বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৪ পি.এম
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারদের আস্থা অর্জন এবং নির্বাচিত হওয়ার পর জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তৃণমূলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সমীকরণ তৈরি হতে যাচ্ছে।
সরকার গঠন করার পর বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও সুসংগঠিত, গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছেন। দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নেতাকর্মীদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে যাতে উন্নয়নের সুফল তৃণমূলের মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে এবং স্থানীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব বাছাই করা যায়।
সরকারের ধারণা, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দলীয় পর্যায়ে যোগ্য ও জনপ্রিয় নেতৃত্ব বাছাইয়ের পাশাপাশি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দূরত্ব কমবে, জনসম্পৃক্ততা বাড়বে এবং এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সমস্যার প্রতি দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি পাবে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল নেতাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে এবং তাদের মধ্যে দায়বোধ সৃষ্টি হয়েছে। তারা নিজ উদ্যোগে ভোটারদের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখছেন। ফলে ভোটারদের সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনপ্রিয়তা অর্জন এবং ভোটারদের আস্থা ধরে রাখতে নেতারা এলাকায় সময় দিচ্ছেন। স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন বিরোধ ও সমস্যা সমাধানে তারা এগিয়ে আসছেন। ফলে নির্বাচনের পূর্বে জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সরাসরি যোগাযোগ ও দায়বদ্ধতার সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এবার কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না। এই কারণে ভোটাররা প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা এবং এলাকার মানুষের জন্য তার ভূমিকা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। স্থানীয় নেতাদের জনগণের কাছে যেতে হচ্ছে নিজেদের জনপ্রিয়তা বাড়াতে ও ভোটারদের আস্থা অর্জনের জন্য।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকলেও স্থানীয়ভাবে বিএনপি-সমর্থিত নির্দিষ্ট প্রার্থী থাকতে পারে। তবে এককভাবে কোনো প্রার্থীকে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার সুযোগ নেই। স্থানীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীকে সামনে আনার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সরকার নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। দলীয় প্রতীক না থাকলেও কোনো প্রার্থী কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত, তা স্থানীয়ভাবে মানুষের কাছে পরিচিত হতে পারে। তবে এ কারণে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতায় কোনো প্রভাব পড়বে না।
স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্টরা জানান, চলতি অর্থবছরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের সর্বস্তরে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে সঙ্গে নিয়ে বেশ কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ভালো ফল করার জন্য যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা ও স্থানীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতাকে প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সরকার নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করবে। স্থানীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রশাসকদের দায়িত্ব শেষ না হলে পরে সমালোচনা সৃষ্টি হতে পারে।
তিনি বলেন, ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধি দায়িত্ব গ্রহণ করলে জনগণের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি পাবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার কারণে এলাকার মানুষের সমস্যা, উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ভোটারদের সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হবে।
এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনও প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। কমিশন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের দিন-তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের প্রাক্কলন করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সাত ধাপে আয়োজনের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রথম ধাপের ভোট ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপে আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপে ২৭ মে ভোট গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।
দেশে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলররা সরাসরি জনগণের গোপন ভোটে নির্বাচিত হন। নির্ধারিত এলাকার ভোটাররা সরাসরি তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করেন।
অন্যদিকে জেলা পরিষদের সদস্য ও চেয়ারম্যানরা সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভোটে পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন আইনে এসব নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২০ ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রণীত বিধি অনুসারে ইসি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্বাচন আয়োজন, পরিচালনা ও সম্পাদন করবে। ভোট গ্রহণের তারিখ, সময়, স্থান এবং নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে বিধান করার ক্ষমতাও নির্বাচন কমিশনের রয়েছে। উপজেলা পরিষদ আইনেও একই ধরনের বিধান রয়েছে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ৭ দশমিক ২৫ ডলার থেকে ২৫ ডলারে উন্নীত করার একটি বড় প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে। এই প্রস্তাবিত বিলের নাম ‘সবার জন্য জীবিকার উপযোগী মজুরি আইন’, যা ২০২৬ সালের ১৪ জুলাই সিনেটে উপস্থাপন করা হয়। পরে এটি সংশ্লিষ্ট কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। তবে, এই বিলটি এখনও আইনে পরিণত হয়নি।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ৭ দশমিক ২৫ ডলার রয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে একবারে এই মজুরি ২৫ ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেই। বরং, ধাপে ধাপে মজুরি বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ১২ ডলারে উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে। এরপর ধাপে ধাপে তা ২৫ ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনে বড় ও ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা সময়সীমা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। বড় নিয়োগদাতাদের ২০৩২ সালের মধ্যে কর্মীদের ঘণ্টায় ২৫ ডলার মজুরি দেওয়ার লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। অন্যদিকে, ছোট ব্যবসাগুলোকে এই পরিবর্তনের জন্য আরও বেশি সময় দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যার সময়সীমা ২০৩৯ সাল পর্যন্ত হতে পারে।
বিলটিতে ভবিষ্যতে ন্যূনতম মজুরি সমন্বয়ের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২৫ ডলারে পৌঁছানোর পর, জাতীয় মধ্যম মজুরির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি নিয়মিত সমন্বয় করার প্রস্তাব রয়েছে। এর ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় ও দেশের সামগ্রিক মজুরি কাঠামোর পরিবর্তনের সঙ্গে ন্যূনতম মজুরি সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রস্তাবটির সমর্থকেরা মনে করেন, দীর্ঘ সময় ধরে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি অপরিবর্তিত থাকার কারণে কর্মীদের আয় জীবনযাত্রার ব্যয় ও সামগ্রিক মজুরি বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়েনি। তাদের মতে, ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো হলে কম আয়ের কর্মীদের উপার্জন বৃদ্ধি পেতে পারে।
তবে, সমালোচকেরা বড় ধরনের মজুরি বৃদ্ধির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তাদের আশঙ্কা, এতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শ্রম ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে পণ্যের দাম, নতুন নিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ছোট ব্যবসাগুলোর ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।
তবে, প্রস্তাবিত বিলটি এখনও আইন হয়নি। ১৪ জুলাই সিনেটে উত্থাপনের পর এটি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শ্রম ও পেনশনবিষয়ক কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। অর্থাৎ, বিলটি এখনও আইন প্রণয়নের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এটি কার্যকর হতে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে অনুমোদন এবং প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরসহ আরও কয়েকটি ধাপ পেরোতে হবে।
ফলে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ৭ দশমিক ২৫ ডলারই রয়েছে। ঘণ্টায় ২৫ ডলারের মজুরি এখনো কেবল প্রস্তাবিত বিলের অংশ, কার্যকর কোনো আইন নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরে কলার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার ১৩টি উপজেলায় কমবেশি কলা উৎপাদন হলেও বীরগঞ্জ ও কাহারোলে মেহের সাগর কলার আবাদ সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। অল্প পুঁজি এবং ভালো লাভের কারণে কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কাহারোল উপজেলার দশমাইল মোড়ে জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম কলার হাট বসে। এই হাটে প্রতিদিন কোটি টাকার কলা বিক্রি হয়ে থাকে।
বিক্রি শুরু হয় ভোর ৫টা থেকে এবং সকাল ১০টার মধ্যে তা শেষ হয়ে যায়। প্রতিদিন গড়ে ১৬ থেকে ২০টি ট্রাকে কলা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়।
হাটের ইজারাদার মো. মিজান জানান, বড় ট্রাকে প্রায় ৭০০ এবং ছোট ট্রাকে ৪৫০ কাঁদি কলা ধারণ করা হয়। মৌসুমে লোড-আনলোডের কাজে অন্তত ১০০ শ্রমিক নিয়োজিত থাকেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে বীরগঞ্জে ৩১৫ হেক্টর, কাহারোলে ৩২৫ হেক্টর এবং পুরো জেলায় মোট প্রায় ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে কলার চাষ হয়েছে।
কাহারোলের কৃষক সুমন আলী জানান, এক বিঘা জমিতে কলা চাষে তার খরচ হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা। কলা বিক্রি করে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। ফলে তার লাভ হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা।
ঢাকার ব্যবসায়ী আকবর আলী জানান, গত বছর ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় কেনা এক কাঁদি কলা এবার ৬০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, অন্যান্য ফসলের তুলনায় কলা চাষে লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে হিমাগারের অভাবের কারণে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ কলা নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যও কৃষকদের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানাধীন নিউ মার্কেট বি ব্লকের তৃতীয় তলায় একটি কাপড়ের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।
নন্দনকানন ফায়ার স্টেশনের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা গণমাধ্যমকে জানান, চট্টগ্রাম নিউ মার্কেটের বি ব্লকের তৃতীয় তলায় একটি কাপড়ের গুদামে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একটি পুরোনো সাময়িকী, যা ১৩২ বছর আগে গ্রন্থাগার থেকে ধার নেওয়া হয়েছিল, সেটি যে জন হ্যানসন জানতেন না, তা বছরের পর বছর বাড়িতে পড়ে থাকার কারণে। অবশেষে, সেই সাময়িকীটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরিতে ফিরে এসেছে।
এই তথ্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
জন হ্যানসন নিউ হ্যাম্পশায়ারের নিকটবর্তী এলাকায় বসবাস করেন। বহু বছর ধরে তার বাড়িতে একটি পুরোনো সাময়িকী পড়ে থাকার বিষয়টি তার নজরে এসেছে। তবে, সেটি কিভাবে তার বাড়িতে এসেছে, সে সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না।
পরে জানা যায়, সাময়িকীটি কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরি থেকে ১৮৯৪ সালে ধার নেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, এটি প্রায় ১৩২ বছর আগে ধার নেওয়া হয়েছিল।
গত সপ্তাহে, সাময়িকীটি গ্রন্থাগারে ফেরত দেওয়া হয়। হিসাব অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের ৪৮ হাজার ২২০ দিন পর এটি গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষের কাছে ফিরে এসেছে।
সাময়িকীটির নাম ‘দ্য সেঞ্চুরি ইলাস্ট্রেটেড মান্থলি ম্যাগাজিন’। এটি ১৮৯৪ সালের সেপ্টেম্বর সংখ্যার সাময়িকী।
গ্রন্থাগারের নিয়ম অনুযায়ী, এত দীর্ঘ সময় পর সাময়িকীটি ফেরত দিলে জরিমানা হওয়ার কথা ছিল ১২ হাজার ৫৫ ডলার। তবে, হ্যানসনকে কোনো জরিমানা দিতে হচ্ছে না।
কারণ, কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরি গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে এক বছর মেয়াদি জরিমানা মওকুফের বিশেষ সুযোগ চালু করেছে। স্থানীয় সংবাদপত্রে গ্রন্থাগারের জরিমানা বাতিলের খবর পড়ে হ্যানসন সাময়িকীটি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষও এই বিষয়টি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের বকেয়া বই বা সাময়িকী ফেরত আসবে—এমন আশা থাকলেও উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগের কোনো সাময়িকী এভাবে ফিরে আসবে, তা তারা কল্পনাও করেননি।
১৩২ বছর পর সাময়িকীটি গ্রন্থাগারে ফিরলেও, এটি আর সাধারণ পাঠকদের পড়ার জন্য রাখা হবে না। গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ এটিকে ‘কনকর্ড কক্ষ’-এ সংরক্ষণের পরিকল্পনা করছে। সেখানে স্থানীয় ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষণ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ