয়াংছড়ি সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য উপরে পড়া গাছ এবং ধ্বংসাবশেষ অপসারণে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে বিজিবি।

নাইক্ষ্যংছড়িতে ভূমিক্ষয়ের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া স্টিলের সেতুর নিরাপত্তার জন্য জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে বিজিবি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজিবি খাবার ও চিকিৎসাসেবা প্রদান বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


বিজিবি খাবার ও চিকিৎসাসেবা প্রদান বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে

টানা অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে যে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তাতে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম বিপদে পড়ে গেছেন। জনজীবনে এ সংকটের মধ্যে, ক্ষতিগ্রস্ত এবং পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি অগ্রসর হয়েছে। উপজেলার ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত প্রায় ৬ শতাধিক মানুষের কাছে রান্না করা উন্নতমানের খাবার এবং সুপেয় পানি বিতরণ করেছে মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি), যা একটি মানবিক পদক্ষেপ।

রোববার (১২ জুলাই), জোন কমান্ডারের নেতৃত্বে কার্যক্রম পরিচালিত হয় বাঘাইছড়ি উপজেলার বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা, আয়নামতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মুসলিম ব্লক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে।

এ সময়, বিজিবি সদস্যরা সুশৃঙ্খলভাবে নারী, শিশু, বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিয়ে প্রায় ৬ শতাধিক মানুষের মাঝে উন্নতমানের রান্না করা খাবার ও সুপেয় পানি বিতরণ করেন। খাদ্য বিতরণের পাশাপাশি, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর দুর্গত মানুষদের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য মারিশ্যা জোনের জোন কমান্ডার পানিবাহিত রোগ সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি) জোন কমান্ডার লে. কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, "বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি যেকোনো দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের দুর্ভোগ লাঘবে আমাদের এই মানবিক সহায়তা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত, স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে আমাদের এই জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"

এদিকে, খাদ্য সহায়তার সাথে বন্যাদুর্গতদের চিকিৎসাসেবা তুলে ধরতে মুসলিম ব্লক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। বিজিবির মেডিকেল অফিসার মেজর অমিত কুমার সাহার নেতৃত্বে পরিচালিত এই ক্যাম্পে আড়াইশ রোগীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়।

এই দুর্যোগের সময়, বিজিবির এমন তাৎক্ষণিক ও মানবিক উদ্যোগকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা সাধারণ মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় গৃহহারা পরিবারগুলোর জন্য আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের নতুন ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


বন্যায় গৃহহারা পরিবারগুলোর জন্য আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের নতুন ঘোষণা

টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের সাত জেলার বন্যায় এ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। এছাড়াও, পানিবন্দি রয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮ পরিবারের সদস্য।

এমন পরিস্থিতিতে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ঘোষণা করেছে যে তারা বন্যায় গৃহহারা পরিবারকে টিনের নতুন পাকা ঘর দেবে।

রোববার (১২ জুলাই) দেশে জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ ঘোষণা করা হয়।

ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, এবারের বন্যায় গৃহহারা ৩০০ পরিবারকে দুই কক্ষের ইন্ডাস্ট্রিয়াল টিনের নতুন পাকা ঘর দেবে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শোক

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১২ জুলাই) কাতারের বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিকে লেখা এক চিঠিতে তিনি এই শোক প্রকাশ করেন।

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে আপনার (বর্তমান আমির) রাজপরিবার, সরকার এবং কাতারের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই।

তিনি লেখেন, শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক, যার নেতৃত্ব কাতারকে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধশালী এবং বিশ্বব্যাপী সম্মানিত জাতিতে রূপান্তরিত করেছে। আঞ্চলিক শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে তার অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে। বাংলাদেশ কাতারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককে অত্যন্ত মূল্যায়ন করে, যেটি পারস্পরিক বিশ্বাস, ভাগ করা মূল্যবোধ এবং জনগণের মধ্যে স্থায়ী সম্পর্কের মাধ্যমে কয়েক দশক ধরে লালিত হয়ে আসছে।

তিনি আরও লেখেন, গভীর শোকের এই মুহূর্তে আমার চিন্তাভাবনা এবং প্রার্থনা আপনার, রাজপরিবার এবং কাতারের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের সঙ্গে রয়েছে। আমি সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে মরহুমের আত্মাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করার জন্য এবং আপনাসহ রাজপরিবারের শোকাহত সদস্যদের ধৈর্য, শক্তি এবং সান্ত্বনা দান করার জন্য প্রার্থনা করছি।

রোববার সকালে দেশটির সর্বোচ্চ সরকারি দপ্তর আমিরি দিওয়ান এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৮ বছর কাতারের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার আমলেই কাতার একটি আঞ্চলিক শক্তি থেকে বৈশ্বিক অর্থনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

২০১৩ সালে তিনি স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে একটি অনন্য নজির স্থাপন করেন। তিনি তার চতুর্থ ছেলে এবং বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির কাছে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিলেন, যা মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে একটি বিরল ও ব্যাপকভাবে আলোচিত ঘটনা।

শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির গতিশীল নেতৃত্বে কাতার জ্বালানি খাত, অর্থনীতি, অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অবিশ্বাস্য অগ্রগতি অর্জন করে। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানিতে কাতারকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর কাতারে নিয়ে আসার পেছনে তার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। এছাড়া গণমাধ্যমের জগতে বিপ্লব ঘটানো সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিষ্ঠাও হয়েছিল তার হাত ধরেই। তার মৃত্যুতে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%