ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জার্মানির রেকর্ড স্পর্শ করে ইতিহাস গড়ল ব্রাজিল


জার্মানির রেকর্ড স্পর্শ করে ইতিহাস গড়ল ব্রাজিল

পিছিয়ে থেকেও ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে অর্জন করে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। গতকাল রাতে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে score ছিল ১-১ সমতা। ইনজুরি সময়ের পঞ্চম মিনিটে বদলী খেলোয়াড় গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির গোলে ব্রাজিল জয়ের স্বাদ পেতে সক্ষম হয়েছে এবং শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে পিছিয়ে থেকে ১৬তমবারের মত জয় নিয়ে মাঠ ছেড়ে জার্মানির রেকর্ড স্পর্শ করল ব্রাজিল। এছাড়া, জার্মানিও বিশ্বকাপের মঞ্চে ১৬বার পিছিয়ে থেকে জয় লাভ করেছে।

এনিয়ে টানা ১১ বার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল ব্রাজিল। ১৯৮৬ সালে এই রাউন্ডটি পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে প্রতিটি টুর্নামেন্টেই শেষ ষোলোতে খেলেছে ব্রাজিল।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ম্যাচের ৯৫ মিনিটে জাপানের বিপক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন মার্টিনেলি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে নক আউট পর্বে যেকোন দলের এটি সবচেয়ে দেরিতে করা ম্যাচজয়ী গোল।

জাপানের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল ব্রাজিল। তারপরও ব্রাজিল জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে। দীর্ঘ ৮৮ বছর পর প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও বিশ্বকাপের নক আউট ম্যাচে জয় পেয়ে তারা। সর্বশেষ ১৯৩৮ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা,  ছিল ২-১। ১৯৩৮ সালের পর এমন পরিস্থিতিতে ৪টি ম্যাচ হেরেছে ব্রাজিল।

চলতি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের চারটি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন ব্রুনো গিমারেস। বিশ্বকাপের এক আসরে ব্রাজিলের হয়ে এর চেয়ে অধিক অ্যাসিস্টের রেকর্ড কেবল পেলের রয়েছে। পেলে ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে ৬টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন।

জাপানের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরোর গোলে ম্যাচের সমতা ফেরায় ব্রাজিল। ৩৪ বছর ১২৬ দিনে গোল করে রেকর্ড বইয়ে নাম তুলেছেন তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিলের হয়ে গোল করার ক্ষেত্রে তিনি দ্বিতীয় বয়োজ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তবে এক্ষেত্রে রেকর্ডটি বেবেতোর। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে ৩৪ বছর ১৩৭ দিন বয়সে গোল করেছিলেন বেবেতো।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে ২১০টি সফল পাস দিয়েছে ব্রাজিল। এটি বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ পাসের রেকর্ড।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উজানের ঢলে পঞ্চগড়ে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি, দিশেহারা কৃষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০১ পি.এম


উজানের ঢলে পঞ্চগড়ে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি, দিশেহারা কৃষক

পঞ্চগড়ে উজান থেকে নেমে আসা বর্ষার পানির প্রবল ঢলে শত শত বিঘা ফসলি জমি ভাঙনের মুখে পড়েছে। পানির তোড়ে আবাদি জমি ভেঙে নালায় পরিণত হওয়ায় চরম সংকট ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। তারা অভিযোগ করেছেন যে ফসলি জমি রক্ষায় বিভিন্ন সরকারি দফতরে একাধিকবার লিখিত আবেদন করেও কোনো প্রতিকার মিলছে না।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লাঠোয়াপাড়া এলাকায় এ ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া না হলে এলাকার শত শত বিঘা জমি চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে।

জানা গেছে, পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় গত পাঁচ বছর ধরে লাঠোয়াপাড়া এলাকার শতাধিক কৃষকের কৃষিজমি ভাঙনের শিকার হচ্ছে। প্রতি বর্ষা মৌসুমে ভাঙনের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল ঢলে তীব্র স্রোত আর দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় একের পর এক আবাদি জমি জলাভূমিতে পরিণত হচ্ছে। অতিরিক্ত পানির চাপে ইতোমধ্যেই প্রায় ৩০ বিঘা আবাদি জমি পাশের নালা ও খালে বিলীন হয়ে গেছে। এতে কৃষকদের চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনের কারণে শুধু চলতি মৌসুমের ফসলই নষ্ট হচ্ছে না, ভবিষ্যতেও কৃষি উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ (পাউবো) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দফতরে একাধিকবার লিখিত আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী মহিমদ্দীন ও মফিজুল হক বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাদের আবাদের জমি ভেঙে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এটা দেখার কেউ নেই। ইতোমধ্যে আমরা অনেক জমি হারিয়েছি। বাকি জমি নিয়ে এখন আমরা চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছি।’

তারা আরও জানান, বর্ষা মৌসুমের এই ভাঙনের কারণে আশপাশের জমিতে আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। সমস্যা সমাধানে দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আশুতোষ বর্মনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘পানির চাপে জমি ভেঙে নালায় পরিণত হচ্ছে। স্থানীয়দের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

স্থানীয়দের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে লাঠোয়াপাড়াসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ৩০০ কৃষকের অন্তত ২০০ বিঘা আবাদি জমি তীব্র ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়া হয়, তবে আরও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উজানের ঢলে পঞ্চগড়ে ফসলি জমি বিলীন, কৃষকরা অসহায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


উজানের ঢলে পঞ্চগড়ে ফসলি জমি বিলীন, কৃষকরা অসহায়

পঞ্চগড়ে উজান থেকে নেমে আসা বর্ষার পানির প্রবল ঢলে শত শত বিঘা ফসলি জমি ভাঙনের মুখে পড়েছে। পানির তোড়ে আবাদি জমি ভেঙে নালায় পরিণত হওয়ার কারণে স্থানীয় কৃষকরা চরম সংকট ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, ফসলি জমি রক্ষায় বিভিন্ন সরকারি দফতরে একাধিকবার লিখিত আবেদন করার পরও কোনো প্রতিকার মিলছে না।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লাঠোয়াপাড়া এলাকায় এই ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এলাকার শত শত বিঘা জমি চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে।

জানা গেছে, পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় গত পাঁচ বছর ধরে লাঠোয়াপাড়া এলাকার শতাধিক কৃষক কৃষিজমি ভাঙনের শিকার হচ্ছেন। প্রতি বর্ষা মৌসুমে এই ভাঙনের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল ঢলে তীব্র স্রোত এবং দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় একের পর এক আবাদি জমি জলাভূমিতে পরিণত হচ্ছে। অতিরিক্ত পানির চাপে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ বিঘা আবাদি জমি পাশের নালা ও খালে বিলীন হয়ে গেছে, ফলে কৃষকদের মধ্যে চরম দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনের কারণে শুধু চলতি মৌসুমের ফসলই নষ্ট হচ্ছে না, বরং ভবিষ্যতেও কৃষি উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ (পাউবো) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দফতরে একাধিকবার লিখিত আবেদন করা হলেও এখনও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী মহিমদ্দীন ও মফিজুল হক বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাদের আবাদের জমি ভেঙে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এটা দেখার কেউ নেই। ইতোমধ্যে অনেক জমি হারিয়েছি। বাকি জমি নিয়ে এখন আমরা চরম দুশ্চিন্তায় দিন পার করছি।’

তারা আরও জানান, বর্ষা মৌসুমের এই ভাঙনের কারণে আশপাশের জমিতেও আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। সমস্যা সমাধানে দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আশুতোষ বর্মনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেছেন, ‘পানির চাপে জমি ভেঙে নালায় পরিণत হচ্ছে। এলাকার স্থানীয়দের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

স্থানীয় উপাত্ত অনুযায়ী, বর্তমানে লাঠোয়াপাড়াসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ৩০০ কৃষকের অন্তত ২০০ বিঘা আবাদি জমি তীব্র ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়া হলে আরও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের, আহত ছোট ভাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের, আহত ছোট ভাই

ভোলার বোরহানউদ্দিনের টগবী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দালালপুর গ্রামের পণ্ডিত বাড়িতে মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে সুপারি গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আবুল কালাম (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মৃত ব্যক্তির ছোটভাই মোশাররফ।

আবুল কালাম ওই পণ্ডিত বাড়ির বাসিন্দা মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন এবং আহত মোশাররফ সম্প্রতি বিদেশ থেকে ছুটিতে বাড়ি ফিরেছেন। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টির মধ্যে আবুল কালাম ও মোশাররফ, এই দুই ভাই মিলে বাড়ির সামনের নিজস্ব বাগান থেকে একটি সুপари গাছ কাটছিলেন। এরই মধ্যেই গাছটির পাশে ছিঁড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে লেগে তাদের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ঘটে।

স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আবুল কালামকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর পৌনে ১টায় আবুল কালাম মারা যান। ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. লামিয়া বিনতে হোসাইন এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে এবং অন্যজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাইন্যান্স কমিটি ও সিন্ডিকেট সভায় চবির ৫০৩ কোটি টাকার বাজেট পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


ফাইন্যান্স কমিটি ও সিন্ডিকেট সভায় চবির ৫০৩ কোটি টাকার বাজেট পাস

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ৩০ জুন, ২০২৬ : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স কমিটি ও সিন্ডিকেটের ৬২তম যৌথ সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক্কলিত ৫০৩ কোটি ৪৭ লাখ ৩৭ হাজার টাকার রাজস্ব বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৪৮৯ কোটি ৯৯ লাখ ৭৯ হাজার টাকার সংশোধিত রাজস্ব বাজেটও অনুমোদন করা হয়।

আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপাচার্যের দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই যৌথ সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত হিসাব নিয়ামক ও ফাইন্যান্স কমিটির সচিব মো. আমিরুল ইসলাম এ বাজেট পেশ করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।

তিনি বলেন, "শিক্ষা-গবেষণা ও সার্বিক উন্নয়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রশাসনিক ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ শুরু করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।"

তিনি আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রান্সলেশনাল রিসার্চ বা প্রয়োগমুখী গবেষণা বৃদ্ধির করার লক্ষ্যে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।"

যৌথ সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, সিন্ডিকেট সচিব রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সিন্ডিকেট সদস্য এস.এম. ফজলুল হক, অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া, মোহাম্মদ আলী এবং এম. সিরাজ উদ্দিন মিয়া। সভায় অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ।

এছাড়া যৌথ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ফাইন্যান্স কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল শাহীন খান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নেছারুল করিম, অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোছাইন, অধ্যাপক ড. মোরশেদুর রহমান ও হিসাব নিয়ামক দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল আহাদ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলতাফ-উল-আলম এবং পরিষদ শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%