মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৮ পি.এম
পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং নির্বাচনি উত্তেজনার কারণে ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। জুনের শুরু থেকে এই অঞ্চলে মোবাইল ডাটা এবং ব্রডব্যান্ড সেবা আংশিক ও পূর্ণাঙ্গভাবে বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভের পর তিন ধাপে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যার শেষ ধাপ সম্পন্ন হয় ১০ আগস্ট। নতুন সরকার গঠিত হলেও ইন্টারনেট সেবা স্বাভাবিক না হওয়ায় স্থানীয় জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অনলাইন ব্যাংকিং ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ব্যবহারে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় পুরো অঞ্চলে ডিজিটাল লেনদেন এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির হয়ে গেছে। একই সঙ্গে অনলাইনের সুবিধা না থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সরকার বাধ্য হয়ে ভর্তি পরীক্ষাও পিছিয়ে দিয়েছে।
ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়টি পর্যবেক্ষণকারী বৈশ্বিক স্বাধীন সংস্থা 'নেটব্লকস' নিশ্চিত করেছে যে, গত ৫ জুন থেকে ওই অঞ্চলে আংশিক ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট বা সংযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনা ঘটছে।
মূলত, এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে ২৭ জুলাইয়ের নির্ধারিত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। ৫ জুন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তৃণমূলভিত্তিক সংগঠন ‘জম্মু কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’ (জেকেজেএএসি)-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সংগঠনটি আইনসভায় শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন বাতিলের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করে আসছিল। এই নিষেধাজ্ঞার পর কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান নেয় এবং ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়, যা পরবর্তীতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের প্রাণঘাতী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় অধিবাসী এবং বিভিন্ন সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী, এসব রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাত সদস্যসহ নিহতের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। তবে মৃত্যুর এই সংখ্যা স্বাধীন কোনো মাধ্যম থেকে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, কাশ্মীর ভূখণ্ডটি ভারত এবং পাকিস্তান উভয় দেশই নিজেদের বলে দাবি করে। পাকিস্তান-শাসিত অংশটি একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হয়, যেখানে নিজস্ব প্রধানমন্ত্রী এবং ৪৫ সদস্যের আইনসভা রয়েছে। এই আইনসভার ১২টি আসন পাকিস্তানের অন্যান্য অঞ্চলে বসবাসকারী কাশ্মীরের শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে কয়েকটি বিক্ষোভপ্রবণ ঘাঁটিতে ভোট গ্রহণ সম্ভব না হলেও বাকি অংশের নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে নতুন সরকার গঠন করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন করার জন্য আগ্রহী ব্যক্তিরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
বিভাগের নাম: ট্রেড অপারেশনস ডিপার্টমেন্ট
পদের নাম: এসও টু এসইও
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক অথবা সমমান
অভিজ্ঞতা: ৪ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
বয়সসীমা: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: ঢাকা।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর কার হাতে উঠবে, এ নিয়ে ফুটবলবিশ্বে চলছে নানা ধরনের আলোচনা। তবে বিখ্যাত ফুটবল এজেন্ট হোর্হে মেন্দেজের দৃঢ় বিশ্বাস, এবারের পুরস্কারটি জিতবেন বার্সেলোনার তরুণ প্রতিভা লামিনে ইয়ামাল।
ট্রান্সফার বিশেষজ্ঞ ফাব্রিজিও রোমানোর ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত মেন্দেজের মন্তব্য অনুযায়ী, ইয়ামালকে ব্যালন ডি’অরের জন্য স্পষ্ট ফেবারিট হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মেন্দেজ বলেন, "ব্যালন ডি’অর স্পষ্টভাবেই লামিনে ইয়ামালের জন্য।"
ইয়ামালের শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়ে নিজের অবস্থান আরও পরিষ্কার করে এই ফুটবল এজেন্ট বলেন, "ইয়ামালই সেরা। অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে তার ব্যবধানও খুব স্পষ্ট। আপনারা সবাই সেটা জানেন।"
এবারের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ইয়ামালের সঙ্গে রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে, প্যারিস সেন্ট জার্মেইনের ফাবিয়ান রুইজ এবং উসমান দেম্বেলে। ফলে পুরস্কার জয়ের দৌড়ে তারকায় ঠাসা প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও, মেন্দেজের মতে ইয়ামালই এগিয়ে রয়েছে।
এদিকে, বার্সেলোনার একাধিক খেলোয়াড়ের এজেন্ট হিসেবে কাজ করা মেন্দেজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ক্লাবটির সভাপতি হোয়ান লাপোর্তার সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোর বরাত দিয়ে জানা গেছে, বৈঠকটি আসন্ন ট্রান্সফার উইন্ডো নিয়ে ছিল না। গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন পরেই মেন্দেজ ও লাপোর্তার মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয় আসামির নাম হলো—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। উল্লেখ্য, দণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির সবাই বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে।
মামলার বিবরণ ও প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৮ জুন এ মামলার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। এরপর ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হলে আদালত তা আমলে নেন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। ১৭ ফেব্রুয়ারি সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দির মধ্য দিয়ে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়েছিল।
মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৯ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষীদের তালিকায় শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর আগে দেওয়া জবানবন্দিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। গত ২ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ৪ আগস্ট থেকে শুরু হয় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন। টানা ৯ কার্যদিবস প্রসিকিউশন ও স্টেট ডিফেন্সের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ১৭ আগস্ট মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়। একই সঙ্গে ১৫ সেপ্টেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে মোট ১২৩টি সিরিজের নথিপত্র বা ডকুমেন্ট প্রদর্শন করা হয়।
প্রসিকিউশনের আনীত অভিযোগে বলা হয়, জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমাতে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান এবং সহিংসতার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেন। তাদের আহ্বান ও প্ররোচনায় দেশজুড়ে আন্দোলনকারীদের ওপর সশস্ত্র হামলা ও কঠোর দমন-পীড়ন চালানো হয়। রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাত আসামির মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এই রায় ঘোষণা করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্যান্য আসামির মধ্যে রয়েছেন, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।
মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিদের কেউও ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন না।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় প্রদান করে। প্যানেলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় গত ১৮ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়। সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার দুপুরে সাত আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ