রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৩ পি.এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা লেনদেন এবং বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা পদায়ন ও পদোন্নতিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও পেয়েছে। এই অভিযোগগুলো অনুসন্ধানের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
গত ২ সেপ্টেম্বর, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সহ চারজনের বিরুদ্ধে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। নতুন অভিযোগগুলো চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ পাওয়া গেছে, তার মধ্যে দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ সবচেয়ে বড়।
অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, দুবাইয়ে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি টাকা এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচারের। এসব অর্থ দিয়ে বিদেশে বিলাসবহুল ভিলা কেনা ও বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগের অভিযোগও রয়েছে। পর্তুগালে জমি কেনা, দুবাইয়ের গ্রিন গ্রুপে বিনিয়োগ এবং সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা রাখার অভিযোগও রয়েছে। দুই বোনজামাই ও ভাগ্নের মাধ্যমে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও করা হয়েছে।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টার বিরুদ্ধে বাকি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বিভিন্ন পদে নিয়োগ, প্রকল্প, টেন্ডার এবং ঘুষ লেনদেনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
মোহাম্মদ তানজির আহমেদ বলেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা এবং সারাদেশে ৩৬ জন জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদায়নে ২ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে টেন্ডার বাণিজ্য এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিশন নেওয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টেন্ডার বাণিজ্যের সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় বাড়িয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে।
দুদক জানায়, ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগের পাশাপাশি ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আব্দুস সালামকে নিয়োগ দিয়ে ১০ কোটি টাকা উৎকোচ নেওয়া এবং এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশীদ খানকে ৫২ কোটি টাকা ঘুষের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে আব্দুল লতিফ খানকে ৬৫ কোটি টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদ হেলিকপ্টারে ভ্রমণ করে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় করেছেন। হোটেল ওয়েস্টিনসহ পাঁচ তারকা হোটেলে নিয়মিত যাতায়াত, বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস ও গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে তার নিজ উপজেলা মুরাদনগরের জন্য ৪৫৩ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। প্রকল্পটির বরাদ্দ ও গ্রহণ প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ। তার বাবা বিল্লাল হোসেন ও এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেন ঠিকাদারদের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় প্রশাসনের উপর প্রভাব খাটিয়ে অর্থ সংগ্রহ করতেন। এছাড়াও, তার পিও মাহফুজুল আলম ভূঁইয়া ঘুস লেনদেনের তদবির ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন মর্মে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনিয়মের অভিযোগে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করে নতুন পদায়নের আদেশ জারির বিনিময়ে ৭৬ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য ১ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং পদোন্নতির পর পছন্দের জায়গায় পদায়নের জন্য আরও প্রায় ২ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা লেনদেন এবং বিদেশে হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা পদায়ন ও পদোন্নতিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।
তবে এসব অভিযোগ ও দুদকের বক্তব্যের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি গত বুধবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৈঠকটি শুরু হয়।
বৈঠকে কৃষি খাতের সার্বিক পরিস্থিতি, মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।
বৈঠকে যোগ দিতে সচিবালয়ের ষষ্ঠ তলায় যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করে হেঁটে ওঠেন।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী বিকেল সাড়ে ৩টায় সচিবালয়ে নিজ কার্যালয় থেকে হেঁটে কৃষি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে যান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানের রুমায় উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড তংমক পাড়া এলাকায় একটি কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার রুমায় থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন, যেখানে ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ এই ঘটনায় মামলার পর একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
ভুক্তভোগী কিশোরী জানান, মা-বাবা না থাকার সুযোগে গত চার মাস আগে একই এলাকার বাসিন্দা ক্যসিংনু মার্মা তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে ক্যসিংনু মার্মার বন্ধু উহাইমং মার্মা, সিংহ্লা মার্মা ও উশৈনু মার্মা বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন।
এদিকে, মান সম্মানের ভয়ে এতদিন এই বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেননি ভুক্তভোগী কিশোরী। কিন্তু ঘটনার চার মাস পর অভিযুক্তরা কিশোরীকে গর্ভপাত করালে তিনি ঘটনাটি তার মা-বাবার কাছে জানান। পরে গত ৮ সেপ্টেম্বর কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে রুমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার এ বিষয়ে বলেন, "গত চার মাস আগে রুমা উপজেলায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার প্রেক্ষিতে একজন গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশন জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল)
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইইই-তে বিএসসি
অন্যান্য যোগ্যতা: গ্রুপ অব কোম্পানিতে সংশ্লিষ্ট কাজের দক্ষতা রয়েছে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১০ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: বছরে ২টি উৎসব বোনাস, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, কর্মী এবং পরিবারের সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা সহায়তা ভাতা প্রদান করা হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মিত আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ ইউনিটটি, কয়লাস্বল্পতার কারণে এক মাস ধরে সীমিত উৎপাদনে থাকার পর, পুনরায় চালু হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে। একই দিনে, কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে কেন্দ্রটির উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর ১২টার দিকে আদানির দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। এর আগে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায় কারিগরি ত্রুটির কারণে।
ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কয়লাভিত্তিক। পূর্বে কয়লাস্বল্পতার কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে গিয়েছিল। বর্তমানে সেখানে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রয়েছে, ফলে সম্প্রতি ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে উৎপাদন এখন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে গেছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, ইউনিটটি বন্ধ হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে এবং দ্রুত উৎপাদনে ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কেন্দ্রে কয়লার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
এদিকে, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় গত ৭ আগস্ট থেকে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন কমে যায়। গত মাসের শেষের দিকে উৎপাদন কিছুটা বাড়িয়ে, দিনের বেলায় প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল কেন্দ্রটি।
গত বুধবার রাতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু ওই রাত ১২টার দিকে একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেলে উৎপাদন কমে ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে, ফলে দেশে লোডশেডিং বেড়ে যায়।
আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত দায়িত্বশীল দুজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, একটি ইউনিটের বয়লারে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। রোববার ভোরে মেরামতের কাজ শেষ করে ইউনিটটি পুনরায় উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা হয় এবং পরে দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে ইউনিটটি।
পিডিবি ও পিজিসিবি সূত্র জানায়, রোববার বেলা ২টার দিকে আদানির দুটি ইউনিট মিলিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ ১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। এর আগে সকালে সর্বোচ্চ ৭৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল কেন্দ্রটি। বিকেলের দিকে সরবরাহ আরও বাড়তে পারে।
ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। এখানে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি। চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রটি থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের রেকর্ড রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ