বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:০৪ পি.এম
‘সমাজের নিকৃষ্ট যে লোকটা, সেটাই এমপি-মন্ত্রী হয়’—এমন বক্তব্যের ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে তিনি এই মন্তব্য করেছেন। ওই সরকারের সময়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যা সমাজের ভালো মানুষের জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সম্ভব করে তোলে নি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার আশা প্রকাশ করেছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ছিল, কিন্তু তা করা হয়নি। নির্বাচন ব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। সমাজের গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে নির্বাচন কমিশনকে একটি পদ্ধতি নির্ধারণের পরামর্শ দেন তিনি।
স্পিকার মন্তব্য করেন, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু হবে। নির্বাচনগুলো নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি যোগাযোগ থাকে। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এসব নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপর তার আস্থা রয়েছে। ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতীতের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় সুষ্ঠু হয়েছে।
এছাড়া, দ্বীপজেলা ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাসসম্পদ নিয়েও আলোচনা করেন স্পিকার। তিনি বলেন, আপাতদৃষ্টিতে দেশের মোট গ্যাসের মজুতের সমপরিমাণ গ্যাস ইতোমধ্যে ভোলায় পাওয়া যাচ্ছে। তার আশা, সেখানে আরও বিপুল গ্যাসের ভাণ্ডার রয়েছে।
স্পিকার বলেন, ভোলার গ্যাস কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে সরকার এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এ বিষয়ে সরকার বিদেশে যোগাযোগ করছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহজ বিকল্প ভোলাতেই রয়েছে। ভোলার গ্যাস ভোলাবাসীর ন্যায্য অধিকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওছার, জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর ও ভোলা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, নতুন এবং শক্তিশালী একটি সমরাস্ত্র উন্মোচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইসরায়েলি গণমাধ্যম ‘জেরুসালেম পোস্ট’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা শত্রুপক্ষের জন্য সম্পূর্ণ নতুন কিছু নিয়ে আসার ঘোষণা করেছে, যা তারা ‘সকল বোমার বাবা’ (Father of All Bombs) হিসেবে অভিহিত করেছে।
আইআরজিসি-র মুখপাত্র হোসেইন মোয়াবি ইরানের ‘ইয়ং জার্নালিস্টস ক্লাব’ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই অস্ত্র তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে, গোপন এই অস্ত্রটির সুনির্দিষ্ট প্রকার, ধ্বংসক্ষমতা, কার্যকারিতা এবং জনসমক্ষে প্রদর্শনের সুনির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে এখনো কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে জিবিইউ-৪৩/বি (GBU-43/B) বা সংক্ষেপে ‘মাদার অব অল বোমস’ (MOAB) নামক অত্যন্ত শক্তিশালী প্রচলিত বোমা ব্যবহারের প্রস্তুতির খবরের ঠিক পরেই এই ঘোষণা এসেছে। এই মার্কিন বোমাটি প্রায় ৯.৮ টন ওজনের, যা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী প্রচলিত অস্ত্র হিসেবে পরিচিত এবং এটি আফগানিস্তানে আইএস জঙ্গিদের টানেল কমপ্লেক্স ধ্বংসের কাজে অতীতে ব্যবহার করা হয়েছিল।
এদিকে, হোসেইন মোয়াবি দাবি করেছেন, ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের সাথে ১২ দিনের সংঘাতের পর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা, ধ্বংস করার ক্ষমতা এবং নির্ভুলতাও অনেক উন্নত হয়েছে। যদিও স্বাধীনভাবে এসব দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া, আইআরজিসি দাবি করেছে যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ রয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খোলা রাখার দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত। সূত্র: আল-জাজিরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনা -২ ও ৬ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক মন্তব্য করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন, যেখানে নতুন করে গল্পের সূচনা হয়েছে, যা পূর্বে এই বাংলাদেশে কখনো দেখা যায়নি। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এমন উৎসবমুখর পরিবেশে আগে কেউ কখনো উদযাপন করেনি! এটি যেন আরেক জিয়ার নতুন বাংলাদেশ! দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শেষে ২২ অক্টোবর, সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক ভেরিফাই পেইজে এই মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেখানো পথে চলতে চলতে আমরা একটি নতুন মানবিক বাংলাদেশ গড়বো। যেখানে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি হবে না!
এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে মানুষে মানুষে বৈষম্য থাকবে না এবং প্রকৃতি সবুজ ও সুন্দর হয়ে উঠবে। তিনি উল্লেখ করেন, "মানুষের জন্য কাজ করতে চাই, সবাইকে নিয়ে চলতে চাই আমরা।" এমপি ফাহমিদা হক আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথ কঠিন হলেও এটি অবাস্তব নয়!
ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিভাজনের রাজনীতি, চরম দুর্নীতি এবং অবহেলার কারণে মাদকাসক্ত জনগণের পুনর্বাসনের চ্যালেঞ্জটি কিছুটা কঠিন, তবে এটি অসম্ভব নয়! এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ফাহমিদা হক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে বলেন, জিয়াউর রহমান ঠিক এমন কঠিন অবস্থায় দাঁড়িয়ে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলেন এবং সততা ও আদর্শের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হয়ে উঠেছিলেন!
আজ আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি এবং আমরা সফল হবো, ইনশাআল্লাহ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাতে পানিতে ভিজিয়ে রাখা কিশমিশের পানি পরদিন সকালে খালি পেটে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। পানিতে ভিজানোর মাধ্যমে কিশমিশের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের দ্বারা সহজে শোষিত হতে পারে।
নিয়মিত কিশমিশের পানি পানের অসাধারণ ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জানুন:
১. হজমশক্তি উন্নত করে: কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটরি ফাইবার বা আঁশ বিদ্যমান, যা নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। কিশমিশ ভিজিয়ে রাখার ফলে এর ফাইবার নরম হয়ে যায়, ফলে হজম প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়।
নিয়মিত এই পানি পান করলে পেট পরিষ্কার থাকে এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা কমে যায়।
২. শরীর ও লিভার ডিটক্সিফিকেশন: কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রাকৃতিক উপাদান ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে, ফলে লিভার পরিষ্কার থাকে। পাশাপাশি, পর্যাপ্ত হাইড্রেশন কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এতে শরীর চনমনে ও সতেজ থাকে।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: কিশমিশে ভিটামিন সি, বি-কমপ্লেক্স এবং ফিনলিক যৌগের মতো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ফলে সর্দি-কাশি বা বিভিন্ন ইনফেকশন সহজে শরীরকে আক্রান্ত করতে পারে না।
৪. হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে: কিশমিশে উচ্চ পটাশিয়াম উপস্থিত থাকে, যা শরীরের সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এর ফাইবার ও পলিফেনল কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়।
৫. রক্তস্বল্পতা দূর করে: রক্তে হিমোগ্লোবিন ও লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে আয়রনের গুরুত্ব অপরিসীম। কিশমিশের ভেজানো পানি আয়রনের শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধের পাশাপাশি শরীরে শক্তি বৃদ্ধি পায়।
৬. হাড়ের শক্তি বাড়ায়: কিশমিশে ক্যালসিয়াম ও বোরন নামক খনিজ রয়েছে, যা হাড়ের স্বাস্থ্য ও শক্তিমত্তা বজায় রাখতে সহায়তা করে। পানি ভিজিয়ে খাওয়ার ফলে এই খনিজগুলো শরীর আরও ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারে, যা ভবিষ্যতে অস্টিওপরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোধে সহায়ক।
৭. ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরায়: কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করতে কার্যকর। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন এ এবং ই ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে এবং বার্ধক্যের ছাপ পড়তে দেয় না।
৮. শক্তি জোগায় ও ক্লান্তি দূর করে: ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজের প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে কিশমিশ শরীরে দ্রুত এনার্জি প্রদান করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন ও খনিজ সামগ্রিক ক্লান্তি দূর করে এবং সারাদিন শরীরকে চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করে।
৯. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: কিশমিশে উপস্থিত ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। এটি শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি প্রবেশ না করিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে শক্তি প্রদান করে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।
১০. মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: কিশমিশে কিছু বিশেষ ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে, যা দাঁতের ক্যাভিটি এবং মাড়ির রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করতে সহায়তা করে। নিয়মিত এই পানি পানের ফলে মুখের ভেতরের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
সূত্র: এনডিটিভি লাইফলাইন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের টঙ্গীতে মাছের খামারে মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দেওয়ার কারণে শেখ নজরুল ইসলাম (৪৭) নামের এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে টঙ্গীর শিলমুন এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগীর পরিবার বুধবার রাতে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
আহত শেখ নজরুল ইসলাম শিলমুন এলাকার মৃত সিরাজুল হক বাচ্চু মিয়ার পুত্র। তিনি গাজীপুর মহানগরীর ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে নজরুল ইসলাম নিজের মাছের খামার দেখাশোনা করতে যান। সেখানে তিনি কয়েকজনকে মাদক সেবন ও বিক্রি করতে দেখতে পান এবং বাধা দেন। এতে স্থানীয় শুভ ও সোহানসহ কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হামলার এক পর্যায়ে নজরুল ইসলামের কাছে থাকা ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
নজরুল ইসলামের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ