বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:০৪ পি.এম
সুনামগঞ্জ, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : দীর্ঘ এক যুগ পর ওয়ারিশ আলী হত্যা মামলায় জেলা ও দায়রা জজ দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। একই সময়ে আদালত মামলার বাকি ৯ আসামির জন্য বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষণা করেছেন।
এছাড়া, ১১ আসামির প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, এবং অনাদায়ে তাদেরকে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
২০১৪ সালে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ওয়েজখালী এলাকায় সংঘটিত ওয়ারিশ আলী হত্যা মামলার প্রায় এক যুগ পর আজ এ রায় ঘোষণা করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এ রায় দেন।
রায়ে ১১ আসামির মধ্যে দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন ওয়েজখালীর গমীর বক্সের ছেলে বাদশা মিয়া এবং সুনাফর আলীর ছেলে খেলু মিয়া ওরফে ফেলু মিয়া।
অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চারজনকে সাত বছরের এবং পাঁচজনকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন রামিজ আলী, নুরুল মিয়া, খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামান। দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন রাজা মিয়া, জগলু মিয়া, নুর উদ্দিন, সহিনুর মিয়া ও তাহের মিয়া।
রাষ্ট্রপক্ষের এডিশনাল পিপি শেরেনুর আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
মামলার রায়ের বিবরণে জানা গেছে, স্থানীয় পৌরসভার কাউন্সিলর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাদী ও আসামি পক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। ঘটনার আগের দিন ২০১৪ সালের ২৮ জুলাই জুয়েল মিয়ার সঙ্গে সাক্ষী ফয়জুর রহমানের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়, যা পরবর্তীতে বাদী ও আসামিপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।
পরদিন ২৯ জুলাই ঈদের দিন সকালে ওয়েজখালী পয়েন্টের একটি মসজিদে ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
এ সময় ওয়ারিশ আলীসহ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত ওয়ারিশ আলীকে প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ৪ আগস্ট ওয়ারিশ আলী মারা যান। তার মৃত্যুর পর একই ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ মামলার চার্জশিট দেওয়ার পর দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত মামলায় আসামি জাকারিয়া, আব্দুল জহুর, সাজ্জাত আলী, রেনু মিয়া, জুয়েল মিয়া, মো. শফিকুল ইসলাম, খলিল, সুমন, রিপন ও শাহাবুদ্দিনকে অভিযোগ থেকে খালাস প্রদান করেন।
এছাড়া শাহের আলী ও পারভেজ মিয়া মারা যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে চলমান মামলা অবসান করে তাদের দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রায়ে পলাতক আসামি খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের আগে যে সময় হাজতে ছিলেন, আইন অনুযায়ী সেই সময় তাদের সাজা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলায় আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. সালেহ আহমদ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেছেন যে, সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ, কোস্ট গার্ড, বর্ডার গার্ড এবং বন বিভাগ একত্রে কাজ করছে। এই উদ্যোগের আওতায় মাছ ধরা জেলে, সুন্দরবন কেন্দ্রিক বিভিন্ন পেশাজীবী এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, জলদস্যু ও বনদস্যু দমনের লক্ষ্যে র্যাব, কোস্ট গার্ড, স্থানীয় প্রশাসন এবং বন বিভাগের সহযোগিতায় নৌ-পুলিশ ‘রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ নামে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সমন্বিত টহল কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদে খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খানের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বনদস্যু ও জলদস্যু দমন, বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সব সময় তৎপর রয়েছে।
তিনি আরও জানান, জলপথে সমন্বিত যৌথ টহল জোরদার করতে বিজিবিকে আধুনিক হাই-স্পিড পেট্রোল বোট, ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর ক্রাফট, মেটাল শার্ক বোট এবং রাডার নজরদারি সিস্টেমে সজ্জিত করা হয়েছে।
সুন্দরবনের সংবেদনশীল নদী ও মোহনা দিয়ে যাতে কোনো প্রকার মাদক, অস্ত্র বা বন্যপ্রাণী চোরাচালান হতে না পারে, সেজন্য প্রতিটি সংবেদনশীল পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টা বিজিবি কর্তৃক যৌথ ব্লক রেইড ও মোবাইল টহল পরিচালিত হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, বিজিবির সমন্বিত গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সমুদ্রসীমা, উপকূলীয় অঞ্চল ও সুন্দরবনের নিরাপত্তা রক্ষা, জলদস্যুতা ও বনদস্যুতা দমন এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে সুন্দরবনের দুর্গম নদী ও খালপথে অপরাধ দমন এবং বনজীবী ও জেলেদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড নিয়মিত টহল, নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করছে।
এ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় সুন্দরবনকে নিরাপদ, সুরক্ষিত ও দস্যুমুক্ত রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বন বিভাগের সাথে যৌথ অভিযান ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ এবং ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ পরিচালনা করা হচ্ছে।
এর মাধ্যমে কোস্ট গার্ড সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলে অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা তথ্যের আদান-প্রদান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে। ফলে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার পারস্পরিক সমন্বয় ও সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় এবং অপরাধমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চগড়, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : আটোয়ারী উপজেলার নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নদীতে গোসল করতে নেমে রোহান নামের ৬ বছর বয়সী এক শিশু পানিতে ডুবে মারা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার, আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের বালাপাড়া এলাকায় নাগর নদীতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মৃত রোহান সুখাতি গ্রামের রমজান আলীর পুত্র। তার নানার বাড়ি বালাপাড়া গ্রামে অবস্থিত। রোহান স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত পরশু রোহান তার মায়ের সঙ্গে নানার বাড়ি বালাপাড়া গ্রামে বেড়াতে আসে। বৃহস্পতিবার সকালে, সে নানার বাড়ির আশেপাশের কয়েকজন শিশুর সঙ্গে নাগর নদীতে গোসল করতে নেমে যায় এবং পানিতে ডুবে যায়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়রা দ্রুত নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাকে উদ্ধার করা হলেও স্থানীয়ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার পরেও শেষ রক্ষা হয়নি। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান বাসসকে জানিয়েছেন যে, শিশু রোহানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে এফবিসিসিআই।
এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক, ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন। আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এ গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাতে, তিনি চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও খুলনায় শিল্প স্থাপনের জন্য আহ্বান জানান। এফবিসিসিআই’র পক্ষ থেকে বাংলাদেশে চীনা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসও প্রদান করেন তিনি।
মো. ফজলুল হক আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য এফবিসিসিআই, চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) এবং চায়নিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি)-এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদার ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগকে আরও সহজতর করতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, চীন-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে চীনা দূতাবাস আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক যান (ইভি), ফল ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পর্যটন খাতে চীনা বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
বৈঠকে এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর এবং চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ চীনে প্রায় ৬৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে, চীন থেকে বাংলাদেশে প্রায় ১৮ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। ফলে, দুই দেশের বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এই বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার শনাক্ত করেছে।
বাংলাফ্যাক্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতীয় একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, বাংলাদেশে এক হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীকে ঘরের বেড়া কেটে আক্রমণ করা হয়েছে।
যাচাইয়ের পর বাংলাফ্যাক্ট দেখতে পায়, এটি লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা, যা ১৮ আগস্টের। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর নাম রোজিনা বেগম। ভারতের বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া একাউন্ট থেকে এটিকে ‘বাংলাদেশে হিন্দুদের পরিস্থিতি’ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো উল্লেখ করছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।
‘বাংলাফ্যাক্ট’ হলো প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে। বাংলাফ্যাক্ট গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ