প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
একটি পুরোনো সাময়িকী, যা ১৩২ বছর আগে গ্রন্থাগার থেকে ধার নেওয়া হয়েছিল, সেটি যে জন হ্যানসন জানতেন না, তা বছরের পর বছর বাড়িতে পড়ে থাকার কারণে। অবশেষে, সেই সাময়িকীটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরিতে ফিরে এসেছে।
এই তথ্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
জন হ্যানসন নিউ হ্যাম্পশায়ারের নিকটবর্তী এলাকায় বসবাস করেন। বহু বছর ধরে তার বাড়িতে একটি পুরোনো সাময়িকী পড়ে থাকার বিষয়টি তার নজরে এসেছে। তবে, সেটি কিভাবে তার বাড়িতে এসেছে, সে সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না।
পরে জানা যায়, সাময়িকীটি কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরি থেকে ১৮৯৪ সালে ধার নেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, এটি প্রায় ১৩২ বছর আগে ধার নেওয়া হয়েছিল।
গত সপ্তাহে, সাময়িকীটি গ্রন্থাগারে ফেরত দেওয়া হয়। হিসাব অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের ৪৮ হাজার ২২০ দিন পর এটি গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষের কাছে ফিরে এসেছে।
সাময়িকীটির নাম ‘দ্য সেঞ্চুরি ইলাস্ট্রেটেড মান্থলি ম্যাগাজিন’। এটি ১৮৯৪ সালের সেপ্টেম্বর সংখ্যার সাময়িকী।
গ্রন্থাগারের নিয়ম অনুযায়ী, এত দীর্ঘ সময় পর সাময়িকীটি ফেরত দিলে জরিমানা হওয়ার কথা ছিল ১২ হাজার ৫৫ ডলার। তবে, হ্যানসনকে কোনো জরিমানা দিতে হচ্ছে না।
কারণ, কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরি গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে এক বছর মেয়াদি জরিমানা মওকুফের বিশেষ সুযোগ চালু করেছে। স্থানীয় সংবাদপত্রে গ্রন্থাগারের জরিমানা বাতিলের খবর পড়ে হ্যানসন সাময়িকীটি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষও এই বিষয়টি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের বকেয়া বই বা সাময়িকী ফেরত আসবে—এমন আশা থাকলেও উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগের কোনো সাময়িকী এভাবে ফিরে আসবে, তা তারা কল্পনাও করেননি।
১৩২ বছর পর সাময়িকীটি গ্রন্থাগারে ফিরলেও, এটি আর সাধারণ পাঠকদের পড়ার জন্য রাখা হবে না। গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ এটিকে ‘কনকর্ড কক্ষ’-এ সংরক্ষণের পরিকল্পনা করছে। সেখানে স্থানীয় ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষণ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন