ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য, বিনিয়োগে এগিয়ে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী


ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য, বিনিয়োগে এগিয়ে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী

দেশের সমস্ত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সরকার এখন ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য অন্যতম ঠিকানা।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশের কঠিন সময়ে প্রণীত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে বের করে সম্ভাবনার নতুন পথে এগিয়ে নেবে। তিনি জানান, বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়াবে। এ বাজেট দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখেই প্রণয়ন করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা হলো, সেই সম্ভাবনাগুলোকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানো।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ; সবকিছুই আসছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর শহর চট্টগ্রামের সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। কারণ এখানকার বন্দর, গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক, কৌশলগত অবস্থানসহ অন্যান্য বিষয়গুলো সরকার পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।

চট্টগ্রামে একসঙ্গে একাধিক বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামকে একটি লজিস্টিক হাব তৈরির পূর্ব পরিকল্পনা এবারের বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে কার্গো ও যাত্রী পরিবহনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলারও পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, এখানে একটি চাইনিজ ইকোনমিক জোন গড়ে উঠবে। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের লাকসাম অংশের উন্নয়নের মাধ্যমে ট্রেনে যাতায়াতের সময় প্রায় দুই ঘণ্টা কমিয়ে আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক করিডর ও লজিস্টিক হাব গড়ে উঠবে। এতে বন্দরগুলোর কার্যক্রম আরও উন্নত হবে।

অন্যদিকে মাতারবাড়িতেও বড় ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে, বলেছেন আমির খসরু মাহমুদ। তিনি বলেন, সব মিলিয়ে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও লজিস্টিক সম্ভাবনাকে সামনে রেখেই বাজেট পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে কয়েক বছর সময় লাগবে। সরকার যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে, প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, এত বড় বাজেট বাস্তবায়ন সহজ কাজ নয়। বিশেষ করে আগের সরকারগুলোর রেখে যাওয়া পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বর্তমানে দেশের অর্থনীতি কঠিন অবস্থার মধ্যে রয়েছে। তাই আগে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে, তারপর সম্ভাবনার পথে এগোতে হবে। ইনশাআল্লাহ, তৃতীয় বা চতুর্থ বছর থেকে দেশের কাঙ্ক্ষিত সমৃদ্ধির পথে হাঁটা শুরু হবে এবং অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ তার সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতিতে পরিণত হবে। সরকার যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে সেদিকেই এগিয়ে যাবে। নতুন নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ আসছে। বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। তাই এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

. তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা: ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


. তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা: ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও ভারত সরকারের দাদাগীরীর কারণে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা পায়নি। তবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুদু জানিয়েছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।

বর্ষাকাল চলমান থাকলেও উত্তরাঞ্চলের প্রাণভোমরা তিস্তা আজ যেন প্রাণহীন হয়ে এসে দাঁড়িয়েছে। কোথাও হাঁটুসমান পানি দেখা যাচ্ছে, আবার কোথাও বিস্তীর্ণ চর জেগে উঠেছে। যে নদী একসময় উত্তরাঞ্চলের মানুষের আশা-ভরসার প্রতীক ছিল, আজ সেটি পরিণত হয়েছে তাদের দীর্ঘশ্বাসের কারণ।

ভরা মৌসুমে তিস্তার এমন চিত্র বর্তমানে প্রায় নিয়মিত হয়ে পড়েছে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের কাছে তিস্তা কেবল একটি নদী নয়, এটি তাদের জীবিকা ও জীবনধারণের প্রধান অবলম্বন। অথচ বর্ষার ভরা মৌসুমেও নদীটি পানিশূন্য হয়ে রয়েছে। আবার খুব প্রয়োজনের সময় পানির অভাব থাকলে উজান থেকে হঠাৎ করে পানি ছেড়ে দেওয়া হয়, ফলে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ বন্যার।

উজানে পানি প্রত্যাহার এবং দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণে তিস্তা তার স্বাভাবিক রূপ হারিয়েছে। ভারতের একতরফা পানি ব্যবস্থাপনার ফলে তিস্তাপাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ এখন দুর্যোগপ্রবণ হয়ে উঠেছে। পানির অভাবে কৃষকেরা সেচ সংকটে ভুগছেন এবং তারা কষ্ট করে কষ্টকরভাবে ফসল ফলাচ্ছেন। কিন্তু সেই পরিবারগুলোর ফসলও অনেক সময় রক্ষা করা সম্ভব হয় না। কেননা, পূর্বাভাস ছাড়া উজান থেকে হঠাৎ পানি ছেড়ে দিলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা ভয়াবহ বন্যার মধ্যে পরিণত হয়ে যায়। ফলে হারিয়ে যায় পাকা ধান, সবজি ক্ষেত ও বসতঘর। পানি কমে গেলে কেবল ক্ষয়ক্ষতি ও হতাশাই পরবর্তী ফলস্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়।

শনিবার (৪ জুলাই) তিস্তা পরিদর্শনে এসে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুদু বলেন, আন্তর্জাতিক নদীর পানিবণ্টনের নীতিমালা থাকার পরেও ভারতের দাদাগীরীর কারণে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে উদ্যোগ নেবে।

কখনও কখনও পানির জন্য হাহাকার, আবার কখনও অতিরিক্ত পানির তাণ্ডব- এই দুটি চরম বাস্তবতায় বছরের পর বছর কাটছে তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবন। তাদের বিশ্বাস, তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন এই নদীটিকে তার প্রাণ ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হবে এবং লাখো মানুষের জীবনে একটি স্বস্তির নতুন স্রোত বয়ে আনতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির শেষ বিদায়ে ফুটে উঠছে ইরানের রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার বার্তা: বিশ্লেষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


খামেনির শেষ বিদায়ে ফুটে উঠছে ইরানের রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার বার্তা: বিশ্লেষক

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শুধুমাত্র শোক প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং, এর মাধ্যমে দেশটির নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রীয় নীতির ধারাবাহিকতার বার্তা বিশ্বকে দিচ্ছে তেহরান। এই বক্তব্যটি প্রকাশ করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ফেলো মোহাম্মদ এসলামি।

আজ শনিবার (৪ জুলাই) আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসলামি বলেন, ইরানের ইতিহাসে খামেনি এমন কয়েকজন নেতার একজন, যিনি যুদ্ধ চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন।

তার ভাষায়, ‘খামেনি এমন নেতা ছিলেন না, যিনি শুধুমাত্র নির্দেশ দিতেন। তিনি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সামনের সারিতে ছিলেন। তাই তার মৃত্যু ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।’

এসলামি বলেন, শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানি সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই বার্তা দিতে চায় যে, খামেনির আঞ্চলিক নীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার যে পথ ছিল, তা তার মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকবে।

খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ছেলে এবং নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মুজতবা খামেনির প্রকাশ্যে অনুপস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন এই গবেষক। তার মতে, গত কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এটি মূলত একটি নিরাপত্তাজনিত সিদ্ধান্ত।

এসলামি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নতুন নেতৃত্বকে নিরাপদ রাখা এবং রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বকে স্থিতিশীল করা। এই সংকটময় সময়ে মুজতবা খামেনির প্রধান দায়িত্ব হলো তার নেতৃত্বকে সুসংহত করা।’

তিনি আরও বলেন, ইরানের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নতুন নেতৃত্বের অধীনে রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দেশের রাজনৈতিক কাঠামোকে দৃঢ়ভাবে পরিচালনা করা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৬ পি.এম


কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার জানাজানির পর অভিযুক্তকে শনাক্ত করার জন্য পুলিশ গ্রেফতার অভিযান শুরু করেছে।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোররাতে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজার এলাকায় একটি কনফেকশনারি দোকানের সামনের ফুটপাতে এই ঘটনাটি ঘটেছে। তবে শনিবার (৪ জুলাই) সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ভোর ৪টা ৮ মিনিটের দিকে ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক মাঝবয়সি নারীর কাছে সাদা শার্ট ও লুঙ্গি পরিহিত এক ব্যক্তি এসে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে। কিছুক্ষণ পর বাজারের এক পাহারাদার ঘটনাস্থলে এসে ওই নারীকে দেখতে পান।

পুলিশ জানাচ্ছে, ভিডিও বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত হিসেবে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজারসংলগ্ন দুর্গাপুর এলাকার দুলা মিয়ার ছেলে খোকনকে (৫০) শনাক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খোকন স্থানীয় এলাকায় জুয়া পরিচালনার সঙ্গে জড়িত এবং একজন চিহ্নিত জুয়াড়ি হিসেবে পরিচিত।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং বলেছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সূত্র ধরেই পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছে। ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।’

এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস জানিয়েছেন, ‘ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসার পরপরই অভিযুক্তকে আটকের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার পরিচয় শনাক্ত, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জুলাই অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, পুরো জাতির অর্জন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


‘জুলাই অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, পুরো জাতির অর্জন’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষ দল-মত ভুলে রাস্তায় নেমে এসেছে। তাদের সম্মান করতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থান কোনো দল বা ব্যক্তির নয়। এটি দেশের সব মানুষের অর্জন।

শনিবার (৪ জুলাই) জুলাই আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই জাতীয় সম্মেলনে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ে এত মানুষ জীবন দিয়েছে, তাদের লক্ষ্য ছিল এ দেশের পরিবর্তন। যারা মানুষ হত্যা করেছে, তাদের বিচার হবে এ দেশের আইন অনুযায়ী। স্বৈরাচার যেমন বিচারের নামে অবিচার করেছে, আমরা যেন বিচারের নামে কোনও অন্যায় না করি। এজন্য আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। প্রয়োজনে সময় লাগবে, তবুও আইন অনুযায়ী যেন সঠিক বিচার হয়। তিনি এমন একটি সমাজ গড়তে চান, যেখানে মানুষ তার ন্যায অধিকার ও সম্মান পাবে। যেখানে সবার জন্য নিরাপদ রাষ্ট্র থাকবে।

জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করে দেশকে এগিয়ে নেওয়া যায় না উল্লেখ করে, যারা বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিশ্বাস করেন, তাদের দেশটি ঐক্যবদ্ধ রাখতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

তারেক রহমান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, যদি মাকে জিজ্ঞাসা করতে পারতাম— মা, আপনার ওপর ১৭ বছর যে অন্যায়-জুলুম, মানসিক নির্যাতন হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন প্রতিশোধ নেই? মা বলতো, প্রতিহিংসা নয়, তোমার দায়িত্ব সকলকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। একই প্রশ্ন করলে, আমার ভাইও একই কথা বলতো। ১৭ বছর আগে যাদের সহকর্মী হিসাবে পেয়েছিলাম, তাদের অনেককেই হারিয়েছি। কারও কারও অঙ্গহানি হয়েছে। শারীরিক কষ্ট ও মানসিক যন্ত্রণা আমিও অনুভব করি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%