মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৭ পি.এম
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসিল্যান্ড) মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যাকে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ২০ দিনের মাথায় প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এটি ঘটেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিয়ামত উল্ল্যার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ও অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর, সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।
গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিয়া আমিন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে জানান, রোববার সকালে মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যাকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। আদেশে সরকারি জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম আদেশে তাকে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছিল। পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার আদেশ হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় এসিল্যান্ড কর্ম এলাকা ত্যাগ করেছেন নিয়ামত উল্ল্যা।
ইউএনও জানিয়েছেন, কী কারণে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে জানা যাবে। ২০২১ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যা। গত ১ সেপ্টেম্বর গৌরীপুর উপজেলা এসিল্যান্ড হিসেবে যোগদান করেন তিনি। এর আগে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।
নিয়ামত উল্ল্যার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টের বিষয়ে ইউএনও জানান, তিনি নিয়ামত উল্ল্যার সঙ্গে কথা বলেছেন। নিয়ামতের ভাষ্য অনুযায়ী, চাকরিজীবনে তিনি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময় তার কর্ম এলাকায় বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি সফরের সময় তাকে খাবার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলেও তিনি জানিয়েছেন।
তবে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে নিয়ামত উল্ল্যার বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলা হয়েছে। তার ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং ছদ্মনামে ব্লগে লেখালেখি নিয়েও নানা দাবি করা হয়েছে। এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যা ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ২০২৪ সালের ১ মে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এবং ২০২৬ সালের ১ জুন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগ দেন। সর্বশেষ গত ১ সেপ্টেম্বর গৌরীপুর উপজেলা এসিল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি।
ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, গৌরীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য ও পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসব বিষয় কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর তাকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
তবে কী ধরনের তথ্য বা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছেন না বলে জানান। তিনি বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিষয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই জানাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একসঙ্গে তিন পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন কল্পনা বেগম। নবজাতকদের নাম রাখা হয়েছে হাসান, হোসাইন ও বেল্লাল। জন্মের পর হাসানের ওজন ২ কেজি এবং হোসাইন ও বেল্লালের ওজন ১ কেজি ৯০০ গ্রাম করে নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, তিন নবজাতকই সুস্থ রয়েছে। তবে অসুস্থ মা ও তিন সন্তানের চিকিৎসা, খাবার এবং সিজারের খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে।
পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, কল্পনার সিজারিয়ান অপারেশনটি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসার জন্য প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকার ওষুধ প্রয়োজন হচ্ছে। পাশাপাশি তিন নবজাতকের জন্য প্রতিদিন দুই প্যাকেট ফর্মুলা দুধ কিনতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। এর মধ্যে কল্পনার সিজারের কাটা স্থানে ইনফেকশন দেখা দিয়েছে বলেও পরিবারটি জানিয়েছে।
একসঙ্গে তিন সন্তান জন্ম নেওয়ায় কল্পনা বেগম আনন্দিত হলেও নিজের অসুস্থতা ও পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তার স্বামী জায়দুল বাকপ্রতিবন্ধী। তিনি আন্ধারি ঝাড় বাজারের একটি হোটেলে কাজ করেন। আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় কল্পনা বর্তমানে তার মা-বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
কল্পনা বেগম বলেন, "একসঙ্গে তিন সন্তান হওয়ায় আমি অনেক খুশি। আমার স্বামী বাকপ্রতিবন্ধী। তিনি মেসিয়ারের কাজ করেন। দরিদ্র ও অসহায় হওয়ায় আমার মা-বাবার বাড়িতে আছি। সেখানে বিভিন্ন মানুষের সহযোগিতা নিয়ে চিকিৎসা ও তিন সন্তানের খাবারের ব্যবস্থা করতে প্রায়ই হিমশিম খাচ্ছি। প্রতিদিন তো এক মানুষ সহযোগিতা করবে না। এই সন্তানদের জন্য সরকারি বা অন্য কোনো সহযোগিতা পেলে আমি খুশি হব।"
কল্পনার মা-বাবা জানান, তারা গরিব ও অসহায়। তিন নবজাতকের জীবন রক্ষা ও চিকিৎসার জন্য সরকারি অফিস, বিভিন্ন সংস্থা, বিত্তবান ও দানশীল মানুষের সহযোগিতা চান তারা।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, "পরিবারটির খোঁজখবর নিয়ে প্রাথমিকভাবে তিন হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম এবং তার স্বামী, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীসহ পরিবারের চার সদস্যের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আদালত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ প্রদান করেন।
দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের দলনেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম এই আবেদনটি করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী এবং তার স্ত্রী সাইদা মুনা তাসনিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে দুর্নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে আনুমানিক ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগের তদন্তাধীন রয়েছেন।
দুদক জানায়, অনুসন্ধান চলাকালে বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পারে যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশ ত্যাগ করে বিদেশে চলে যেতে পারেন। যদি তারা বিদেশে পালিয়ে যান, তাহলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই কারণে অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়।
আদালতের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা চারজন হলেন—তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী, তার স্ত্রী সাইদা মুনা তাসনিম, তাদের সন্তান আলাতী আজফার চৌধুরী এবং জাভেদ অপগেন হেপেন।
দুদকের আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে কমিশন। সাইদা মুনা তাসনিম, যিনি যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
আবেদনে দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম উল্লেখ করেন, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিদেশ গমন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। তারা যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেই জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় আদেশ দেওয়ার আবেদন করা হয়। পরে উভয় পক্ষের আবেদন বিবেচনা করে আদালত তাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করেন।
ঋণের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে কমিশন। সাইদা মুনা তাসনিম, যিনি তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী এবং সাবেক হাইকমিশনার, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা আবেদনে বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিদেশ গমন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ কারণে তাদের বিদেশ পলায়ন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় আদেশ দেওয়ার আবেদন করা হয়। পরে আদালত আদেশ দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের অভাব নিয়ে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতার কারণে জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা এবং মানুষের আস্থা হারিয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এসে নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে তিনি এ কথা বলেন। আলজাজিরার খবর অনুযায়ী, আরাগচি মন্তব্য করেন, "যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী শাসকের আমাদের বিরুদ্ধে চালানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কাপুরুষোচিত যুদ্ধ, পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ এবং বাস্তবে এখনো যুদ্ধাবস্থা পরিস্থিতির মধ্যেই এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।"
তিনি জানান, "স্বাভাবিকভাবেই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে ইরানি জনগণের বৈধতা, অধিকার ও স্বার্থের পক্ষে অবস্থান তুলে ধরা।" তিনি বলেন, বিষয়টি সংস্থাটির প্রতি আস্থা কমে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করে।
আরাগচির মতে, এটি সবার স্বীকৃতিরই প্রতিফলন যে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা কার্যকরভাবে বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে এই সংস্থার ওপর আস্থা ক্ষয় হয়েছে, কিংবা পুরোপুরি হারিয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, কিছু দেশ নিজেদের এমনভাবে উপস্থাপন করে যেন তাদের দায়মুক্তভাবে কাজ করার অধিকার রয়েছে। তারা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক আইন, এমনকি মানবতার সম্মিলিত বিবেককেও উপেক্ষা করে। নিজেদের ও নিজেদের মিত্রদের জন্য তারা দায়মুক্তি দাবি করে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন, এর ফলে ইহুদিবাদী শাসকের মতো একটি অপরাধী সত্তাকে ইচ্ছামতো কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। একই সময়ে নিজেদের মানবাধিকার ও মানবিক আইনের রক্ষক হিসেবে পরিচয় দেওয়া পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো নীরব রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বিমান আরও ১১টি বোয়িং বিমান কেনার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে। এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হবে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের উপস্থিতিতে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত থাকবেন। চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বোয়িং-এর গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ড. ব্রেন্ডন নেলসন। এই তথ্য ঢাকার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে বুধবার, নিউইয়র্ক সময় বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১৫ মিনিট)। জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশন চলাকালে এই অনুষ্ঠানটি হবে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমানবহর সম্প্রসারণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই চুক্তিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হবে। জাতীয় পতাকাবাহী এই এয়ারলাইন্সের ভবিষ্যৎ বহরের জন্য মার্কিন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং এবং ইউরোপীয় মহাকাশ ও বিমান নির্মাতা জায়ান্ট এয়ারবাসের মধ্যে চলমান প্রতিযোগিতার মধ্যে এই চুক্তিটি সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।
অতিরিক্ত ১১টি বিমান সংগ্রহের বিষয়টি বিমানের ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তির অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হবে, যা গত ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি বিমানের জন্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই ১৪টি বিমানের মধ্যে আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭-৮ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বুধবারের চুক্তির ফলে বিমানের বোয়িং বিমান সংগ্রহের পরিকল্পনাটি মোট ২৫টি বিমানে উন্নীত হবে। তবে অতিরিক্ত ১১টি বিমানের মডেল, মূল্য, অর্থায়নের ব্যবস্থা এবং হস্তান্তরের সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ