শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫১ পি.এম
নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সোমেশ্বরী ব্রিজের নিচ দিয়ে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘ সময় ধরে পানি, কাদা ও মাটির কারণে বেহাল অবস্থায় ছিল। এর ফলে প্রতিদিন পথচারী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের জন্য চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছিল। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসার পর শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে দেন।
সোমেশ্বরী ব্রিজের নিচ দিয়ে যাওয়া এই সড়কটি দুর্গাপুরের সঙ্গে বিরিশিরি ও বাকলজোড়া ইউনিয়নের মানুষের এবং ডেউটুন ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের যোগাযোগের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ পথ। এই সড়কটি ব্যবহার করে দুই ইউনিয়নসহ উপজেলার অসংখ্য মানুষ সরাসরি নেত্রকোনা জেলা শহরে যাতায়াত করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজের নিচে সড়কের ওঠা-নামার সংযোগস্থলে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকার কারণে সেখানে কাদা ও মাটির স্তর তৈরি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। এর ফলে পথচারী এবং স্থানীয় শিক্ষার্থীদের কাদাপানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়। মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহনগুলোও ঝুঁকি নিয়ে ওই অংশ পার হতে বাধ্য হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
তবে সড়কটির ওই অংশে স্থায়ীভাবে সরাসরি সংযোগ তৈরির ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে। সংযোগস্থলের পাশেই একটি বড় খেলার মাঠ অবস্থিত। ওই মাঠটি পিসিনল স্কুল কর্তৃপক্ষের হওয়ায় ইচ্ছামতো সড়ক সম্প্রসারণ বা সরাসরি সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় ছিল।
এদিকে জনসাধারণের দুর্ভোগের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাৎক্ষণিকভাবে মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
ডেপুটি স্পিকার মহোদয়ের নির্দেশনায় আলহাজ জামাল উদ্দিন মাস্টারের নেতৃত্বে সড়কটির বেহাল অংশে সুরকি ও মাটি ফেলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে আপাতত সড়কটি চলাচলের উপযোগী হওয়ায় স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে এসেছে।
ডেপুটি স্পিকার সড়কটির শুধু সাময়িক সংস্কারেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ রাখতে চান না। তিনি পিসিনল স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে কিভাবে খেলার মাঠের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কার্যকর সংযোগ তৈরি করা যায়, সেই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।
স্থানীয়রা মনে করছেন, স্থায়ীভাবে সড়কটির সংযোগ তৈরি করা সম্ভব হলে দুর্গাপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাশাপাশি বিরিশিরি ও বাকলজোড়া ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের স্বস্তি আসবে। একই সঙ্গে নেত্রকোনা জেলা শহরের সঙ্গে সরাসরি যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে দেওয়ার জন্য স্থানীয়রা ডেপুটি স্পিকার মহোদয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ‘সর্বহারা পার্টির’ সদস্য পরিচয় দিয়ে কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের ৬ শিক্ষককে ফোন করে চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে যে, পৃথক মোবাইল ফোন নম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে এসব ফোন করা হয়েছে। ফলে শিক্ষক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
নিরাপত্তা চেয়ে পাঁচ শিক্ষকের পক্ষে বোয়ালমারী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের শিক্ষক পরেশ কুমার পাল।
জিডির অভিযোগে পরেশ কুমার পাল উল্লেখ করেন, গত ৩ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা ৫৭ মিনিটে কলেজে অবস্থানকালে তার মোবাইল ফোনে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনদাতা নিজেকে ‘গৌতম বিশ্বাস’ পরিচয় দিয়ে দাবি করেন, তিনি ‘সর্বহারা পার্টির’ বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি ‘সিরাজ সিকদারের ছোট ভাই মহিউদ্দিন সিকদারের সঙ্গে কথা বলেন’ বলেও দাবি করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ফোনদাতা প্রথমে এক লাখ টাকা এবং সর্বনিম্ন ২৫ হাজার ৫০০ টাকা ‘টোকেন মানি’ হিসেবে দাবি করেন। চাঁদার অর্থ দ্রুত পাঠানোর জন্য চাপ দিয়ে বলা হয়, ‘চা-পানের দোকানিরাও টোকেন মানি দিয়ে সহায়তা করে। আমাদের সহকর্মীদের জেল থেকে মুক্ত করতে টাকা প্রয়োজন।’ টাকা না দিলে পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে বলেও ভয় দেখানো হয়।
পরেশ কুমার পাল জানান, সম্প্রতি রংপুরে পরিবারসহ এক শিক্ষক হত্যার ঘটনা উল্লেখ করে তাকেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের ফোন ও হুমকি পেয়েছেন কলেজের শিক্ষক নিলয় কুমার সাহা, সজল কান্তি বিশ্বাস, প্রদীপ কুমার সাহা ও দেবাশীষ রায়। তাদের কাছ থেকেও চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
দেবাশীষ রায় বলেন, তাকে ফোন করে টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা জানালে ফোনদাতা তার ছেলের পায়ে গুলি লাগলে যেভাবে টাকা সংগ্রহ করে চিকিৎসা করবেন সেভাবে পরিচিত জনদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে পাঠাতে বলেন। একই সঙ্গে ‘চরমপন্থা নিতে বাধ্য করবেন না’ বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে তিনি জানান।
নিলয় কুমার সাহার ভাষ্য, ফোনদাতারা তাদের ‘সহকর্মীদের’ কারাগার থেকে জামিনে ছাড়াতে অর্থের প্রয়োজনের কথা বলে টাকা দাবি করেন। তাকেও পরিবারসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে কলেজটির অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রবীন লস্করও একই ধরনের ফোন পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দিন আগে তাকে ফোন করে চাঁদা দাবি ও হুমকি দেওয়া হয়। আতঙ্কে তিনি ফোনদাতাদের দেওয়া একটি বিকাশ নম্বরে পাঁচ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন।
একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষককে বেছে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে চাঁদা দাবি ও হুমকির ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হুমকিদাতাদের কথিত সংগঠনের পরিচয় সত্য কিনা, এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কিনা এবং কেন একই প্রতিষ্ঠানের সংখ্যালঘু একাধিক শিক্ষককে লক্ষ্য করা হয়েছে- এসব বিষয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
অভিযোগকারী শিক্ষক পরেশ কুমার পাল বলেন, ‘হুমকির কারণে আমরা ও আমাদের পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেকোনো সময় হামলা বা প্রাণনাশের ঘটনা ঘটতে পারে- এমন আশঙ্কা করছি।’
কলেজটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হোসনেয়ারা বেগমকে একাধিকবার ফোন করেও কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তাদের ধারণা, চরমপন্থি সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কোনো প্রতারক চক্র এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তদন্তের মাধ্যমে হুমকিদাতাদের পরিচয় ও ঘটনার প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় শিক্ষকরা দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাদের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, ২৪টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার অবৈধভাবে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ও দখলে রয়েছে। এ কারণে, হাইকোর্ট ওই শেয়ারগুলো ৩ মাসের জন্য অবরুদ্ধ করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছে আদালত। এটি ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ১৪ক ও ১৪খ ধারা লঙ্ঘনের সাথে সম্পর্কিত।
গত ৩০ আগস্ট, বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মো. লুৎফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট পিটিশনের শুনানি শেষে এ রুল ও আদেশ জারি করেন।
রুলে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৪ক(৩) ধারা অনুযায়ী কেন উদ্বৃত্ত শেয়ার বাজেয়াপ্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
'ইসলামিক ইকনোমিক রিসার্চ ব্যুরো' (আইইআরবি), ইসলামী ব্যাংকের অন্যতম উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার, এ রিট দায়ের করেছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আবেদনকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, কোনো একক পরিবার বা গ্রুপ কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার রাখতে পারে না।
রিট পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে, এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠান প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের মোট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
আইনে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত শেয়ার বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করার স্পষ্ট বিধান রয়েছে, রিটকারী জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তী আদেশের অংশ হিসেবে হাইকোর্ট ওই ২৪ প্রতিষ্ঠানের নামে ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ৩ মাসের জন্য ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের খাল ও জলপথকে শুধুমাত্র পানি নিষ্কাশনের কাজে ব্যবহার করা হবে না, বরং পণ্য পরিবহণের পথ হিসেবেও ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে সরকার। তিনি উল্লেখ করেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জলপথের সম্ভাবনাকেও কাজে লাগানো হবে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু’তে চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মধ্যে তিন বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, একটি সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং প্রান্তিক সংযোগ নিশ্চিত করা সরকারের বৃহত্তর অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে পুরোপুরি সঙ্গতিপূর্ণ। তিনি বলেন, সরকার একা সবসময় প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে না। এনজিওগুলোর রয়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে ব্যাপক সংযোগ, আর বেসরকারি খাতের রয়েছে অভিজ্ঞতা, অর্থায়ন ও বিনিয়োগের সক্ষমতা। এসব উদ্যোগে সরকার সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
আমির খসরু বলেন, বর্ষা এলেই চট্টগ্রাম নগরীতে পানি নিষ্কাশন ও জলাবদ্ধতার সমস্যা দেখা দেয়। তাই বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তিনি জানান, এ উদ্যোগকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি অর্থের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জনগণের পক্ষে ইসরাফিল খসরু নগরীর ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের পানি সরবরাহের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন। চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়ামিন ফারুক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন।
নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের পানি ও জলবায়ুবিষয়ক প্রথম সচিব ইজে ক্রুজেন সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী ছিলেন। উল্লেখ্য, নেদারল্যান্ডস দূতাবাস এই উদ্যোগে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী-নাটোর রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে বাস মালিকদের মধ্যে সংঘাতের কারণে। অন্যদিকে, নাটোরের উপর দিয়ে রাজশাহী রুটে অন্যান্য জেলার সব বাস চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে এই অচলাবস্থা শুরু হয়। বিকালের সময়েও সমস্যার সমাধান হয়নি।
নাটোর পরিবহণ শ্রমিকরা জানান, রাজশাহীর মালিক রাব্বি পরিবহণের একটি বাস চলাচল নিয়ে গতরাতে রাজশাহী বাসস্ট্যান্ডে আরপি রোকেয়া ও তুহিন পরিবহণের শ্রমিকদের সঙ্গে রাজশাহীর শ্রমিকদের মারপিটের ঘটনা ঘটে।
নাটোর পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বলেন, এ ঘটনার পর রাজশাহী মালিকের একটি বাস নাটোরে আটকে রাখা হয়েছিল, তবে পরে সেটি ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি উল্লেখ করেন, "কোনো শ্রমিককে মারপিট করা হয়নি।" শুধু নাটোর ও রাজশাহী মালিকের বাস এ রুটে চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। অন্য সব জেলার বাসের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এই ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত চলাচল বন্ধ থাকবে।
নাটোর বাস মালিক সমিতির সভাপতি লক্ষণ পোদ্দার জানান, রাব্বি পরিবহণের একটি বাস নিয়ম লঙ্ঘন করে রাজশাহী থেকে নাটোর হয়ে আলমডাঙ্গা রুটে চলাচল করতে চেয়েছিল। নাটোর মালিক সমিতির সম্মতি না পাওয়ায় তারা গতরাতে যাত্রীসহ নাটোরের তুহিন পরিবহণ, আরপি নাইচ পরিবহণসহ ৯টি বাস আটকে রেখে শ্রমিকদের মারপিট করেন। এরপর থেকে রাজশাহী মালিকের কোনো বাস নাটোরের উপর দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। নাটোরের মালিকের বাসও রাজশাহীতে যাচ্ছে না। তবে ঢাকাগামী সব বাসের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
রাজশাহী পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক ও রাব্বি পরিবহণের মালিক রজব আলী বলেন, জনদুর্ভোগ এড়াতে রাজশাহী থেকে আলমডাঙ্গা রুটে রাব্বি পরিবহণ চলাচলের জন্য নাটোর মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা অসৌজন্যমূলক আচরণ করে। পরে রাতে নাটোরে রাব্বি পরিবহণের একটি বাস আটক করে শ্রমিককে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এ খবর জানার পর নাটোরের বাস আটকে রাখা হয়। তবে তাদের শ্রমিককে মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ