ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট পেতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের তালিকা প্রকাশ


অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট পেতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের তালিকা প্রকাশ

বাংলাদেশে আয়কর সম্পর্কিত বিভিন্ন কার্যক্রমে টিআইএন বা টিন নম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। টিন সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আয়কর কার্যক্রমসহ বিভিন্ন আর্থিক কাজে। এই সার্টিফিকেট অনলাইনে ঘরে বসেই তৈরি করা সম্ভব। তবে করদাতার ধরন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন তথ্য ও ডকুমেন্টের প্রয়োজন হয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওয়েবসাইটে আয়কর সংক্রান্ত সাধারণ জিজ্ঞাসার জন্য টিন করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্রের বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য যা লাগবে

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

যদি করদাতা প্রাপ্তবয়স্ক হন, তাহলে অনলাইনে ই-টিআইএন করার জন্য প্রয়োজন হবে- করদাতার নাম, বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্মতারিখ।

অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য

অপ্রাপ্তবয়স্ক করদাতার জন্য ই-টিআইএন করতে প্রয়োজন হবে- করদাতার নাম, অভিভাবকের নাম, অভিভাবকের টিআইএন নম্বর এবং করদাতার পাসপোর্ট সাইজের ছবির সফট কপি।

প্রবাসীদের জন্য

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে

যদি প্রবাসী বাংলাদেশি কেউ টিন সার্টিফিকেট করতে চান, তাহলে প্রয়োজন হবে পাসপোর্ট নম্বর, পাসপোর্ট ইস্যুর তারিখ, ভিসা নম্বর, ভিসা ইস্যুর তারিখ এবং করদাতার পাসপোর্ট সাইজের ছবির সফট কপি।

টিআইএন বা ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর একটি ইউনিক নম্বর, যা করদাতার পরিচিতি হিসেবে কাজ করে। এটি আয়কর রিটার্ন দাখিলসহ বিভিন্ন কর-সংক্রান্ত কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়। ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, এফডিআর, সঞ্চয়পত্র কেনা, ব্যবসার লাইসেন্স নেওয়া ইত্যাদির ক্ষেত্রেও টিন সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হতে পারে।

টিন সার্টিফিকেটে ভুল হলে কী করবেন

টিন সার্টিফিকেট করার সময় নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখসহ বিভিন্ন তথ্য ভুল হতে পারে। তবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধনের আবেদন করা সম্ভব। সাধারণত এ সংশোধনের জন্য কোনো ফি লাগে না।

আরও পড়ুন: কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদার সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রধান লক্ষ্য: ড. তিতুমীর

যেভাবে টিনের তথ্য সংশোধন করবেন

১. প্রথমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-টিআইএন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। যদি আগে থেকে অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে লগইন করতে হবে। অ্যাকাউন্ট না থাকলে নতুন করে নিবন্ধন করতে হবে।

২. ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘রেজিস্টার’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

৩. নাম, ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড, মোবাইল নম্বর ও ই-মেইলসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুর

৪. নিবন্ধন শেষ হলে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে পোর্টালে লগইন করতে হবে।

৫. লগইন করার পর ড্যাশবোর্ড থেকে ‘টিন ইনফরমেশন’ বা ‘আপডেট টিন ইনফরমেশন’ অপশনে যেতে হবে।

৬. সেখানে টিন সার্টিফিকেটে থাকা তথ্য দেখা যাবে। যে তথ্য সংশোধন করতে চান, তার পাশে থাকা ‘এডিট’ বা ‘আপডেট’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

৭. এরপর সঠিক তথ্য দিয়ে সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

আরও পড়ুন: মসলিনের টেকসই উৎপাদন ও বাণিজ্যিক সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

৮. প্রয়োজনে সংশোধনের কারণ উল্লেখ করতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে সংশোধনের পক্ষে প্রমাণপত্রও আপলোড করতে হতে পারে, যেমন জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন সনদ বা অন্য কোনো সরকারি নথি।

৯. সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার পর আবেদনপত্র যাচাই করে ‘সাবমিট’ বা ‘আপডেট’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর রিসিট ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদন করলে ঘরে বসেই অনলাইনে টিন সার্টিফিকেটের তথ্য সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের পর্যটনে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মারা গেছেন জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক জিম বাকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


মারা গেছেন জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক জিম বাকার

যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিষ্টান ধর্মীয় টেলিভিশন উপস্থাপক জিম বাকার মারা গেছেন। একসময় তিনি বিশাল জনপ্রিয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও একটি বৃহৎ ধর্মীয় সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন, কিন্তু পরে যৌন কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অপরাধের কারণে সবকিছু হারান। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮৬ বছর।

জিম বাকার সোমবার (৫ অক্টোবর) মারা যান। তার দ্বিতীয় স্ত্রী লরি বাকার এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। তবে, তার মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

লরি বাকার বলেন, "জিম ছিলেন খ্রিষ্টান টেলিভিশনের পথিকৃৎ।" তবে, তার কাছে জিম ছিলেন স্বামী, সবচেয়ে ভালো বন্ধু এবং জীবনের নানা সময়ের বিশ্বস্ত সঙ্গী।

জিম বাকারের দ্বিতীয় স্ত্রী লরির সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের ব্র্যানসন শহরের কাছে বসবাস করতেন। ২০০৩ সালে শুরু হওয়া ‘দ্য জিম বাকার শো’ সেখান থেকেই ধারণ করা হতো। ২০২০ সালে জিম বাকারের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত পক্ষাঘাত হয়েছিল।

জিম বাকারের সবচেয়ে বড় খ্যাতি আসে তার প্রথম স্ত্রী ট্যামি ফেই বাকারের সঙ্গে পরিচালিত ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘দ্য পিটিএল ক্লাব’ থেকে। অনুষ্ঠানটি এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে একসময় প্রতিদিন রাতে প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ দর্শক এটি দেখতেন।

১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে তাদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের পরিধি আরও বড় হয়। তাদের উদ্যোগের মধ্যে ছিল টেলিভিশন অনুষ্ঠান, দক্ষিণ ক্যারোলিনার ফোর্ট মিলের একটি ধর্মভিত্তিক বিনোদন পার্ক ও হোটেল।

তবে বিপুল সাফল্যের পর যৌন কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অপরাধের ঘটনায় বাকারের সাম্রাজ্যে ধস নামে। তিনি সবকিছু হারান এবং ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন।

জিম বাকারের জন্ম মিশিগানের মাসকিগনে। মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসের নর্থ সেন্ট্রাল বাইবেল কলেজে পড়ার সময় ট্যামি ফেইয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ১৯৬১ সালে তাদের বিয়ে হয়।

পরে দুজনেই পড়াশোনা ছেড়ে নিজেদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ড শুরু করেন। জিম ধর্মীয় বক্তব্য দিতেন আর ট্যামি ফেই গান গাইতেন ও অ্যাকর্ডিয়ন বাজাতেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় গির্জা ও ধর্মীয় সমাবেশে ঘুরে বেড়াতেন।

তাদের কর্মকাণ্ড নজরে আসে খ্রিষ্টান টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব প্যাট রবার্টসনের। ১৯৬৫ সালে তারা রবার্টসনের খ্রিষ্টান সম্প্রচার নেটওয়ার্কে শিশুদের জন্য একটি অনুষ্ঠান শুরু করেন। পরের বছর জিম ‘দ্য সেভেন হান্ড্রেড ক্লাব’ নামের ধর্মীয় আলোচনা অনুষ্ঠান উপস্থাপনা শুরু করেন।

১৯৭২ সালে সেই প্রতিষ্ঠান ছাড়েন জিম। দুই বছর পর তিনি ‘পিটিএল স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক’ প্রতিষ্ঠা করেন। ‘পিটিএল ক্লাব’ ছিল এর প্রধান অনুষ্ঠান। পিটিএল-এর অর্থ প্রেইজ দ্য লর্ড, অর্থাৎ প্রভুর প্রশংসা।

১৯৮০-এর দশকে ‘দ্য পিটিএল ক্লাব’ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম জনপ্রিয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে। লাখ লাখ মানুষ অনুষ্ঠানটি দেখতেন এবং অনুসারীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ আসত।

অনুষ্ঠানটিতে বিভিন্ন অতিথি ও খ্রিষ্টান শিল্পীদের সঙ্গে আলোচনা করা হতো। জিম ধর্মীয় বক্তব্য দিতেন, আর ট্যামি ফেই গান গাইতেন। ভারী সাজসজ্জা ও ঘন মাশকারার জন্যও ট্যামি ফেই ছিলেন ব্যাপক পরিচিত।

তাদের বিলাসবহুল জীবনযাপন ও বিপুল সম্পদের কারণে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন হাস্যরসাত্মক অনুষ্ঠানেও তাদের নিয়ে ব্যঙ্গ করা হয়। ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে রাতের টেলিভিশন অনুষ্ঠানগুলোতে তাদের নিয়ে নিয়মিত রসিকতা করা হতো। জনপ্রিয় হাস্যরসাত্মক অনুষ্ঠান ‘স্যাটারডে নাইট লাইভ’-এও তাদের অনুকরণ করা হয়।

জিম ও ট্যামি ফেই বাকারের জীবন নিয়ে ‘দ্য আইজ অব ট্যামি ফেই’ নামে একটি চলচ্চিত্রও ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পায়।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাগ দেখতে চাওয়ায় রেগে নারী, তল্লাশিতে বেরিয়ে এলো আসল রহস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


ব্যাগ দেখতে চাওয়ায় রেগে নারী, তল্লাশিতে বেরিয়ে এলো আসল রহস্য

ভারতের উত্তরপ্রদেশের নয়ডার একটি শপিংমলে একটি নারীর ব্যাগ তল্লাশি করার চেষ্টা করা হলে তিনি নিরাপত্তাকর্মীদের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তার ব্যাগে ঘি ও রান্নার তেলের বোতল রয়েছে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) নয়ডার লা মার্শ মলে এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ওই নারী তার স্বামীর সাথে শপিং করতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর, যখন তার স্বামী কাউন্টারে ছিলেন, তখন ওই নারী একা শপিংমল থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন।

এ সময়, তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে গেটে অবস্থানরত এক নিরাপত্তাকর্মী তার ব্যাগ পরীক্ষা করতে চান। এতে ওই নারী আপত্তি জানান এবং এক পর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীর সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে সেখানে আরও নিরাপত্তাকর্মী উপস্থিত হন।

পরে শপিংমলের কর্মীরা সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করেন। ফুটেজে দেখা যায়, ওই নারী একটি এক কেজির ঘিয়ের বোতল ও এক লিটার রান্নার তেলের বোতল তার ব্যাগে রেখেছেন। এরপর নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে ভেতরে নিয়ে গিয়ে ব্যাগ তল্লাশি করেন। অন্য ক্রেতাদের উপস্থিতিতে ব্যাগ থেকে ওই দুটি পণ্য বের করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, ওই নারী এক মাসেরও বেশি সময় ধরে শপিংমলটিতে আসছিলেন এবং এর আগে কয়েকবার চুরি করেছেন বলে কর্তৃপক্ষের সন্দেহ ছিল। মলের এক কর্মকর্তা জানান, একজন কর্মচারী সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ওই নারীর চুরির প্রমাণ পেয়েছেন।

ওই কর্মচারীর বক্তব্য অনুযায়ী, এর আগে ওই নারী শপিংমল থেকে কয়েক হাজার রুপির ঘি এবং অন্যান্য মুদি পণ্য চুরি করার অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, একজন ভালো পরিবারের নারী কেন ঘি বা রান্নার তেলের মতো পণ্য চুরি করবেন। আবার অনেকে ধারণা করছেন, তিনি হয়তো ক্লেপ্টোম্যানিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন। তবে ওই নারী কেন এসব পণ্য চুরি করেছিলেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

তবে শেষ পর্যন্ত, ওই নারী চুরি করা পণ্যগুলোর মূল্য পরিশোধ করলে শপিংমল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সেখানেই মীমাংসা করে। এ ঘটনায় কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।

সূত্র: এনডিটিভি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেঘনায় মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


মেঘনায় মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি

জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশ রক্ষার উদ্দেশ্যে সরকার আগামী বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্য রাত থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে। নিষেধাজ্ঞার এই ২২ দিনের সময়ে জেলেদের জনপ্রতি ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল প্রদান করা হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার জন্য নদীতে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা-জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে প্রতিদিন অভিযান পরিচালিত হবে।

জেলা মৎস্য অফিসের সূত্রে জানা যায়, জেলায় মোট ৫৪ হাজার নিবন্ধিত জেলে রয়েছে। এই জেলেরা মেঘনা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। নিবন্ধিত জেলেদের মধ্যে ৪২ হাজার ১৫০ জেলেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হলেও ১১ হাজার ৮৫০ জেলে ভিজিএফের চাল পাচ্ছেন না। তাদের পর্যায়ক্রমে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।

লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকার ১শ কিলোমিটার পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এই একশ কিলোমিটার মেঘনা নদী এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময়ে সব ধরনের ইলিশ সংরক্ষণ, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও মজুতকরণ নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলেদের সচেতন করার উদ্দেশ্যে নদী ও উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংসহ বিভিন্ন প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ।

নিষেধাজ্ঞার সময় ৪২ হাজার ১৫০ জেলে পরিবারকে ১৫৩ মেট্রিক টন ভিজিএফের চাল দেওয়া হবে। প্রতি জেলেকে ২৫ কেজি হারে খাদ্য সরবরাহ করা হবে।

জেলেরা জানিয়েছেন, যে পরিমাণ জেলে রয়েছে, সেই পরিমাণ সরকারি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয় না। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের সঠিক তালিকা তৈরি এবং দ্রুত যাতে সবাই চাল পান, তা নিশ্চিত করার দাবি তাদের।

জেলা মৎস্য অফিসার মো. জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার জন্য নদীতে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা-জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে প্রতিদিন অভিযান পরিচালিত হবে। এই সময়ে জেলেদের জন্য ২৫ কেজি হারে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। এরপরও যারা আইন অমান্য করে নদীতে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযান সফল হলে অধিক পরিমাণ ইলিশ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে সাবেক এমপি নাঈমুজ্জামান গ্রেপ্তার, রয়েছে ১২টি মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


পঞ্চগড়ে সাবেক এমপি নাঈমুজ্জামান গ্রেপ্তার, রয়েছে ১২টি মামলা

আওয়ামী লীগের পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান ভুঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যিনি বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় সদরের ধাক্কামারা ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। পঞ্চগড় সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশীষ কুমার শীল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নাঈমুজ্জামানকে পঞ্চগড় আদালতে হাজির করা হয়েছে। এ সময় আদালতজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলা রয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া আল আমিন গুম ও হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার সকালে তাকে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোশাররফ হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা প্রথমবারের মতো দলের মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%