ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পড়লো বঙ্গোপসাগরে


বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পড়লো বঙ্গোপসাগরে

গভীর বঙ্গোপসাগরের জলপ্রবাহে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ‘লাইন্ড সার্জনফিশ’। এই মাছটি স্থানীয়ভাবে ‘সুন্দরী মাছ’ নামেও পরিচিত এবং এটি বিভিন্ন রঙের সমান্তরাল ডোরাকাটা আকর্ষণীয়।

রোববার (১২ জুলাই) বেলা ১১টার সময় মাছটি পটুয়াখালীর কুয়াকাটার আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ‘সিফাত ফিস’ আড়তে নিয়ে আসা হয়।

এর আগে, শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে গভীর সমুদ্রে ‘মায়ের দোয়া’ নামক একটি ফিশিং ট্রলারের জালে প্রায় আধা কেজি ওজনের এই রঙিন মাছটি ধরা পড়ে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ট্রলারের মাঝি মো. সেলিম বলেন, ‘গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় হঠাৎ অন্য মাছের সঙ্গে এটি জালে আটকা পড়ে। আগে কখনো এমন মাছ দেখিনি। দেখতে সুন্দর হওয়ায় আলাদা করে যত্ন করে তীরে নিয়ে এসেছি।’

মাছটি দেখতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা মো. মাইনুল ও মৎস্যজীবী মো. হোসেন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্রের মাছ দেখলেও এমন অদ্ভুত সুন্দর মাছ সচরাচর চোখে পড়ে না। খবর পেয়ে কৌতূহল থেকেই তারা এটি দেখতে এসেছেন।

সিফাত ফিসের স্বত্বাধিকারী ও মৎস্য ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের মাছ সাধারণত এই উপকূলীয় এলাকায় পাওয়া যায় না। সাধারণ বাজারে এর বাণিজ্যিক চাহিদাও নেই। তবে এর অপূর্ব সৌন্দর্যের কারণে মাছটি সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে।’

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘লাইন্ড সার্জনফিশ’-এর বৈজ্ঞানিক নাম অ্যাকানথুরাস লিনিয়েটাস। এটি আন্তর্জাতিকভাবে ‘ব্লু-ব্যান্ডেড সার্জনফিশ’, ‘জেব্রা সার্জনফিশ’ ও ‘স্ট্রাইপড সার্জনফিশ’ নামেও পরিচিত।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

এরা সাধারণত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের উষ্ণ সামুদ্রিক এলাকার প্রবাল প্রাচীর (কোররাল রিফ) ও পাথুরে এলাকায় বসবাস করে। এ ধরনের মাছ মূলত সামুদ্রিক শৈবাল খেয়ে বেঁচে থাকে এবং সমুদ্রের বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করে। এদের লেজের গোড়ায় অত্যন্ত ধারালো একটি কাঁটা থাকে, যা দিয়ে এরা শত্রুর হাত থেকে আত্মরক্ষা করে।

‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের (ডব্লিউসিএস ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে পরিচালিত) গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, ‘এই মাছের লেজের গোড়ার কাঁটাটি বেশ বিপজ্জনক। আত্মরক্ষার সময় এটি দিয়ে আঘাত করলে মানুষের শরীরে তীব্র ও যন্ত্রণাদায়ক ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন ও সুন্দরবন উপকূলসহ বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় মাঝেমধ্যে এদের দেখা মেলে।’

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘আমাদের উপকূলে এই মাছ সচরাচর ধরা না পড়লেও বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ পরিবেশে এদের বিচরণ রয়েছে। তবে মাছটির লেজের ধারালো কাঁটার কারণে জেলেদের এটি ধরার সময় সতর্ক থাকা উচিত।’

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড বাদে দেশের অন্যান্য সকল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাগুলি পূর্বঘোষিত সূচি অনুসারে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। কিন্তু চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং ওই বোর্ডের অধীন সরকারি মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাগুলোর ১৩, ১৫ ও ১৬ জুলাইয়ের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থগিত থাকবে।

রোববার (১২ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, সিলেট, বরিশাল, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেলা ছাড়া) আওতাধীন সকল জেলার পরীক্ষা পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত পূর্বনির্ধারিত তারিখ ও সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

কিন্তু চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সব জেলার পাশাপাশি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্য পূর্বের ওই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। সেই অনুযায়ী ১৩ জুলাই (সোমবার), ১৫ জুলাই (বুধবার) ও ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষাগুলি স্থগিত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনে সফর করতে গিয়ে আটক মার্কিন আইনপ্রণেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


ফিলিস্তিনে সফর করতে গিয়ে আটক মার্কিন আইনপ্রণেতা

ফিলিস্তিন সফর করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতা রো খান্না ইসরায়েলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের হাতে আটক হন। অভিযোগ উঠেছে, রাইফেলধারী অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা তাকে এবং তার সফরসঙ্গীদের এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আটকে রেখেছিল।

শনিবার (১১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে রো খান্না তার আটক হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সহযোগিতা করার অভিযোগ তোলে এবং তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু কথা বলেন। খবরটি আল জাজিরার মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।

পোস্টে রো খান্না বলেন, ‘ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে বসতি স্থাপনকারীদের পক্ষে অবস্থান নেয় এবং আমাদের আটকে রাখে।’ তিনি আরও জানান, ঘটনাটির বিস্তারিত শিগগিরি প্রকাশ করবেন।

২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আওতায় থাকা রো খান্না সতর্ক করে আরো জানান, ইসরায়েলিরা একটি ‘বড় ভুল’ করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, ইসরায়েলি সরকারের আশ্রয়ে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র-সমর্থিত জাতিগত নিধনের অভিযোগ তুলে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। গত মাসে কিছু পশ্চিমা দেশ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার সঙ্গে জড়িত নেটওয়ার্কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্জকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রো খান্না বলেন, গত বুধবার (৮ জুলাই) তার দলের ওপর ‘মেশিনগানধারী গুন্ডারা’ হামলা চালায়। তাদের রাস্তা বন্ধ করে দেয় এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে ডেকে নেয়। এরপর সেনাবাহিনীও তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।

তিনি বলেন, বসতি স্থাপনকারীদের হাতে থাকা অ্যাসল্ট রাইফেলগুলো মার্কিন নির্মিত ছিল। ডিআরএম নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন এই আইনপ্রণেতা জানান, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও ইসরায়েলে কাটানো তার সময় তাকে বর্ণবাদী আচরণের ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি ওই বসতি স্থাপনকারীদের চোখে চরম অহংকার লক্ষ্য করেছি। ২১-২২ বছরের তরুণরা বন্দুক হাতে আমাদের আটক রেখে হাসছিল। আমার করের টাকায় বেতন পাওয়া ইসরায়েলি তরুণ সেনাদের মধ্যেও একই অহংকার ছিল। আমেরিকানদের আটক করার সময় তাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র সম্মানবোধ ছিল না।’

খান্নার সফরসঙ্গী এবং সহযোগী ক্যামেরন কাস্কি জানান, তাদের এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আটক রাখা হয়েছিল। এই সময় তারা সাহায্যের জন্য জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পরে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে তারা মুক্তি পান।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বর্তমানে জানায়, খিরবেত জানুতা নামক একটি ছোট ফিলিস্তিনি গ্রামের কাছে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের যানবাহন চলাচলে বাধা দেওয়ার খবর পেয়ে সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তারা সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সহিংস বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ফলে ওই গ্রামের বাসিন্দারা বাস্তুচ্যুত হন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতির বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


ইবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতির বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীকে রাজনৈতিক পরিচয়ের অভিযোগ তুলে ব্যক্তিগতভাবে হয়রানি, মানহানি এবং নবগঠিত কমিটিতে দায়িত্ব থেকে বঞ্চিত করা’।

রোববার (১২ জুলাই) ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ হল ডিবেটিং সোসাইটির কার্যনির্বাহী সদস্য মিশুক শাহরিয়ার সংগঠনের মডারেটর বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

উক্ত অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির (আইইউডিএস) নির্বাচন, হল ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি গঠন এবং অন্যান্য সাংগঠনিক কার্যক্রমে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার কারণে তাকে বিঘ্নিত ও হয়রানি করা হয়েছে। বিশেষভাবে লালন শাহ হল ডিবেটিং সোসাইটির সেক্রেটারি এবং বর্তমান আইইউডিএস সভাপতি ইয়াছিন আলীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেছেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে মিশুক শাহরিয়ার বলেন, আইইউডিএস নির্বাচনে অংশগ্রহণের সময় হল কর্তৃপক্ষকে যথাযথভাবে অবহিত করা সত্ত্বেও নির্বাচনের দিন তাকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। একাধিক বার তাকে ‘রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত’ আখ্যা দিয়ে কমিটিতে না রাখার বিষয়টি বলা হয়েছে। একই সাথে, তার কোথায় যাওয়া, কার সঙ্গে চলাফেরা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কী পোস্ট করা হচ্ছে, এসব বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। জুনিয়র সদস্যদের কাছে তার সম্পর্কে ভুল তথ্য উপস্থাপন এবং হল প্রভোস্টের কাছে অসত্য তথ্য দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও জানান, একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যখন দল নিবন্ধিত ছিল, তখন দলের এক সদস্যকে ফোন করে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকতে চাপ দেওয়া হয়। এছাড়া আয়োজকদের কাছে তার নিবন্ধিত দল বাতিলের জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল।

আরও অভিযোগ রয়েছে যে, আইইউডিএসের ২০২৬-২৭ কার্যবর্ষের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সময় নির্বাচনকালীন উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা হয়নি। যদিও তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছিলেন, কিন্তু কমিটিতে কোনো দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়নি। অথচ হল কমিটির আনুষ্ঠানিক সদস্য নন এমন একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন।

এসব ঘটনার বিচার চেয়ে তিনি চার দফা দাবি করেছেন। যার মধ্যে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা ও স্বার্থসিদ্ধির কারণে ঘটনার তদন্ত ও বিচার, ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ ও মানহানির অভিযোগের সমাধান, নির্বাচনকালীন উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইইউডিএসের কমিটি পুনর্গঠন এবং ভিন্ন মতাদর্শের ব্যক্তিদের সংগঠন থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আইইউডিএস সভাপতি ইয়াছিন আলী বলেন, “সংগঠনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত সবার মতামতের ভিত্তিতে নেওয়া হয়। কাউকে রাজনৈতিক ট্যাগিং দিইনি। মিশুক শাহরিয়ারের অভিযোগ ভিক্তিহীন। তার চেয়ে সম্ভাবনাময় ও যোগ্য সদস্য থাকায় তাকে কমিটিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এখানে কারও ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা আক্রোশ থেকে পদবঞ্চিত করা হয়নি। তাছাড়া সংগঠনের সিদ্ধান্ত আমার একার ওপর নির্ভর করে না, সবার মতামতের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

রাজনৈতিক পরিচয় থাকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে যিনি বিতর্কের মাধ্যমে নিজেকে উপস্থাপন করবেন, তিনিই এখানে জায়গা পাবেন। রাজনীতি সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে কেউ রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করতে পারবেন না।”

অভিযোগের বিষয়ে সংগঠনটির মডারেটর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান বলেন, “পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করার আগেই মিশুক নামের সদস্য অভিযোগ করেছিল। সংশ্লিষ্টদের ডেকে কথা বলেছি এবং মিশুক তখন পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে সম্মতি জানায়। এরপরও সে কয়েক দিন সময় চেয়েছে। আমি এক সপ্তাহ সময় দিয়েছিলাম। সে আর কোনো আপডেট জানায়নি। পূর্ণাঙ্গ কমিটি হওয়ার পর সে আবার নতুনভাবে অভিযোগপত্র দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ভোটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়েছিল। এতে কোনো সমস্যা নেই। যেহেতু বেশ কিছু অভিযোগ নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে, সেগুলো আলোচনা করে দেখতে হবে।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি

দেশের চলমান বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় ১৬১টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ রক্ষা করার জন্য এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।

রোববার (১২ জুলাই) অধিদপ্তরের ভোকেশনাল-১ শাখার এক আদেশের মধ্যে এই নির্দেশনাগুলি প্রকাশিত হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবের কারণে দেশে টানা বৃষ্টি হচ্ছে এবং উজানে ভারতের ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং মেঘালয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে, যার ফলে দেশের উত্তরাঞ্চল, সিলেট বিভাগ, ময়মনসিংহ, রংপুর এবং ফেনী ও নোয়াখালীর নদ-নদীগুলোতে পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং নিম্নাঞ্চলসমূহ প্লাবিত হয়ে যাচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বেশিরভাগ নদ-নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে এবং পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এই আকস্মিক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ৪টি জরুরি নির্দেশনা দ্রুত কার্যকর করার জন্য সকল প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, বন্যার পানি প্রবেশ করার আশঙ্কায় ল্যাবরেটরির মূল্যবান বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি যন্ত্রপাতি, কম্পিউটার, লাইব্রেরির বই, ছাত্র-ছাত্রীদের আসবাবপত্র এবং অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র দ্রুততার সঙ্গে ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত করতে হবে।

দুর্যোগের সময় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জরুরি প্রয়োজন বা চিকিৎসাজনিত কারণে ছাড়া অন্য কোনো ধরনের ঐচ্ছিক ছুটি প্রদানের অনুমতি দেওয়া হবে না। সার্বিক সমন্বয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে কর্মস্থলে সার্বক্ষণিক উপস্থিত থাকতে হবে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে স্থানীয়ভাবে একটি 'জরুরি দুর্যোগ মোকাবিলা সেল' গঠন করে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কোনো জরুরি অবস্থার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসন ও বিভাগীয় আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়কে অবহিত করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বন্যা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে সাময়িকভাবে স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%