বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৪১ এম
বন্যার পানি নেমে গেছে, তবে কৃষকের চোখের জল শুকানোর নাম নিচ্ছে না। কক্সবাজারে প্রায় ৪৩ হাজার কৃষকের কাছে এবারের বন্যা শুধু ফসলই নষ্ট করে যায়নি, এটি তাদের জীবিকার প্রধান ভরসা কেড়ে নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা বলছেন, ত্রাণ নয়; জরুরি ভিত্তিতে কৃষি পুনর্বাসন প্রয়োজন। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বীজ ও চারা সহায়তা দিয়ে কৃষকদের দ্রুত আবার চাষাবাদে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
কক্সবাজারের চাঁন্দেরপাড়া এলাকার কৃষক ইসমাঈল মোহাম্মদ বলেছিলেন, তার এক বছরের স্বপ্ন ছিল। চার কানি জমিতে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে পুঁইশাক, পাটশাক ও করলা সহ তিন ধরনের সবজি চাষ করেছিলেন। কিন্তু কয়েক দিনের বন্যায় সবকিছু ভেসে গেছে। পানি নেমে গেলেও জমিতে কোমরসমান কাদামাটি রয়ে গেছে। ফলে নতুন করে চাষ শুরু করাও এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইসমাঈল মোহাম্মদ তার হতাশার কথা জানিয়ে বলেন, চার কানি জমিতে সবজি চাষ করতে প্রায় ৮ লাখ টাকা খরচ করেছিলাম। কিন্তু বন্যার জন্য পুরো ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এখন কাদামাটি জমে থাকার কারণে বুঝতে পারছি না আগে কাদা সরানো শুরু করব, নাকি নতুন করে চাষ শুরু করব। নতুন চাষের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ কোথা থেকে পাব, সেটিও আমার জানি না।
ইসমাঈলের মতোই একই সমস্যায় পড়েছেন কক্সবাজার সদর, রামু, চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরী, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার হাজারো কৃষক। সবজি উৎপাদনের জন্য পরিচিত রামু, চকরিয়া, মাতামুহুরী অঞ্চলের বিস্তীর্ণ কৃষিজমি টানা বৃষ্টির কারণে এবং পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায়। নয় দিন পর পানি নেমে গেছে, কিন্তু মাঠজুড়ে এখন নষ্ট ফসল আর অনিশ্চয়তার চিত্র রয়েছে।
চকরিয়ার কৃষক আবছার উদ্দিন বলেন, টানা বৃষ্টিতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকার বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। একই সঙ্গে মাছের ঘের থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ ভেসে গেছে। ফলে আমি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।
মাতামুহুরী এলাকার কৃষক রুহুল কাদের জানান, বন্যায় তার বীজতলা নষ্ট হয়েছে এবং ঘরে মজুত প্রায় ১০ মণ ধানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি তার সবজির ক্ষেতও পানিতে তলিয়ে গেছে। এখন তিনি কীভাবে ধার-দেনা পরিশোধ করবেন এবং সংসার চালাবেন, তা নিয়ে খুবই চিন্তিত।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, মাঠে এখনো কৃষি কর্মকর্তাদের দেখা মেলেনি। তাদের দাবি, ত্রাণ নয়; দ্রুত কৃষি পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক। সরকার যেন ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
রামুর মুক্তারকুল এলাকার কৃষক মফিজুর রহমান বলেন, এখনো কোনো কৃষি কর্মকর্তাকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা উচিত।
আরেক কৃষক ফরিদুল আলম বলেন, আমি ত্রাণ চাই না। সরকার যদি বীজ, সার, কৃষিঋণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দেয়, তাহলে আমি আবার উৎপাদনে ফিরতে পারব। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্ভোগ এড়াতে কার্যকর উদ্যোগও নিতে হবে।
তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বলছে, ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং কৃষকদের বীজ ও চারা সহায়তা দিয়ে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামানিক জানান, গত সাত থেকে আট দিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে জেলায় প্রায় ৪ হাজার ২১১ হেক্টর কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যায়। গত দুই দিনের মধ্যে পানি নেমে যাওয়ার পর মাঠপর্যায়ে প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করা হয়েছে। প্রাথমিক হিসাবে দেখা গেছে, প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আমন ধানের বীজতলা, আউশ ধান, গ্রীষ্মকালীন সবজি এবং কিছু পানের বরজ।
ড. প্রামানিক আরও জানান, প্রাথমিকভাবে কৃষকদের ক্ষতির পরিমাণ ৮০ কোটিরও বেশি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এখনও আমন মৌসুমের সময় চলমান থাকায় কৃষকদের দ্রুত নতুন ধরনের বীজতলা তৈরির পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এই বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাদের আশ্বাস অনুযায়ী ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বীজ সহায়তা দেয়া হবে।
এছাড়া যাদের নিজস্বভাবে বীজতলা তৈরির সুযোগ নেই, তাদের জন্য সরকারি উদ্যোগে কমিউনিটি ভিত্তিক বীজতলা তৈরি করে সেখান থেকে চারা সরবরাহের পরিকল্পনাও রয়েছে বলেও জানান ড. বিমল কুমার প্রামানিক। তার মতে, এবারের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে কক্সবাজার জেলায় প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৪৩ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর চারঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে মাছ ধরার সময় এক জেলের জালে মাছের পরিবর্তে একটি বোমা উঠে আসে। প্রথমে সেটিকে একটি মূল্যবান লোহার বস্তু হিসেবে মনে করে বাড়িতে নিয়ে গেলেও পরে তার সন্দেহ হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেওয়া হয়। এরপর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রাওথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, জেলে সাইদার রহমান যখন পদ্মা নদীতে মাছ ধরছিলেন, তখন জাল তোলার পর তিনি একটি ভারী লোহার মতো বস্তু পান। এটি মূল্যবান কিছু হতে পারে ধারণা করে তিনি সেটি বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু বস্তুটি পরিষ্কার করার সময় তার ছেলে সাব্বির রহমানের সন্দেহ হলে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বস্তুটি উদ্ধার করে নিরাপদে রাখে। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেটি নিষ্ক্রিয় করেন।
জেলে সাইদার রহমান এসব বলতে গিয়ে জানান, "জাল তোলার পর লোহার মতো একটি বস্তু পাই। প্রথমে ভেবেছিলাম মূল্যবান কিছু হবে। পরে ছেলের সন্দেহ হলে পুলিশকে খবর দিই। এরপর বোম্ব ডিসপোজাল টিম এসে সেটি নিষ্ক্রিয় করে।"
চারঘাট মডেল থানার ওসি আব্দুল মালেক বলেন, "খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাটি উদ্ধার করে নিরাপদে সংরক্ষণ করে। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে সফলভাবে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে।"
এই ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরামর্শ দিয়েছে, অচেনা বা সন্দেহজনক কোনো বস্তু দেখা গেলে তা স্পর্শ বা স্থানান্তর না করে দ্রুত পুলিশ বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ জানাতে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও দর্শনের প্রতিটি পরতে মানবমুক্তি, সাম্য, প্রেম, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং সৌন্দর্যের যে দীপ্ত উত্তরাধিকার নিহিত রয়েছে, তা আজও বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে সেই চিরন্তন নজরুলকে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজন করেছে একটি অনুষ্ঠানের, যার নাম ‘বর্ষায় নজরুল’।
এটি বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন) জানান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসংখ্য গান ও কবিতায় বর্ষার অপূর্ব রূপ ফুটে উঠেছে। তিনি গভীরভাবে ভালোবেসেছিলেন বাংলাদেশের ষড়ঋতুকে। তাঁর ‘নমঃ নমঃ নমো বাংলাদেশ মম, চির-মনোরম চির মধুর’ রচনায় যেন পুরো বাংলাদেশের একটি জীবন্ত মানচিত্র অঙ্কিত হয়েছে।
নজরুলের শ্রাবণবিষয়ক গান ও বৃষ্টির কবিতাগুলো আজও শ্রোতা এবং পাঠকের হৃদয় গভীরভাবে স্পর্শ করে যায়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নজরুলের সৃষ্টি কেবল সাহিত্য বা সংগীত নয়; এটি মানবমুক্তি, সাম্য, প্রেম, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সৌন্দর্যের এক অনন্য উত্তরাধিকার। নতুন প্রজন্মের কাছে সেই চিরন্তন নজরুলকে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই আয়োজিত হয়েছে এই অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং যুগ্ম-সচিব মোহা. হারুন-অর-রশীদ। অনুষ্ঠান শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের ওপর যুক্তরাষ্ট্র দফায় দফায় বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। কয়েকদিন ধরে টানা এই হামলার ফলে অন্তত ৩৫ জন নিহত হওয়ার খবর এসেছে এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলাগুলি বন্দর আব্বাস, চাবাহারসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় আক্রমণ করা হয়। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।
মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে শুরু করেছে ইরান ও তাদের মিত্ররা। কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, তারা ইরানের ২০টিরও বেশি ড্রোন এবং চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। এর পাশাপাশি, ইরাকের ইরবিলে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট ও সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
সংঘাত বাড়তে থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা দুবাই, রিয়াদ, বৈরুত ও তেল আবিবগামী ফ্লাইট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান এখন সমঝোতায় আগ্রহী। তবে, এই বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তেহরানকে সংযত আচরণ করতে হবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে ইরান। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে, তবে ইরানও কোনো সমঝোতা চুক্তি মেনে চলার বাধ্যবাধকতা অনুভব করবে না।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জন্য নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য হল, ইরান যাতে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে না পারে। ফলে ইরান, রাশিয়া ও নাইজেরিয়ার কিছু ব্যক্তি এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে নতুন ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করা যাবে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত। ফলে যোগ্য নাগরিকদের হাতে রয়েছে মাত্র ১৫ দিনের সুযোগ।
বুধবার (১৫ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী এবং যারা এখনও ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
নির্ধারিত সময়ের আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ওই তালিকাটি ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে।
খসড়া তালিকায় কারও নাম বাদ পড়লে বা ব্যক্তিগত তথ্যে কোনো ভুল থাকলে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত ভোটার অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করা যাবে। যাচাই-বাছাই শেষে ৩১ আগস্ট নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে।
এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আপত্তি নিষ্পত্তি এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।
বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা হলো ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ