ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরান আমেরিকার বিরুদ্ধে যে নতুন যুদ্ধপ্রযুক্তি তৈরি করছে!


ইরান আমেরিকার বিরুদ্ধে যে নতুন যুদ্ধপ্রযুক্তি তৈরি করছে!

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত যখন নতুন মাত্রায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। হামলার পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্য হয়ে পড়েছে অস্থির। এ অবস্থায় ভবিষ্যতের প্রযুক্তির শক্তি গড়ে তুলতে ব্যস্ত রয়েছে ইরান। এমনভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে ক্ষুদে যোদ্ধাদের তৈরির। সেখানে শিক্ষার্থীরা তৈরি করেছে ছোট ছোট যুদ্ধ রোবট, যা মুখোমুখি লড়াইয়ে নামানো হচ্ছে। আর প্রতিযোগীরা এই রোবটগুলোকে দূর থেকে রিমোটের মাধ্যমে পরিচালনা করে প্রতিপক্ষের রোবটকে অচল করার চেষ্টা করছে। তবে এই প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা যদি কম মনে হয়, তাও বহু বিশ্লেষকদের মতে, এমন আয়োজন ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগত দক্ষতা গড়ে তোলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এবং এই দক্ষতা ইরানের শিল্প, গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ড্রোন প্রযুক্তি এবং কৌশলগত সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করতে সক্ষম।

এই দৃশ্যটি ইরানের রাজধানী তেহরানে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত টেক অলিম্পিকের। দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রোবট যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ড্রোন ও স্মার্ট ডিভাইস তৈরির প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে। কারও হাতে রোবটের নকশা, কেউ তৈরি করছে স্বয়ংক্রিয় ড্রোন, আবার কেউ কাজ করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে। তবে বিশেষভাবে নজর কাড়ে রোবটের মুখোমুখি লড়াই। যেখানে শিক্ষার্থীদের তৈরি যুদ্ধধর্মী রোবটগুলোর কার্যকারিতা প্রমাণ হয়ে যায়।

প্রতিযোগীরাও জানায়, রোবটের নকশার চেয়ে গতিশীলতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যিনি রোবটটি পরিচালনা করেন। কারণ আক্রমণের সময়, স্থান এবং পদ্ধতি সবিকিছু নির্ধারণ করেন অপারেটরই।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

অপরদিকে, আরেকজন প্রতিযোগী জানান, প্রযুক্তি শেখার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো শিক্ষাসামগ্রীর অভাব। ফারসি ভাষায় প্রায় কোনো উপকরণই পাওয়া যায়নি। এমনকি ইংরেজিতে প্রয়োজনীয় তথ্যও ছিল খুব সীমিত। এ কারণে অনেক বিষয়েই নিজেদের গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষা নিতে হয়েছে। পরে তারা তাদের ড্রোনকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড্ডয়ন করানো, নির্ধারিত পথে উড়ে আবার নিরাপদে অবতরণ করার চ্যালেঞ্জেও সফলতার প্রমাণ দেন।

এদিকে, দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ইরানের প্রযুক্তি খাতকে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি দাঁড় করালেও দেশটি এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, ড্রোন ও সাইবার প্রযুক্তিতে আঞ্চলিক শক্তি হয়ে ওঠার লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে। সেই লক্ষ্য পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এমন প্রতিযোগিতাকে ভবিষ্যতের প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পরীক্ষাগার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় সাপের কামড় এড়াতে কী করবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


বন্যায় সাপের কামড় এড়াতে কী করবেন

বন্যার ফলে শুধু মানুষের ঘরবাড়ি, ফসল এবং গবাদিপশুর ক্ষতি হয় না, বরং এ সময় সাপের উপদ্রবও বেড়ে যায়। বন্যার পানিতে সাপের প্রাকৃতিক আবাসস্থল তলিয়ে যাওয়ার কারণে সাপ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে মানুষের বাড়িঘর, আঙিনা, ক্ষেত এমনকি জনবসতি গঠিত এলাকায়ও প্রবেশ করে। তাই বিশেষজ্ঞরা বন্যার সময় ও পরবর্তী সময়ে বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যার পানির কারণে সাপের স্বাভাবিক বাসস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে তারা শুকনো জায়গার খোঁজে মানুষের বসতবাড়ির দিকে চলে আসে। এর ফলেই বন্যাকবলিত অঞ্চলে সাপের মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।

বাংলাদেশে দেখা যায় বিষধর এবং নির্বিষ—এ দুই প্রকার সাপ। বিষধর সাপের মধ্যে চন্দ্রবোড়া, গোখরা এবং কালাচ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া নির্বিষ ইঁদুরখেকো সাপও আকারের কারণে মাঝে মাঝে ভয় সৃষ্টি করে। সুতরাং যেকোনো সাপ দেখা দিলে সতর্ক থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্যার আগেই বাড়ির ভেতরের দেয়াল, দরজা এবং জানালার ফাঁকফোকর বন্ধ করে রাখা উচিত। যাতে করে সাপ সহজে ঘরে প্রবেশ করতে না পারে। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা, ঝোপঝাড় কাটা এবং কাঠ বা আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে ফেললে সাপের লুকিয়ে থাকার সুযোগ হ্রাস পায়।

সমস্ত পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে শিশুদের সাপ সম্পর্কে সচেতন করা অত্যন্ত জরুরি। সাপ দেখলে তাদের কাছে না যাওয়া এবং বড়দের জানানো—এ ধরনের অভ্যাস ছোটবেলা থেকেই তাদের শেখানো উচিত।

বন্যার সময় বিশেষজ্ঞরা বলেছেন প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেন। যদি পানির ভেতর হাঁটতে হয়, তাহলে লম্বা লাঠি দিয়ে একই সাথে সামনে পরীক্ষা করে এগোলে ভালো হয়। এ সময় লম্বা প্যান্ট এবং বুট পরা সাপের কামড়ের সম্ভাবনা কিছুটা কমিয়ে দেয়।

বন্যার পানিতে ভেসে আসা গাছের ডাল, কাঠ অথবা অন্যান্য আবর্জনার নিচে সাপ লুকিয়ে থাকতে পারে। তাই এসব সরানোর সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। রাতের বেলায় বাড়ির ভেতর ও আশপাশে পর্যাপ্ত আলো রাখলে সাপের চলাচল কিছুটা কমে যায়।

বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরেও ঝুঁকি শেষ হয়ে যায় না। ঘরে ঢোকার আগে অন্ধকার কোণা, আসবাবের নিচে, আলমারির পেছনে বা রান্নাঘরের বিভিন্ন জায়গা ভালোভাবে পরীক্ষা করে নিতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সময় হাতে দস্তানা, পায়ে বুট এবং শরীর ঢাকা পোশাক পরিধান করলে নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায়।

আবর্জনা বা ভেজা জিনিসপত্র সরানোর সময় কোনোভাবেই খালি হাতে হাত দেওয়া উচিত নয়। কোদাল, রেক বা লাঠির মতো সরঞ্জাম ব্যবহার করলে ঝুঁকি কমে যাবে।

যদি সাপের মুখোমুখি হন, তাহলে শান্ত থাকতে হবে। সাপের কাছে যাওয়া, ধরার চেষ্টা করা বা তাড়ানোর চেষ্টা করা মোটেই ঠিক হবে না। নিরাপদ দূরত্ব রক্ষা করে সাপটিকে সরে যাওয়ার সুযোগ দিতে হবে। ঘরের ভেতরে সাপ ঢুকে পড়লে নিজে তা ধরার চেষ্টা না করে সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী অথবা প্রশিক্ষিত ব্যক্তি থেকে সাহায্য নেওয়া উচিত।

কোনো ব্যক্তি সাপে কামড়ালে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিতে হবে। আক্রান্ত অঙ্গটি যতটা সম্ভব স্থির রাখতে হবে। বিষ চুষে বের করা, ক্ষত কেটে দেওয়া বা শক্ত করে কাপড় বেঁধে দেওয়ার মতো ভুল পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত নয়, কারণ এতে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, অনেকের ধারণা থাকে সাপ কেবল বিরক্ত করলে কামড় দেয় বা বন্যার সময় বাড়িতে প্রবেশ করে না। বাস্তবে, তখন সাপ ভয় অথবা চাপের কারণে অস্বাভাবিক আচরণ করতে পারে এবং নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে মানুষের ঘরেও প্রবেশ করে। সুতরাং বিষধর হোক বা নির্বিষ—যেকোনো সাপ দেখা গেলেই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে সচেতনতা, আগাম প্রস্তুতি এবং সঠিক পদক্ষেপই বন্যার সময় ও পরে সাপের কামড়ের ঝুঁকি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। বন্যাকবলিত এলাকায় নিজের নিরাপত্তার সঙ্গে পরিবারের সবাইকে সচেতন করাটা সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে সাবেক এমপি জোর করে পুত্রবধূকে গোমূত্র পান করালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০১ পি.এম


ভারতে সাবেক এমপি জোর করে পুত্রবধূকে গোমূত্র পান করালেন

ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য বিনায়ক রাউত এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা ও গৃহনির্যাতনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন যে, তাকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করানো হয়েছে, তান্ত্রিক আচার পালন করতে বাধ্য করা হয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।

ভারতের সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন উল্লেখ করে, থানে জেলার এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ বিনায় রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে এবং স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ এবং কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গিরিজা রাউত তার অভিযোগে বলেন, বিয়ের পর গত সাত বছরের মধ্যে তিনি নিয়মিত মানসিক, সামাজিক এবং আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যত্বজনিত সমস্যা সমাধানের নাম করে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করানো হয় এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে তার মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেওয়া হয়।

গিরিজা সাংবাদিকদের কাছে জানান, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস তিনি পাননি। পরিবারের প্রধান হিসেবে শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।

গিরিজা আরো আবেগঘন কণ্ঠে দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে তাকে স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলতে বাধ্য করেন। বিষয়টি নিয়ে কথাবার্তা হলে তাকে অপমানিত ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হত। তার স্বামীও বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশ গেলে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব হতে পারে।

এছাড়া, পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলাকালে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও গিরিজা করেছেন। ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরের সময়ও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। ওই সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল, তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে স্বামীর মৃত্যু হতে পারে।

পুত্রবধূ গিরিজার অভিযোগে শুধু স্বামী নয়, শ্বশুরবাড়ির অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবশেষে আলোর মুখ দেখে যাচ্ছে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


অবশেষে আলোর মুখ দেখে যাচ্ছে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ

দীর্ঘ ৮ বছর পর, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ ও নার্সিং কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাস হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে রোববার সকালে সদর উপজেলার গাছতলা এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তিনি ফিতা কেটে জায়গাটির উদ্বোধন করেন।

এদিকে, স্থায়ী ক্যাম্পাস হবে এমন খবর শুনে শিক্ষার্থীরা খুশি। কারণ, গত ৮ বছর ধরে তারা সীমিত পরিসরে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তাদের একাডেমিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। ফলে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাদের।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সবকিছু যদি ঠিকঠাক থাকে, তাহলে আগামী দেড় বছরের মধ্যে ৩১ একর জায়গার ওপর চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ ও নার্সিং কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হবে।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শায়লা শারমিন, প্রকল্প পরিচালক চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ ডা. হারুনুর রশিদ, চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাসিম উদ্দিন টিটু, চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান, বিশিষ্ট চিকিৎসক মোবারক হোসেন চৌধুরী, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামিউল হিকমা এবং চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদীসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও।

এ সময়ে সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, চাঁদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা। তিনি বলেন, তাই এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জেলার স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এই প্রতিষ্ঠান চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষ চিকিৎসক ও নার্স তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এসময় শিক্ষার্থীরা দ্রুত প্রকল্পটির বাস্তবায়নের দাবি জানান।

প্রকল্প পরিচালক ডা. হারুনুর রশিদ ওই সময় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পটি দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমবোলোর লাল কার্ডে ক্ষুব্ধ সুইজারল্যান্ডের কোচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৪ পি.এম


এমবোলোর লাল কার্ডে ক্ষুব্ধ সুইজারল্যান্ডের কোচ

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হয়েছে সুইজারল্যান্ডকে। তবে ৩-১ গোলের পরাজয়ের চেয়ে ম্যাচ শেষে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে ব্রিল এমবোলোর বিতর্কিত লাল কার্ড। সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিনের দাবি, যে নিয়মে তার দলের অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ডকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে, সেটি ফুটবলের জন্যই অগ্রহণযোগ্য।

ম্যাচে শুরুতেই পিছিয়ে পড়লেও ৬৭তম মিনিটে সমতা ফেরায় সুইজারল্যান্ড। কিন্তু মাত্র পাঁচ মিনিট পর ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। সুইস তারকা এমবোলোর পড়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রথমে আর্জেন্টিনার লেয়ান্দ্রো পারেদেসকে ফাউলের জন্য হলুদ কার্ড দেন রেফারি।

পরে ভিএআরের পরামর্শে রিপ্লে দেখে সিদ্ধান্ত বদলান তিনি। এমবোলোর বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত ডাইভ দেয়ার অভিযোগ এনে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ডে রূপ নেয়। সিদ্ধান্তে বিস্মিত এমবোলো প্রতিবাদ করলেও শেষ পর্যন্ত কান্নাজড়িত চোখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

১০ জনের দল হয়েও অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। তবে শেষ পর্যন্ত হুলিয়ান আলভারেস ও লাউতারো মার্টিনেজের গোলে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ শেষে ইয়াকিন বলেন, এমবোলোর বিরুদ্ধে হলুদ কার্ড দেখানোর কোনো যৌক্তিকতা ছিল না। তার মতে, ভিএআরের এমন হস্তক্ষেপ পুরো ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছে।

সুইস কোচের ভাষায়, 'এটি এমন একটি নিয়ম, যার সঙ্গে ফুটবলের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা এমন এক সিদ্ধান্তের শাস্তি পেয়েছি, যা মেনে নেয়া কঠিন। এই ঘটনাই আমাদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%