০৬:০০ পি.এম
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি ভাড়া বাসায় কথা-কাটাকাটির পরে দম্পতি ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুইজগেট এলাকার একটি বাসা থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ওবায়দুর রহমান সুমন (৩০) বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ময়েন প্রামাণিকের ছেলে। তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের সুইজগেট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, আর্থিক সংকট ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে ওবায়দুরের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের মাঝে মাঝে বিরোধ হতো। তাই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
নিহতের স্ত্রী সখি বেগম মন্তব্য করেন, তার স্বামী রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। কিছু টাকা সঞ্চয় করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরে অনলাইন জুয়ায় জড়িয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এই কারণে তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকতো।
মঙ্গলবার রাতে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হওয়ার পর দুজনই দুই রুমে আলাদাভাবে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে স্ত्री উঠার পর ফ্যানের সঙ্গে তাকে ঝুলতে দেখে। পরে থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক তদন্ত শেখ হেলাল উদ্দিন জানালেন যে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন