শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:১৯ এম
দক্ষিণ লেবাননের একাধিক শহর ও জনপদের নিকটবর্তী এলাকায় দখলদার ইসরাইলি বাহিনী দফায় দফায় গোলাবর্ষণ করেছে। নাবাতিয়েহ জেলার মায়ফাদুন ও জাওতার আশ-শারকিয়াহ শহরের আশপাশে কামানের গোলা নিক্ষেপের পাশাপাশি বারাআচিট ও ওয়াদি আল-সালুকি এলাকার আশপাশেও হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।
এনএনএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলার মায়ফাদুন ও জাওতার আশ-শারকিয়াহ শহরের আশপাশে ইসরাইলি বাহিনী থেমে থেমে গোলাবর্ষণ করছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় বারাআচিট ও ওয়াদি আল-সালুকির আশপাশেও গোলা নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে বারাআচিট ও হাদাথা শহরে হামলার খবরও জানিয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে, দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম শহরে ইসরাইলি বাহিনী তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় সামরিক তৎপরতা অব্যাহত থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সর্বশেষ এসব হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ পাওয়া যায়নি।
এর আগে, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন শহরে ইসরাইলি বিমান হামলা, কামানের গোলাবর্ষণ ও ড্রোনের তৎপরতার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নাবাতিয়েহ ও টায়ার জেলার বিভিন্ন এলাকায় হামলার পাশাপাশি জাওতার আশ-শারকিয়াহ, মায়ফাদুন, কাফার তিবনিত ও ওয়াদি জিবকিন এলাকায় গোলাবর্ষণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। বানি হাইয়ান এলাকায় বাড়িঘর লক্ষ্য করে একটি ড্রোন থেকে বিস্ফোরক নিক্ষেপের খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
এসব হামলা এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং দক্ষিণ লেবনন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। জুনে দুই পক্ষের মধ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতা হলেও দক্ষিণ লেবননে ইসরাইলি সামরিক অভিযান ও গোলাবর্ষণ বন্ধ হয়নি বলে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য উদ্ধৃত করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, গত ২ মার্চ থেকে ইসরাইলি হামলায় দেশটিতে হাজার হাজার মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। চলমান হামলা ও সামরিক তৎপরতায় দক্ষিণ লেবাননের বহু এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
সূত্র: এনএনএ, আনাদোলু এজেন্সি, শাফাক নিউজ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রিটিশ গায়িকা ও গীতিকার রে ২০২৬ সালের মার্কারি পুরস্কার অর্জন করেছেন। এই সম্মানটি তিনি তাঁর দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘দিস মিউজিক মে কনটেইন হোপ’-এর জন্য লাভ করেছেন। যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের সংগীতশিল্পীদের সেরা অ্যালবামকে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই পুরস্কার সংগীতজগতে বিশেষ মর্যাদা ধারণ করে।
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ইংল্যান্ডের নিউক্যাসলের ইউটিলিটা অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ী হিসেবে রের নাম ঘোষণা করা হয়। এ প্রতিযোগিতায় তাঁর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন পল ম্যাককার্টনি, ডেভ, অলিভিয়া ডিন, ফ্লোরেন্স অ্যান্ড দ্য মেশিন, জেডসহ আরও অনেক সংগীতশিল্পী।
‘দিস মিউজিক মে কনটেইন হোপ’ অ্যালবামটিতে জ্যাজ, অর্কেস্ট্রার সংগীত, ফাঙ্ক ও পপধারার বিভিন্ন উপাদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রায় ৭৩ মিনিটের এই অ্যালবামে বিভিন্ন ধরনের সংগীতের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। বিচারকেরা অ্যালবামটির ব্যাপ্তি, সৃজনশীলতা ও অনুপ্রেরণামূলক দিকের প্রশংসা করেছেন।
পুরস্কার গ্রহণের পর রে সংগীতের গুরুত্ব এবং আশার বার্তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "মানুষের জীবনে আশা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, আর সংগীত সেই আশার অনুভূতি ছড়িয়ে দিতে পারে।"
১৯৯২ সালে চালু হওয়া মার্কারি পুরস্কার প্রতিবছর যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের উল্লেখযোগ্য অ্যালবামগুলোর মধ্যে থেকে সেরাটিকে বেছে নেয়। বিজয়ী শিল্পী একটি ট্রফি ও ২৫ হাজার পাউন্ড অর্থমূল্যের পুরস্কার লাভ করেন। রের এই অর্জন তাঁর সংগীতজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে চিহ্নিত হলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রিটিশ অভিনেতা ও কৌতুকশিল্পী রাসেল ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সংক্রান্ত চলমান মামলায় আদালতে নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। অভিযোগকারীর এক বান্ধবী সাক্ষ্য প্রদান করে জানিয়েছেন, ঘটনার পর তাঁর বান্ধবী বলেছিলেন, ওই অভিজ্ঞতায় তিনি ‘ভীষণ, ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলেন’।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্টে ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে সাক্ষ্য দেন ওই নারী। তিনি জানান, ২০০৯ সালে লন্ডনের হ্যামারস্মিথ অ্যাপোলোতে রাসেল ব্র্যান্ডের একটি কৌতুক অনুষ্ঠানে অভিযোগকারীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে তাঁদের ব্র্যান্ডের সাজঘরে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
সাক্ষী আদালতকে জানান, পরবর্তীতে অভিযোগকারী তাঁকে বলেছিলেন, ব্র্যান্ডের লন্ডনের বাড়িতে যাওয়ার পর তাঁদের মধ্যে যৌন সম্পর্কের একপর্যায়ে তিনি জোরপূর্বক পায়ুপথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের শিকার হন। অভিযোগকারীর বক্তব্য অনুসারে, তিনি একাধিকবার আপত্তি জানিয়েছিলেন এবং তীব্র ব্যথা অনুভব করেছিলেন। ঘটনার পর তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন বলেও বান্ধবী আদালতে জানান।
আদালতে অভিযোগকারীর মা-বাবার বক্তব্যও উপস্থাপন করা হয়। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর মেয়ে প্রায় দুই মাস তাঁদের সঙ্গে ছিলেন এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। পরিবার সদস্যরা জানান, তিনি এইচআইভি সংক্রমণের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন ছিলেন। অভিযোগকারীর সাবেক প্রেমিকও জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কথা বলার সময় তাঁকে খুব বিচলিত দেখাচ্ছিল।
রাসেল ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে ছয় নারীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে মোট সাতটি অভিযোগের বিচার চলছে। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি ধর্ষণ, তিনটি যৌন নিপীড়ন এবং একটি অশালীন আচরণের অভিযোগ। ১৯৯৯ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে ঘটে যাওয়া এসব অভিযোগ ব্র্যান্ড অস্বীকার করেছেন। তিনি সব অভিযোগের বিরুদ্ধে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। মামলার শুনানি অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিচ-কার্নিভালকে কেন্দ্র করে আজ শুক্র/শনি ২৩ ও ২৪ অক্টোবর পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পর্যটন কেন্দ্র সাগরকন্যা কুয়াকাটা। আবাসিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলো ইতিমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। ফলে রুম সংকট দেখা দিয়েছে। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অধিক পর্যটক দর্শনার্থীদের ভিড় রয়েছে।
বৃহস্পতিবার পুজার ছুটি শেষ হলেও, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর বীচ কার্নিভাল উৎসবকে কেন্দ্র করে অসংখ্য পর্যটক দর্শনার্থীদের আগমন ঘটেছে কুয়াকাটায়। বিপুল সংখ্যক পর্যটক দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।
আগত পর্যটক দর্শনার্থীরা সমুদ্রের নোনাজলে গোসল, খেলাধুলা সহ হৈ হুল্লোড়ে মেতে উঠেছে। তিন নদীর মোহনা, লেম্বুর বন, শুটকি পল্লী, ঝাউ বাগান, গঙ্গামতি ও লাল কাকঁড়ার চরসহ সকল পর্যটন স্পটে রয়েছে পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতি। সৈকতের জিরো পয়েন্টে হৈ-হুল্লোড় ও সমুদ্রে সাতার কেটে আনন্দ উন্মাদনায় মেতেছেন শিশু কিশোর সহ নানা বয়সী ভ্রমণপ্রিয় মানুষ। কেউ সৈকতের বেঞ্চিতে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছে। কেউবা আবার প্রিয়জনের হাতে হাত রেখে সৈকতের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কেউবা আবার মোবাইলে কিংবা ফটোগ্রাফারদের ক্যামেরায় বন্ধী হয়ে এমন সুখকর মুহূর্তগুলোকে স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখছেন। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগের পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি বীচ কার্নিভাল উৎসব পর্যটক দর্শনার্থীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ বলে জানিয়েছেন আগতরা।
বীচ কার্নিভাল উৎসবকে ঘিরে কুয়াকাটায় এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সড়ক ও বীচ এলাকায় তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুন, এলইডি টিভি স্থাপন সহ নানা সাজসজ্জা করা হয়েছে। দুইদিন ব্যাপী বীচ কার্নিভাল উৎসবকে কেন্দ্র করে বীচ ফুটবল, বীচ ম্যারাথন, ঘুরি উৎসব, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুথিপাঠ, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, বাউল গান, পর্যটন বিষয়ক প্রমাণ্য চিত্র, ভলিবল খেলা, সেলিব্রিটি বীচ ক্রিকেট, ফ্যাশন শো, আতশবাজি সহ নানা আয়োজন করা হয়েছে।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত শিল্পী আরমান আলিফ, হাসান (আর্ক), ঐশী সহ দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা গান পরিবেশন করবেন। এর পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পীরাও গান পরিবেশন করবেন কার্নিভাল উৎসবে। বীচ কার্নিভাল উৎসব উপভোগ সহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে প্রায় লক্ষাধিক পর্যটক দর্শনার্থীরা রেজিস্ট্রেশন করেছেন।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে এ বীচ কার্নিভাল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। বীচ কার্নিভাল উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বীচ কার্নিভালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এমপি, পটুয়াখালী-১ আসনের এমপি ও সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপি, স্থানীয় সাংসদ এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি, সংরক্ষিত নারী আসনের মিজ সুলতানা জেসমিন জুঁই, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী এনডিসি প্রমুখ।
এদিকে কুয়াকাটার ৩ শতাধিকেরও বেশি আবাসিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট থাকলেও তা আগাম বুকিং হয়ে যাওয়ায় বুকিং ছাড়া এসে রুম সংকটে পরেছেন পর্যটকরা। পর্যটকদের ভীড়কে পুঁজি করে চা ১০ টাকা, ডাব ২৫০ টাকা পিচ, ভ্যান-আটো ভাড়া ইচ্ছেমতো, খাবার হোটেলে অতিরিক্ত খাবার বিল ও আবাসিক হোটেলে বেশি ভাড়া আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে অনেক হোটেলের বিরুদ্ধে।
পূজার ছুটি এবং বীচ কার্নিভাল উৎসবকে কেন্দ্র করে পর্যটন নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিক্রি বেড়েছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে ব্যবসায়ীদের মাঝে। আগতদের সার্বিক নিরাপত্তায় বিপুল সংখ্যক জেলা পুলিশ, থানা পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। কার্নিভালের দুই দিনে ৩ লাখ পর্যটক আগমনের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
কুয়াকাটা আবাসিক হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ জানান, ইতোমধ্যে আবাসিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোর অধিকাংশই বুকিং হয়ে গেছে। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত পর্যটক দর্শনার্থীদের আগমনে কিছুটা রুম সংকট দেখা দিতে পারে। তবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, এসোসিয়েশনভুক্ত আবাসিক হোটেলগুলোতে নির্ধারিত ভাড়া নেয়া হচ্ছে। এসোসিয়েশন আওতাভুক্ত নয় এমন হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ মো. ইনস্পেক্টর নাজমুল ইসলাম জানান, আগত পর্যটক দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা পুলিশ, এসআরবি সহ গোয়েন্দা সদস্য সাদা পোশাকে বিশেষ নজরদারি রাখবেন। এছাড়াও সড়ক ও মহাসড়কে শৃঙ্খলা রাখতে কুয়াকাটা পৌরসভা সহ ট্রাফিক পুলিশ টহল থাকবে।
কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো ইয়াসিন সাদেক বলেন, পৌর প্রশাসন পর্যটকদের নিরাপত্তা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচারিক অবস্থা অব্যাহত আছে। কুয়াকাটায় কোন আইন অমান্যকারীর ক্ষমা নেই।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মো. আরিফুজ্জামান জানান, পর্যটকদের উপর কোন অন্যায় আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। বীচ কার্নিভালের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। উৎসবকে কেন্দ্র করে বিপুল সংখ্যক পর্যটক দর্শনার্থীদের কথা মাথায় রেখে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে অতিরিক্ত নজরদারি করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস, মেডিক্যাল টিম সহ তথ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সাত দিন অতিবাহিত হলেও, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ ও তদন্ত কমিটি ধারণা করছে, ফ্রিজে শর্টসার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এরপর রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরো বিপজ্জনক করে তোলে। গুদামে থাকা দাহ্য রাসায়নিক পদার্থের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
১৭ অক্টোবর সকালে উখিয়ার পাটুয়ারটেক সৈকতসংলগ্ন মেরিন ড্রাইভের পাশে অবস্থিত তিনতলা রিসোর্টটিতে আগুন লেগে যায়। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে রিসোর্টের মালিক এবং মামলার প্রধান আসামি মো. তানভীর সুলতান মিয়া পলাতক অবস্থায় রয়েছেন। রিসোর্টের আরেক মালিক নেওয়াজ মোরশেদসহ অন্যান্যরা আত্মগোপনে চলে গেছেন। এখন পর্যন্ত পুলিশ সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁকে ৭ দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হয়েছে, তবে রিমান্ড শুনানি এখনো অনুষ্ঠিত হয়নি।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে নিচতলার একটি ফ্রিজে শর্টসার্কিট ঘটে। এরপর আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটে।
ওসির বক্তব্য অনুযায়ী, রিসোর্টের গুদামে দাহ্য রাসায়নিক পদার্থ ছিল, যা তীব্র বাতাস এবং কাঠের অবকাঠামোর কারণে আগুনের বিস্তারকে ত্বরান্বিত করে। তবে, কী ধরনের রাসায়নিক পদার্থ ছিল, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন ঘোষ জানান, আগুনের সূত্রপাত নিয়ে বিভিন্ন তথ্য আসছে। প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আরো সময় প্রয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ