১০:৩৮ পি.এম
নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বর্তমানে অন্তত ৫৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৯৭৭ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছে। শুক্রবার দেশটির দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ এই তথ্য প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি, চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবারের ঘটনায় আরও পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এর ফলে, দুই দেশের হিসাব অনুযায়ী মোট মৃতের সংখ্যা ৫৮৪ জনে পৌঁছেছে। দুই দেশের কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মোট প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।
বন্যার তৃতীয় দিনে উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এই কাজে ১৪ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৭৪২ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
এই দুর্যোগটি ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের পর নেপালের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্যোগ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, হিমবাহ ধসের ফলে বিপুল পরিমাণ বরফ ও ধ্বংসাবশেষের প্রবাহ সৃষ্টি হওয়ায় এই ভয়াবহ বন্যার উদ্ভব ঘটেছে।
আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন
এদিকে, তিব্বত অংশে একটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর শুক্রবার নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে নেপালের পুলিশ। নিরাপত্তাকর্মী এবং উদ্ধার ও ত্রাণকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্যও নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
চীনে ধ্বংসাবশেষ জমে তৈরি হওয়া একটি হ্রদ উপচে পড়তে শুরু করলে উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। পরে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ঝুঁকি কমে এসেছে এবং উদ্ধারকাজ পুনরায় শুরু হয়েছে। তবে নেপাল যে ধ্বংসাবশেষের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার বিষয়ে আগে সতর্ক করেছিল, সেটি ওই হ্রদ কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন