প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজবাড়ীর পাংশায় ঝালমুড়ি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাত বছরের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে লুৎফর বিশ্বাস (৫৫) নামে একজন ব্যক্তি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে লুৎফর বিশ্বাসকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেখ মইনুল হোসেন এ তথ্যটি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী এবং তার ফুফু বাদী হয়ে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন, যার ভিত্তিতে লুৎফর বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। লুৎফর পেশায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থী স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত লুৎফর বিশ্বাস, পূর্বপরিচয়ের কারণে শিশুটিকে বিভিন্ন সময় ঝালমুড়ি খাওয়াতেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ৩০ জুন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে কোনো এক সময়ে ঝালমুড়ি দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে নিজের বাসায় নিয়ে যান। তিনি সেখানে ঘরের ভেতরে খাটের ওপর শিশুটিকে শুইয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুটিকে এই বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখানো হয় বলেও বলা হয়েছে।
পরে দুপুরে শিশুটি বাড়ি ফিরে আসার পর, তার মা যখন তাকে গোসল করাচ্ছিলেন, তখন শরীরের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে স্পর্শকাতর স্থানে একাধিক কামড়ের দাগ লক্ষ্য করেন। পরে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি অভিযুক্ত লুৎফর বিশ্বাসের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ করেন। এরপর শিশুটিকে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় পাংশা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার নম্বর-১, তাং- ০১-০৭-২০২৬ ইং।
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী শিশুর ডাক্তারি পরীক্ষা ও গ্রেপ্তারকৃত লুৎফর বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন