প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
লিওনেল মেসির অর্জনের মুকুটে যুক্ত হলো একটি নতুন পালক। আর্জেন্টাইন ফুটবল মহাতারকা, যিনি তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার এবং ফুটবলে অসামান্য অবদানের জন্য ২০২৬ সালের প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ক্রীড়া পুরস্কার লাভ করেছেন।
এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন। স্পেনভিত্তিক এই ফাউন্ডেশনটি প্রতি বছর খেলাধুলায় অসাধারণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্ব বা প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মান প্রদান করে।
১৯৮৭ সালের ২৪ জুন আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্মগ্রহণ করেন মেসি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি এফসি বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমিতে ভর্তি হন এবং ২০০৪ সালে ক্লাবের মূল দলে অভিষেক ঘটে। বার্সেলোনায় ১৫ বছরেরও বেশি সময় কাটানোর পর, তিনি প্যারিস সেন্ট জার্মেইনে (পিএসজি) যোগ দেন এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে চলে আসেন।
মেসির ক্যারিয়ারে মোট ৪৯টি শিরোপা অর্জিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০০৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বার্সেলোনার হয়ে তিনি ৩৫টি ট্রফি জিতেছেন। এই ট্রফিগুলোর মধ্যে রয়েছে চারটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ১০টি লা লিগা শিরোপা।
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে তিনি ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ এবং দুটি কোপা আমেরিকা শিরোপা জিতেছেন।
পুয়োল-জাভি-ইনিয়েস্তাদের সঙ্গে কাটানো দিনগুলো স্মরণে মেসি
ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকে মেসির সাফল্য ঈর্ষণীয়। তিনি রেকর্ড আটটি ব্যালন ডি’অর, তিনটি দ্য বেস্ট ফিফা মেনস প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড এবং ছয়টি ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জিতেছেন।
২০১২ সালে এক পঞ্জিকাবর্ষে ৯১ গোল করে তিনি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েন। এছাড়া ২০২০ ও ২০২৩ সালে লরিয়াস ওয়ার্ল্ড স্পোর্টসম্যান অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতে তিনি ইতিহাসের একমাত্র পুরুষ ফুটবলার হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন।
ফুটবলের বাইরেও মেসি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। লিও মেসি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির উদ্যোগে সহযোগিতা করেন। ২০১০ সাল থেকে তিনি ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন