শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৪৩ এম
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে রুপার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, যা স্বর্ণের দাম কমানোর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। সংগঠনটি ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করেছে, যা ভ্যাটসহ ১৭৫ টাকা কমানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য কমেছে, যার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা হবে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৩৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ ও পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
এর আগে, গত ২২ অক্টোবর সকালে বাজুস রুপার দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা সেদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছিল।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ৭৬ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম ৩৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ৪০ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল ৩ বার।
এদিকে, বাজুস ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করেছে, যা ভ্যাটসহ ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ১২৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ৬০ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৬৪ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লিওনেল মেসির অর্জনের মুকুটে যুক্ত হলো একটি নতুন পালক। আর্জেন্টাইন ফুটবল মহাতারকা, যিনি তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার এবং ফুটবলে অসামান্য অবদানের জন্য ২০২৬ সালের প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ক্রীড়া পুরস্কার লাভ করেছেন।
এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন। স্পেনভিত্তিক এই ফাউন্ডেশনটি প্রতি বছর খেলাধুলায় অসাধারণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্ব বা প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মান প্রদান করে।
১৯৮৭ সালের ২৪ জুন আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্মগ্রহণ করেন মেসি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি এফসি বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমিতে ভর্তি হন এবং ২০০৪ সালে ক্লাবের মূল দলে অভিষেক ঘটে। বার্সেলোনায় ১৫ বছরেরও বেশি সময় কাটানোর পর, তিনি প্যারিস সেন্ট জার্মেইনে (পিএসজি) যোগ দেন এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে চলে আসেন।
মেসির ক্যারিয়ারে মোট ৪৯টি শিরোপা অর্জিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০০৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বার্সেলোনার হয়ে তিনি ৩৫টি ট্রফি জিতেছেন। এই ট্রফিগুলোর মধ্যে রয়েছে চারটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ১০টি লা লিগা শিরোপা।
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে তিনি ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ এবং দুটি কোপা আমেরিকা শিরোপা জিতেছেন।
পুয়োল-জাভি-ইনিয়েস্তাদের সঙ্গে কাটানো দিনগুলো স্মরণে মেসি
ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকে মেসির সাফল্য ঈর্ষণীয়। তিনি রেকর্ড আটটি ব্যালন ডি’অর, তিনটি দ্য বেস্ট ফিফা মেনস প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড এবং ছয়টি ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জিতেছেন।
২০১২ সালে এক পঞ্জিকাবর্ষে ৯১ গোল করে তিনি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েন। এছাড়া ২০২০ ও ২০২৩ সালে লরিয়াস ওয়ার্ল্ড স্পোর্টসম্যান অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতে তিনি ইতিহাসের একমাত্র পুরুষ ফুটবলার হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন।
ফুটবলের বাইরেও মেসি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। লিও মেসি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির উদ্যোগে সহযোগিতা করেন। ২০১০ সাল থেকে তিনি ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংগঠনটি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পেয়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দামের ভিত্তিতে, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা সম্ভব নয়। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ ও পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেয়া যাবে না। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
এর আগে, ২২ অক্টোবর সকালে বাজুস সোনার দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
এবারের সমন্বয়ের ফলে চলতি বছর দেশের বাজারে সোনার দাম ১২৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৬০ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৬৪ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
সোনার দাম কমানোর সাথে সাথে দেশের বাজারে রুপার দামও কমানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৩৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৬ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৩৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ৪০ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : চিকিৎসাসেবা উন্নত করার উদ্দেশ্যে এবং ব্যাংকিং সুবিধা সহজতর করার জন্য এনসিসি ব্যাংক পিএলসির পক্ষ থেকে একটি আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়েছে এবং ব্যাংকের একটি বুথ স্থাপন করা হয়েছে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে এনসিসি ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকির হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের কাছে অত্যাধুনিক আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সটি হস্তান্তর করেন।
অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তরের পাশাপাশি, জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন ভবনের সম্মুখে এনসিসি ব্যাংকের একটি এটিএম বুথের কার্যক্রমও উদ্বোধন করা হয়।
এনসিসি ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হাসপাতাল চত্বরে এই এটিএম বুথ চালু থাকলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, তাদের স্বজন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য জরুরি ব্যাংকিং ও নগদ টাকা উত্তোলনে সেবা গ্রহণ করা সহজ হবে।
দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আজাদ এনসিসি ব্যাংকের এই মানবিক ও সেবামূলক উদ্যোগের জন্য প্রশংসা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সম্পাদক মো. আবু তাহের আবু, জেলা ড্যাব সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. জিয়াউল হক জিয়া, নির্বাহী সদস্য এস এম খালেকুজ্জামান বাবু, ডা. মো. গোলাম গাউস মন্টু প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : আগামীকাল ৮০তম জন্মদিন উদযাপন করবেন গবেষক, প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক, লেখক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ।
১৯৪৬ সালের এই দিনে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। সৈয়দ আবুল মকসুদের পিতা সৈয়দ আবুল মাহমুদ এবং মাতার নাম সালেহা বেগম।
তিনি ঝিটকা আনন্দমোহন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সাংবাদিকতায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন জার্মানির বার্লিনের ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর জার্নালিজম’ থেকে।
২০০৩ সালে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিবাদে সৈয়দ আবুল মকসুদ পশ্চিমা পোশাক পরিধান ত্যাগ করেন। গান্ধীর সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতি অনুরক্ত এই সামাজিক ও পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী সুতির সাদা কাপড়কে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দেড় যুগ ধরে এই পোশাক পরিধান করেছেন।
দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে ‘সহজিয়া কড়চা’ এবং ‘বাঘা তেঁতুল’ শিরোনামে কলাম লিখে তিনি পরিচিতি অর্জন করেন।
মওলানা ভাসানীকে নিয়ে তিনি লিখেছেন ‘মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর জীবন, কর্মকাণ্ড, রাজনীতি ও দর্শন’ (১৯৮৬) এবং ভাসানী কাহিনী। সৈয়দ মকসুদের লেখা বইয়ের সংখ্যা ৪০টিরও বেশি।
সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৯৫ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি ৭৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ