০৯:৪০ পি.এম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী ৩৬ দিনের কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে খেলাফত মজলিস।
বুধবার (১ জুলাই) বাদ আসর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ ৭ দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ শাখার কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মো. আব্দুল জলিল, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হাজী নুর হোসেন, আলহাজ্ব আমির আলী হাওলাদার, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, মহানগরী দক্ষিণ সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হোসেন প্রমুখ।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
এছাড়া বাদ ফজর, ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার উদ্যোগে, উত্তরায় শহীদ জাবের ইব্রাহীম, বিকাল ৪টায় শহীদ মীর মুগ্ধের কবর জেয়ারত ও শহীদদের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমি, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাবুদ্দিন আহমদ খন্দকার, মহানগরী উত্তর সভাপতি মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, সাধারণ সম্পাদক প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জুন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের স্বাক্ষরিত এক সার্কুলারের মাধ্যমে শাখা সমূহে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া, আহতদের খোঁজখবর নেওয়া ও সম্ভাব্য সহযোগিতা প্রদান, ফ্যাসিবাদী সরকার ও তার দোসরদের বিচারের ত্বরান্বিত করা এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে মতবিনিময়, গণ-সংযোগ, গণ-জমায়েত ও মিছিল, দেয়ালিকা প্রকাশ ও আন্দোলনের ভিডিও প্রদর্শণী, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও রক্তদান কর্মসূচি ইত্যাদি।
# গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।
# পতিত ফ্যাসিবাদী সরকার ও দোসরদের গণহত্যা, গুম, খুন ও দুর্নীতির দ্রুত বিচার করতে হবে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
# অবিলম্বে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।
# জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের উন্নত চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
# জুলাই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।
# ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের নামে বাংলাদেশ সীমান্তে বিশৃঙ্খলা বন্ধ করতে হবে।
আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন
# ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও সংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখে দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন