সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০১ পি.এম
ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম: সিনিয়র ম্যানেজার
বিভাগ: ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি অডিট, আইসিসি
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স, ইলেকট্রনিক্স, আইটি বা সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর অথবা স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।
অন্যান্য যোগ্যতা: প্রযুক্তিগত অডিট বা নিরীক্ষা সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা প্রার্থীদের জন্য অগ্রাধিকার পাবে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে কৃষকরা সার না পাওয়ার কারণে ডিলার পয়েন্ট ঘেরাও করেছেন। পরে কৃষি অফিসের ব্যবস্থাপনায় কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করা হয়, যা ডিলার শহিদুল ইসলামের অনুপস্থিতিতে ঘটে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার জামাল ইউনিয়নের দুধরাজপুর গ্রামের ডিলার পয়েন্টে এই ঘটনা ঘটে।
শহিদুল ইসলাম, যিনি জামাল ইউনিয়নের নির্ধারিত ডিলার, দাবি করেন যে তিনি কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করেছেন এবং বর্তমানে আর সার নেই।
কৃষকদের অভিযোগ, তারা রোববার সার পাওয়ার আশ্বাস পেয়েছিলেন। নির্ধারিত দিনে ডিলার পয়েন্টে আসার পর জানানো হয় যে শুক্রবার ও শনিবার সার বিতরণ হয়ে গেছে এবং আজ আর সার দেওয়া হবে না। এ সময় উপস্থিত কৃষকরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। পরে আরও কৃষক আসলে তারা ডিলার পক্ষের সহযোগিতায় গোডাউন খুলে ৬০ বস্তা সার দেখতে পান।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডিলার শহিদুল ইসলামের চলতি সেপ্টেম্বর মাসের ৬৪ টন সারের চাহিদা ছিল। তিনি প্রথম সপ্তাহে ৫৮ টন সার উত্তোলন করেছেন, যা প্রায় ১ হাজার ২০০ বস্তায় পরিণত হয়। উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা ডিলার পয়েন্টে থাকা সার বিতরণ রেজিস্ট্রারে দেখতে পান যে বিতরণকৃত নামের তালিকায় মাত্র ৫ শতাংশ ফোন নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে। ৯ জন কৃষককে ফোন করা হলে, এর মধ্যে একজন জানান তিনি সার পেয়েছেন, বাকি ৮ জনের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরাফাত জামিল বলেন, "আমরা যে সার আছে তা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করছি। উপজেলা কৃষি অফিসের ব্যবস্থাপনায় আরও সার আনা হচ্ছে যা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। এছাড়া আমরা সার বিতরণের রেজিস্টার পরীক্ষা করছি কোনো অনিয়ম হয়েছে কিনা।"
চলতি আমন ধানের ভরা মৌসুমে কৃষকরা চাহিদামতো সার না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন। ইউরিয়া সারের সঙ্গে টিএসপি ও ডিএপি সারের জন্য কৃষকদের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর সকালে জেলার শৈলকুপার গাড়াগঞ্জ বাজারে সার না পেয়ে কৃষকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। স্থানীয় কৃষকরা শুভ এন্টারপ্রাইজে সার নিতে গিয়ে ডিলারের অস্বীকৃতির কারণে গাড়াগঞ্জ-শৈলকূপা সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেন।
সম্প্রতি চাহিদামতো সার না পাওয়ার বিষয়টি সামনে আসলেও জেলা কৃষি বিভাগ ও বাফার গোডাউন কর্তৃপক্ষ বলছে, জেলায় সারের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। প্রতিমাসের চাহিদার বিপরীতে বরাদ্দ ডিলাররা উত্তোলন করছেন।
কিন্তু কৃষকদের অভিযোগ, ডিলার পয়েন্টে চাহিদামতো সার মিলছে না, তবে বেশি দাম দিলে খোলা বাজারে সারের অভাব নেই।
ঝিনাইদহে কালীগঞ্জে অবস্থিত বাফার গোডাউনের ইনচার্জ অহিদুর রহমান এবং ডিলার শহিদুল ইসলাম চলতি মাসের চাহিদার ৬৪ টনের মধ্যে ৫৮ টন উত্তোলন করেছেন। সারের মজুদ ও বিতরণ সম্পর্কে তারা জানান, ইউরিয়া সারের মজুদ, আমদানি ও বিতরণে কোনো ঘাটনি বা অনিয়ম নেই। কালীগঞ্জের এই সার গোডাউন থেকে ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় ১২৬ ডিলারের মাধ্যমে ইউরিয়া সার বিতরণ করা হয়। সেপ্টেম্বর মাসে চাহিদা রয়েছে ১০ হাজার ৩৭৩ মেট্রিক টন। গেল বছরের একই মাসে ইউরিয়া সারের চাহিদা ছিল ৯ হাজার ৫২১ মেট্রিক টন।
অভিযুক্ত ডিলার শহিদুল ইসলাম জানান, "আমি যে সার উত্তোলন করেছিলাম তা বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণকৃত সারের রেজিস্টার রয়েছে দেখতে পারেন। চাহিদার থেকে কম সার পাওয়া গেলে আমার কী করার আছে?"
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনি বলেন, "সংবাদ পেয়ে আমরা সেখানে দ্রুত কৃষি কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে উপস্থিত কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করা হয়েছে। আরও সার সেখানে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।"
ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, "সারের কোনো ঘাটতি নেই। কিছু মানুষ কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে জমি দখলের অভিযোগ নিয়ে হাজির হয়েছেন ৮১ বছর বয়সী আসগারালি ভোহরা, যিনি মোদির বাল্যবন্ধু এবং স্কুল সহপাঠী।
গত ৮ সেপ্টেম্বর, মুম্বাইয়ের ভাইয়ান্ডার ইস্টের জমি নিয়ে চলমান বিরোধের সমাধানে হস্তক্ষেপ এবং কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইকে দিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
আসগারালি ভোহরা জানান, ১৯৮৯ সালে কেনা জমিটি ২০১১ সালে দখল হয়ে যায়। তিনি বলেন, "বছরের পর বছর বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও পুলিশের কাছে ঘুরেও কোনো সুরাহা পাননি।"
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, গুজরাটের ভাদনগরের বিএন স্কুলে পড়ার সময় আসগারালি ভোহরা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহপাঠী ছিলেন। সাক্ষাতের সময় ভোহরা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের সমস্যার সমাধানের জন্য তিনি কয়েক বছর ধরে সরকারি দপ্তর ও পুলিশের কাছে ঘুরছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান।
ভোহরার দাবি, ভাইয়ান্ডার ইস্টের নাভঘরে প্রায় ২ হাজার ৮১০ বর্গমিটার জমি নিয়ে এই বিরোধ। তিনি জানান, ১৯৮৯ সালে নিবন্ধিত চুক্তির মাধ্যমে তিনি ওই সম্পত্তি কিনেছিলেন।
এই ৮১ বছর বয়সী ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, ২০১১ সালে ওই জমি দখল করে নেওয়া হয়। তিনি স্বয়ম বিল্ডার্স ও সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনসের নাম উল্লেখ করেছেন। ভোহরার অভিযোগ, জমিসংক্রান্ত নথিপত্র জাল করা হয়েছে এবং সম্পত্তির মূল মালিককেও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে জানানো হয়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরে জমিটি দুটি ভাগে ভাগ করা হয় এবং দুই নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের নামে এর দখল দেখানো হয়। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই শুনানিতে স্বয়ম বিল্ডার্স ও সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনসের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
এই বিরোধে বিজেপির বিধায়ক নরেন্দ্র মেহতার নামও জড়িয়েছে। ভোহরা দাবি করেছেন, নরেন্দ্র মেহতার সঙ্গে সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনসের সম্পর্ক রয়েছে।
এনডিটিভি জানায়, জমি বিরোধের ঘটনায় ২০১৫ সালে পুলিশি মামলা করা হয়েছিল। ভোহরা জানান, মামলা করার পরও তিনি কোনো সমাধান পাননি এবং বিষয়টির সমাধানের আশায় রাজস্ব দপ্তর, পৌর প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
দীর্ঘদিনের এই বিরোধের অবসানে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তার সাক্ষাৎ কাজে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ভোহরা। তবে দুই সাবেক সহপাঠীর এই অপ্রত্যাশিত সাক্ষাৎ মীরা-ভাইয়ান্ডার এলাকার দীর্ঘদিনের জমি বিরোধটিকে আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদনের সাথে সাথে কীটনাশকের ব্যবহারের পরিমাণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৭২ সালে যেখানে মাত্র ৪ হাজার মেট্রিক টন কীটনাশক ব্যবহার করা হয়েছিল, ২০২২ সালে তা প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। এই বিপুল পরিমাণ কীটনাশক ব্যবহারের ফলে বাজারে হাজার হাজার প্লাস্টিক বোতল ও প্যাকেট ছড়িয়ে পড়ছে। এই বোতলগুলো সাধারণত বিষাক্ত এবং পুনঃব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায়, পরিবেশে মারাত্মক দূষণ সৃষ্টি করছে।
এই সমস্যার সমাধানের জন্য ইন্ডোফিল বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড একটি ব্যতিক্রমী কার্যক্রম শুরু করেছে, যার নাম ‘ইকো এগ্রো ডিপোজিট স্কিম’। এই স্কিমের আওতায় কৃষকরা ব্যবহৃত কীটনাশকের খালি বোতল ও প্যাকেট ফেরত দিলে নির্ধারিত অর্থ বা প্রণোদনা পাবেন। কোম্পানির প্রতিনিধিরা রিটেইলার ও ডিলার পয়েন্ট থেকে এসব বোতল সংগ্রহ করে পরিবেশবান্ধবভাবে ধ্বংসের জন্য Geocycle-এর কাছে হস্তান্তর করবেন। এর ফলে কৃষিজমি, রাস্তার পাশ, খাল-বিল কিংবা উন্মুক্ত স্থানে প্লাস্টিক বর্জ্য কমে আসবে।
কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রেজাউল করিমের উদ্যোগে এই কার্যক্রমে যুক্ত প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা হলেন ইন্ডোফিল বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড মোঃ শহিদুল আলম, ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ রেজাউল ইসলাম, ম্যানুফেকচারিং এন্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজার মোঃ হাফিজুর রহমান এবং সেলস এক্সিকিউটিভ কৃষিবিদ মোঃ গোলাম সরোয়ার। তাদের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর কাজ চলছে।
উদ্যোক্তাদের মতে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের মধ্যে যদি খালি বোতল-প্যাকেট ফেরত দেওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে, তবে কৃষি বর্জ্যজনিত দূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। কৃষকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জানিয়েছেন, এটি তাদের আর্থিকভাবে উৎসাহিত করবে এবং পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সাহায্য করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার পুকুরে ডুবে দুই স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটেছে।
এটি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে পৌর শহরের বাটকেখালী এলাকায় ঘটে।
নিহত দুই শিশুর নাম হলো- বাটকেখালী এলাকার মীর সাদ্দাম হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ লাবিব হোসেন (১০) এবং হাবিবুর রহমানের মেয়ে উম্মে হাবিবা (১০)। উভয়ই সাতক্ষীরা মিশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় ও পরিবারের সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে স্কুলে যাওয়ার আগে তারা বাটকেখালী এলাকার একটি পুকুরে গোসল করতে নামে। অনেক সময় পার হয়ে গেলেও তারা ঘরে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরপাড়ে শিশুদের জুতা দেখে পরিবারের লোকজনের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়।
পরে আশপাশের লোকজন দ্রুত পুকুরে নেমে তল্লাশি চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান জানান, পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশ জানার পরে ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ