ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসলো বিরল ‘ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট’ মাছ


কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসলো বিরল ‘ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট’ মাছ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে একটি বিরল প্রজাতির মৃত সামুদ্রিক ‘ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট’ বা ‘ফাইলফিশ’ মাছ ভেসে এসেছে। স্থানীয়ভাবে এই মাছটিকে ‘জ্যাকেট মাছ’ এবং কিছু কিছু জায়গায় ‘পটকা মাছ’ নামেও পরিচিত। রোববার (১৯ জুলাই) শেষ বিকেলে কুয়াকাটার চর গঙ্গামতী সৈকতে মাছটিকে আব্দুল জলিল নামের একজন স্থানীয় ব্যক্তি দেখতে পান। এ খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মধ্যে তীব্র কৌতূহল সৃষ্টি হয় এবং তারা মাছটি দেখতে ভিড় জমাতে শুরু করেন। মাছটির প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল জলিল জানান, তিনি বিকেলে মোটরসাইকেলে চর গঙ্গামতী এলাকায় যাওয়ার সময় সমুদ্রের তীরে বালুর ওপর এই অদ্ভুত আকৃতির মৃত মাছটি পড়ে থাকতে দেখেন। ধারণা করা হচ্চে যে আগের রাতের জোয়ারের পানির কারণে এই মাছটি সৈকতে ভেসে এসে আটকে পড়েছিল। স্থানীয় পর্যটক ও পরিবেশকর্মী কে এম বাচ্চু জানান, সম্ভবত রাতের জোয়ারের পানির ফলে মাছটি ভেসে এসেছে। তিনি বলেছেন, আমাদের এলাকায় এর আগে কখনো এই ধরনের মাছ দেখা যায়নি। বিষয়টি সত্যিই এক ধরনের ব্যতিক্রমী ও বিস্ময়কর ঘটনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইলফিশের শরীর চ্যাপটা এবং চামড়া খসখসে ও চামড়ার জ্যাকেটের মতো শক্ত। এ কারণে মাছটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘লেদারজ্যাকেট’। এর বৈজ্ঞানিক নাম আলুটেরাস মোনোসেরাস। এই মাছের মাথার ওপর একটি ছোট ও পাতলা কাঁটা থাকে। মূলত এরা গভীর সমুদ্রে বসবাস করে এবং সমুদ্রের তলদেশের শৈবাল, স্পঞ্জ, জেলিফিশ, ছোট ক্রাস্টেশিয়ান, চিংড়ি, শামুক ও অন্যান্য অমেরুদণ্ডী প্রাণী খেয়ে টিকে থাকে। ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান জানান, এটি একটি ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট বা ফাইলফিশ। এটি মূলত গভীর সমুদ্রের মাছ। সামুদ্রিক পরিবেশগত পরিবর্তন, ঝড়ো আবহাওয়া, সমুদ্রের স্রোতের পরিবর্তন কিংবা অসুস্থতার কারণে মাঝে মধ্যে এই ধরনের মাছ উপকূলে মৃত অবস্থায় ভেসে আসতে পারে। কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, মাছটি ফাইলফিশ প্রজাতির বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। উপকূলে এমন বিরল সামুদ্রিক প্রাণী ভেসে এলে এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করা অত্যন্ত জরুরি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালী দিয়ে 'এক ফোঁটা' তেল-গ্যাসও পরিবহনের অনুমতি নেই, কঠোর সতর্কতা ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ পি.এম


হরমুজ প্রণালী দিয়ে

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান যদি চলতে থাকে, তবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সতর্ক করে দিয়েছে যে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনো ধরনের তেল বা গ্যাস পরিবহন করা হবে না।

এ তথ্য জানানো হয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের একটি প্রতিবেদনে, যা সোমবার প্রকাশিত হয়।

আইআরজিসি দাবি করেছে যে, মার্কিন সামরিক চাপের কারণে জর্ডানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করে চলাচল করার সময় হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাদের দাবি, এই বিস্ফোরণের পর জাহাজ দুটি পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে।

তবে, ইরানি বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাংকার দুটির নাম, কোন দেশের পতাকাবাহী ছিল, জাহাজের নাবিকদের অবস্থা অথবা কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। পাশাপাশি, এই ঘটনার সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

আইআরজিসির একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সামরিক তৎপরতা চলমান থাকলে হরমুজ প্রণালী আর নিরাপদ নৌপথ হিসেবে বিবেচিত হবে না।

বিবৃতিতে তেহরান পরিষ্কারভাবে সতর্ক করে দিয়েছে, ‘পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কিংবা এক ফোঁটা তেল ও গ্যাস পরিবহনের জন্যও এই প্রণালি নিরাপদ থাকবে না।’

এছাড়াও, ইরানের এলিট বাহিনী আরও দাবি করেছে যে, মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে শিগগিরই বড় ধরনের প্রতিশোধমূলক অভিযানের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

ইরানের এই হুঁশিয়ারির পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক নৌ চলাচল এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত, যেখানে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবহন করা হয়।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু ধর্ষণের পর হত্যা, চুয়াডাঙ্গায় আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ পি.এম


শিশু ধর্ষণের পর হত্যা, চুয়াডাঙ্গায় আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার আসামি আবুল হোসেন ওরফে ফটিক (৩০) কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে, তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা দিতে আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

আবুল হোসেন পেশায় একজন ভ্যানচালক। রায় ঘোষণার পর পুলিশি প্রহরায় তাকে আদালত থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রী কয়েকজন শিশুর সঙ্গে মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় শাক তুলে দেওয়ার কথা বলে আবুল হোসেন তাকে ভুট্টাখেতের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করে হত্যা করেন।

তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ আবুল হোসেনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারের পর ২০২৪ সালের ৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গার আদালতে তিনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওই বছরের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি এম এম শাহজাহান মুকুল জানান, আদালত ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য পর্যালোচনা করে আসামিকে এ শাস্তি বিভিন্ন কারণে দিয়েছেন। এ মামলার রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভরা মৌসুমেও পাওয়া যাচ্ছে না ইলিশ, ব্যবসা বন্ধ করে দিলেন ৪০ আড়তদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


ভরা মৌসুমেও পাওয়া যাচ্ছে না ইলিশ, ব্যবসা বন্ধ করে দিলেন ৪০ আড়তদার

ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর এখন চলছে ভরা মৌসুম। কিন্তু নদী কিংবা সাগর, কোথাও কাঙ্ক্ষিত রুপালি ইলিশের দেখা মিলছে না। ফলে মোকামগুলোতে এখন দেখা দিয়েছে তীব্র ইলিশ সংকট।

ভরা মৌসুমে যেখানে ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে মুখরিত থাকার কথা ছিল, সেখানেই মোকামজুড়ে এখন সুনসান নীরবতা। লোকসান গুনতে গুনতে গত দুই বছরে অন্তত ৪০ জন পাইকারি ব্যবসায়ী ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন।

দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় মাছের মোকাম বরিশালের পোর্ট রোড মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এমনই চিত্র দেখা গেছে। নদীতীরবর্তী জেলেপাড়া থেকে শুরু করে পাইকারি আড়ত সবখানেই বর্তমানে শুধু হতাশার সুরই ধ্বনিত হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা নদীতে জাল ফেললেও একটি ইলিশের দেখা মিলছে না, বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী জেলেরা।

বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া এলাকার জেলে রহমত আলী বলেছেন, ‘তেল খরচ ও শ্রমিকের মজুরি ওঠানোর তো প্রশ্নই ওঠে না, চাল কেনার পয়সাও জোটেনা। জাল টানলেই খালি জাল, মাছের দেখা নাই।’

একই উপজেলার চরমোনাই এলাকার আরেক জেলে কালু মাঝি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘নিরাপদ প্রজনন আর জাটকা রক্ষার নামে সরকার বছরের ১০ মাসই নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রাখে। আমরা আইন মেনে নদীতে যাই না। কিন্তু আমাদের লাভটা কী হলো? নিষেধাজ্ঞা শেষেও নদী খালি। পেটের দায়ে চড়া সুদে ঋণ নিয়েছিলাম, এখন সেই ঋণ শোধ করব কীভাবে?’

নদী আর সাগরের এই চরম সংকটের প্রভাব পড়েছে বরিশালের পোর্ট রোড মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। যেখানে প্রতিদিন গড়ে ১০০ থেকে ১৫০ মণ ইলিশ আসার কথা থাকলেও তা নেমে এসেছে মাত্র ৩০ মণে।

মোকামের ইলিশ ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন বলেছেন, ‘ইলিশের মৌসুমে আমরা দম ফেলার সময় পাই না। আর এখন সারাদিন বসে থাকতে হয়। আড়তে মাছ নাই, বেচাকেনা নাই। এভাবে আরও কতদিন লোকসান গোনা যাবে?’

মাছের অভাবে চরম সংকটে পড়েছেন আড়তের দিনমজুর ও শ্রমিকেরা। মোকামের প্রবীণ শ্রমিক সিদ্দিক মিয়া বলেছেন, ‘মাছ এলে আমাদের কাজ জোটে, টাকা পাই। এখন মাছই নাই, প্যাকিংয়ের কাজ নাই। আমাদের সংসার এখন উপোস থাকার উপক্রম।’

বরিশাল মৎস্য আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. জহির সিকদার বলেছেন, ‘পোর্ট রোডের এই মোকাম সচল থাকে ইলিশের ওপর ভিত্তি করে। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন এবং নদীতে ডুবোচরের কারণে ইলিশের এই তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। পুঁজিহারিয়ে, লোকসান গুনতে গুনতে গত দুই বছরে বরিশালে আমাদের সমিতির ১৬০ জন পাইকারি ব্যবসায়ী থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১২০ জনে। এভাবে চলতে থাকলে এই খাত পুরোপুরি ধসে পড়বে।’

মৎস্য বিভাগ বলছে, জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবসৃষ্ট বিভিন্ন কারণে ইলিশ তার চারণভূমি ও গতিপথ পরিবর্তন করছে।

এ বিষয়ে বরিশাল মৎস্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মোহসীন বলেছেন, ‘নদীগুলোর নাব্যতা সংকট, দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ইলিশ তার চেনা গতিপথ বদলে ফেলছে। যার প্রভাব পড়েছে বরিশালের নদ-নদীতে। আমাদের জনবল সংকট রয়েছে; কিন্তু তা সত্ত্বেও ইলিশ সম্পদ রক্ষায় এবং জাটকা সংরক্ষণে مৎস্য বিভাগ মাঠ পর্যায়ে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টিপাত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের দেয়া পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ পি.এম


বৃষ্টিপাত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের দেয়া পূর্বাভাস

সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা ও সারা দেশে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এখন বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

সোমবার (২০ জুলাই) এক সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে ঢাকা ও এর আশেপাশের অঞ্চলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া বয়ে যেতে পারে দমকা হাওয়া। ভারী বৃষ্টির কারণে রাজধানীর নিচু এলাকাগুলোতে সাময়িক জলজট সৃষ্টি হতে পারে, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াতে পারে।

অন্যদিকে, আগামী ২৩ তারিখ থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। এ সময় সেখানে সতর্কতা জারি করা হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%