ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব নিচ্ছেন আমেরিকানরা, ট্রাম্পের ভয়ের কারণে


লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব নিচ্ছেন আমেরিকানরা, ট্রাম্পের ভয়ের কারণে

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনিশ্চয়তার কারণে ইউরোপের ছোট দেশ লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব গ্রহণে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে আমেরিকানদের। বিশেষত, যাদের পূর্বপুরুষদের লুক্সেমবার্গের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে, তারা বংশপরিচয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা করছেন। অনেকের কাছে ইউরোপের নাগরিকত্ব এখন বিকল্প ভবিষ্যৎ গড়ার একটি উপায়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজউইকের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভার শহরের ৩৫ বছর বয়সী ক্যারিস ক্যাসিডি তাদের মধ্যে একজন। ছোটবেলা থেকেই ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্ন ছিল তার। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিভাজন, সামাজিক সুযোগের সীমাবদ্ধতা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে গেছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ক্যাসিডি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করে নিজের জীবন উন্নত করতে গেলেও অনেক সময় ঋণের বোঝা নিতে হয়, নয়তো বাসস্থান ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা অভিজ্ঞতায় কাটছাঁট করতে হয়।" তার কাছে ইউরোপকে মনে হয়েছে একটু স্বস্তিতে নিজের মতো করে বাঁচার জায়গা।

পরে তিনি জানতে পারেন, তার পাঁচ প্রজন্ম আগের এক পূর্বপুরুষের জন্ম লুক্সেমবার্গে। অনলাইনে পারিবারিক ইতিহাস খুঁজতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, উনিশ শতকে তার কয়েকজন পূর্বপুরুষ লুক্সেমবার্গ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। পরে তারা শিকাগো হয়ে মিনেসোটা, আইওয়া ও কানসাসে বসবাস করেন।

এই পারিবারিক সূত্র কাজে লাগিয়ে ক্যাসিডি লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। দেশটির আইনে নির্দিষ্ট শর্তে পূর্বপুরুষের সূত্র ধরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে প্রায় এক বছর লেগেছিল। তবে নাগরিকত্ব পেতে ভাষা পরীক্ষা দেওয়া কিংবা দেশটিতে সশরীরে যাওয়ার প্রয়োজন হয়নি।

গত মার্চে নাগরিকত্ব পাওয়ার পর ক্যাসিডি যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে সুইডেনে চলে যান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন তিনি। বর্তমানে লিঙ্গান্তরের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়া ক্যাসিডি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসে আবার ইউরোপে কোথায় স্থায়ী হবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

নাগরিকত্ব গ্রহণে নতুন রেকর্ড

ট্রাম্প দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসে ফেরার পর লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব নেওয়ার আগ্রহ আরও বেড়েছে। দেশটির জাতীয় নিবন্ধনের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরে ৩ হাজার ৫৭৪ জন আমেরিকান লুক্সেমবার্গের নাগরিক হিসেবে নথিভুক্ত হন। দেশটিতে এ ধরনের হিসাব রাখা শুরুর পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় সংখ্যা।

তবে লুক্সেমবার্গের বিচার মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ওই বছরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ৬৫৭ জন আমেরিকান নতুন করে নাগরিকত্ব পেয়েছেন। দুই হিসাবের পার্থক্যের কারণ হলো, জাতীয় নিবন্ধনে অন্তর্ভুক্ত অনেকেই আইনের শর্ত অনুযায়ী আগে থেকেই দেশটির নাগরিক হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। তাদের নাগরিকত্বের বিষয়টি পরে নথিভুক্ত হয়েছে।

বিচার মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ৬৫৭ জন স্বেচ্ছায় আবেদন করে স্বাভাবিকীকরণ, বিশেষ বিধান কিংবা পূর্বের নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পেয়েছেন। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ৪০ শতাংশ বেশি।

আরও পড়ুন: বিলবোর্ডের ছবিকে রাস্তা ভেবে সজোরে ট্রাক চালালেন চালক, অতঃপর প্রাণ হারালেন

পূর্বপুরুষের সূত্রে নাগরিকত্ব

যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কায় জন্ম নেওয়া ড্যানিয়েল অ্যাটজও পারিবারিক সূত্রে লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। তার প্রপিতামহী মার্গারিট ক্রুখটেন লুক্সেমবার্গে জন্মেছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তিনি কানসাসে চলে যান।

লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধারের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অ্যাটজ ২০১৪ সালে নাগরিকত্ব পান। এর মাধ্যমে তিনি ইউরোপে নিজের হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়দের খুঁজে পান এবং তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তার ভাষায়, "এই নাগরিকত্ব তার জীবন পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।"

২০০৮ সালে লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্তে পূর্বপুরুষের সূত্র ধরে নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। পরে ২০১৭ সালে এ বিষয়ে আরেকটি আইন করা হয়। ওই আইনের আওতায় আবেদন করার সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে

বর্তমানে অ্যাটজ তার প্রতিষ্ঠিত নাগরিকত্ববিষয়ক পরামর্শমাধ্যমের মাধ্যমে অন্য আমেরিকানদেরও আবেদনপ্রক্রিয়ায় সহায়তা করছেন। তার ভাষ্য, ২০১৬ সালে ট্রাম্প প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার সময়ও নাগরিকত্বের আবেদনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আগ্রহ আরও বেড়েছে।

অ্যাটজ জানান, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে তার প্রতিষ্ঠানের সেবা নেওয়ার আগ্রহ দ্রুত বাড়তে থাকে। গত বছর তাদের কর্মীর সংখ্যা দুই থেকে বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়ায়। তার প্রতিষ্ঠান প্রায় ৯০০ আমেরিকানকে নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছে। তবে তার হিসাব অনুযায়ী, লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা আমেরিকানদের মোট সংখ্যার মাত্র ১৫ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে তার প্রতিষ্ঠান।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে তার সহায়তা নেওয়া অনেকের মধ্যে এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তাদের নাগরিকত্ব নেওয়ার আগ্রহ বাড়াচ্ছে।

নাগরিকত্ব নিচ্ছেন, তবে সবাই যাচ্ছেন না লুক্সেমবার্গে

আরও পড়ুন: লাইভ সম্প্রচারে প্রার্থনার সময় ক্রুশ পড়ে যাজক পাত্রিসিও আলফ্রেডো সানচেজ মোলিনারির মৃত্যু

লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব নেওয়ার সংখ্যা বাড়লেও অধিকাংশ আমেরিকান দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে যাচ্ছেন না। অনেকের কাছে ইউরোপের নাগরিকত্ব অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা। আবার অনেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে বসবাস ও কাজের সুযোগ পাওয়ার আশায় নাগরিকত্ব নিচ্ছেন।

অ্যাটজের মতে, নাগরিকত্ব নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৫ শতাংশেরও কম লুক্সেমবার্গে স্থায়ীভাবে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এর একটি কারণ দেশটির উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের গড়ের তুলনায় সেখানে ভোক্তাপণ্যের দাম প্রায় ৫১ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি নতুনদের জন্য সব ধরনের চাকরির সুযোগও নেই।

অ্যাটজ জানান, তার অনেক গ্রাহক শেষ পর্যন্ত স্পেন, পর্তুগাল ও ফ্রান্সে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ক্যাসিডিও লুক্সেমবার্গে থিতু হতে চান, তবে আর্থিক দিক থেকে সেটি তার জন্য কতটা সম্ভব, তা নিয়ে নিশ্চিত নন।

কেউ ছাড়ছেন মার্কিন নাগরিকত্ব, কেউ খুঁজছেন বিকল্প

আরও পড়ুন: নিউইয়র্কে সিটিবাইক পরিষেবা ৭ নতুন এলাকায় সম্প্রসারিত, ২৩৪টি স্টেশন যুক্ত

একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক নাগরিক ইউরোপীয় নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদেশে বসবাসরত কিছু আমেরিকান মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করছেন। গত দুই বছরে নাগরিকত্ব ত্যাগের সংখ্যাও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ক্যাসিডি আপাতত মার্কিন নাগরিকত্ব ছাড়তে চান না। তার আশা, আগামী নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তিনি বলেন, "অনেক খারাপ ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার এবং শেষ পর্যন্ত ভালো কিছু হওয়ার আশা তিনি ছাড়েননি।"

ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে কী ঘটে, তা ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে বলেও মনে করেন ক্যাসিডি।

সূত্র: নিউজ উইক

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজ এজেন্সিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


হজ এজেন্সিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা প্রকাশ

আগামী বছরের হজে অংশগ্রহণের জন্য অনুমোদিত হজ এজেন্সিগুলোর জন্য ‘হজ মিশন ভিসা’ ইস্যু করার উদ্দেশ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) এর মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ব্যাংক জমার মূল রসিদ দাখিল করতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে একটি সরকারি নোটিশে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমের জন্য নিবন্ধিত ১০০ জন বা তার বেশি হজযাত্রী রয়েছে এমন ২৬০টি এজেন্সিকে ১টি করে মিশন ভিসা দেওয়া হবে। এছাড়া, নিবন্ধিত হজযাত্রী সংখ্যা ১০০ জনের কম হলেও ৮টি লিড এজেন্সি এবং ২টি মোনাজ্জেম এজেন্সিকে ১টি করে মোট ২৭০টি হজ মিশন ভিসা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত ছকে এজেন্সির নাম, লিড নম্বর, নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা, এজেন্সির মালিক/মোনাজ্জেম বা প্রতিনিধির নাম, পদবি, পাসপোর্ট নম্বর ও মোবাইল নম্বর পূরণ করতে হবে। আগামীকাল রোববারের মধ্যে নির্ধারিত নম্বরে (01921-467718) হোয়াটসঅ্যাপে সফটকপি এবং এজেন্সির নিজস্ব প্যাডে স্বাক্ষরিত হার্ডকপি দাখিল করতে হবে।

মিশন ভিসা প্রাপ্তির জন্য সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত ভিসা ফি, ইন্স্যুরেন্স ফি, ইলেকট্রনিক সার্ভিস ফি, জমজম পানির ফি, লাগেজ পরিবহন ফি, তাবু ও মাশায়ের সার্ভিস ফিসহ অন্যান্য ফি জমা দিতে হবে। এসব ফি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার হিসাব নম্বর ০০২-০০০২৬৩০০০০৯০৮ (Sale Proceeds of Haj Deposit)-এ জমা দিতে হবে এবং জমার মূল রসিদ ঢাকার আশকোনাস্থ হজ অফিসে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিমান ভাড়াসহ যাতায়াত খরচ এবং সৌদি আরবে থাকা-খাওয়ার যাবতীয় ব্যয়ভার সংশ্লিষ্ট মিশন ভিসাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা এজেন্সিকে বহন করতে হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনার অনুলিপি হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সভাপতি ও মহাসচিব, আশকোনা হজ অফিসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঠবাড়িয়ায় বাড়তি দামেও গ্যাসের অভাব, ক্রেতারা খালি হাতে ফিরছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


মঠবাড়িয়ায় বাড়তি দামেও গ্যাসের অভাব, ক্রেতারা খালি হাতে ফিরছেন

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দামে ১২ কেজি ওজনের সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্রেতারা জানিয়েছেন, কিছু জায়গায় টাকা দিয়েও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে, বিশেষ করে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। তবে মঠবাড়িয়া পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজারে ১ হাজার ৯৫০ থেকে ২ হাজার টাকা বা তারও বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মতে, কিছু কোম্পানির গ্যাসের সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামের প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে কিছু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। বাজার তদারকির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এর ফলে সংসারের ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেককে চাহিদামতো সিলিন্ডার না পেয়ে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।

মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা গৃহিণী সালমা আক্তার বলেন, "হঠাৎ এলপিজির দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচ সামলাতে কষ্ট হচ্ছে।" তিনি জানান, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দিয়ে ১২ কেজি ওজনের একটি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হয়েছেন।

ব্যবসায়ী রনি হোসেন জানিয়েছেন, পাইকারি পর্যায়েই সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। এর ফলে বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, "ডিলাররা নির্ধারিত দামে গ্যাস সরবরাহ করলে তারাও কম দামে বিক্রি করতে পারতেন।"

স্থানীয় খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, গত দুই মাস ধরে তারা বসুন্ধরা গ্যাসের সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। অন্য একটি কোম্পানির সিলিন্ডারও স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ২০০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এ কারণে খুচরা পর্যায়ে দাম বেড়েছে বলে তাদের বিশ্বাস।

এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউর রাব্বি জানান, সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৮৩৭ টাকায় এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, "বাজার নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়ার খবর পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি চাকরিতে থেকেও এনসিপির কমিটিতে সফিউল্ল্যাহ জগলু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


সরকারি চাকরিতে থেকেও এনসিপির কমিটিতে সফিউল্ল্যাহ জগলু

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সফিউল্ল্যাহ জগলুর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক পদে রয়েছেন। জানা গেছে, তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চরফ্যাশন উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আছেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার বিধিনিষেধ এবং আচরণবিধি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির চরফ্যাশন উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির আংশিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ছয় মাসের জন্য, যা প্রাপ্ত কমিটি অনুমোদনের চিঠি অনুযায়ী। সাত সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিতে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সফিউল্ল্যাহ জগলুর নাম সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর বিধি ২৫(১) অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী রাজনৈতিক দলের বা এর অঙ্গসংগঠনের সদস্য হতে পারবেন না। এছাড়া, দেশে বা বিদেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ বা সহায়তাও নিষিদ্ধ।

তবে, সরকারি চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থায় সফিউল্ল্যাহ জগলু কীভাবে এ পদে রয়েছেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির ভোলা জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান বলেন, “বিষয়টি আমি শুনেছি। আমাদের কাছে নামের তালিকা এসেছে। তবে যাচাই-বাছাইয়ে আমাদের ভুল ছিল। সরকারি চাকরিজীবীদের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।”

অন্যদিকে, এনসিপির চরফ্যাশন উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অহিদ ফয়সাল জানান, “তিনি সরকারি চাকরি করেন। আমাদের রাজনীতিতে তার মৌন সম্মতি রয়েছে। তবে তার নাম ও ফোন নম্বর ভুলবশত কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।”

সফিউল্ল্যাহ জগলুর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া না দেওয়ায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাজন আলী বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি।”

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, “আমাকে সরকারি বিধিবিধান যাচাই করতে হবে এবং তার অবস্থানও নিশ্চিত করতে হবে। আমি বিষয়টি দেখছি।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরুষদের হিফজ বিভাগে প্রথম বাংলাদেশের হিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরুষদের হিফজ বিভাগে প্রথম বাংলাদেশের হিরা

মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় পুরুষদের হিফজ বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন বাংলাদেশের এহতিশামুল হক হিরা। ঢাকার মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামীর এই প্রতিযোগী ৯৭ নম্বর পেয়ে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। মালয়েশিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিরা তার এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

৬৬তম আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত ও হিফজ প্রতিযোগিতা পাঁচ দিনব্যাপী গত ৬ অক্টোবর শুরু হয়ে শুক্রবার শেষ হয়। কুয়ালালামপুরের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে (ডব্লিউটিসি) আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার শনিবার (১০ অক্টোবর) তুলে দেওয়া হয়।

পুরুষদের হিফজ বিভাগে বাংলাদেশের এহতিশামুল হক হিরার সঙ্গে ৯৭ নম্বর পেয়ে যৌথভাবে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন সিরিয়ার আবদুল রহমান জামাল ইব্রাহিম। এ বিভাগে ৯৬ দশমিক ৩৩ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন স্বাগতিক মালয়েশিয়ার মুহাম্মদ ইজ্জুল আফনান সাজালি।

নারীদের তিলাওয়াত বিভাগে ৯১ দশমিক ৮৩ নম্বর পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মালয়েশিয়ার নুর শাকুরা মোহাম্মদ মুসা। ৯১ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন সিঙ্গাপুরের আতিকাহ বিনতে সুহাইমি। আর ৯০ দশমিক ৮৩ নম্বর নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন ব্রুনেইয়ের দায়াংকু সিতি উম্মি শায়জানা বিনতে পেঙ্গিরান হাজি মারজুকি।

পুরুষদের তিলাওয়াত বিভাগে ৯৪ দশমিক ৬৭ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার মুহাম্মদ ফাউজি রিদওয়ান। ৯২ দশমিক ৯৯ নম্বর নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন মালয়েশিয়ার সিক হাসনুল তাকিয়ুদ্দিন সিক সাজালি। এ বিভাগে ৯২ দশমিক ১৭ নম্বর পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন বেলজিয়ামের ব্রাহিম বুগালাব।

নারীদের হিফজ বিভাগে ৯৬ দশমিক ১৭ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন নাইজারের চাফাতু ইসুফু। ৯৫ দশমিক ৫০ নম্বর নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন লিবিয়ার মিন্নাহ আলী আলসুদানি আগনাইয়াহ। আর ৯৫ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন মিয়ানমারের থেইন গি মোন।

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কোরআন হিফজ প্রতিযোগিতায় সাফল্যের ইতিহাস কয়েক দশকের পুরনো। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি হাফেজরা মোট ৪৩টি প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। এই সময়ে ৩৫ জন বাংলাদেশি হাফেজ এ সাফল্য পেয়েছেন। একই প্রতিযোগী একাধিকবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বিজয়ীর সংখ্যা ও প্রথম স্থান অর্জনের সংখ্যা আলাদা।

হুফ্ফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ সালে লিবিয়ায় কারি আবদুল হকের প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের এ সাফল্যের ধারার সূচনা হয়। এরপর ১৯৯৪ সালে ইরানে সাখাওয়াত হোসাইন এবং ১৯৯৬ সালে একই দেশে মাহমুদুল হাসান চ্যাম্পিয়ন হন। ১৯৯৯ সালে মিশরে ইমদাদুল্লাহ এবং ইরানে ফরিদ আহমদ প্রথম স্থান অর্জন করেন।

পরবর্তী বছরগুলোতেও বাংলাদেশের হাফেজদের সাফল্য অব্যাহত থাকে। ২০০০ সালে মিশরে নাবিল ওয়ালিদ, ২০০১ সালে ইব্রাহিম বিন হেলাল, ২০০২ সালে জর্ডানে হোসাইন আহমাদ এবং ২০০৩ সালে মিশরে আবদুল কাদির প্রথম স্থান অর্জন করেন। ২০০৭ সালে দুবাইয়ে এবং ২০০৯ সালে মিশরে চ্যাম্পিয়ন হন ফজলে রাব্বি আদেল। ২০১০ সালে জর্ডানে মো. সাইফুল ইসলাম এবং ২০১১ সালে ইরানে হাফেজ সালাহউদ্দিন শীর্ষস্থান অর্জন করেন।

২০১২ সালে সৌদি আরবে পৃথক বিভাগে প্রথম হন মো. তানভীর হোসাইন, এহসান উদ্দিন নোমান ও মুহাম্মদ সাদ সুরাইল। ২০১৩ সালে সৌদি আরবে মো. ইমাদুল্লাহ, জর্ডানে ফারিয়া তাসলিম এবং দুবাইয়ে হাফেজ নাজমুস সাকিব চ্যাম্পিয়ন হন। ২০১৪ সালে সৌদি আরবে নাজমুস সাকিব এবং মিশরে অনুষ্ঠিত ২১তম আন্তর্জাতিক হিফজ প্রতিযোগিতায় হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া প্রথম স্থান অর্জন করেন।

২০১৫ সালে সুদানে চ্যাম্পিয়ন হন নাজমুস সাকিব। একই বছর মিশরে পৃথক বিভাগে নাহিয়ান কায়সার ও মুহিব্বুল্লাহ এবং জর্ডানে সাঈদ হাসান প্রথম হন। ২০১৬ সালে তুরস্কে আবদুল আখের এবং বাহরাইনে হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া চ্যাম্পিয়ন হন।

২০১৭ সালে সৌদি আরব ও মিশরে আবদুল্লাহ আল মামুন এবং দুবাইয়ে তারিকুল ইসলাম প্রথম স্থান অর্জন করেন। ২০১৮ সালে মিশরে মুজাহিদুল ইসলাম এবং ২০১৯ সালে জর্ডানে মো. সাইফুর রহমান ত্বাকী চ্যাম্পিয়ন হন। ২০২১ সালে ইরান এবং ২০২৩ সালে দুবাইয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম।

২০২৪ সালেও একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হাফেজরা সাফল্য অর্জন করেন। ওই বছর ইরানে বশির আহমদ, সৌদি আরবে আনাস বিন আতিক, তুরস্কে মুআজ মাহমুদ, কুয়েতে আনাস মাহফুজ এবং সেনেগালে অনুষ্ঠিত ১১তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় হাফেজ আবু রাইহান প্রথম হন। একই বছর সৌদি আরবে ১৫ পারা হিফজ বিভাগেও চ্যাম্পিয়ন হন মুআজ মাহমুদ।

২০২৫ সালে মিশরে প্রথম স্থান অর্জন করেন আনাস বিন আতিক। ২০২৬ সালে মালয়েশিয়ায় হাফেজ ইব্রাহিম শেখ এবং সৌদি আরবে ১৫ পারা হিফজ বিভাগে হাফেজ মোহাম্মদ নুরুদ্দিন জাকারিয়া চ্যাম্পিয়ন হন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের সংরক্ষিত তথ্যে ১৯৯৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের হাফেজদের ৩৭টি প্রথম স্থান অর্জনের তথ্য রয়েছে। এর বাইরে ১৯৮২ সালে কারি আবদুল হকের সাফল্যসহ বিভিন্ন বছরের আরও কয়েকটি বিজয়ের তথ্য পাওয়া গেছে হুফ্ফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক কিরাত সংস্থা বাংলাদেশের কাছ থেকে।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য সমন্বয় করে পাওয়া এ হিসাব বাংলাদেশের হিফজ শিক্ষার ধারাবাহিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ সাফল্য ধরে রাখতে তাজবিদ, ওয়াকফ-ইবতিদা, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%