বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫৪ পি.এম
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, এ বছর ৪৩ লাখ কৃষক কৃষক কার্ড লাভ করবেন। উদ্বোধনী দিনে পাইলট পর্যায়ে ১ লাখ ৪৭ জন কৃষক কৃষক কার্ডের উপকরণ প্রণোদনা পাচ্ছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফেনী জেলার ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের ব্যক্তিবর্গের সম্মানী’ প্রদান অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ উল্লেখ করেন, কৃষক কার্ডের প্রাক-পাইলট সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর পাইলট পর্যায়ে এ বছর ৪৩ লাখ কৃষকের ডাটাবেজ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫ জন কৃষক কার্ডের আওতায় আসছেন। এর মধ্যে আগামীকাল (১ অক্টোবর) ১ লাখ ৪৭ জন কৃষি উপকরণ বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন। ফেনী জেলার ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড (প্রিন্টেড) কপি পাবেন।
তিনি আরও জানান, আগামীকালের অনুষ্ঠানে দেশের ৫৬টি জেলার ৭৭টি উপজেলা যুক্ত থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি উপজেলার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকবে, বাকি ৬৪ উপজেলাও যুক্ত থাকবে।
মন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ৪৩ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড ও উপকরণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের সব কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষক কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের কৃষি উপকরণ ক্রয়ে সহায়তা প্রদান এবং কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারি সহায়তা আরও সহজে কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সার্বিক প্রস্তুতি সন্তোষজনক এবং অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ করছেন।
এ সময় কৃষি সচিব মো. সেলিম খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম, ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অভিনেত্রী হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে ক্যারিয়ার চালিয়ে গেলেও, নতুন সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার আগে অজানা এক ভয় অনুভব করেন দুষ্টু কোকিল খ্যাত ভারতের টালিউড নায়িকা মিমি চক্রবর্তী। নতুন চরিত্র, নতুন সেট এবং নতুন দলের সঙ্গে কাজ করার কারণে, শুটিং শুরুর আগে তিনি এক ধরনের উদ্বেগে ভোগেন। এমনকি শুটিংয়ের আগের রাতে তিনি ঠিকমতো ঘুমাতেও পারেন না।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মিমি তার এই ভয় ও অস্বস্তির কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইন্ডাস্ট্রিতে বহু বছর কাজ করার পরও, নতুন সিনেমার শুটিং শুরুর আগে এখনও তার মনে অজানা ভয় কাজ করে।
মিমি বলেন, শুটিংয়ের প্রথম দিন তিনি একটু আগেভাগেই সেটে পৌঁছে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, কারা কাজ করছেন এবং সবাই ঠিকঠাক প্রস্তুত কি না। পরিবেশ সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা নিতে পারলে তার অস্বস্তি ও ভয় কিছুটা কমে যায়।
অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন একটি ছবির কাজ শুরুর আগে পরিবেশ ও সহকর্মীদের সঙ্গে পরিচিত হয়ে নেওয়া তাকে মানসিকভাবে স্বস্তি দেয়। এজন্য শুটিংয়ের প্রথম দিন তিনি অন্যদের চেয়ে কিছুটা আগেই সেটে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।
এদিকে, আগামী দুর্গাপূজায় মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত "কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত" সিনেমাটি। এই সিনেমায় আবির চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে অভিনয় করবেন মিমি চক্রবর্তী।
এর আগে "রক্তবীজ" সিনেমাতেও একসঙ্গে অভিনয় করেছেন মিমি ও আবির। নতুন সিনেমায় আবারও এই জুটিকে পর্দায় দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন দর্শকরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারের নিকটবর্তী একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ছয়জন আরোহী নিহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল বেলা দেশটির মারোন্দেরা জেলার একটি গ্রামীণ অঞ্চলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। এতে চারজন যাত্রী এবং দুইজন ক্রু সদস্য ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে একজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ীও ছিলেন।
সরকারের মুখপাত্র নিক মাংগোয়ানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তি বেঁচে নেই।
তবে নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। পুলিশ জানায়, উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। সূত্র: আরব নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকে ৫১তম বিশেষ বিসিএসের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে সরকারি চাকরিতে আগ্রহী এবং যোগ্য চিকিৎসকেরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এই বিসিএসের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ক্যাডারে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।
সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গত ২৪ সেপ্টেম্বর ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্য ক্যাডারের সহকারী সার্জন পদে ৪ হাজার ৭০০ জন এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৩০০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
পিএসসি জানিয়েছে, ১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তবে, ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে আবেদন ফরম পূরণ করে ব্যবহারকারী পরিচয় পাওয়া প্রার্থীরা পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অর্থাৎ ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবেদন ফি জমা দিতে পারবেন।
৫১তম বিশেষ বিসিএসে আবেদন করতে হলে প্রার্থীর বয়স ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রার্থী যদি বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করে বা বিয়ের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, তাহলে তিনি আবেদনের অযোগ্য বিবেচিত হবেন।
সহকারী সার্জন পদে আবেদন করার জন্য প্রার্থীর এমবিবিএস বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। অন্যদিকে, সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে আবেদনের জন্য বিডিএস বা সমমানের ডিগ্রি প্রয়োজন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একজন প্রার্থী একাধিক আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবেন না। নির্ধারিত যোগ্যতা থাকা প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন ফি পরিশোধ করতে হবে।
পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাসুমা আফরীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আকস্মিক আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য দেশের প্রতিটি জেলায় কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন শাখা থেকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন) শাহজাদা মো. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিটি সব জেলার পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের সমন্বয়ে এই টিমগুলো গঠন করতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, আকস্মিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উদ্ভব হলে তা মোকাবিলা এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য প্রতিটি জেলায় কিউআরটি গঠন করা আবশ্যক। এই টিমে জেলা পুলিশের পাশাপাশি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), নৌ পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), শিল্প পুলিশ এবং হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কিউআরটি সদস্যদের অংশগ্রহণে নিয়মিতভাবে মাদক এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় সমন্বিত অভিযান ও মহড়ার আয়োজন করতে হবে। এর মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যদের সমন্বিতভাবে দ্রুত অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি এসব অভিযান এবং মহড়ায় অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তা ও ফোর্সের পরিসংখ্যান এবং উদ্ধার ও আটকের তথ্য জরুরি ভিত্তিতে পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠাতে বলা হয়েছে।
চিঠির কার্যার্থে সব জেলার পুলিশ সুপারকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া এপিবিএন, শিল্প পুলিশ, পিবিআই, হাইওয়ে পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, নৌ পুলিশসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট এবং সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের কর্মকর্তাদেরও বিষয়টি জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলা পর্যায়ে বিচ্ছিন্নভাবে থাকা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে একত্র করে জরুরি মুহূর্তে দ্রুত মাঠে নামানোর জন্য একটি কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ