ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৫০ বারের চেষ্টা করেও সরকারি চাকরি না পাওয়া স্বর্ণপদকজয়ী ছাত্র, পরে…


৫০ বারের চেষ্টা করেও সরকারি চাকরি না পাওয়া স্বর্ণপদকজয়ী ছাত্র, পরে…

বি.টেক বা ব্যাচেলর অব টেকনোলজিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেছিলেন। কিন্তু এরপর তিনি অন্তত ৫০ বার চেষ্টা করে একটি সরকারি চাকরি পেতে পারেননি। এই চরম হতাশা থেকে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ২৩ বছর বয়সী একজন মেধাবী তরুণ। ভারতের উত্তর প্রদেশের কানপুরে নিজ বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (১৯ জুলাই) টাইমস অব ইন্ডিয়া সহ ভারতের একাধিক গণমাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

পুলিশের দেয়া খবর অনুযায়ী, কানপুরের গোবিন্দ নগরের গুজাইনি অঞ্চলের তিনতলা বাড়ির একটি ঘর থেকে আনন্দের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সময় আনন্দের পরিবার এক আত্মীয়ের বিয়ের কথা পাকা করতে বিহারে গিয়েছিল। বাড়ির গৃহকর্মী এসে আনন্দের ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পর কোন সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশী এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে আনন্দের মরদেহ ও তার হাতে লেখা পাঁচ লাইনের একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

উদ্ধার করা চিরকুটে লেখা ছিল, ‘দুঃখিত বাবা, আমি প্রায় ৫০ বার সরকারি চাকরির চেষ্টা করেও সফল হতে পারিনি। দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিও।’ কানপুর পুলিশ আনন্দের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

নিহত আনন্দের বাবা রাজকুমার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। তাদের মূল বাড়ি বিহারের বক্সার এলাকায়। তিনি জানান, আনন্দ ২০২৪ সালে পিএসআইটি নামের একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। পুরো উত্তর প্রদেশ রাজ্যে তিনি তৃতীয় হন। গত বছরের ১৩ আগস্ট কলেজের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উত্তর প্রদেশের গভর্নর আনন্দীবেন প্যাটেলের হাত থেকে স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন আনন্দ।

পারিবারিক সূত্র জানায়, স্নাতক শেষ করার পর আনন্দ ভারতের পাওয়ার গ্রিডে শিক্ষানবিশি বা ইন্টার্নশিপ করেন। তারপর থেকেই তিনি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেন। আনন্দের বাবা বলেন, ‘ও রেল, এসএসসি, ব্যাংক ও শিক্ষা দপ্তরের একের পর এক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। কিন্তু কোথাও চাকরি মেলেনি। এই কারণে গত কয়েক মাস ধরে ও প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে ছিল।’

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর বুয়েন্স আইরেসে ভয়াবহ দাঙ্গা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ পি.এম


আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর বুয়েন্স আইরেসে ভয়াবহ দাঙ্গা

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ দেখার জন্য আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আইরেসের সড়কগুলোতে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। ম্যাচটি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরাজিত দলের সমর্থকদের হতাশা ও ক্ষোভ ভয়াবহ দাঙ্গার রূপ নেয়।

স্থানীয় সময় রাতে পৌনে ১২টার দিকে নিরাপত্তা বিধানকারী পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা সংঘর্ষে জড়ান। আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম ‘ইনফোবে’ জানিয়েছে, এতে অন্তত ১৫ জন আটক হয়েছে। বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক এবং পুলিশ সদস্যও আহত হন।

নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে কয়েকজন সমর্থক একটি স্মৃতিস্তম্ভের ওপর উঠলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সেখানে হঠাৎ করে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সদস্যদের লক্ষ্য করে কয়েকজন কাঁচের বোতল ও অন্যান্য জিনিসপত্র ছুড়তে শুরু করেন।

উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার জন্য পুলিশ টিয়ার গ্যাস, জলকামান, এবং রাবার বুলেট ব্যবহার করে। ইনফোবের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষটি প্রায় ২০ মিনিট ধরে চলতে থাকে। এতে সাতজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন। আহত বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে একজনকে রাস্তায় ফেলে আঘাত করতে দেখা যায়।

ঘটনার এক পর্যায়ে পুলিশ রাজধানীর কোরিয়েন্তেস অ্যাভিনিউ থেকে বেলগ্রানো অ্যাভিনিউর দিকে অগ্রসর হয়। তখন উত্তেজিত জনতা পিছু হটতে শুরু করে

প্রকাশিত বিভিন্ন ছবিতে দেখা গেছে, ভাঙা কাচের বোতলসহ সংঘর্ষে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম রাস্তায় পড়ে আছে। একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মাটিতে পড়ে থাকা আর্জেন্টিনার জার্সি পরা এক ব্যক্তিকে পুলিশ সদস্য লাথি মারছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সিতে রোববার রাতে লিওনেল মেসিদের হারিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে স্পেন। ওই ম্যাচের পরে মাঠেও বিশৃঙ্খলা লক্ষ্য করা গেছে। পরাজয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। রেফারির ফাইনাল বাঁশি বাজার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আর্জেন্টিনার লেয়ান্দ্রো পারেদেস স্পেনের তারকা খেলোয়াড় গাভিকে লক্ষ্য করে ঘুষি মারেন এবং মাটিতেও আছড়ে ফেলেন।

এ ঘটনার পর পারেদেসকে লাল কার্ড দেখান রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। পরে স্পেনের এরিক গার্সিয়ার সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যায় আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকে।

এদিকে পরাজয় সত্ত্বেও আর্জেন্টিনায় এক দিন জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। নিউইয়র্কে স্পেনের ফুটবলাররা শিরোপা উঁচিয়ে ধরার কয়েক ঘণ্টার মাথায় আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই এ ঘোষণা দেন। তবে ছুটির তারিখটি জাতীয় দলের খেলোয়াড় ও কোচেরা মিলে নির্ধারণ করবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে ৫৭ হাজার বস্তা আলু নষ্ট হয়েছে অ্যামোনিয়া গ্যাস লিকেজে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


শেরপুরে ৫৭ হাজার বস্তা আলু নষ্ট হয়েছে অ্যামোনিয়া গ্যাস লিকেজে

শেরপুরের একমাত্র বেসরকারি তাজ হিমাগারে (কোল্ড স্টোরেজ) অ্যামোনিয়া গ্যাস লিকেজের ঘটনায় অন্তত ৫৭ হাজার বস্তা বীজ ও খাবার আলু পচে নষ্ট হয়েছে। এর ফলে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে আসন্ন আলু চাষ মৌসুমে বীজের সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কার কারণে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন শত শত কৃষক।

জেলা প্রশাসন ও কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে দ্রুত বৈঠক করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং গ্রহণযোগ্য সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত মৌসুমে শেরপুর জেলায় ৫ হাজার ৪৫ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। এসব জমি থেকে প্রায় ১ লাখ ৯০০ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়। মৌসুমের শুরুতে বাজারে দাম কম থাকায় বেশি লাভের আশায় এবং পরবর্তী মৌসুমে বীজ হিসেবে ব্যবহারের জন্য কৃষকরা প্রতিবছর কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণ করে থাকেন।

জেলায় সরকারি দুটি বীজ আলুর হিমাগারে মাত্র ৩ হাজার মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণের সুযোগ রয়েছে। তাই কৃষকদের প্রধান ভরসা হচ্ছে বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত একমাত্র বেসরকারি তাজ কোল্ড স্টোরেজ। প্রায় ১০ হাজার মেট্রিক টন বা ১ লাখ ৭৩ হাজার বস্তা ধারণক্ষমতার এই হিমাগারে বস্তাপ্রতি ৩৩০ টাকায় নভেম্বর মাস পর্যন্ত বীজ ও খাবার আলু সংরক্ষণ করা সম্ভব। শেরপুরের পাশাপাশি আশপাশের জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকেও এখানে আলু রাখা হয়।

গত ১৪ জুলাই কোল্ড স্টোরেজটির রেফ্রিজারেশন ইউনিটের একটি পাইপ ফেটে বিষাক্ত অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হতে শুরু করে। প্রথমদিকে স্টোরেজের ফোরম্যান আব্দুল মান্নান ও তাঁর সহকারীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন, তবে তাঁরা ব্যর্থ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়ার পর তাদের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্যাস লিকেজ নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে স্টোরেজের তিনটি চেম্বারের মধ্যে দুই নম্বর চেম্বারে সংরক্ষিত প্রায় ৫৭ হাজার বস্তা, অর্থাৎ প্রায় ৩ হাজার ১০০ মেট্রিক টন আলু পচে যায়।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তে থাকলে রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা হিমাগারে এসে বিক্ষোভ করেন। বীজ আলু নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন এবং আগামী মৌসুমে কীভাবে আবাদ করবেন, সেই বিষয়ে উদ্বিগ্ন।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় রবিবার রাতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হিমাগার কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে একটি দীর্ঘ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আলুচাষিদের ক্ষতির পরিমাণ, হিমাগার কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব এবং পরিবেশগত ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরীক্ষার ফল না আসা পর্যন্ত পচে যাওয়া আলু বাজারজাত বা খাদ্য হিসেবে ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সদর উপজেলার হেরুয়া গ্রামের কৃষক সুলতান মিয়া জানিয়েছেন, তিনি আগামী মৌসুমে চাষাবাদের জন্য ৫১ বস্তা বীজ আলু সংরক্ষণ করেছিলেন। কিন্তু গ্যাস লিকেজের কারণে সেটা সব নষ্ট হয়ে গেছে। টাকা খরচ করে হিমাগারে রাখার পরও আলু নষ্ট হওয়ার ফলে তিনি এখন চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

একই অবস্থা পার্শ্ববর্তী লতারিয়া গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেন, আব্দুস সালাম, আনোয়ার হোসেনসহ আরও অনেকের। অন্যদিকে স্থানীয় আলু ব্যবসায়ী আব্দুল গণি জানান, তাঁর ১ হাজার ৬৪০ বস্তা দেশি আলু সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তাঁর লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়ে গেছে। ক্ষতির পুরো হিসাব এখনও করতে পারছেন না বলে তিনি জানিয়েছেন।

কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, দুর্ঘটনাবশত পাইপ ফেটে অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হওয়ার কারণে ৫৭ হাজার বস্তা আলু নষ্ট হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার কৃষক, মজুতদার ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে, নষ্ট আলু বাজারে গিয়ে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে—এমন আশঙ্কায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আলুর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পরীক্ষার ফল এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াছমিন জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আলুচাষিদের স্বার্থ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। দ্রুত একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসলো বিরল ‘ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট’ মাছ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসলো বিরল ‘ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট’ মাছ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে একটি বিরল প্রজাতির মৃত সামুদ্রিক ‘ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট’ বা ‘ফাইলফিশ’ মাছ ভেসে এসেছে। স্থানীয়ভাবে এই মাছটিকে ‘জ্যাকেট মাছ’ এবং কিছু কিছু জায়গায় ‘পটকা মাছ’ নামেও পরিচিত। রোববার (১৯ জুলাই) শেষ বিকেলে কুয়াকাটার চর গঙ্গামতী সৈকতে মাছটিকে আব্দুল জলিল নামের একজন স্থানীয় ব্যক্তি দেখতে পান। এ খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মধ্যে তীব্র কৌতূহল সৃষ্টি হয় এবং তারা মাছটি দেখতে ভিড় জমাতে শুরু করেন। মাছটির প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল জলিল জানান, তিনি বিকেলে মোটরসাইকেলে চর গঙ্গামতী এলাকায় যাওয়ার সময় সমুদ্রের তীরে বালুর ওপর এই অদ্ভুত আকৃতির মৃত মাছটি পড়ে থাকতে দেখেন। ধারণা করা হচ্চে যে আগের রাতের জোয়ারের পানির কারণে এই মাছটি সৈকতে ভেসে এসে আটকে পড়েছিল। স্থানীয় পর্যটক ও পরিবেশকর্মী কে এম বাচ্চু জানান, সম্ভবত রাতের জোয়ারের পানির ফলে মাছটি ভেসে এসেছে। তিনি বলেছেন, আমাদের এলাকায় এর আগে কখনো এই ধরনের মাছ দেখা যায়নি। বিষয়টি সত্যিই এক ধরনের ব্যতিক্রমী ও বিস্ময়কর ঘটনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইলফিশের শরীর চ্যাপটা এবং চামড়া খসখসে ও চামড়ার জ্যাকেটের মতো শক্ত। এ কারণে মাছটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘লেদারজ্যাকেট’। এর বৈজ্ঞানিক নাম আলুটেরাস মোনোসেরাস। এই মাছের মাথার ওপর একটি ছোট ও পাতলা কাঁটা থাকে। মূলত এরা গভীর সমুদ্রে বসবাস করে এবং সমুদ্রের তলদেশের শৈবাল, স্পঞ্জ, জেলিফিশ, ছোট ক্রাস্টেশিয়ান, চিংড়ি, শামুক ও অন্যান্য অমেরুদণ্ডী প্রাণী খেয়ে টিকে থাকে। ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান জানান, এটি একটি ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট বা ফাইলফিশ। এটি মূলত গভীর সমুদ্রের মাছ। সামুদ্রিক পরিবেশগত পরিবর্তন, ঝড়ো আবহাওয়া, সমুদ্রের স্রোতের পরিবর্তন কিংবা অসুস্থতার কারণে মাঝে মধ্যে এই ধরনের মাছ উপকূলে মৃত অবস্থায় ভেসে আসতে পারে। কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, মাছটি ফাইলফিশ প্রজাতির বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। উপকূলে এমন বিরল সামুদ্রিক প্রাণী ভেসে এলে এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করা অত্যন্ত জরুরি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালী দিয়ে 'এক ফোঁটা' তেল-গ্যাসও পরিবহনের অনুমতি নেই, কঠোর সতর্কতা ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ পি.এম


হরমুজ প্রণালী দিয়ে

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান যদি চলতে থাকে, তবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সতর্ক করে দিয়েছে যে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনো ধরনের তেল বা গ্যাস পরিবহন করা হবে না।

এ তথ্য জানানো হয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের একটি প্রতিবেদনে, যা সোমবার প্রকাশিত হয়।

আইআরজিসি দাবি করেছে যে, মার্কিন সামরিক চাপের কারণে জর্ডানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করে চলাচল করার সময় হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাদের দাবি, এই বিস্ফোরণের পর জাহাজ দুটি পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে।

তবে, ইরানি বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাংকার দুটির নাম, কোন দেশের পতাকাবাহী ছিল, জাহাজের নাবিকদের অবস্থা অথবা কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। পাশাপাশি, এই ঘটনার সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

আইআরজিসির একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সামরিক তৎপরতা চলমান থাকলে হরমুজ প্রণালী আর নিরাপদ নৌপথ হিসেবে বিবেচিত হবে না।

বিবৃতিতে তেহরান পরিষ্কারভাবে সতর্ক করে দিয়েছে, ‘পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কিংবা এক ফোঁটা তেল ও গ্যাস পরিবহনের জন্যও এই প্রণালি নিরাপদ থাকবে না।’

এছাড়াও, ইরানের এলিট বাহিনী আরও দাবি করেছে যে, মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে শিগগিরই বড় ধরনের প্রতিশোধমূলক অভিযানের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

ইরানের এই হুঁশিয়ারির পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক নৌ চলাচল এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত, যেখানে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবহন করা হয়।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%