বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:২১ এম
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নৌকায় রঙয়ের কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে।
নিহত শ্রমিকদের নাম হচ্ছে, উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের শুশুয়া চর এলাকার বখতিয়ার ইসলামের ছেলে ফরিদুল ইসলাম (২৫) এবং জিন্নদ আলীর ছেলে মো. ইয়াছিন আলী (৩০)।
বুধবার (১ জুলাই) বিকালে উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের শুশুয়া চর অঞ্চলে এ মর্মান্তিক ঘটনা সংঘটিত হয়।
জানা যাচ্ছে, যমুনা নদীর দুর্গম শুশুয়া চরে বিকালে তারা একসাথে নৌকায় রঙয়ের (আলকাতরা) কাজ করছিলেন। এই সময় হঠাৎ বজ্রপাতে তারা দুজনই ঘটনাস্থলে মারা যান। পরে তাদের স্বজনরা খবর পেয়ে দুজনের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান। আর তাদের মৃত্যুর ফলে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ভূঞাপুর থানার কর্মকর্তা (ওসি) একেএম রেজাউল করিম জানিয়েছেন, শুশুয়ার চরে বজ্রপাতে দুইজন দিনমজুরের মৃত্যুর ঘটনাটি তিনি জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের বিশ্বনাথে এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত।
বুধবার (১ জুলাই) সিলেটের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম রুবাইয়া ইয়াসমিন এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডবিধির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন বিশ্বনাথ থানার শাহবাজপুর এলাকার মো. আশিক আলীর পুত্র জয়নাল (২৫) এবং কান্দিরগাও এলাকার মোঃ মঈনুদ্দিনের পুত্র নাজিম উদ্দিন (২৫)।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায় যে, ২০১২ সালের ২৭ নভেম্বর বিকালে কিশোরী তার বাড়ি থেকে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে জয়নাল ওই কিশোরীকে তার বাড়ির সামনে থেকে ডেকে নিয়ে যায় এবং বসতঘরে নিয়ে যান। সেখানে নাজিম উদ্দিন আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন। তারা দুজন মিলে সেখানে তাকে পালাক্রমে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
ধর্ষণের পর, যখন জয়নাল ঘর থেকে বের হয়ে যায়, তখন কিশোরী তার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নিজের মায়ের কাছে ঘটনার কথা জানান। এরপর, মা ঘটনাস্থলে এসে মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং পরের দিন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই কিশোরী চারদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এই ঘটনায় ২০১২ সালের ১ ডিসেম্বর বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেয়। এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের এপিপি এডভোকেট নূর আহমদ মন্তব্য করেন, "এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান সময়ে অপরাধ ও ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তারই প্রতিফলন এটি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পরপর কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দে সীমান্তবর্তী এলাকার ঘরবাড়ি কেঁপে উঠেছে। হঠাৎ ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণের শব্দে টেকনাফ জাদিমুড়া থেকে শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত আশপাশের জনপদের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার পরে চার দফা ভারী মর্টারশেলের বিস্ফোরণের বিকট শব্দে সীমান্তবর্তী এলাকা কেঁপে ওঠে।
শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদীসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মো. আনিছুর রহমান বলেন, "হঠাৎ ভয়াবহ ঝাঁকুনি অনুভব করি। মনে হচ্ছিল, যেন পুরো পৃথিবী কেঁপে উঠছে। আমি চারটি বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছি। প্রথম বিস্ফোরণের সময় নাফ নদীর ওপারে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল, আগুনের ঝলক আমাদের দিকেই এগিয়ে আসছে। বিস্ফোরণটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আরাকান আর্মির ছোড়া মর্টার শেলের বিস্ফোরণ হতে পারে।"
সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল ফয়েজ জানান, "বহুদিন পর মিয়ানমারে আবার সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। এর প্রভাব টেকনাফ সীমান্তেও পড়েছে। বিস্ফোরণের শব্দে মানুষের ঘরবাড়ি কেঁপে উঠেছে। অনেকে আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে গেছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের জন্য এমন পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগের।"
গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও জান্তা সরকারের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে মর্টারশেল ও মুহুর্মুহু গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও আরাকান আর্মির দখলে থাকা রাখাইন রাজ্যে হামলা শুরু করেছে মিয়ানমার সরকার। একইদিন সকালে জান্তা সরকার রাখাইনে বুথে এলাকায় বিমান হামলা চালায়।
টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা মো. ইসলাম বলেন, "প্রায় সাত মাস পর আবারও মিয়ানমারের দিক থেকে গোলাবর্ষণের শব্দ শুনলাম। মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে চারবার বিকট বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। প্রথমে মনে হয়েছিল ভূমিকম্প হচ্ছে। পরে বুঝতে পারি, সীমান্তের ওপার থেকেই বিস্ফোরণের শব্দ আসছে।"
এ বিষয়ে টেকনাফের সাবরাংয়ের ইউপি সদস্য আবুল ফয়েজ মন্তব্য করেন, "বহু দিন পর মিয়ানমারে আবারও যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যার কারণে টেকনাফের সীমান্ত এলাকা কেঁপে উঠেছে। অনেকে ভয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেছে।"
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (বিজিবি ২) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, "বুধবার রাত ৯টার দিকে মিয়ানমারের মংডু এলাকার সীমান্তের ওপারে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। ওই গোলাগুলির বিকট শব্দ টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও শোনা যাচ্ছে। যার কারণে অনেক স্থানে ঘরবাড়ি কেঁপে উঠেছে। বিষয়টি সরেজমিনে যাচাই করতে আমি নিজেই সীমান্ত এলাকায় যাচ্ছি।"
তিনি আরও জানান, "আমরা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি। তবে প্রাথমিকভাবে জেনেছি শাহপরীরদ্বীপ থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি চলছে।"
এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী জানালেন, "মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলির বিকট শব্দ টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও শোনা গেছে। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভ্রমণের উদ্দেশ্য ছিল মাংস খাওয়া এড়ানো এবং সুস্থ থাকা। কিন্তু এই উদ্দেশ্য সংক্রান্ত নিয়তির পরিহাসে ব্রিটিশ মিডিয়া কর্মী লোরি ডেনম্যানের জীবন নরকে পরিণত হয়েছিল। তার অজান্তেই, মস্তিষ্কে ৩৮টি জীবন্ত পরজীবী বাসা বেঁধেছিল। ৪২ বছর বয়সী এই নারীর দারুণ রোমহর্ষক ও অবিশ্বাস্য লড়াইয়ের গল্প সম্প্রতি প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
এমন ঘটনা ঘটে ২০১০ সালে, যখন একটি রেস্তোরাঁর শৌচাগারে গিয়ে লোরি তার শরীর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা পান এক মিটার লম্বা একটি ফিতাকৃমি। লোরির কথায়, ‘এটি দেখতে ছিল অত্যন্ত বিরক্তিকর, ঠিক যেন একটি খাঁজকাটা সেলোটেপ।’ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এটি ছিল ‘নিউরোসিস্টাইসারকোসিস’ নামের একটি ভয়াবকরূপে বিরল রোগের প্রথম বাহ্যিক লক্ষণ।
সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. ব্র্যান্ডন হিলির মত অনুযায়ী, ২০০৭ সালে তিন মাসের ভারত সফরের সময় লোরি এই ভয়ংকর পরজীবীর সংস্পর্শে আসেন। ফুড পয়জনিং এড়াতে লোরি পুরো সফরের সময় মাংস খাওয়া বন্ধ রাখলেও, হয়তো ভালোভাবে না ধোয়া কোনো শাকসবজি বা কাঁচা খাবার খাওয়ার কারণে শূকরের ফিতাকৃমির ক্ষুদ্র ডিম শরীরে প্রবেশ করেছে।
কৃমি বেরিয়ে আসার এক বছরের মাথায় লোরির জীবনে ঘটে বিপর্যয়। ২০১১ সালে হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা হওয়ার পর তিনি কর্মক্ষেত্রে মারাত্মক খিঁচুনির শিকার হন। হাসপাতালে ক্যাট স্ক্যান এবং এমআরআই করার পরে চিকিৎসকেরা লোরি এবং তার মায়ের সামনে যে রিপোর্ট দেখিয়েছিলেন, তা ছিল কল্পনাতীত। লোরির মস্তিষ্কের ভেতরে তখন ৩৮টি ফিতাকৃমির লার্ভা বা পরজীবী কিলবিল করছিল।
প্রাথমিক চিকিৎসায় পরজীবীনাশক ওষুধ ও স্টেরয়েডস দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও কিছু বছর পর রোগটি আরও ভয়াবহভাবে বেড়ে যায়। পরজীবীগুলোর চারপাশে লোরির মস্তিষ্কে বিশাল ফোলা অংশ বা ইনফ্লামেশন তৈরি হয়। ফলে লোরির মধ্যে তীব্র মানসিক বিভ্রম বা সাইকোসিস এবং প্যারানয়া দেখা দেয়। তিনি তার কর্মক্ষমতা হারান এবং সম্পূর্ণ অবুঝ শিশুর মতো আচরণ শুরু করেন।
লোরির দীর্ঘদিনের বান্ধবী নিকোলা ব্রাউন সেই কঠিন সময়ের স্মৃতি চারণ করে বলেন, ‘আমি হাসপাতালে ওকে দেখতে গিয়ে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। ৪২ বছরের একটি মানুষ মেঝেতে হামাগুড়ি দিচ্ছিল, পর্দার আড়ালে লুকাচ্ছিল এবং বাবার কোলে পাঁচ বছরের শিশুর মতো বসে ছিল।’
দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসার পর, চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, লোরির মস্তিষ্কে থাকা পরজীবীগুলো এখন পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় এবং শক্ত পাথরের মতো (ক্যালসিফাইড) হয়ে গেছে। এগুলোকে বের করার জন্য কোনো অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়নি। ২০১৭ সালের পর লোরির নতুন করে কোনো খিঁচুনি বা মানসিক বিভ্রম দেখা দেয়নি। তবে এই দীর্ঘ লড়াইয়ের ক্ষতের কারণে সারাজীবন তাকে মৃগীরোগের ওষুধ খেয়ে যেতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খানের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি) কর্মকর্তাদের জন্য একটি সৌজন্য ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই সভাটি বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে ঢাকার বিএসইসি ভবনে আয়োজন করা হয়।
সভায় শিল্প সচিব বিএসইসি’র আওতাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান কার্যক্রম, উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর সংগ্রহ করেন। এ সময় তিনি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত লাভজনক ধারায় ফিরিয়ে আনতে বাস্তবসম্মত প্রস্তাবনা প্রণয়ন ও সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
শিল্প সচিবের বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, সরকারী উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএসইসি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। করপোরেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত করা এবং সরকারের উন্নয়ন ভিশন বাস্তবায়নে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দলগতভাবে কাজ করার জন্য তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান।
বিএসইসি চেয়ারম্যান মুঃ আনোয়ারুল আলম সভাপতি হিসেবে শিল্প সচিবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, করপোরেশনের উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিত করতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নীতিগত দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি সচিবের নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে করপোরেশনের সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি’র চেয়ারম্যান মুঃ আনোয়ারুল আলম (অতিরিক্ত সচিব)। সভায় উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রাষ্ট্রায়ত্ত কর্পোরেশন) এম. এ. কামাল বিল্লাহ, অতিরিক্ত সচিব (জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়া, বিরা, বেখা ও বিআইএম) মো. ফিরোজ উদ্দিন, বিএসইসি’র পরিচালক (অর্থ) ও যুগ্মসচিব মো. ওসমান গনি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও পিআইএল-এর পর্ষদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ ভূঁইয়া, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ও যুগ্মসচিব মো. মনজুরুল হাফিজ (বিপিএএ), পরিচালক (বাণিজ্যিক) ও যুগ্মসচিব বিশ্বাস রাসেল হোসেন, পরিচালক (উৎপাদন ও প্রকৌশল) ড. মো. বেলাল হোসেন, বিভাগীয় প্রধান এবং নবম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ। এছাড়া বিএসইসি’র অধীন বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকেরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম জুমের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ