বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:০৩ পি.এম
বিজয়া দশমীর দিন দেবীর কপালে সিঁদুর দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু ঘটেছে তন্নি দে (২০) নামের এক নববধূর। এই ঘটনা ঘটে বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সার্বজনীন প্রতিমা বিসর্জনস্থলে।
মৃত তন্নি দে কুমিরা গ্রামের মহাদেব দের একমাত্র কন্যা। প্রায় চার মাস আগে যশোরের কেশবপুর উপজেলার এক যুবকের সঙ্গে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল। বিয়ের পর বাবার বাড়িতে এটিই ছিল তার প্রথম দুর্গোৎসব উদযাপন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় তন্নি তার ননদের সঙ্গে প্রতিমা বিসর্জনস্থলে গিয়েছিলেন। সেখানে অন্যান্য নারীদের সঙ্গে তিনি সিঁদুর খেলা ও প্রতিমার কপালে সিঁদুর দেওয়ার আনন্দের মধ্যে ছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি হঠাৎ করে বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরে দ্রুত সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
আরো পড়ুন
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ২ পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১
তালা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ মজুমদার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন, বিসর্জনস্থলে নববধূর আকস্মিক মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তন্নি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ না থাকায়, লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাবানা আজমি তাঁর ধর্মীয় পরিচয়, বিশ্বাস এবং ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠার পরও তিনি নিয়মিত নামাজ পড়েন না বলে জানিয়েছেন। তাঁর মতে, ধর্ম একটি ব্যক্তিগত বিষয় এবং যদি কেউ ধর্ম পালন করে মানসিক শান্তি পায়, তাহলে তাতে আপত্তির কিছু নেই।
সম্প্রতি আইআইএমইউএন-এর ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক আলোচনায় শাবানা ধর্মের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, তাঁর বাবা বিখ্যাত কবি ও গীতিকার কাইফি আজমি ছিলেন একজন নাস্তিক। অন্যদিকে, মা শওকত আজমি কিছু ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করলেও ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে খুব বেশি কঠোর ছিলেন না। পারিবারিক পরিবেশ তাঁর ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
শাবানা বলেন, দৈনন্দিন কথাবার্তায় মাঝে মাঝে ‘মাশাআল্লাহ’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দগুলো ব্যবহার করেন। তবে তাঁর স্বামী, গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার এসব শব্দ ব্যবহারের কারণ জানতে চান। জাভেদ নিজেকে প্রকাশ্যে নাস্তিক হিসেবে পরিচয় দেন। শাবানার মতে, এসব শব্দ তাঁর ভাষা ও সংস্কৃতির অংশ হিসেবেই স্বাভাবিকভাবে চলে আসে।
অভিনেত্রী উল্লেখ করেন যে, ধর্ম নিয়ে দুজনের দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জাভেদ ধর্মের বিষয়ে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে নাস্তিকতার অবস্থান তুলে ধরেন। তবে শাবানা মনে করেন, যদি কেউ ধর্ম পালন করে শান্তি পায়, তাহলে তাঁকে সেই স্বাধীনতা দেওয়া উচিত। অন্যের বিশ্বাসে অকারণে আঘাত করার প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে, জাভেদের যুক্তি হলো, ধর্মবিশ্বাসীদের কথায় একজন নাস্তিকও আঘাত পেতে পারেন এবং তাঁর অনুভূতি প্রকাশের অধিকার রয়েছে।
নিজের মুসলিম পরিচয় সম্পর্কে শাবানা বলেন, ঈদ, উর্দু ভাষা এবং মুসলিম সংস্কৃতির প্রতি তাঁর ভালো লাগা রয়েছে। তবে তাঁরা নিয়মিত নামাজ পড়েন না এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গেও তাঁদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই। ঈশ্বরের অস্তিত্বের ধারণা নিয়েও তিনি বিশেষভাবে ভাবেননি বলে জানান।
শাবানার মতে, ধর্ম ব্যক্তির নিজস্ব বিশ্বাসের বিষয়। রাষ্ট্রের এ ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। কেউ প্রার্থনা করে স্বস্তি পেলে, তাতে তাঁর কোনো আপত্তি নেই। ধর্মীয় বিশ্বাস এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে অভিনেত্রীর এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
‘সমাজের নিকৃষ্ট যে লোকটা, সেটাই এমপি-মন্ত্রী হয়’—এমন বক্তব্যের ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে তিনি এই মন্তব্য করেছেন। ওই সরকারের সময়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যা সমাজের ভালো মানুষের জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সম্ভব করে তোলে নি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার আশা প্রকাশ করেছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ছিল, কিন্তু তা করা হয়নি। নির্বাচন ব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। সমাজের গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে নির্বাচন কমিশনকে একটি পদ্ধতি নির্ধারণের পরামর্শ দেন তিনি।
স্পিকার মন্তব্য করেন, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু হবে। নির্বাচনগুলো নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি যোগাযোগ থাকে। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এসব নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপর তার আস্থা রয়েছে। ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতীতের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় সুষ্ঠু হয়েছে।
এছাড়া, দ্বীপজেলা ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাসসম্পদ নিয়েও আলোচনা করেন স্পিকার। তিনি বলেন, আপাতদৃষ্টিতে দেশের মোট গ্যাসের মজুতের সমপরিমাণ গ্যাস ইতোমধ্যে ভোলায় পাওয়া যাচ্ছে। তার আশা, সেখানে আরও বিপুল গ্যাসের ভাণ্ডার রয়েছে।
স্পিকার বলেন, ভোলার গ্যাস কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে সরকার এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এ বিষয়ে সরকার বিদেশে যোগাযোগ করছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহজ বিকল্প ভোলাতেই রয়েছে। ভোলার গ্যাস ভোলাবাসীর ন্যায্য অধিকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওছার, জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর ও ভোলা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, নতুন এবং শক্তিশালী একটি সমরাস্ত্র উন্মোচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইসরায়েলি গণমাধ্যম ‘জেরুসালেম পোস্ট’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা শত্রুপক্ষের জন্য সম্পূর্ণ নতুন কিছু নিয়ে আসার ঘোষণা করেছে, যা তারা ‘সকল বোমার বাবা’ (Father of All Bombs) হিসেবে অভিহিত করেছে।
আইআরজিসি-র মুখপাত্র হোসেইন মোয়াবি ইরানের ‘ইয়ং জার্নালিস্টস ক্লাব’ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই অস্ত্র তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে, গোপন এই অস্ত্রটির সুনির্দিষ্ট প্রকার, ধ্বংসক্ষমতা, কার্যকারিতা এবং জনসমক্ষে প্রদর্শনের সুনির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে এখনো কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে জিবিইউ-৪৩/বি (GBU-43/B) বা সংক্ষেপে ‘মাদার অব অল বোমস’ (MOAB) নামক অত্যন্ত শক্তিশালী প্রচলিত বোমা ব্যবহারের প্রস্তুতির খবরের ঠিক পরেই এই ঘোষণা এসেছে। এই মার্কিন বোমাটি প্রায় ৯.৮ টন ওজনের, যা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী প্রচলিত অস্ত্র হিসেবে পরিচিত এবং এটি আফগানিস্তানে আইএস জঙ্গিদের টানেল কমপ্লেক্স ধ্বংসের কাজে অতীতে ব্যবহার করা হয়েছিল।
এদিকে, হোসেইন মোয়াবি দাবি করেছেন, ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের সাথে ১২ দিনের সংঘাতের পর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা, ধ্বংস করার ক্ষমতা এবং নির্ভুলতাও অনেক উন্নত হয়েছে। যদিও স্বাধীনভাবে এসব দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া, আইআরজিসি দাবি করেছে যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ রয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খোলা রাখার দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত। সূত্র: আল-জাজিরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনা -২ ও ৬ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক মন্তব্য করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন, যেখানে নতুন করে গল্পের সূচনা হয়েছে, যা পূর্বে এই বাংলাদেশে কখনো দেখা যায়নি। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এমন উৎসবমুখর পরিবেশে আগে কেউ কখনো উদযাপন করেনি! এটি যেন আরেক জিয়ার নতুন বাংলাদেশ! দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শেষে ২২ অক্টোবর, সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক ভেরিফাই পেইজে এই মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেখানো পথে চলতে চলতে আমরা একটি নতুন মানবিক বাংলাদেশ গড়বো। যেখানে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি হবে না!
এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে মানুষে মানুষে বৈষম্য থাকবে না এবং প্রকৃতি সবুজ ও সুন্দর হয়ে উঠবে। তিনি উল্লেখ করেন, "মানুষের জন্য কাজ করতে চাই, সবাইকে নিয়ে চলতে চাই আমরা।" এমপি ফাহমিদা হক আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথ কঠিন হলেও এটি অবাস্তব নয়!
ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিভাজনের রাজনীতি, চরম দুর্নীতি এবং অবহেলার কারণে মাদকাসক্ত জনগণের পুনর্বাসনের চ্যালেঞ্জটি কিছুটা কঠিন, তবে এটি অসম্ভব নয়! এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ফাহমিদা হক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে বলেন, জিয়াউর রহমান ঠিক এমন কঠিন অবস্থায় দাঁড়িয়ে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলেন এবং সততা ও আদর্শের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হয়ে উঠেছিলেন!
আজ আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি এবং আমরা সফল হবো, ইনশাআল্লাহ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ