শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৫২ এম
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : আগামীকাল ৮০তম জন্মদিন উদযাপন করবেন গবেষক, প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক, লেখক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ।
১৯৪৬ সালের এই দিনে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। সৈয়দ আবুল মকসুদের পিতা সৈয়দ আবুল মাহমুদ এবং মাতার নাম সালেহা বেগম।
তিনি ঝিটকা আনন্দমোহন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সাংবাদিকতায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন জার্মানির বার্লিনের ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর জার্নালিজম’ থেকে।
২০০৩ সালে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিবাদে সৈয়দ আবুল মকসুদ পশ্চিমা পোশাক পরিধান ত্যাগ করেন। গান্ধীর সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতি অনুরক্ত এই সামাজিক ও পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী সুতির সাদা কাপড়কে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দেড় যুগ ধরে এই পোশাক পরিধান করেছেন।
দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে ‘সহজিয়া কড়চা’ এবং ‘বাঘা তেঁতুল’ শিরোনামে কলাম লিখে তিনি পরিচিতি অর্জন করেন।
মওলানা ভাসানীকে নিয়ে তিনি লিখেছেন ‘মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর জীবন, কর্মকাণ্ড, রাজনীতি ও দর্শন’ (১৯৮৬) এবং ভাসানী কাহিনী। সৈয়দ মকসুদের লেখা বইয়ের সংখ্যা ৪০টিরও বেশি।
সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৯৫ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি ৭৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২০৭৫ সালের মধ্যে বিশ্বের অগভীর পানির প্রায় সব প্রবালপ্রাচীর চরম বিপন্ন হওয়ার অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন)।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রথম বৈশ্বিক মূল্যায়নে, বিপন্ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থাটি বিশ্বের ৯৬ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর ব্যবস্থাকে ‘চরম বিপন্ন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। এটি ঝুঁকি মূল্যায়নের সর্বোচ্চ শ্রেণি।
প্রবাল তাপমাত্রার প্রতি সংবেদনশীল এবং মানুষের কর্মকাণ্ডজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশেষভাবে ঝুঁকিতে রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রবালের ক্ষতিকর ব্লিচিং বা বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ঘটছে ও তীব্র হচ্ছে।
আইইউসিএনের প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্রের লাল তালিকা মূল্যায়নের বৈজ্ঞানিক প্রধান মিশাল গুদকা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ভবিষ্যৎ হুমকি ক্রমেই ঘনিয়ে আসছে এবং তা অত্যন্ত গুরুতর। এর ফলে এসব বাস্তুতন্ত্রের টিকে থাকার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।’
জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্যবিষয়ক কপ-১৭ সম্মেলনে আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া ‘সুপার’ এল নিনো পরিস্থিতির উদ্ভবও এ বছর প্রবালের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
আইইউসিএন কপ-১৭ সম্মেলনে তাদের এ মূল্যায়ন তুলে ধরেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে জীববৈচিত্র্যের ক্ষয় বন্ধ ও তা পুনরুদ্ধারে ঐতিহাসিক চুক্তির বাস্তবায়নে অগ্রগতি অর্জনের জন্য সম্মেলনে সরকারগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে।
মূল্যায়নের জন্য আইইউসিএন জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মধ্যম মাত্রার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ২১০০ সালের মধ্যে শিল্পায়ন-পূর্ব সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে দেওয়া গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে বর্তমান আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়িত হলে চলতি শতাব্দীতে তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে বলে বুধবার জাতিসংঘ সতর্ক করেছে।
আইইউসিএন এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট তাপীয় চাপ বিশ্বজুড়ে প্রবালপ্রাচীরের অবক্ষয়ের সবচেয়ে ধারাবাহিক হুমকি।’
সংস্থাটি জানায়, অতিরিক্ত মাছ ধরাও প্রবালের ক্ষতি করছে। কারণ, কিছু তৃণভোজী মাছ ও শিকারি প্রাণী শৈবালের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
প্যারটফিশ ও অন্যান্য গ্রুপার মাছ অতিরিক্ত আহরণের ফলে বিশ্বের ৬৩ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্র হুমকির মুখে রয়েছে। উপকূলীয় উন্নয়ন, দূষণ, পর্যটন এবং ঘন ঘন শক্তিশালী ঝড়ও প্রবালপ্রাচীরের জন্য বড় হুমকি।
চরম বিপন্ন প্রবালপ্রাচীর
আইইউসিএনের বিশ্লেষণে ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলের ১২৭টি প্রবালপ্রাচীর ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এসব প্রবালপ্রাচীরের মোট আয়তন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৬২ বর্গকিলোমিটার।
বিশ্বের বৃহত্তম ও সর্বাধিক জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ কয়েকটি প্রবালপ্রাচীরকেও ‘চরম বিপন্ন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কোরাল ট্রায়াঙ্গল, ক্যারিবীয় অঞ্চলের মেসোআমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ ব্যবস্থা এবং লোহিত সাগরের প্রবালপ্রাচীর।
শক্ত প্রবাল, যেগুলো প্রবালপ্রাচীরের জীবন্ত ভিত্তি তৈরি করে, বেশির ভাগ বিলুপ্ত হয়ে সেখানে শৈবাল, ভাঙা প্রবালের টুকরো ও স্পঞ্জের আধিক্য দেখা দিলে একটি প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্র ধসে পড়েছে বলে বিবেচিত হয়।
গত সপ্তাহে ‘নেচার’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২০ সাল নাগাদ বিশ্বের প্রায় অর্ধেক প্রবাল প্রজাতি বিলুপ্তির ‘বর্ধিত আপেক্ষিক ঝুঁকিতে’ ছিল। এ অবক্ষয়ের প্রধান কারণ ছিল জলবায়ু পরিবর্তন।
এখনো ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে
গুরুতর সতর্কতা সত্ত্বেও আইইউসিএন বলেছে, বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলের প্রবালপ্রাচীর এখনো পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি।
সংস্থাটির মতে, ভবিষ্যৎ জলবায়ু পরিবর্তনের পূর্বাভাস বাদ দিয়ে শুধু গত ৫০ বছরে ঘটে যাওয়া পরিবর্তন বিবেচনা করলে বিশ্বের ২৪ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্রকে ‘চরম বিপন্ন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হতো। ভবিষ্যৎ উষ্ণায়নের প্রভাব যুক্ত করায় এ হার বেড়ে ৯৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
গুদকা বলেন, ‘সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি এড়াতে সংরক্ষণ প্রচেষ্টা ও জলবায়ু কার্যক্রম জোরদার করার জন্য এটি আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা দাঁড় করেছে।’
তিনি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উপকূলীয় সমুদ্র গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা কর্ডিও ইস্ট আফ্রিকার গবেষণা পরিচালকও।
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী কয়েক বছরে আমরা যে পদক্ষেপ নেব, তা নির্ধারণ করবে শতাব্দীর শেষভাগে এসব বাস্তুতন্ত্র কেমন থাকবে—আমরা যেভাবে এগুলোকে চিনি, সেভাবে টিকে থাকবে, নাকি সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তুতন্ত্রে রূপান্তরিত হবে, যার মূল্য প্রকৃতি ও মানুষের কাছে কম হবে।’
আইইউসিএনের মহাপরিচালক গ্রেথেল আগুইলার বলেন, প্রবালপ্রাচীরকে পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেওয়ার সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, কী করা প্রয়োজন—নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা জোরদার করা এবং সহনশীল উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র ও এগুলোর ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর জন্য ধারাবাহিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে সরকারি খরচে ২,৩৮৫টি মামলা নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে, যা বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত হয়েছে।
এ তথ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, সরকারি খরচে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২,৩৮৫টি মামলা নিষ্পত্তির পাশাপাশি, ৬৪ জেলার লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২ লাখ ৪০ হাজার ৪৭৫টি মামলা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ৮২৫টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।
‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও অসহায় বিচারপ্রার্থীদের বিনা খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য প্রণীত হয়েছে।
এটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে একটি সরকার নিয়ন্ত্রিত সেবা সংস্থা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশ শিকারের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত ২০ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড এবং জরিমানা প্রদান করেছে। অভিযানের সময় নিষিদ্ধ কারেন্টজাল, নৌকা ও ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত জেলা টাস্ক ফোর্সের আওতায় সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হুদার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে অংশগ্রহণকারী সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় বাসসকে জানান, অভিযানকালে ২০ জেলে আটক করা হয়। এছাড়া ৩০ কেজি ইলিশ, ৩৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৩টি ইঞ্জিন চালিত মাছ ধরার কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।
কারাদণ্ড প্রাপ্ত জেলেদের মধ্যে শুক্কুর শেখ (২৫), মফিজ গাজী (৬০), সাব্বির গাজী (১৮), ফরহাদ গাজী (১৯), হাবিব খান (২০), তোফাজ্জল হোসেন (৫৫), সিয়াম পাটওয়ারী (২২), আলমগীর হাওলাদার (২৫), শহীদ গাজী (২৬), মো. আব্বাস (৪০), রিপন মিয়াজী (২০), মো. মাসুদ (৪১), নুর মোহাম্মদ (৩৫), দেলু সরদার (৪৫), মো. শাকিল (১৯), কালু খান (৩০), মো. হাবিব (৩৫), মো. হাবিব খান (৪০), মো. বারেক (২৮) ও মো. রবিউল ইসলাম (১৯) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এসব জেলেদের বাড়ি সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে অবস্থিত।
আটক ২০ জেলের মধ্যে ১৩ জনকে ১০ দিন করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৭ জনকে ১৫ দিন করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া, প্রত্যেকের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
জব্দকৃত ইলিশ এতিমখানা ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হবে এবং নৌকা কোস্ট গার্ডের হেফাজতে রাখা হবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জব্দ করা জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার নির্দেশনা প্রদান করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শ্রেণিকক্ষ, অফিসকক্ষ, বারান্দা, ছাদ, শৌচাগার এবং প্রতিষ্ঠানের আশপাশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি, কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের জন্য বলা হয়েছে।
১৮ অক্টোবর তারিখে জারি করা এক নির্দেশনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের এসব ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। নির্দেশনায় বিষয়টিকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মিরপুর বাংলা কলেজসহ বিভিন্ন স্থাপনা আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন।
এ পরিপ্রেক্ষিতে, ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এছাড়া, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সম্পৃক্ত করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ, সার্বিক শৃঙ্খলা ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করার জন্য বলা হয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. নাজমুল হক স্বাক্ষরিত নির্দেশনাটি অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক, সরকারি ও বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ