১২:৪৮ এম
ফাইল ছবি
সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু আজ বলেছেন, সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকারি খাস জমি অবৈধ দখলমুক্ত করার জন্য।
তিনি উল্লেখ করেন, 'ভূমিদস্যুমুক্ত সরকারি খাস জমি নিশ্চিত করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।' একই সাথে ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খাস জমি বিতরণে প্রকৃত ভূমিহীন মানুষের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার রয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের উত্থাপিত জরুরি মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে। তাই ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে সরকারি খাস জমি উদ্ধার কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যাতে প্রকৃত ভূমিহীনদের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের খাস জমি বিতরণে সরকারের অঙ্গীকার বাড়ে।
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, জেলার প্রশাসকদের (ডিসি) মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ বছর ধরে বসবাসকারী কিছু পরিবারের জন্য খাস জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মকর্তার ব্যর্থতার জন্য এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার নৈতিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
তিনি পূর্ববর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সে সময়ের সরকারী সম্পত্তি দখল করেছে স্থানীয় ভূমিদস্যুরা।
খাস জমির বিষয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে প্রতিটি পরিবারকে এক থেকে দুই কাঠা করে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার উদ্যোগ সরকারের থাকবে।
মন্ত্রী জানান, অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার এবং উদ্ধারকৃত খাস জমি যোগ্য উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণের জন্য সরকার ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার করতে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভূমি ও ভবন (দখল পুনরুদ্ধার) অধ্যাদেশ, ১৯৭০, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এবং ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিধিমালা, ২০২৪-এর বাস্তবায়ন।
আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন
তিনি আরও জানান, মাঠপর্যায়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কার্যক্রমের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন