রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২২ পি.এম
‘জেন জি আলোড়ন’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন যে, আবাসিক হোটেল থেকে দেহ ব্যবসার অভিযোগে ছয় জনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনা সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নে ঘটেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে হাটিকুমরুল এলাকার ‘নিরিবিলি আবাসিক হোটেল’ থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে সংগঠনের সদস্যরা বিষয়টি পুলিশকে জানায়।
আটকদের মধ্যে দুজন নারী রয়েছেন, যাদের বাসস্থান বগুড়ার মোকামতলা উপজেলা। বাকি চার পুরুষ উল্লাপাড়া উপজেলার বাসিন্দা। সংগঠনের সদস্যরা জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে একজন হোটেলের ম্যানেজার।
সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই হোটেলে বিভিন্ন স্থান থেকে নারী ও পুরুষ এনে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছিল। সেখানে নারীদের রেখে যৌন ব্যবসা পরিচালনা করা হতো। এলাকাবাসী একাধিকবার হোটেল কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করলেও তারা বিষয়টি আমলে নেয়নি।
জানা গেছে, হাটিকমরুল ও আশেপাশের এলাকার তরুণদের নিয়ে ‘জেন জি আলোড়ন’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কয়েক মাস আগে গড়ে তোলা হয়।
সংগঠনের সদস্য রাজিবুল, নাসিম ও আশরাফুল জানিয়েছেন, রোববার দুপুরে তারা হোটেলটিতে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছে—এমন খবর পেয়ে সেখানে যান। পরে হোটেলের ভেতর থেকে ছয় জনকে আটক করা হয়। তবে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি পুলিশও জানে না বলে দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেছেন, "বিষয়টি আমার জানা নেই। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি আসলে বিষয়টি কী। কেন তাদের আটক করা হয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুরে সাদা বস্তায় করে একজন ব্যক্তিকে টেনে নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর অপহরণের অভিযোগ নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে, পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধান এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় সেই ব্যক্তিকে জোর করে তুলে নেওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘সাদা বস্তায় করে একজনকে নিয়ে যাওয়ার যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে; সেটি নিয়ে আমরা অনুসন্ধান করেছি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে অপহরণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। বিষয়টি আরও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির নাম নজরুল ইসলাম (৫০)। তিনি টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার মো. শুকুর আলীর ছেলে। বর্তমানে পল্লবী ১১ নম্বর এলাকায় দি স্যালভেশন আর্মির যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ ক্লিনিকে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি প্রায় ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে ওই প্রতিষ্ঠানে নাইট গার্ডের দায়িত্ব পালন করছেন। তার মাসিক বেতন ১৭ হাজার টাকা।
পুলিশের অনুসন্ধান এবং নজরুলের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরুল ইসলামকে প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে দাবি করা হলেও তিনি প্রকল্প ব্যবস্থাপক নন। তিনি আসলে প্রতিষ্ঠানটির একজন নিরাপত্তাকর্মী। তিনি রাতে গেটের পাশে থাকা ছোট একটি টেবিলে বসে দায়িত্ব পালন করেন এবং সেখানেই ঘুমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে নাইট গার্ডের দায়িত্বে যোগদান করেন তিনি। পরদিন সকাল ৬টার দিকে বদলি গার্ড দানিয়েল সরকার এসে তাকে না পেয়ে বিষয়টি প্রকল্প ব্যবস্থাপক বোস এলভিন অথিকে জানান। পরে প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ১১ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটের দিকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি সাদা প্লাস্টিকের বস্তায় করে নজরুলকে প্রতিষ্ঠানের গেটের সামনে এনে রাখেন। পরে ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে নজরুল নিজেই বস্তা থেকে বের হয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পর তাকে গেটের সামনে বসে থাকতে দেখা যায়। পরে ওই অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে রিকশায় করে সেখান থেকে চলে যান তিনি।
এদিকে প্রাথমিক অনুসন্ধানে নজরুলের ছেলে মো. মেরাজ (২৬) পুলিশকে জানান, কিছুদিন আগে তার বাবা ব্যাংক থেকে তিন লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন। তার দুই স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে বসবাস করেন। পারিবারিক কোনো কারণে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে নজরুল আত্মগোপন করে থাকতে পারেন বলেও পুলিশকে জানানো হয়েছে।
তবে কী কারণে নজরুলকে বস্তায় করে ক্লিনিকের সামনে আনা হয়েছিল এবং পরে তিনি কোথায় গেছেন- এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। এদিকে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
ডিসি মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে তাকে বস্তা থেকে বের হয়ে আসতে দেখা গেছে। এরপর তিনি গেটের সামনে বসেন এবং পরে রিকশায় করে চলে যান।’
এসময় ফুটেজে কোনো ধরনের জোরজবরদস্তির বিষয় দেখা যায়নি বলেও উল্লেখ করেছেন ডিসি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ঘটনার সূত্রপাত ঘটে, যখন মাদকের টাকা চেয়ে মাকে মারধর শুরু করেন ছেলে। এ দৃশ্য দেখে বড় ভাই বাধা দিতে এগিয়ে আসেন। এরপর দুই ভাইয়ের মধ্যে শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক ও ধস্তাধস্তি। এক পর্যায়ে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বড় ভাই হৃদয় মিয়াকে পুলিশ আটক করেছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার এগারসিন্দুর ইউনিয়নের চরদেবকান্দি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত গেন্দু মিয়া (৩০) ওই গ্রামের কালাচান মিয়ার ছেলে এবং পেশায় ট্রাক্টরচালক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গেন্দু মিয়া দীর্ঘদিন ধরেই মাদকাসক্ত ছিলেন। শনিবার রাতে তিনি মাদকের টাকা চেয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। টাকা না পেয়ে তিনি মাকে মারধর শুরু করেন। এ সময় বড় ভাই হৃদয় মিয়া মায়ের উপর হামলার প্রতিবাদ করেন। এরপর দুই ভাইয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়, যা পরে ধস্তাধস্তিতে রূপ নেয়। এক পর্যায়ে হৃদয় মিয়া ছুরি দিয়ে গেন্দু মিয়ার বুকে আঘাত করেন। এতে গেন্দু গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত গেন্দু মিয়াকে উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বড় ভাই হৃদয় মিয়াকে আটক করা হয়।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান জানান, ঘটনার পরপরই মূল অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। নিহত গেন্দু মিয়া মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা লেনদেন এবং বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা পদায়ন ও পদোন্নতিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও পেয়েছে। এই অভিযোগগুলো অনুসন্ধানের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
গত ২ সেপ্টেম্বর, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সহ চারজনের বিরুদ্ধে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। নতুন অভিযোগগুলো চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ পাওয়া গেছে, তার মধ্যে দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ সবচেয়ে বড়।
অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, দুবাইয়ে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি টাকা এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচারের। এসব অর্থ দিয়ে বিদেশে বিলাসবহুল ভিলা কেনা ও বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগের অভিযোগও রয়েছে। পর্তুগালে জমি কেনা, দুবাইয়ের গ্রিন গ্রুপে বিনিয়োগ এবং সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা রাখার অভিযোগও রয়েছে। দুই বোনজামাই ও ভাগ্নের মাধ্যমে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও করা হয়েছে।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টার বিরুদ্ধে বাকি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বিভিন্ন পদে নিয়োগ, প্রকল্প, টেন্ডার এবং ঘুষ লেনদেনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
মোহাম্মদ তানজির আহমেদ বলেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা এবং সারাদেশে ৩৬ জন জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদায়নে ২ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে টেন্ডার বাণিজ্য এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিশন নেওয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টেন্ডার বাণিজ্যের সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় বাড়িয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে।
দুদক জানায়, ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগের পাশাপাশি ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আব্দুস সালামকে নিয়োগ দিয়ে ১০ কোটি টাকা উৎকোচ নেওয়া এবং এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশীদ খানকে ৫২ কোটি টাকা ঘুষের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে আব্দুল লতিফ খানকে ৬৫ কোটি টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদ হেলিকপ্টারে ভ্রমণ করে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় করেছেন। হোটেল ওয়েস্টিনসহ পাঁচ তারকা হোটেলে নিয়মিত যাতায়াত, বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস ও গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে তার নিজ উপজেলা মুরাদনগরের জন্য ৪৫৩ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। প্রকল্পটির বরাদ্দ ও গ্রহণ প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ। তার বাবা বিল্লাল হোসেন ও এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেন ঠিকাদারদের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় প্রশাসনের উপর প্রভাব খাটিয়ে অর্থ সংগ্রহ করতেন। এছাড়াও, তার পিও মাহফুজুল আলম ভূঁইয়া ঘুস লেনদেনের তদবির ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন মর্মে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনিয়মের অভিযোগে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করে নতুন পদায়নের আদেশ জারির বিনিময়ে ৭৬ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য ১ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং পদোন্নতির পর পছন্দের জায়গায় পদায়নের জন্য আরও প্রায় ২ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা লেনদেন এবং বিদেশে হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা পদায়ন ও পদোন্নতিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।
তবে এসব অভিযোগ ও দুদকের বক্তব্যের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি গত বুধবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৈঠকটি শুরু হয়।
বৈঠকে কৃষি খাতের সার্বিক পরিস্থিতি, মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।
বৈঠকে যোগ দিতে সচিবালয়ের ষষ্ঠ তলায় যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করে হেঁটে ওঠেন।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী বিকেল সাড়ে ৩টায় সচিবালয়ে নিজ কার্যালয় থেকে হেঁটে কৃষি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে যান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ