বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৫ পি.এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) গতকাল বুধবার রাতে তাকে ভর্তি করা হয়।
ভূমিমন্ত্রীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএমইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন হাসপাতালে গিয়ে তাকে দেখতে যান। তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের কাছে ড. মঈন খানের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে, ড. আব্দুল মঈন খান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণের অধীনে রয়েছেন। তার দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিশেষ করে যারা চিকিৎসার জন্য ভারতে যেতে চান, তাদের জন্য ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশনের সম্মেলনকক্ষে ইন্ডিয়ান মিডিয়া করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ইমক্যাব) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিনিধিদলে ইমক্যাবের সভাপতি শাহীন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহসহ নির্বাহী কমিটির ১০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাতে ইমক্যাবের প্রতিনিধিরা ভারতীয় ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয় তুলে ধরেন।
হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এ বিষয়ে বলেন, ভিসা প্রাপ্তিতে যে ভোগান্তি হচ্ছে, তা তারা খতিয়ে দেখছেন। বিশেষভাবে চিকিৎসার জন্য ভারতে যেতে ইচ্ছুক রোগীদের ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, অনলাইনে ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার পর সরাসরি আবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত স্লট পেতে কেন দেরি হচ্ছে, তা বোঝার চেষ্টা করছে ভারতীয় হাইকমিশন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে যাতায়াত যত বাড়বে, ততই পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক গভীর হবে।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার ইমক্যাবের সদস্যদের ব্যক্তিগত খোঁজখবর নেন। প্রতিনিধিদলে আরো উপস্থিত ছিলেন বাসুদেব ধর, কুদ্দুস আফ্রাদ, মীর আফরোজ জামান, আবু আলী, আমিনুল হক ভূঁইয়া, নির্মল চক্রবর্তী, জাকির হোসেন ও মনির হোসেন। এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনের প্রথম সচিব গোকুল ভিকে উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার নাদিয়া আক্তার (১৮) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, পারিবারিক কলহের কারণে নাদিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে গফরগাঁও ইউনিয়নের হাতিখলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত নাদিয়া আক্তার ওই গ্রামের কাউসারের (২৬) স্ত্রী। তার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী কাউসারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন তার স্বজনরা।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নাদিয়ার স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে মনোমালিন্য চলছিল। সংসারের নানা বিষয় নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিত। বুধবার রাতেও পারিবারিক কলহের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে নাদিয়াকে তার স্বামী শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। এদিকে তরুণী গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, নাদিয়ার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তারা সন্দেহ করছেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে। ফলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা ও এলাকাবাসীর হত্যার অভিযোগের মধ্যে ভিন্নতা থাকায় নাদিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের দিকেই নজর রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরের প্রেক্ষাপটে ফেসবুকে স্নাইপার দ্বারা হত্যার হুমকি সংবলিত যে পোস্ট প্রকাশিত হয়েছিল, তার পেছনে বিরোধী দলের উসকানি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি উল্লেখ করেন, বিরোধী পক্ষের বিতর্কিত অবস্থান ও প্ররোচনার কারণে ওই যুবক এমন সাহস দেখাতে সক্ষম হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে কালীগঞ্জের চাপরাইল আবুবকর বিশ্বাস মকছেদ আলী কলেজে একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বক্তব্য দেন।
এছাড়া, রাশেদ খান সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীর যৌথ ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে বলেন, ৮৬ ও ৯৬ সালের মতো তারা আবারো একত্রিত হয়ে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
জামায়াত আমিরের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা মন্তব্য করেন, জামায়াত প্রধান রাজনৈতিক মিথ্যাচার অব্যাহত রেখেছেন। অতীতে জাসদ ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকার পরও জামায়াতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর অসত্যের চর্চা বন্ধ হয়নি।
তিনি পরিষ্কারভাবে জানান, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের এই অশুভ আঁতাত প্রতিহত করতে সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মাঠে সক্রিয় রয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ, যুগ্ম সদস্য সচিব ইলিয়াস রহমান মিঠু, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মশিয়ার রহমান এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : ধর্মের দাওয়াত, ঈমানি চেতনার উন্মেষ ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে চাঁদপুরে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা শুরু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বাদ ফজর থেকে শহরের পুরানবাজার দোকানঘর এলাকায় মেঘনাপাড়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে এই ধর্মীয় আয়োজনের সূচনা হয়েছে।
এতে অংশগ্রহণ করছেন চাঁদপুর ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা।
তাবলীগ জামাতের উদ্যোগে ২২, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত এই ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে বিভিন্ন স্থানে পাঁচবার জেলা পর্যায়ে ইজতেমা আয়োজন করা হয়েছিল।
মুসল্লিদের অবস্থান ও ধর্মীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনার জন্য প্যান্ডেলসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। আজ সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে আসতে শুরু করেছেন।
ইজতেমার মুসল্লিদের জন্য অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্প ও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, তিন দিনের এই ধর্মীয় আয়োজনে চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে হাজার হাজার মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন। ইজতেমায় কোরআন-হাদিসের আলোকে দ্বীনি আলোচনা, ঈমান ও আমলের ওপর বয়ান, জিকির-আযকারসহ বিভিন্ন ধর্মীয় কার্যক্রম আয়োজন করা হবে।
তাবলীগ জামাতের চাঁদপুর জেলার জিম্মাদার মো. আরিফ উল্লাহ বাসসকে জানিয়েছেন, আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া জেলা ইজতেমা আগামী শনিবার (২৪ অক্টোবর) আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে। আখেরি মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হবে। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে জীবন পরিচালনা, আত্মশুদ্ধি ও দ্বীনের পথে মানুষকে আহ্বান জানানোর উদ্দেশ্যে এই আয়োজন করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ