শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫২ পি.এম
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের খাল ও জলপথকে শুধুমাত্র পানি নিষ্কাশনের কাজে ব্যবহার করা হবে না, বরং পণ্য পরিবহণের পথ হিসেবেও ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে সরকার। তিনি উল্লেখ করেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জলপথের সম্ভাবনাকেও কাজে লাগানো হবে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু’তে চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মধ্যে তিন বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, একটি সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং প্রান্তিক সংযোগ নিশ্চিত করা সরকারের বৃহত্তর অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে পুরোপুরি সঙ্গতিপূর্ণ। তিনি বলেন, সরকার একা সবসময় প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে না। এনজিওগুলোর রয়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে ব্যাপক সংযোগ, আর বেসরকারি খাতের রয়েছে অভিজ্ঞতা, অর্থায়ন ও বিনিয়োগের সক্ষমতা। এসব উদ্যোগে সরকার সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
আমির খসরু বলেন, বর্ষা এলেই চট্টগ্রাম নগরীতে পানি নিষ্কাশন ও জলাবদ্ধতার সমস্যা দেখা দেয়। তাই বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তিনি জানান, এ উদ্যোগকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি অর্থের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জনগণের পক্ষে ইসরাফিল খসরু নগরীর ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের পানি সরবরাহের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন। চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়ামিন ফারুক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন।
নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের পানি ও জলবায়ুবিষয়ক প্রথম সচিব ইজে ক্রুজেন সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী ছিলেন। উল্লেখ্য, নেদারল্যান্ডস দূতাবাস এই উদ্যোগে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী-নাটোর রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে বাস মালিকদের মধ্যে সংঘাতের কারণে। অন্যদিকে, নাটোরের উপর দিয়ে রাজশাহী রুটে অন্যান্য জেলার সব বাস চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে এই অচলাবস্থা শুরু হয়। বিকালের সময়েও সমস্যার সমাধান হয়নি।
নাটোর পরিবহণ শ্রমিকরা জানান, রাজশাহীর মালিক রাব্বি পরিবহণের একটি বাস চলাচল নিয়ে গতরাতে রাজশাহী বাসস্ট্যান্ডে আরপি রোকেয়া ও তুহিন পরিবহণের শ্রমিকদের সঙ্গে রাজশাহীর শ্রমিকদের মারপিটের ঘটনা ঘটে।
নাটোর পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বলেন, এ ঘটনার পর রাজশাহী মালিকের একটি বাস নাটোরে আটকে রাখা হয়েছিল, তবে পরে সেটি ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি উল্লেখ করেন, "কোনো শ্রমিককে মারপিট করা হয়নি।" শুধু নাটোর ও রাজশাহী মালিকের বাস এ রুটে চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। অন্য সব জেলার বাসের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এই ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত চলাচল বন্ধ থাকবে।
নাটোর বাস মালিক সমিতির সভাপতি লক্ষণ পোদ্দার জানান, রাব্বি পরিবহণের একটি বাস নিয়ম লঙ্ঘন করে রাজশাহী থেকে নাটোর হয়ে আলমডাঙ্গা রুটে চলাচল করতে চেয়েছিল। নাটোর মালিক সমিতির সম্মতি না পাওয়ায় তারা গতরাতে যাত্রীসহ নাটোরের তুহিন পরিবহণ, আরপি নাইচ পরিবহণসহ ৯টি বাস আটকে রেখে শ্রমিকদের মারপিট করেন। এরপর থেকে রাজশাহী মালিকের কোনো বাস নাটোরের উপর দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। নাটোরের মালিকের বাসও রাজশাহীতে যাচ্ছে না। তবে ঢাকাগামী সব বাসের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
রাজশাহী পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক ও রাব্বি পরিবহণের মালিক রজব আলী বলেন, জনদুর্ভোগ এড়াতে রাজশাহী থেকে আলমডাঙ্গা রুটে রাব্বি পরিবহণ চলাচলের জন্য নাটোর মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা অসৌজন্যমূলক আচরণ করে। পরে রাতে নাটোরে রাব্বি পরিবহণের একটি বাস আটক করে শ্রমিককে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এ খবর জানার পর নাটোরের বাস আটকে রাখা হয়। তবে তাদের শ্রমিককে মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, অতীতে ফ্যাসিবাদী শক্তি সনাতন ধর্মের ভাইবোনদের ‘ভোট ব্যাংক’ মনে করত। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই ভ্রান্ত ধারণা ও মিথ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভেঙে দিয়েছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পলাশী মোড় থেকে শুরু হওয়া জন্মাষ্টমী উপলক্ষে র্যালিতে অংশগ্রহণ করে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধর্মের ধর্মচর্চা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের উপর অর্পিত হয়েছে এবং রাষ্ট্র এই দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না; এ কথাও সংবিধানে বলা হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য সব ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয় এবং উপাসনালয়ের কর্তাদের স্বাধীনতা ও উপাসনালয় স্থাপনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘আমরা শুধু সেটা কিতাবে, সংবিধানে ধারণ করেই বসে থাকতে চাই না। বাস্তবে আমরা এই সম্প্রীতি, এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করব এবং আমরা সেই ঘোষণা দিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় পরিচয় থাকতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় পরিচয়টা এখানে কোনো মুখ্য নয়। আমরা নাগরিকের পরিচয়ে এখানে থাকতে চাই। বাংলাদেশের সব নাগরিক মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, নৃগোষ্ঠী যারাই হোক- তারা ধর্মীয়ভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে নিজ নিজ ধর্মাচার ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করবেন। কিন্তু জাতীয়তা হিসেবে আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে থাকব।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সম্প্রীতি থাকবে। এই একটাই হবে আমাদের পরিচয়। এজন্যই আমরা বলি, আমাদের নেতা বলেছেন—সবার আগে বাংলাদেশ। যদি সবার আগে বাংলাদেশ হয়, তাহলে আমরা সবার আগে বাংলাদেশি, তারপরে আমাদের ধর্মীয় পরিচয়, সাংস্কৃতিক পরিচয়, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়। সবার আগে বাংলাদেশি এবং সবার জন্য বাংলাদেশ।’
তিনি যোগ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে কেউই যেন নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচয় না দেন। সবাই নাগরিকত্বের ভিত্তিতে পরিচয় দেবেন। ধর্মের ভিত্তিতে নয়, এই দেশের সমান অধিকারভুক্ত একজন নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে আমরা আজকে থেকে কী বলব? ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখব। সামাজিক সম্প্রীতি এবং শান্তি বজায় রাখব। কেউ আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শব্দের উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। এটা হবে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, অন্যায়কে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর শক্তি অর্জন করতে হবে। ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সৌহার্দ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জ শহরের শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আফরোজা খানম বলেন, এই জন্মাষ্টমীর দিনে সবার কাজ হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর শক্তি অর্জন করা। আমরা কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেব না। আমরা সবাই একে অপরের পাশে থাকব। এতে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হবে।
তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে থেকে সবাই একসঙ্গে থাকব, এই প্রতিজ্ঞা আজ আমাদের করতে হবে। অশুভ শক্তিকে দূরে সরিয়ে সৌন্দর্য, সৌহার্দ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ তৈরি করব। এটাই আমাদের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মূল প্রতিজ্ঞা।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা সবাই জানেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রত্যেকটা মানুষকে একইভাবে দেখেন। এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কোনো বিবেচনা করা হয় না। একটাই পরিচয় আমাদের, আমরা বাংলাদেশি। এটা আমাদের বড় পরিচয় এবং এই পরিচয় নিয়েই আমরা থাকব সবাই।
তিনি বলেন, আমাদের সম্প্রীতি, সৌহার্দপূর্ণ ও বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশের মানচিত্র, এটা আমাদের সবাইকে ধরে রাখতে হবে। এতে আমাদের শক্তি অর্জন হচ্ছে। এটা যেন আমরা সারাজীবন ধরে রাখতে পারি।
নিজ জেলা মানিকগঞ্জের প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা একে অপরের বন্ধু হয়ে, একে অপরের ভাই হয়ে, একে অপরের বিপদে সব সময় থাকব। মানিকগঞ্জ জেলা বারবার প্রমাণ করে দেবে, মানিকগঞ্জ একমাত্র জেলা যেখানে কোনো বিভেদ নেই। ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে মানিকগঞ্জ জেলা। এখানে একটাই পরিচয়, আমরা মানিকগঞ্জবাসী। আমরা সবাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সমর্থক। এটাই আমাদের বড় পরিচয়।
এ সময় অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী কালীবাড়ি পূজা উদযাপন কমিটিকে এক লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রণব কুমার সিকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সুনীল কুমার, কালীপদ ঘোষ, অনিল কুমার ও রঞ্জিত কুমার দে। অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মন্ত্রী বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে মানিকগঞ্জের বেউথা মসজিদ প্রাঙ্গণ এবং বেউথা-আন্ধারমানিক সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এ সময় তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে বেশি করে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে যুক্তরাজ্য বর্তমানে একটি চরম বিপদের সম্মুখীন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে দেশটি একপ্রকার ‘বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে’ অবস্থান করছে। খবর রয়টার্সের .
জিবি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ, পরিবেশ রক্ষার নামে গৃহীত বিভিন্ন নীতি এবং ব্যাপক হারে নতুন মানুষের আগমনের বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন।
তিনি বলেন, ব্রিটিশ রাজা চার্লস এবং তার প্রতি তার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে, তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের সরকার দেশ পরিচালনায় মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করছে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্যে জ্বালানির দাম সাধারণ মাত্রার তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, উত্তর সাগরের তেল ও গ্যাস ব্যবহার না করে পরিবেশবান্ধব শক্তির দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়ার ফলেই এই দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে ট্রাম্পের মতামত বরাবরই ভিন্ন, তাই তিনি ব্রিটিশ সরকারকে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের স্বাভাবিক ব্যবহারে ফিরে আসার পরামর্শ দেন।
এছাড়া, অভিবাসন নিয়ে তিনি একটি সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন।
ট্রাম্পের মতে, বাইরের দেশ থেকে অনবরত মানুষের আগমন ব্রিটেনের নিজস্ব পরিবেশ ও পরিচিত রূপ পরিবর্তন করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি অনিয়ন্ত্রিতভাবে মানুষ আসা বন্ধ করা না যায়, তবে একসময় দেশের অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়বে।
যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে ইউরোপ থেকে ছোট নৌকায় করে অবৈধভাবে আসা মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে, ট্রাম্পের এই কঠোর সমালোচনার প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটেনের বর্তমান সরকার জানিয়েছে, তারা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এবং অপরাধী চক্রের ওপর নজরদারি বাড়ানোর ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশ আগের তুলনায় অনেক কমে এসেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ