বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৫ পি.এম
চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানাধীন নিউ মার্কেট বি ব্লকের তৃতীয় তলায় একটি কাপড়ের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।
নন্দনকানন ফায়ার স্টেশনের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা গণমাধ্যমকে জানান, চট্টগ্রাম নিউ মার্কেটের বি ব্লকের তৃতীয় তলায় একটি কাপড়ের গুদামে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একটি পুরোনো সাময়িকী, যা ১৩২ বছর আগে গ্রন্থাগার থেকে ধার নেওয়া হয়েছিল, সেটি যে জন হ্যানসন জানতেন না, তা বছরের পর বছর বাড়িতে পড়ে থাকার কারণে। অবশেষে, সেই সাময়িকীটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরিতে ফিরে এসেছে।
এই তথ্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
জন হ্যানসন নিউ হ্যাম্পশায়ারের নিকটবর্তী এলাকায় বসবাস করেন। বহু বছর ধরে তার বাড়িতে একটি পুরোনো সাময়িকী পড়ে থাকার বিষয়টি তার নজরে এসেছে। তবে, সেটি কিভাবে তার বাড়িতে এসেছে, সে সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না।
পরে জানা যায়, সাময়িকীটি কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরি থেকে ১৮৯৪ সালে ধার নেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, এটি প্রায় ১৩২ বছর আগে ধার নেওয়া হয়েছিল।
গত সপ্তাহে, সাময়িকীটি গ্রন্থাগারে ফেরত দেওয়া হয়। হিসাব অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের ৪৮ হাজার ২২০ দিন পর এটি গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষের কাছে ফিরে এসেছে।
সাময়িকীটির নাম ‘দ্য সেঞ্চুরি ইলাস্ট্রেটেড মান্থলি ম্যাগাজিন’। এটি ১৮৯৪ সালের সেপ্টেম্বর সংখ্যার সাময়িকী।
গ্রন্থাগারের নিয়ম অনুযায়ী, এত দীর্ঘ সময় পর সাময়িকীটি ফেরত দিলে জরিমানা হওয়ার কথা ছিল ১২ হাজার ৫৫ ডলার। তবে, হ্যানসনকে কোনো জরিমানা দিতে হচ্ছে না।
কারণ, কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরি গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে এক বছর মেয়াদি জরিমানা মওকুফের বিশেষ সুযোগ চালু করেছে। স্থানীয় সংবাদপত্রে গ্রন্থাগারের জরিমানা বাতিলের খবর পড়ে হ্যানসন সাময়িকীটি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষও এই বিষয়টি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের বকেয়া বই বা সাময়িকী ফেরত আসবে—এমন আশা থাকলেও উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগের কোনো সাময়িকী এভাবে ফিরে আসবে, তা তারা কল্পনাও করেননি।
১৩২ বছর পর সাময়িকীটি গ্রন্থাগারে ফিরলেও, এটি আর সাধারণ পাঠকদের পড়ার জন্য রাখা হবে না। গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ এটিকে ‘কনকর্ড কক্ষ’-এ সংরক্ষণের পরিকল্পনা করছে। সেখানে স্থানীয় ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষণ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের একটি হাফেজিয়া মাদরাসার ভেতরে খাদিজা খাতুন (১৬) নামের এক আবাসিক ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর ওয়াপদা বাজার এলাকায়।
মরদেহটি রাতেই উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
তবে মাদরাসার ভেতর কীভাবে ছাত্রী মারা গেল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর শ্যামপুর গ্রাম থেকে হযরত রাবেয়া বসরী (রহ.) মহিলা হাফেজিয়া মাদরাসার সুপার সুলাইমান সরদার (৩৮) এবং তার স্ত্রী, ওই মাদরাসার শিক্ষিকা মদিনা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
নিহত ওই ছাত্রী সিংড়া উপজেলার শালিখা গ্রামের মৃত খলিল উদ্দিনের কন্যা। উল্লেখ্য, মাদরাসা সুপার সুলাইমান সরদারও একই গ্রামের বাসিন্দা।
নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, ওই কিশোরীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল মঙ্গলবার দুপুরে। তিনি বলেন, "ময়নাতদন্ত করলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।"
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ছাত্রী খাদিজা খাতুন হযরত রাবেয়া বসরী (রহ.) মহিলা হাফেজিয়া মাদরাসার আবাসিক ছাত্রী ছিলেন।
মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে আকস্মিকভাবে ওই মাদরাসা থেকে খাদিজাকে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান তার মা ও খালু। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক খাদিজাকে মৃত ঘোষণা করেন। সন্ধ্যা নাগাদ ঘটনাটি জানাজানি হলে মৃত্যুর কারণ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে আসে গুরুদাসপুর থানা ও নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, "ঘটনাস্থল ওই মাদরাসা পরিদর্শন করেছেন তিনি।" নিহত ওই ছাত্রীর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবুও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদরাসার সুপার ও এক শিক্ষিকাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। ছাত্রী মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে ওই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় মাদরাসার গোসলখানায় পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন খাদিজা, এমন তথ্য প্রচার করেন তার মা। আবার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ারও দাবি করা হয়। মরদেহটি ময়নাতদন্ত করতেও বাধা দিয়ে নাটোর সদর হাসপাতালের সামনে উত্তেজনা তৈরি করেন নিহত খাদিজার মা ও স্বজনেরা।
নিহত মাদরাসা ছাত্রী খাদিজার মা মেয়ের মৃত্যুর কারণ নিয়ে কিছু বলতে রাজি হননি। তবে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে থাকায় মাদরাসা সুপার ও তার স্ত্রীর এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, "ওই হাফিজিয়া মাদরাসায় বেশ কিছু ছাত্রী আবাসিকে থেকে পবিত্র কুরআন হিফজ করছেন।" মাদরাসার ভেতরেই সেখানকার এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি খবর পেয়েছেন। তবে হত্যা নাকি দুর্ঘটনা এ ব্যাপারে তার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত চান তিনি।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান মাদরাসা ছাত্রী খাদিজা নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "পরিবারের অসম্মতি থাকলেও সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ওই ছাত্রীর মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।" ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেবেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদহার বৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীরা এর প্রভাব বিশ্লেষণ করছেন। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি বছরের শেষ নাগাদ আরও এক দফা সুদহার বৃদ্ধির ইঙ্গিত প্রদান করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ২৯৫ দশমিক ২৬ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে, বুধবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে স্পট সোনার দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৩২৮ দশমিক ৩৯ ডলারে উঠেছিল। তবে, পরবর্তী সময়ে সোনার দাম হঠাৎ করে প্রায় ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়। পরদিন আবারও মূল্যবান এই ধাতুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে, ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনার ফিউচার মূল্য ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৩৩ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে এসেছে।
এদিকে, সৌদি আরব ওমানের মাধ্যমে অতিরিক্ত অপরিশোধিত তেল সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়ার খবরের পর তেলের দাম কমেছে। এর ফলে আগের দরপতন আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং মন্তব্য করেছেন, "তেলের দামের গতিপথ এখন বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি বলেন, "যদি তেলের দাম কমতে থাকে, তাহলে মধ্যমেয়াদে তা সোনার দাম বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।" তবে, যদি তেলের দাম কমার প্রবণতা অব্যাহত না থাকে, তাহলে সোনার দাম একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।
তিনি আরও জানান, সোনার সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে কারিগরি বাজার পরিস্থিতিরও ভূমিকা রয়েছে। ফেডের কঠোর নীতির বার্তা ইতোমধ্যে বাজারদরে প্রতিফলিত হয়েছে।
সাধারণত, মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষিত বিনিয়োগ হিসেবে সোনাকে বিবেচনা করা হয়। তবে, সুদহার বৃদ্ধির ফলে সুদনির্ভর সম্পদে বিনিয়োগের আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়। ফলে, সোনার চাহিদা ও আকর্ষণ কিছুটা কমতে পারে।
বুধবার সুদহার বৃদ্ধির পাশাপাশি, চলতি বছরের শেষ নাগাদ আরও এক দফা সুদহার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছে ফেড। সংস্থাটির সর্বশেষ ত্রৈমাসিক অর্থনৈতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১৮ জন নীতিনির্ধারকের মধ্যে ১৬ জনই বছরের শেষ নাগাদ অন্তত আরও একবার শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশীয় পয়েন্ট সুদহার বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছেন। বাকি দুজন সুদহার বর্তমান অবস্থায় রাখার পক্ষে রয়েছেন।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সুদহার অপরিবর্তিত রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, জ্বালানির দাম বাড়তে থাকলে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকও ফেডের মতো সুদহার বৃদ্ধির পথে যাবে কি না, সেদিকে বিনিয়োগকারীরা নজর রাখছেন।
ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও সোনার বাজারে প্রভাব ফেলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, "ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের অবসান কাছাকাছি বলে তিনি আশা করছেন।" দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরব ইয়েমেনে হামলা জোরদার করেছে। অন্যদিকে, হুথি যোদ্ধারাও সৌদি শহরগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
এদিকে, স্পট মার্কেটে রুপার দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৩ দশমিক ৭৩ ডলারে উঠেছে। প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৮৩ দশমিক ৫৬ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৯৬ দশমিক ৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শৈশবে কাগজের উড়োজাহাজ তৈরি করে খেলা অনেকেরই স্মৃতিতে থাকে। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে সেই আনন্দের স্মৃতিগুলি হারিয়ে যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড রাশ আবারও সেই শৈশবের খেলাকে নতুন করে বিশ্ব রেকর্ডে পরিণত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো অঙ্গরাজ্যের বোইজিতে, এক ঘণ্টার মধ্যে ৪১৫টি কাগজের উড়োজাহাজ তৈরি করেছেন ডেভিড রাশ। এই কৃতিত্বের মাধ্যমে তিনি গিনেস বিশ্ব রেকর্ডে আবারও নিজের নাম লেখাতে সক্ষম হয়েছেন। প্রতিটি উড়োজাহাজ তৈরিতে তার গড়ে সময় লেগেছে মাত্র ৮ দশমিক ৬৭ সেকেন্ড।
এর আগে, ডেভিড রাশ ২০০টিরও বেশি বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করেছেন। ধারাবাহিকভাবে সবচেয়ে বেশি গিনেস বিশ্ব রেকর্ড গড়ার মালিক হিসেবেও তিনি পরিচিত।
নতুন রেকর্ড গড়ার জন্য বোইজির ওয়াইএমসিএর র্যাকেটবল কোর্টে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন ডেভিড রাশ। তার উদ্দেশ্য ছিল এক ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি কাগজের উড়োজাহাজ তৈরির রেকর্ডটি নিজের করে নেওয়া। তবে এই কাজটি মোটেও সহজ ছিল না।
ডেভিড রাশ জানিয়েছেন, গিনেস বিশ্ব রেকর্ডসের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি কাগজের উড়োজাহাজ তৈরিতে সাত ধাপের নির্দিষ্ট ভাঁজ অনুসরণ করতে হয়েছে। শুধু উড়োজাহাজ তৈরি করলেই হবে না, সেগুলো নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করেছে কিনা, সেটিও নিশ্চিত করতে হয়েছে।
ফলে, পুরো প্রক্রিয়ায় দ্রুততার পাশাপাশি নির্ভুলতা এবং সমন্বয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
একটি অনলাইন পোস্টে ডেভিড রাশ উল্লেখ করেছেন, তার সহকারীদের একটি দল কাগজ সরবরাহ, তৈরি করা উড়োজাহাজ নির্ধারিত বিচারকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সেগুলো ছুড়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করেছে কিনা তা নিশ্চিত করার কাজ করেছে।
গত ৩০ মে, এক ঘণ্টায় সর্বাধিক সংখ্যক কাগজের উড়োজাহাজ তৈরির রেকর্ড গড়ার উদ্যোগ নেন ডেভিড রাশ। তিনি এক ঘণ্টায় ৪১৫টি উড়োজাহাজ তৈরি করতে সক্ষম হন।
তবে, এখানেই থামতে চান না ডেভিড রাশ। বর্তমানে তার লক্ষ্য আরও দ্রুত কাগজের উড়োজাহাজ বানানো এবং ছোড়ার রেকর্ড ভাঙা। বর্তমানে এই রেকর্ডটি ৪ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডের।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ