ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নারীদের মাইগ্রেনের প্রকোপ পুরুষদের তুলনায় বেশি কেন?


নারীদের মাইগ্রেনের প্রকোপ পুরুষদের তুলনায় বেশি কেন?

মাইগ্রেন নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যে দেখা দিতে পারে। তবে, বয়ঃসন্ধির পর নারীদের মধ্যে এর প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। নারীদের মাইগ্রেনে আক্রান্ত হওয়ার হার পুরুষদের তুলনায় প্রায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি।

এর একটি প্রধান কারণ হলো শরীরে হরমোনের ওঠানামা। বিশেষ করে, ইস্ট্রোজেনের মাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে নারীদের মাইগ্রেনের সম্পর্ক রয়েছে।

মাসিকের সময় কেন বাড়ে মাইগ্রেন?

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

মাসিক শুরুর আগে শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা দ্রুত কমে যায়। যেসব নারী এই হরমোনের পরিবর্তনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল, তাদের জন্য এ সময় মাইগ্রেনের আক্রমণ শুরু হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

মাসিকের সঙ্গে সম্পর্কিত মাইগ্রেন সাধারণত মাসিক শুরুর কয়েক দিন আগে থেকে শুরু হতে পারে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে মাসিকের প্রথম কয়েক দিনেও এই সমস্যা দেখা দেয়।

বয়ঃসন্ধির পর বাড়ে পার্থক্য

শিশু বয়সে ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে মাইগ্রেনের হার প্রায় সমান থাকে। কিন্তু বয়ঃসন্ধির পর মেয়েদের মধ্যে মাইগ্রেনের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

এ সময় থেকেই মাসিক চক্র ও শরীরের হরমোনের পরিবর্তনের সঙ্গে মাইগ্রেনের সম্পর্ক আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

গর্ভাবস্থায় কমতে পারে

গর্ভাবস্থায় অনেক নারীর মাইগ্রেনের সমস্যা কমে যেতে পারে। এর একটি কারণ হলো এ সময় ইস্ট্রোজেনের মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি ও স্থিতিশীল থাকে।

তবে, মেনোপজের আগের সময়, অর্থাৎ পেরিমেনোপজে, পরিস্থিতি আবার বদলে যেতে পারে। এ সময় হরমোনের মাত্রা দ্রুত ওঠানামা করায় কারও কারও মাইগ্রেন আরও ঘন ঘন বা তীব্র হতে পারে।

আরও পড়ুন: ক্যানসার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মেনোপজের পর অনেক নারীর মাইগ্রেনের সমস্যা কমে আসে। তবে, সবার ক্ষেত্রে একই অভিজ্ঞতা হয় না।

শুধু হরমোনই দায়ী নয়

নারীদের মাইগ্রেন বেশি হওয়ার পেছনে হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও এটিই একমাত্র কারণ নয়। বংশগত প্রবণতা, ঘুমের অনিয়ম, মানসিক চাপ, খাবার বাদ দেওয়া, শরীরে পানির ঘাটতি এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয় মাইগ্রেনের আক্রমণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

তাহলে, একজন নারীর মাইগ্রেনের কারণ বা আক্রমণের সূত্র অন্যজনের চেয়ে আলাদা হতে পারে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের বড় অংশ ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যয় হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নারীদের মাইগ্রেন বেশি হওয়ার কারণ কী?

সহজভাবে বলা যায়, নারীদের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে হরমোনের মাত্রায় বারবার পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে মাসিক, গর্ভাবস্থা এবং মেনোপজের সময় ইস্ট্রোজেনসহ বিভিন্ন হরমোনের পরিবর্তন মাইগ্রেনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

তবে, শুধু হরমোনের পরিবর্তন নয়, ঘুম, খাবার, মানসিক চাপ, পানিশূন্যতা ও আবহাওয়ার মতো বিষয়ও মাইগ্রেনের আক্রমণকে উসকে দিতে পারে। তাই, মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে নিজের কোন বিষয়গুলোতে আক্রমণ বাড়ে, তা খেয়াল রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিনামূল্যে অনলাইন কোর্সে আবেদন করার পদ্ধতি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের বদলে সিলেটে টেস্ট আয়োজনের পরিকল্পনা বিসিবির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


চট্টগ্রামের বদলে সিলেটে টেস্ট আয়োজনের পরিকল্পনা বিসিবির

আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি পয়েন্টই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে অবস্থানরত বাংলাদেশের জন্য ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চারটি টেস্ট ম্যাচ তাই বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিতব্য দুই টেস্টের একটি চট্টগ্রামের পরিবর্তে সিলেটে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে, ভেন্যু সম্পর্কে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ইংল্যান্ড সিরিজের ভেন্যু নিয়ে বিসিবির একজন কর্মকর্তা বলেন, "সিলেটে খেলা হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো, তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।"

মিরপুরে বাংলাদেশের সাফল্য থাকলেও, চট্টগ্রাম সাম্প্রতিক সময়ে সেই আস্থা অর্জন করতে পারছে না। অতিরিক্ত ফ্ল্যাট উইকেট এবং মাঠের অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিসিবির উদ্বেগ রয়েছে। আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের জন্যও টেস্টের ভেন্যু হিসেবে মিরপুর ও সিলেটকে বিবেচনা করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির একজন কর্মকর্তা জানান, "চট্টগ্রামে আমরা টেস্ট খেলতে চাই না, কারণ সেখানকার উইকেট বড্ড ফ্ল্যাট।"

বিসিবির এই অবস্থান থেকে বোঝা যায় যে, বাংলাদেশের উঠতি পেস আক্রমণও চট্টগ্রামের উইকেটে সুবিধা পাচ্ছে না। ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন সিরিজগুলোতে এমন উইকেটের প্রয়োজন যেখানে পেস এবং স্পিনের মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।

ফলাফলকেন্দ্রিক টেস্ট ক্রিকেটে নির্দিষ্ট ভেন্যুর গুরুত্ব নিয়ে আগেই মন্তব্য করেছেন ভারতের সাবেক স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তিনি ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের পর লিখেছিলেন, "বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়! এটি নির্দিষ্ট টেস্ট সেন্টারের গুরুত্ব আবার প্রমাণ করল।"

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশের পরিসংখ্যানও খুব একটা সন্তোষজনক নয়। এই ভেন্যুতে ২৬ টেস্ট খেলে বাংলাদেশ মাত্র তিনটিতে জিতেছে, ১৬টিতে হারিয়েছে এবং সাতটি ড্র করেছে। অর্থাৎ, ঘরের মাঠ হলেও চট্টগ্রাম বাংলাদেশের জন্য খুব একটা ফলপ্রসূ ভেন্যু হয়ে উঠতে পারেনি।

অন্যদিকে, চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে চমক দেখিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০২১ সালে ম্যাচের পঞ্চম দিনে স্পিনারদের সহায়তা থাকা সত্ত্বেও, কাইল মেয়ার্সের দুর্দান্ত দ্বিশতকে ভর করে ৩৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ম্যাচ জিতে নিয়েছিল ক্যারিবীয়রা।

অন্যদিকে, সিলেটে বাংলাদেশের রেকর্ড তুলনামূলকভাবে ভালো। ছয় টেস্ট খেলে টাইগাররা তিনটিতে জয় অর্জন করেছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ড এবং ২০২৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিলেটের জয় বাংলাদেশের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের দৌড়ে থাকতে প্রতিটি পয়েন্টই এখন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। তাই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও বাস্তবতার চাপে চট্টগ্রামকে পিছনে রেখে ঢাকা ও সিলেটকে টেস্টের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে বিসিবি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ৬ কিলোমিটার হেঁটে মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


চট্টগ্রামে ৬ কিলোমিটার হেঁটে মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত

মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে, যা চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এই পদযাত্রায় প্রায় ১০ হাজার মানুষ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা থেকে অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালিটি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় ফটিকছড়ি উত্তরের দাঁতমারা থেকে শুরু হয়ে হেঁয়াকো বাজারে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর।

তিনি বলেন, "ফটিকছড়িকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।" তিনি আরও জানান, "আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুশৃঙ্খল, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ এবং ফটিকছড়ি গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।" তরুণ প্রজন্মকে একটি সুশৃঙ্খল বাংলাদেশ ও ফটিকছড়ি উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সরোয়ার আলমগীর বলেন, "১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কথা বলেছিলেন—‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।" তিনি উল্লেখ করেন, "‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই চিন্তা যদি আমরা করি, তাহলে সবার আগে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের সচেতন হতে হবে।" সুতরাং, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "সন্তানরা সন্ধ্যার পর কোথায় যায় এবং কী করে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।" তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, "সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদককারবারীদের এ অঞ্চলে কোনো স্থান হবে না।" তিনি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদককারবারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন।

ফটিকছড়ি গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

সমাবেশে এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেন, "নাজিরহাট থেকে ফটিকছড়ি হয়ে ফটিকছড়ি উত্তর দিয়ে রেলপথ সম্প্রসারণ করা হবে।" তিনি জানান, "এ রেলপথের মাধ্যমে রামগড়ের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে।" এছাড়া, তিনি হেঁয়াকো এলাকাকে পৌরসভায় উন্নীত করা, ফটিকছড়ির উত্তরাঞ্চলকে শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা এবং একটি ফায়ার স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান।

র‍্যালিতে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মো. ইব্রাহীম, ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহির আজম চৌধুরী, জেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব নাজিম উদ্দীন শাহীন, আবুল খায়ের, আবু মেম্বার, মোজাম্মেল হায়দার বাবু, বিপ্লব, বোরহান মেম্বারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, দলীয় নেতা-কর্মীরা, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক সমাজ, সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের মানুষ এবং সর্বস্তরের প্রায় ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা ৯-১০ ঘণ্টা ডেস্ক জবের পর জরুরি ৩টি রক্তপরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


টানা ৯-১০ ঘণ্টা ডেস্ক জবের পর জরুরি ৩টি রক্তপরীক্ষা

সকাল থেকে অফিসে কাজ করা, টানা ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা বসে থাকা। দিনের বেশির ভাগ সময় চেয়ারে কাটানোর ফলে বাড়ি ফেরার পর বিশ্রাম ছাড়া তেমন নড়াচড়া করা হয় না। এই ধরনের জীবনযাপনে ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধি এবং শরীরে চর্বি জমার প্রবণতা বাড়তে পারে। এর সঙ্গে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।

বর্তমানে দীর্ঘ সময় ধরে বসে কাজ করা মানুষের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। বিশেষ করে যদি নিয়মিত শরীরচর্চা ও হাঁটাচলা কম হয়, তবে ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বির মাত্রা বেড়ে যাওয়া এবং ভিটামিনের ঘাটতির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই শরীরের অবস্থা সম্পর্কে আগেভাগে জানতে কিছু পরীক্ষা করা যেতে পারে।

রক্তে শর্করার মাত্রা

দীর্ঘ সময় বসে থাকার ফলে শরীরে চর্বি জমার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে ইনসুলিনের সঠিক কার্যকারিতার ঝুঁকি তৈরি হয়। ধীরে ধীরে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

এই কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খালি পেটে রক্তে শর্করার পরীক্ষা অথবা দীর্ঘ সময়ের রক্তে শর্করার গড় মাত্রা বোঝার পরীক্ষা করা যেতে পারে। বিশেষ করে যদি ওজন বেড়ে যায়, পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকে কিংবা দীর্ঘদিন শারীরিক পরিশ্রম কম হয়, তবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা প্রয়োজন।

রক্তে চর্বির পরীক্ষা

দীর্ঘ সময় বসে থাকা ও শারীরিকভাবে কম সক্রিয় থাকার ফলে শরীরে ক্ষতিকর চর্বি বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকতে পারে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বেশি থাকলে তা রক্তনালির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

সুতরাং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত রক্তে বিভিন্ন ধরনের চর্বি ও কোলেস্টেরলের মাত্রা জানার পরীক্ষা করা যেতে পারে। বিশেষ করে যাদের ওজন বেশি, শারীরিক পরিশ্রম কম বা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের জন্য এ বিষয়ে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।

ভিটামিন ডি পরীক্ষা

দিনের বেশির ভাগ সময় ঘরের ভেতরে, বিশেষ করে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিসে কাটালে সূর্যের আলো পাওয়ার সুযোগ কমে যায়। এর ফলে কারও শরীরে ভিটামিন ডির ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

শরীরে ভিটামিন ডির ঘাটতি থাকলে ক্লান্তি, হাত-পা বা কোমরে ব্যথাসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রক্তে ভিটামিন ডির মাত্রা পরীক্ষা করা যেতে পারে।

তবে শুধুমাত্র অফিসে বসে কাজ করলেই সবার ভিটামিন ডির ঘাটতি থাকবে—এমন নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

শুধু পরীক্ষা নয়, বদলাতে হবে অভ্যাসও

দীর্ঘ সময় বসে কাজ করার ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে শুধু পরীক্ষা করলেই হবে না। কাজের ফাঁকে নিয়মিত উঠে কিছুক্ষণ হাঁটা, সিঁড়ি ব্যবহার করা, সম্ভব হলে প্রতিদিন শরীরচর্চা করা এবং খাবারের বিষয়ে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

শরীরে কোনো অস্বাভাবিকতা বা দীর্ঘদিনের ক্লান্তি দেখা দিলে নিজের মতো করে পরীক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ বয়স, ওজন, পারিবারিক ইতিহাস ও শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো ভিন্ন হতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যানচেস্টার ডার্বির ভুল সিদ্ধান্তে কঠোর শাস্তি পেতে যাচ্ছেন রেফারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


ম্যানচেস্টার ডার্বির ভুল সিদ্ধান্তে কঠোর শাস্তি পেতে যাচ্ছেন রেফারি

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে একটি বড় ভুলের জন্য ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ম্যাট ডোনোভিওকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং ম্যানচেস্টার সিটির মধ্যে খেলা চলাকালীন আর্লিং হলান্ডের গোলের সিদ্ধান্তে ভুল স্বীকার করার পর, আন্তর্জাতিক বিরতি পর্যন্ত তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই কারণে সহকারী ভিএআর ব্লেক অ্যান্ট্রোবাসকেও ম্যাচ পরিচালনার বাইরে রাখা হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অনুষ্ঠিত ম্যানচেস্টার ডার্বির শেষ হওয়ার কিছু ঘণ্টার মধ্যেই পেশাদার রেফারি কমিটি রেফারিংয়ের ভুলের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করে। কমিটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এনজো ফার্নান্দেজের অফসাইড অবস্থান যথাযথভাবে বিবেচনায় না নিয়ে হলান্ডের গোলকে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বিরতির আগে প্রিমিয়ার লিগের শেষ রাউন্ডের ম্যাচ পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের তালিকায় ডোনোভিও এবং অ্যান্ট্রোবাস কাউকেই রাখা হয়নি। পেশাদার রেফারি কমিটির একজন মুখপাত্রও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধান রেফারি কর্মকর্তা হাওয়ার্ড ওয়েব এবং তার পরিচালনা পর্ষদ যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফলে আন্তর্জাতিক বিরতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ডার্বির প্রধান ভিএআর এবং সহকারী ভিএআর কোনো ম্যাচে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

হলান্ডের গোলের ঘটনায় ঠিক কী ভুল হয়েছিল, সেটিও রেফারি কমিটি ব্যাখ্যা করেছে। তাদের মতে, গোলের সময় এনজো ফার্নান্দেজের অবস্থানের গুরুত্ব যথাযথভাবে বুঝতে পারেননি ভিএআর ডোনোভিও। পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে যাচাই করার জন্য তার উচিত ছিল মাঠের পাশের মনিটরে ভিডিও ফুটেজ দেখার জন্য অন-ফিল্ড রিভিউয়ের সুপারিশ করা।

ঘটনার পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভুল স্বীকার করেছে রেফারি কমিটি। একই সঙ্গে পুরো ঘটনাটি বিস্তারিত পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য পর্যালোচনা শেষে রেফারিং কর্মকর্তাদের জন্য আরও পরিষ্কার ও কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার কথাও জানিয়েছে কমিটি।

প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আপত্তি নেই বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে ডোনোভিও এবং অ্যান্ট্রোবাসকে অন্তত ১১ অক্টোবর পর্যন্ত ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব থেকে বাইরে থাকতে হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%