প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হয়েছে সুইজারল্যান্ডকে। তবে ৩-১ গোলের পরাজয়ের চেয়ে ম্যাচ শেষে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে ব্রিল এমবোলোর বিতর্কিত লাল কার্ড। সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিনের দাবি, যে নিয়মে তার দলের অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ডকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে, সেটি ফুটবলের জন্যই অগ্রহণযোগ্য।
ম্যাচে শুরুতেই পিছিয়ে পড়লেও ৬৭তম মিনিটে সমতা ফেরায় সুইজারল্যান্ড। কিন্তু মাত্র পাঁচ মিনিট পর ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। সুইস তারকা এমবোলোর পড়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রথমে আর্জেন্টিনার লেয়ান্দ্রো পারেদেসকে ফাউলের জন্য হলুদ কার্ড দেন রেফারি।
পরে ভিএআরের পরামর্শে রিপ্লে দেখে সিদ্ধান্ত বদলান তিনি। এমবোলোর বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত ডাইভ দেয়ার অভিযোগ এনে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ডে রূপ নেয়। সিদ্ধান্তে বিস্মিত এমবোলো প্রতিবাদ করলেও শেষ পর্যন্ত কান্নাজড়িত চোখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
১০ জনের দল হয়েও অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। তবে শেষ পর্যন্ত হুলিয়ান আলভারেস ও লাউতারো মার্টিনেজের গোলে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচ শেষে ইয়াকিন বলেন, এমবোলোর বিরুদ্ধে হলুদ কার্ড দেখানোর কোনো যৌক্তিকতা ছিল না। তার মতে, ভিএআরের এমন হস্তক্ষেপ পুরো ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছে।
সুইস কোচের ভাষায়, 'এটি এমন একটি নিয়ম, যার সঙ্গে ফুটবলের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা এমন এক সিদ্ধান্তের শাস্তি পেয়েছি, যা মেনে নেয়া কঠিন। এই ঘটনাই আমাদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন