বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৫ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ৭ দশমিক ২৫ ডলার থেকে ২৫ ডলারে উন্নীত করার একটি বড় প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে। এই প্রস্তাবিত বিলের নাম ‘সবার জন্য জীবিকার উপযোগী মজুরি আইন’, যা ২০২৬ সালের ১৪ জুলাই সিনেটে উপস্থাপন করা হয়। পরে এটি সংশ্লিষ্ট কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। তবে, এই বিলটি এখনও আইনে পরিণত হয়নি।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ৭ দশমিক ২৫ ডলার রয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে একবারে এই মজুরি ২৫ ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেই। বরং, ধাপে ধাপে মজুরি বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ১২ ডলারে উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে। এরপর ধাপে ধাপে তা ২৫ ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনে বড় ও ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা সময়সীমা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। বড় নিয়োগদাতাদের ২০৩২ সালের মধ্যে কর্মীদের ঘণ্টায় ২৫ ডলার মজুরি দেওয়ার লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। অন্যদিকে, ছোট ব্যবসাগুলোকে এই পরিবর্তনের জন্য আরও বেশি সময় দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যার সময়সীমা ২০৩৯ সাল পর্যন্ত হতে পারে।
বিলটিতে ভবিষ্যতে ন্যূনতম মজুরি সমন্বয়ের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২৫ ডলারে পৌঁছানোর পর, জাতীয় মধ্যম মজুরির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি নিয়মিত সমন্বয় করার প্রস্তাব রয়েছে। এর ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় ও দেশের সামগ্রিক মজুরি কাঠামোর পরিবর্তনের সঙ্গে ন্যূনতম মজুরি সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রস্তাবটির সমর্থকেরা মনে করেন, দীর্ঘ সময় ধরে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি অপরিবর্তিত থাকার কারণে কর্মীদের আয় জীবনযাত্রার ব্যয় ও সামগ্রিক মজুরি বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়েনি। তাদের মতে, ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো হলে কম আয়ের কর্মীদের উপার্জন বৃদ্ধি পেতে পারে।
তবে, সমালোচকেরা বড় ধরনের মজুরি বৃদ্ধির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তাদের আশঙ্কা, এতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শ্রম ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে পণ্যের দাম, নতুন নিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ছোট ব্যবসাগুলোর ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।
তবে, প্রস্তাবিত বিলটি এখনও আইন হয়নি। ১৪ জুলাই সিনেটে উত্থাপনের পর এটি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শ্রম ও পেনশনবিষয়ক কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। অর্থাৎ, বিলটি এখনও আইন প্রণয়নের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এটি কার্যকর হতে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে অনুমোদন এবং প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরসহ আরও কয়েকটি ধাপ পেরোতে হবে।
ফলে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ৭ দশমিক ২৫ ডলারই রয়েছে। ঘণ্টায় ২৫ ডলারের মজুরি এখনো কেবল প্রস্তাবিত বিলের অংশ, কার্যকর কোনো আইন নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরে কলার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার ১৩টি উপজেলায় কমবেশি কলা উৎপাদন হলেও বীরগঞ্জ ও কাহারোলে মেহের সাগর কলার আবাদ সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। অল্প পুঁজি এবং ভালো লাভের কারণে কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কাহারোল উপজেলার দশমাইল মোড়ে জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম কলার হাট বসে। এই হাটে প্রতিদিন কোটি টাকার কলা বিক্রি হয়ে থাকে।
বিক্রি শুরু হয় ভোর ৫টা থেকে এবং সকাল ১০টার মধ্যে তা শেষ হয়ে যায়। প্রতিদিন গড়ে ১৬ থেকে ২০টি ট্রাকে কলা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়।
হাটের ইজারাদার মো. মিজান জানান, বড় ট্রাকে প্রায় ৭০০ এবং ছোট ট্রাকে ৪৫০ কাঁদি কলা ধারণ করা হয়। মৌসুমে লোড-আনলোডের কাজে অন্তত ১০০ শ্রমিক নিয়োজিত থাকেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে বীরগঞ্জে ৩১৫ হেক্টর, কাহারোলে ৩২৫ হেক্টর এবং পুরো জেলায় মোট প্রায় ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে কলার চাষ হয়েছে।
কাহারোলের কৃষক সুমন আলী জানান, এক বিঘা জমিতে কলা চাষে তার খরচ হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা। কলা বিক্রি করে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। ফলে তার লাভ হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা।
ঢাকার ব্যবসায়ী আকবর আলী জানান, গত বছর ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় কেনা এক কাঁদি কলা এবার ৬০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, অন্যান্য ফসলের তুলনায় কলা চাষে লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে হিমাগারের অভাবের কারণে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ কলা নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যও কৃষকদের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানাধীন নিউ মার্কেট বি ব্লকের তৃতীয় তলায় একটি কাপড়ের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।
নন্দনকানন ফায়ার স্টেশনের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা গণমাধ্যমকে জানান, চট্টগ্রাম নিউ মার্কেটের বি ব্লকের তৃতীয় তলায় একটি কাপড়ের গুদামে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একটি পুরোনো সাময়িকী, যা ১৩২ বছর আগে গ্রন্থাগার থেকে ধার নেওয়া হয়েছিল, সেটি যে জন হ্যানসন জানতেন না, তা বছরের পর বছর বাড়িতে পড়ে থাকার কারণে। অবশেষে, সেই সাময়িকীটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরিতে ফিরে এসেছে।
এই তথ্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
জন হ্যানসন নিউ হ্যাম্পশায়ারের নিকটবর্তী এলাকায় বসবাস করেন। বহু বছর ধরে তার বাড়িতে একটি পুরোনো সাময়িকী পড়ে থাকার বিষয়টি তার নজরে এসেছে। তবে, সেটি কিভাবে তার বাড়িতে এসেছে, সে সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না।
পরে জানা যায়, সাময়িকীটি কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরি থেকে ১৮৯৪ সালে ধার নেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, এটি প্রায় ১৩২ বছর আগে ধার নেওয়া হয়েছিল।
গত সপ্তাহে, সাময়িকীটি গ্রন্থাগারে ফেরত দেওয়া হয়। হিসাব অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের ৪৮ হাজার ২২০ দিন পর এটি গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষের কাছে ফিরে এসেছে।
সাময়িকীটির নাম ‘দ্য সেঞ্চুরি ইলাস্ট্রেটেড মান্থলি ম্যাগাজিন’। এটি ১৮৯৪ সালের সেপ্টেম্বর সংখ্যার সাময়িকী।
গ্রন্থাগারের নিয়ম অনুযায়ী, এত দীর্ঘ সময় পর সাময়িকীটি ফেরত দিলে জরিমানা হওয়ার কথা ছিল ১২ হাজার ৫৫ ডলার। তবে, হ্যানসনকে কোনো জরিমানা দিতে হচ্ছে না।
কারণ, কনকর্ড পাবলিক লাইব্রেরি গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে এক বছর মেয়াদি জরিমানা মওকুফের বিশেষ সুযোগ চালু করেছে। স্থানীয় সংবাদপত্রে গ্রন্থাগারের জরিমানা বাতিলের খবর পড়ে হ্যানসন সাময়িকীটি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষও এই বিষয়টি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের বকেয়া বই বা সাময়িকী ফেরত আসবে—এমন আশা থাকলেও উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগের কোনো সাময়িকী এভাবে ফিরে আসবে, তা তারা কল্পনাও করেননি।
১৩২ বছর পর সাময়িকীটি গ্রন্থাগারে ফিরলেও, এটি আর সাধারণ পাঠকদের পড়ার জন্য রাখা হবে না। গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ এটিকে ‘কনকর্ড কক্ষ’-এ সংরক্ষণের পরিকল্পনা করছে। সেখানে স্থানীয় ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষণ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের একটি হাফেজিয়া মাদরাসার ভেতরে খাদিজা খাতুন (১৬) নামের এক আবাসিক ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর ওয়াপদা বাজার এলাকায়।
মরদেহটি রাতেই উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
তবে মাদরাসার ভেতর কীভাবে ছাত্রী মারা গেল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর শ্যামপুর গ্রাম থেকে হযরত রাবেয়া বসরী (রহ.) মহিলা হাফেজিয়া মাদরাসার সুপার সুলাইমান সরদার (৩৮) এবং তার স্ত্রী, ওই মাদরাসার শিক্ষিকা মদিনা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
নিহত ওই ছাত্রী সিংড়া উপজেলার শালিখা গ্রামের মৃত খলিল উদ্দিনের কন্যা। উল্লেখ্য, মাদরাসা সুপার সুলাইমান সরদারও একই গ্রামের বাসিন্দা।
নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, ওই কিশোরীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল মঙ্গলবার দুপুরে। তিনি বলেন, "ময়নাতদন্ত করলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।"
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ছাত্রী খাদিজা খাতুন হযরত রাবেয়া বসরী (রহ.) মহিলা হাফেজিয়া মাদরাসার আবাসিক ছাত্রী ছিলেন।
মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে আকস্মিকভাবে ওই মাদরাসা থেকে খাদিজাকে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান তার মা ও খালু। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক খাদিজাকে মৃত ঘোষণা করেন। সন্ধ্যা নাগাদ ঘটনাটি জানাজানি হলে মৃত্যুর কারণ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে আসে গুরুদাসপুর থানা ও নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, "ঘটনাস্থল ওই মাদরাসা পরিদর্শন করেছেন তিনি।" নিহত ওই ছাত্রীর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবুও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদরাসার সুপার ও এক শিক্ষিকাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। ছাত্রী মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে ওই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় মাদরাসার গোসলখানায় পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন খাদিজা, এমন তথ্য প্রচার করেন তার মা। আবার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ারও দাবি করা হয়। মরদেহটি ময়নাতদন্ত করতেও বাধা দিয়ে নাটোর সদর হাসপাতালের সামনে উত্তেজনা তৈরি করেন নিহত খাদিজার মা ও স্বজনেরা।
নিহত মাদরাসা ছাত্রী খাদিজার মা মেয়ের মৃত্যুর কারণ নিয়ে কিছু বলতে রাজি হননি। তবে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে থাকায় মাদরাসা সুপার ও তার স্ত্রীর এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, "ওই হাফিজিয়া মাদরাসায় বেশ কিছু ছাত্রী আবাসিকে থেকে পবিত্র কুরআন হিফজ করছেন।" মাদরাসার ভেতরেই সেখানকার এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি খবর পেয়েছেন। তবে হত্যা নাকি দুর্ঘটনা এ ব্যাপারে তার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত চান তিনি।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান মাদরাসা ছাত্রী খাদিজা নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "পরিবারের অসম্মতি থাকলেও সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ওই ছাত্রীর মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।" ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেবেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ