ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বর্জ্যমুক্ত করা হচ্ছে নগরীর প্রতিটি ড্রেন, জানালেন কেসিসি প্রশাসক


বর্জ্যমুক্ত করা হচ্ছে নগরীর প্রতিটি ড্রেন, জানালেন কেসিসি প্রশাসক

 খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, সরকার দেশজুড়ে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার ঘোষণা করেছে।

একইসঙ্গে বৃক্ষরোপণের সেই অভিযানের অংশ হিসেবে নগরীর প্রত্যেকটি ড্রেনকে বর্জ্য মুক্ত করা হচ্ছে। এডিস মশার বংশ বিস্তারের স্থানসমূহও ধ্বংস করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমের শেষ পর্যন্ত এ অভিযান চলবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর নতুন বাজার আবু হানিফ মাদরাসা প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর মাহবুব কায়সারের উদ্যোগে ২২নং ওয়ার্ড এলাকায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কেসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশা সাধারণত সকালবেলা আক্রমণ করে থাকে। এ কারণে শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো মশকমুক্ত করার চেষ্টা করছি।

বিশেষ এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান একদিকে যেমন ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করবে অন্যদিকে ড্রেনসমূহের পানি প্রবাহ বাড়বে। ফলে জলাবদ্ধতা থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।

প্রশাসক মাদরাসা প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং এলাকাবাসীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, ২২নং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান হাবিবুর রহমান, সমাজসেবক ইউসুফ হারুন মজনু, তরিকুল্লাহ খান, জাহিদ কামাল টিটু, জিয়াউর রহমান জিয়া, সিরাজুল ইসলাম লিটন, খান মঈনুল হাসান মিঠুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পরে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরীর ২৯নং ওয়ার্ডের লোয়ার যশোর রোড ও হাজী মহসিন রোড সংলগ্ন ড্রেনের পেড়িমাটি উত্তোলন, বর্জ্য ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভিক্টোরিয়া ইনফ্যান্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সানফাওয়ার স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ, মশক নিধন ও পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে প্রশাসক স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান এবং যে কোনো প্রয়োজনে কেসিসি’র সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন। 

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এজলাসে তোলার সময় পুলিশকে তিরস্কার করলেন হাসানুল হক ইনু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


এজলাসে তোলার সময় পুলিশকে তিরস্কার করলেন হাসানুল হক ইনু

এজলাসে তোলার সময় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু দায়িত্বরত পুলিশকে শাসিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টা ৪২ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর এজলাসে তোলার সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে হাজতখানা থেকে নেওয়া হয়। এদিন হাসিমুখের সঙ্গে কাঠগড়ায় উঠতে দেখা যায় ইনুকে।

ওই ঘটনার সময় ধারণকৃত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আদালতে তোলার সময়ে ইনু একটি পুলিশ সদস্যকে আঙুল উঁচিয়ে শাসাচ্ছেন। যখন ওই পুলিশ সদস্য ইনুর হাত ধরতে যান, তখন ইনু উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘হাত ধরবেন না, ভদ্রতা শিখুন’।

এদিকে, এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করেছেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

রায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের একমাত্র আসামি হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল, এর মধ্যে ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নাম্বার অভিযোগে আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছয় মাসেই ৮৪ বার দাম সমন্বয়, কোন পথে স্বর্ণের বাজার?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


ছয় মাসেই ৮৪ বার দাম সমন্বয়, কোন পথে স্বর্ণের বাজার?

চলতি বছরের শুরু থেকেই অস্থিরতা চোখে পড়ছে স্বর্ণের বাজারে। যার ফলস্বরূপ চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছে ৮৪ বার।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে দেশের বাজারে ৪১ বার বেড়েছে স্বর্ণের দাম, ৪২ দফা দাম কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছিল মাত্র ৪০ বার।

চলতি বছর শুরু হয়েছিল স্বর্ণের দাম পতনের মাধ্যমে। ১ জানুয়ারি ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। সেই মাসের মধ্যে মোট ১৯ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, এর মধ্যে দাম বেড়েছিল ১৪ বার; এবং কমেছিল মাত্র ৫ বার।

এর মধ্যে ৪ ও ৫ জানুয়ারি টানা ২ দফা বাড়ানো হয় স্বর্ণের দাম। এরপর ৮ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম কমিয়ে মূল্যবান এই ধাতুর মূল্য নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা। তবে এরপরেই স্বর্ণের বাজারে টানা দাম বৃদ্ধির দৃশ্য দেখা যায়। ১০, ১২, ১৪, ১৯, ২০ ও ২১ জানুয়ারি টানা ৬ দফা বাড়ানো হয়। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম গিয়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকায়। এর মধ্যে ১২, ১৪, ১৯, ২০ ও ২১ তারিখে দাম বেড়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।

গত ২২ জানুয়ারি ভরিতে ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকা। তার পর ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে গত ২৩ জানুয়ারি ৬ হাজার ২৯৯ টাকা বাড়িয়ে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এরপর ২৫, ২৬, ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি মূল্যবান এই ধাতুর দাম টানা বাড়ানো হয়। প্রতিবারেই নতুন রেকর্ড তৈরি হয়। গত ২৯ জানুয়ারি রেকর্ড ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকায় পৌঁছায়।

আবার এরপর ঘটে ছন্দপতন। গত ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি টানা ২ দফায় মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাজুস। এই দুই দিনে যথাক্রমে দাম কমানো হয় ভরিতে ১৪ হাজার ৬৩৮ টাকা ও ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা। ফলে দুই দিনে মোট ৩০ হাজার ৩৮৪ টাকা কমে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নিযুক্ত হয় ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকায়।

তবে ৩১ জানুয়ারি সকালে দাম কমানোর ১২ ঘণ্টার মধ্যে আবারও মূল্যবান এই ধাতুর দাম বাড়ানো হয়। ভরিতে ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা।

ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে চলেছিল স্বর্ণের উত্থান-পতন। এই মাসে দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ১৫ বার। যেখানে বেড়েছে ৮ বার, আর কমেছে ৭ বার। মার্চ মাসে দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ১৬ বার। যেখানে বেড়েছে ৭ বার, আর কমেছে ৯ বার।

গত এপ্রিল মাসে মূল্যবান এই ধাতুর দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ১০ বার। যেখানে বেড়েছে ৪ বার; আর কমেছে ৬ বার। এরপর মে মাসে দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ৯ বার; যেখানে বেড়েছে ৪ বার এবং কমেছে ৫ বার।

চলতি জুন মাসে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ১৫ বার; যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪ বার, কমেছে ১০ দফা এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।

শেষে ৩০ জুন সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমানো হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাট নিয়ে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কেন এই অস্থিরতা?

বাজুস জানাচ্ছে, বিশ্ব বাজারে দাম ওঠা-নামা হলে এর প্রভাব পড়ে দেশের বাজারেও। এই কারণে দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দেয়।

সম্প্রতি বাজুস সভাপতি এনামুল হক খান উল্লেখ করেছেন, স্বর্ণের বাজারে অস্থিতিশীলতার জন্য বাজুস বা বাংলাদেশের কোনো ব্যক্তি দায়ী নয়। মূলত বিদেশে স্টক করা বা কাগজে কলমে লেনদেনের কারণে এই ওঠা-নামা ঘটছে। বাজুস কেবল দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করে।

তিনি আরও বলেন, দাম সমন্বয়ের উদ্দেশ্য হচ্ছে পাচার রোধ করা এবং ব্যবসায়ীদের ক্ষতি না হওয়া নিশ্চিত করা। যদি দাম সমন্বয় না করা হয়, তাহলে দেশে দাম কম থাকলে স্বর্ণ পাচার হয়ে যাবে। তাই বিশ্ববাজারে ওঠানামার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারের দামও সমন্বয় করা হয়।

বাজুস সভাপতি জানিয়েছেন, বর্তমানে মানুষ স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে গ্রহণ করছে। তবে বিশ্বের বাজারে বিক্রিত স্বর্ণের অনেকাংশই কাগজে কলমের মাধ্যমে (পেপার ট্রেডিং) মজুদ করা হয়। বাস্তবে কতটা ফিজিক্যাল স্বর্ণ আছে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ চোখের ছানি: জিয়াউদ্দিন হায়দার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


দেশে অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ চোখের ছানি: জিয়াউদ্দিন হায়দার

 প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, চোখের ছানি রোগ এখনও বাংলাদেশে অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। তবে সময়মতো রোগ নির্ণয় এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অধিকাংশ রোগীই সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেতে পারেন।

আজ মঙ্গলবার বিশ্বব্যাপী পালিত ‘ছানি সচেতনতা মাস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে আয়োজিত সচেতনতামূলক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্যাটারাক্ট অ্যান্ড রিফ্র্যাকটিভ সার্জনস (বিএসসিআরএস) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ডা. জিয়াউদ্দিন বলেন, চোখের ছানি রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত চক্ষুসেবা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বে অন্ধত্বের প্রায় ৫১ শতাংশের কারণ ছানি হলেও, বাংলাদেশে এ হার প্রায় ৮০ শতাংশ। দীর্ঘদিন ধরে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা চিকিৎসানির্ভর থাকায় রোগের প্রাথমিক শনাক্তকরণে ঘাটতি রয়েছে। সরকার এখন চিকিৎসাকেন্দ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা থেকে প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে।

জিয়াউদ্দিন হায়দার  বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও রোগ শনাক্তকরণের ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যাতে চোখের রোগসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগ প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করা যায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. শওকত কবির। স্বাগত বক্তব্য দেন ছানি সচেতনতা মাস উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম. নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সার্বিক সমন্বয় করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. এ. এস. এম. মইন উদ্দিন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ডা. মইন উদ্দিন জানান, দেশে বর্তমানে ছানি অস্ত্রোপচারের ব্যাকলগ প্রায় ১০ লাখ। প্রতি ৮৩৩ জন অপেক্ষমাণ রোগীর বিপরীতে রয়েছেন মাত্র একজন যোগ্য সার্জন। দেশে চক্ষু বিশেষজ্ঞ রয়েছেন প্রায় ২ হাজার ২০০ জন, যা আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যার তুলনায় প্রায় চার গুণ কম।

তিনি আরও জানান, দেশে আনুমানিক ৪০ হাজার অন্ধ শিশুর মধ্যে প্রায় ১২ হাজার শিশু চিকিৎসাযোগ্য হলেও এখনো শৈশবকালীন ছানির অস্ত্রোপচার পায়নি। একজন সার্জনের ওপর যদি ১ হাজারের কাছাকাছি রোগীর দায়িত্ব পড়ে, তাহলে জমে থাকা রোগীর চাপ কমানো সম্ভব নয়। প্রতিরোধযোগ্য এই অন্ধত্ব নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ প্রয়োজন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমানে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর ছানি অস্ত্রোপচার অত্যন্ত নিরাপদ, কার্যকর এবং দ্রুত আরোগ্য নিশ্চিত করছে। তাই দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে গেলে ভয়, কুসংস্কার বা অবহেলা না করে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৪০ বছর বয়সের পর নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দেখা বা ছানির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে। তাদের ভাষায়, ‘দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে গেলে অবহেলা নয়—চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। সময়মতো ছানি অপারেশনই অন্ধত্ব প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি করা হলো সংসদের অধিবেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি করা হলো সংসদের অধিবেশন

জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এ মুলতবির কথা ঘোষণা করেন।

এর আগে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। যা বুধবার (১ জুলাই) থেকে নতুন বাজেট কার্যকর হবে। নতুন বাজেটে কর, ভ্যাট ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%