ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি করা হলো সংসদের অধিবেশন


৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি করা হলো সংসদের অধিবেশন

জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এ মুলতবির কথা ঘোষণা করেন।

এর আগে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। যা বুধবার (১ জুলাই) থেকে নতুন বাজেট কার্যকর হবে। নতুন বাজেটে কর, ভ্যাট ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেট্রোরেল যাত্রীদের স্বস্তি বাড়াতে আসছে নতুন উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


মেট্রোরেল যাত্রীদের স্বস্তি বাড়াতে আসছে নতুন উদ্যোগ

রাজধানীর মেট্রোরেলের কমলাপুর স্টেশন আগামী বছরের মার্চে চালু করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। এ বছরের জন্য কর্তৃপক্ষ বাড়তি যাত্রীর চাপ সামাল দিতেও মেট্রোরেল চলাচলের সময় ধাপে ধাপে বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-৬-এর তৃতীয় ধাপের আওতায় মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত সম্প্রসারণের কাজ চলছে। ডিএমটিসিএল সূত্রে পাওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ, সিগন্যাল, মেকানিক্যালসহ অন্যান্য কারিগরি কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। প্রকল্পের প্রায় ৮৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। আগামী বছরের মার্চে কমলাপুর স্টেশন চালু করতে হলে কাজ দ্রুততার সাথে এগোতে হবে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষামূলক চলাচল বা ট্রায়াল রান শুরু করারও পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

এদিকে, মেট্রোরেল চলাচলে রাতের সময় আরও বাড়ানোর জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, গত ৭ জুন রাতের সেবা ২০ মিনিট বাড়ানোর পর দৈনিক প্রায় ১০ হাজার নতুন যাত্রী যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে মেট্রোরেলে দৈনিক গড় চার লাখ ১০ হাজার যাত্রী চলাচল করছেন। কিছু দিন যাত্রীসংখ্যা চার লাখ ২৫ হাজারও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আগে এই সংখ্যা ছিল দৈনিক প্রায় চার লাখ।

ডিএমটিসিএল কর্মকর্তারা বলেন, মেট্রোরেল চলাচলের সময় ধীরে ধীরে বাড়ানোর পরিকল্পনা তাদের আগের থেকেই ছিল, তবে সার্বিক কারিগরি বিষয়গুলো বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। রাতে চলাচল বন্ধ হওয়ার পর মূল রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হয়। ট্রেন ডিপোতে নিখুঁতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করে পরে পরদিন ভোরে নিয়মিত চলাচলের আগে প্রায় দুই ঘণ্টার ট্রায়াল রান সম্পন্ন করতে হয়। তাই রাতারাতি সময় বাড়ানো সম্ভব নয়। তবে সম্প্রতি সময় বাড়ানোর পর যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আবারও জানান, কমলাপুর স্টেশন পুরোপুরি চালু হলে সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। বর্তমানে উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত নিয়মিত ১২ সেট ট্রেন চলাচল করছে। ভবিষ্যতে চলাচলের সময় আরও বাড়ানো হলে একযোগে ১৪ সেট ট্রেন পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে ডিএমটিসিএলের।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানির রেকর্ড স্পর্শ করে ইতিহাস গড়ল ব্রাজিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


জার্মানির রেকর্ড স্পর্শ করে ইতিহাস গড়ল ব্রাজিল

পিছিয়ে থেকেও ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে অর্জন করে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। গতকাল রাতে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে score ছিল ১-১ সমতা। ইনজুরি সময়ের পঞ্চম মিনিটে বদলী খেলোয়াড় গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির গোলে ব্রাজিল জয়ের স্বাদ পেতে সক্ষম হয়েছে এবং শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে পিছিয়ে থেকে ১৬তমবারের মত জয় নিয়ে মাঠ ছেড়ে জার্মানির রেকর্ড স্পর্শ করল ব্রাজিল। এছাড়া, জার্মানিও বিশ্বকাপের মঞ্চে ১৬বার পিছিয়ে থেকে জয় লাভ করেছে।

এনিয়ে টানা ১১ বার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল ব্রাজিল। ১৯৮৬ সালে এই রাউন্ডটি পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে প্রতিটি টুর্নামেন্টেই শেষ ষোলোতে খেলেছে ব্রাজিল।

ম্যাচের ৯৫ মিনিটে জাপানের বিপক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন মার্টিনেলি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে নক আউট পর্বে যেকোন দলের এটি সবচেয়ে দেরিতে করা ম্যাচজয়ী গোল।

জাপানের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল ব্রাজিল। তারপরও ব্রাজিল জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে। দীর্ঘ ৮৮ বছর পর প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও বিশ্বকাপের নক আউট ম্যাচে জয় পেয়ে তারা। সর্বশেষ ১৯৩৮ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা,  ছিল ২-১। ১৯৩৮ সালের পর এমন পরিস্থিতিতে ৪টি ম্যাচ হেরেছে ব্রাজিল।

চলতি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের চারটি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন ব্রুনো গিমারেস। বিশ্বকাপের এক আসরে ব্রাজিলের হয়ে এর চেয়ে অধিক অ্যাসিস্টের রেকর্ড কেবল পেলের রয়েছে। পেলে ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে ৬টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন।

জাপানের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরোর গোলে ম্যাচের সমতা ফেরায় ব্রাজিল। ৩৪ বছর ১২৬ দিনে গোল করে রেকর্ড বইয়ে নাম তুলেছেন তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিলের হয়ে গোল করার ক্ষেত্রে তিনি দ্বিতীয় বয়োজ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তবে এক্ষেত্রে রেকর্ডটি বেবেতোর। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে ৩৪ বছর ১৩৭ দিন বয়সে গোল করেছিলেন বেবেতো।

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে ২১০টি সফল পাস দিয়েছে ব্রাজিল। এটি বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ পাসের রেকর্ড।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উজানের ঢলে পঞ্চগড়ে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি, দিশেহারা কৃষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০১ পি.এম


উজানের ঢলে পঞ্চগড়ে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি, দিশেহারা কৃষক

পঞ্চগড়ে উজান থেকে নেমে আসা বর্ষার পানির প্রবল ঢলে শত শত বিঘা ফসলি জমি ভাঙনের মুখে পড়েছে। পানির তোড়ে আবাদি জমি ভেঙে নালায় পরিণত হওয়ায় চরম সংকট ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। তারা অভিযোগ করেছেন যে ফসলি জমি রক্ষায় বিভিন্ন সরকারি দফতরে একাধিকবার লিখিত আবেদন করেও কোনো প্রতিকার মিলছে না।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লাঠোয়াপাড়া এলাকায় এ ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া না হলে এলাকার শত শত বিঘা জমি চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে।

জানা গেছে, পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় গত পাঁচ বছর ধরে লাঠোয়াপাড়া এলাকার শতাধিক কৃষকের কৃষিজমি ভাঙনের শিকার হচ্ছে। প্রতি বর্ষা মৌসুমে ভাঙনের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল ঢলে তীব্র স্রোত আর দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় একের পর এক আবাদি জমি জলাভূমিতে পরিণত হচ্ছে। অতিরিক্ত পানির চাপে ইতোমধ্যেই প্রায় ৩০ বিঘা আবাদি জমি পাশের নালা ও খালে বিলীন হয়ে গেছে। এতে কৃষকদের চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনের কারণে শুধু চলতি মৌসুমের ফসলই নষ্ট হচ্ছে না, ভবিষ্যতেও কৃষি উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ (পাউবো) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দফতরে একাধিকবার লিখিত আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী মহিমদ্দীন ও মফিজুল হক বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাদের আবাদের জমি ভেঙে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এটা দেখার কেউ নেই। ইতোমধ্যে আমরা অনেক জমি হারিয়েছি। বাকি জমি নিয়ে এখন আমরা চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছি।’

তারা আরও জানান, বর্ষা মৌসুমের এই ভাঙনের কারণে আশপাশের জমিতে আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। সমস্যা সমাধানে দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আশুতোষ বর্মনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘পানির চাপে জমি ভেঙে নালায় পরিণত হচ্ছে। স্থানীয়দের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

স্থানীয়দের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে লাঠোয়াপাড়াসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ৩০০ কৃষকের অন্তত ২০০ বিঘা আবাদি জমি তীব্র ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়া হয়, তবে আরও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উজানের ঢলে পঞ্চগড়ে ফসলি জমি বিলীন, কৃষকরা অসহায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


উজানের ঢলে পঞ্চগড়ে ফসলি জমি বিলীন, কৃষকরা অসহায়

পঞ্চগড়ে উজান থেকে নেমে আসা বর্ষার পানির প্রবল ঢলে শত শত বিঘা ফসলি জমি ভাঙনের মুখে পড়েছে। পানির তোড়ে আবাদি জমি ভেঙে নালায় পরিণত হওয়ার কারণে স্থানীয় কৃষকরা চরম সংকট ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, ফসলি জমি রক্ষায় বিভিন্ন সরকারি দফতরে একাধিকবার লিখিত আবেদন করার পরও কোনো প্রতিকার মিলছে না।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লাঠোয়াপাড়া এলাকায় এই ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এলাকার শত শত বিঘা জমি চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে।

জানা গেছে, পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় গত পাঁচ বছর ধরে লাঠোয়াপাড়া এলাকার শতাধিক কৃষক কৃষিজমি ভাঙনের শিকার হচ্ছেন। প্রতি বর্ষা মৌসুমে এই ভাঙনের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল ঢলে তীব্র স্রোত এবং দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় একের পর এক আবাদি জমি জলাভূমিতে পরিণত হচ্ছে। অতিরিক্ত পানির চাপে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ বিঘা আবাদি জমি পাশের নালা ও খালে বিলীন হয়ে গেছে, ফলে কৃষকদের মধ্যে চরম দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনের কারণে শুধু চলতি মৌসুমের ফসলই নষ্ট হচ্ছে না, বরং ভবিষ্যতেও কৃষি উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ (পাউবো) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দফতরে একাধিকবার লিখিত আবেদন করা হলেও এখনও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী মহিমদ্দীন ও মফিজুল হক বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাদের আবাদের জমি ভেঙে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এটা দেখার কেউ নেই। ইতোমধ্যে অনেক জমি হারিয়েছি। বাকি জমি নিয়ে এখন আমরা চরম দুশ্চিন্তায় দিন পার করছি।’

তারা আরও জানান, বর্ষা মৌসুমের এই ভাঙনের কারণে আশপাশের জমিতেও আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। সমস্যা সমাধানে দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আশুতোষ বর্মনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেছেন, ‘পানির চাপে জমি ভেঙে নালায় পরিণत হচ্ছে। এলাকার স্থানীয়দের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

স্থানীয় উপাত্ত অনুযায়ী, বর্তমানে লাঠোয়াপাড়াসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ৩০০ কৃষকের অন্তত ২০০ বিঘা আবাদি জমি তীব্র ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়া হলে আরও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%