ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের বাজারে সোনার দাম কমে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা


দেশের বাজারে সোনার দাম কমে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংগঠনটি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করেছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পেয়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রযুক্তি খাতের শেয়ারে দরপতন, এশিয়ার পুঁজিবাজার সপ্তাহ শেষে নিম্নমুখী

নতুন দামের ভিত্তিতে, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা সম্ভব নয়। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ ও পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেয়া যাবে না। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

এর আগে, ২২ অক্টোবর সকালে বাজুস সোনার দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

আরও পড়ুন: রুপার দাম আবার কমলো, নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর

এবারের সমন্বয়ের ফলে চলতি বছর দেশের বাজারে সোনার দাম ১২৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৬০ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৬৪ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

সোনার দাম কমানোর সাথে সাথে দেশের বাজারে রুপার দামও কমানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৩৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৬ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৩৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ৪০ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

আরও পড়ুন: আদা, রসুন ও লেবুর দামে বড় লাফ, ক্রেতাদের নাভিশ্বাস চাল-ময়দা কেনায়

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স ও এটিএম বুথ প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫১ এম


দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স ও এটিএম বুথ প্রদান

দিনাজপুর, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : চিকিৎসাসেবা উন্নত করার উদ্দেশ্যে এবং ব্যাংকিং সুবিধা সহজতর করার জন্য এনসিসি ব্যাংক পিএলসির পক্ষ থেকে একটি আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়েছে এবং ব্যাংকের একটি বুথ স্থাপন করা হয়েছে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে এনসিসি ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকির হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের কাছে অত্যাধুনিক আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সটি হস্তান্তর করেন।

অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তরের পাশাপাশি, জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন ভবনের সম্মুখে এনসিসি ব্যাংকের একটি এটিএম বুথের কার্যক্রমও উদ্বোধন করা হয়।

এনসিসি ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হাসপাতাল চত্বরে এই এটিএম বুথ চালু থাকলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, তাদের স্বজন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য জরুরি ব্যাংকিং ও নগদ টাকা উত্তোলনে সেবা গ্রহণ করা সহজ হবে।

দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আজাদ এনসিসি ব্যাংকের এই মানবিক ও সেবামূলক উদ্যোগের জন্য প্রশংসা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সম্পাদক মো. আবু তাহের আবু, জেলা ড্যাব সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. জিয়াউল হক জিয়া, নির্বাহী সদস্য এস এম খালেকুজ্জামান বাবু, ডা. মো. গোলাম গাউস মন্টু প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদের ৮০তম জন্মদিন কাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদের ৮০তম জন্মদিন কাল

ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : আগামীকাল ৮০তম জন্মদিন উদযাপন করবেন গবেষক, প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক, লেখক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ।

১৯৪৬ সালের এই দিনে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। সৈয়দ আবুল মকসুদের পিতা সৈয়দ আবুল মাহমুদ এবং মাতার নাম সালেহা বেগম।

তিনি ঝিটকা আনন্দমোহন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সাংবাদিকতায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন জার্মানির বার্লিনের ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর জার্নালিজম’ থেকে।

২০০৩ সালে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিবাদে সৈয়দ আবুল মকসুদ পশ্চিমা পোশাক পরিধান ত্যাগ করেন। গান্ধীর সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতি অনুরক্ত এই সামাজিক ও পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী সুতির সাদা কাপড়কে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দেড় যুগ ধরে এই পোশাক পরিধান করেছেন।

দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে ‘সহজিয়া কড়চা’ এবং ‘বাঘা তেঁতুল’ শিরোনামে কলাম লিখে তিনি পরিচিতি অর্জন করেন।

মওলানা ভাসানীকে নিয়ে তিনি লিখেছেন ‘মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর জীবন, কর্মকাণ্ড, রাজনীতি ও দর্শন’ (১৯৮৬) এবং ভাসানী কাহিনী। সৈয়দ মকসুদের লেখা বইয়ের সংখ্যা ৪০টিরও বেশি।

সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৯৫ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি ৭৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০৭৫ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় সব প্রবালপ্রাচীর চরম বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে: আইইউসিএন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ এম


২০৭৫ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় সব প্রবালপ্রাচীর চরম বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে: আইইউসিএন

ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২০৭৫ সালের মধ্যে বিশ্বের অগভীর পানির প্রায় সব প্রবালপ্রাচীর চরম বিপন্ন হওয়ার অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন)।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রথম বৈশ্বিক মূল্যায়নে, বিপন্ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থাটি বিশ্বের ৯৬ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর ব্যবস্থাকে ‘চরম বিপন্ন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। এটি ঝুঁকি মূল্যায়নের সর্বোচ্চ শ্রেণি।

প্রবাল তাপমাত্রার প্রতি সংবেদনশীল এবং মানুষের কর্মকাণ্ডজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশেষভাবে ঝুঁকিতে রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রবালের ক্ষতিকর ব্লিচিং বা বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ঘটছে ও তীব্র হচ্ছে।

আইইউসিএনের প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্রের লাল তালিকা মূল্যায়নের বৈজ্ঞানিক প্রধান মিশাল গুদকা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ভবিষ্যৎ হুমকি ক্রমেই ঘনিয়ে আসছে এবং তা অত্যন্ত গুরুতর। এর ফলে এসব বাস্তুতন্ত্রের টিকে থাকার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।’

জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্যবিষয়ক কপ-১৭ সম্মেলনে আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া ‘সুপার’ এল নিনো পরিস্থিতির উদ্ভবও এ বছর প্রবালের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

আইইউসিএন কপ-১৭ সম্মেলনে তাদের এ মূল্যায়ন তুলে ধরেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে জীববৈচিত্র্যের ক্ষয় বন্ধ ও তা পুনরুদ্ধারে ঐতিহাসিক চুক্তির বাস্তবায়নে অগ্রগতি অর্জনের জন্য সম্মেলনে সরকারগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে।

মূল্যায়নের জন্য আইইউসিএন জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মধ্যম মাত্রার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ২১০০ সালের মধ্যে শিল্পায়ন-পূর্ব সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে দেওয়া গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে বর্তমান আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়িত হলে চলতি শতাব্দীতে তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে বলে বুধবার জাতিসংঘ সতর্ক করেছে।

আইইউসিএন এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট তাপীয় চাপ বিশ্বজুড়ে প্রবালপ্রাচীরের অবক্ষয়ের সবচেয়ে ধারাবাহিক হুমকি।’

সংস্থাটি জানায়, অতিরিক্ত মাছ ধরাও প্রবালের ক্ষতি করছে। কারণ, কিছু তৃণভোজী মাছ ও শিকারি প্রাণী শৈবালের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

প্যারটফিশ ও অন্যান্য গ্রুপার মাছ অতিরিক্ত আহরণের ফলে বিশ্বের ৬৩ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্র হুমকির মুখে রয়েছে। উপকূলীয় উন্নয়ন, দূষণ, পর্যটন এবং ঘন ঘন শক্তিশালী ঝড়ও প্রবালপ্রাচীরের জন্য বড় হুমকি।

চরম বিপন্ন প্রবালপ্রাচীর

আইইউসিএনের বিশ্লেষণে ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলের ১২৭টি প্রবালপ্রাচীর ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এসব প্রবালপ্রাচীরের মোট আয়তন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৬২ বর্গকিলোমিটার।

বিশ্বের বৃহত্তম ও সর্বাধিক জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ কয়েকটি প্রবালপ্রাচীরকেও ‘চরম বিপন্ন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কোরাল ট্রায়াঙ্গল, ক্যারিবীয় অঞ্চলের মেসোআমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ ব্যবস্থা এবং লোহিত সাগরের প্রবালপ্রাচীর।

শক্ত প্রবাল, যেগুলো প্রবালপ্রাচীরের জীবন্ত ভিত্তি তৈরি করে, বেশির ভাগ বিলুপ্ত হয়ে সেখানে শৈবাল, ভাঙা প্রবালের টুকরো ও স্পঞ্জের আধিক্য দেখা দিলে একটি প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্র ধসে পড়েছে বলে বিবেচিত হয়।

গত সপ্তাহে ‘নেচার’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২০ সাল নাগাদ বিশ্বের প্রায় অর্ধেক প্রবাল প্রজাতি বিলুপ্তির ‘বর্ধিত আপেক্ষিক ঝুঁকিতে’ ছিল। এ অবক্ষয়ের প্রধান কারণ ছিল জলবায়ু পরিবর্তন।

এখনো ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে

গুরুতর সতর্কতা সত্ত্বেও আইইউসিএন বলেছে, বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলের প্রবালপ্রাচীর এখনো পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি।

সংস্থাটির মতে, ভবিষ্যৎ জলবায়ু পরিবর্তনের পূর্বাভাস বাদ দিয়ে শুধু গত ৫০ বছরে ঘটে যাওয়া পরিবর্তন বিবেচনা করলে বিশ্বের ২৪ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর বাস্তুতন্ত্রকে ‘চরম বিপন্ন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হতো। ভবিষ্যৎ উষ্ণায়নের প্রভাব যুক্ত করায় এ হার বেড়ে ৯৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গুদকা বলেন, ‘সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি এড়াতে সংরক্ষণ প্রচেষ্টা ও জলবায়ু কার্যক্রম জোরদার করার জন্য এটি আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা দাঁড় করেছে।’

তিনি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উপকূলীয় সমুদ্র গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা কর্ডিও ইস্ট আফ্রিকার গবেষণা পরিচালকও।

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী কয়েক বছরে আমরা যে পদক্ষেপ নেব, তা নির্ধারণ করবে শতাব্দীর শেষভাগে এসব বাস্তুতন্ত্র কেমন থাকবে—আমরা যেভাবে এগুলোকে চিনি, সেভাবে টিকে থাকবে, নাকি সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তুতন্ত্রে রূপান্তরিত হবে, যার মূল্য প্রকৃতি ও মানুষের কাছে কম হবে।’

আইইউসিএনের মহাপরিচালক গ্রেথেল আগুইলার বলেন, প্রবালপ্রাচীরকে পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেওয়ার সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, কী করা প্রয়োজন—নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা জোরদার করা এবং সহনশীল উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র ও এগুলোর ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর জন্য ধারাবাহিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুপ্রিম কোর্টে লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২,৩৮৫ মামলা নিষ্পত্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ এম


সুপ্রিম কোর্টে লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২,৩৮৫ মামলা নিষ্পত্তি

ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে সরকারি খরচে ২,৩৮৫টি মামলা নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে, যা বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত হয়েছে।

এ তথ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, সরকারি খরচে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২,৩৮৫টি মামলা নিষ্পত্তির পাশাপাশি, ৬৪ জেলার লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২ লাখ ৪০ হাজার ৪৭৫টি মামলা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ৮২৫টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও অসহায় বিচারপ্রার্থীদের বিনা খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য প্রণীত হয়েছে।

এটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে একটি সরকার নিয়ন্ত্রিত সেবা সংস্থা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%