মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৫ পি.এম
চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর কার হাতে উঠবে, এ নিয়ে ফুটবলবিশ্বে চলছে নানা ধরনের আলোচনা। তবে বিখ্যাত ফুটবল এজেন্ট হোর্হে মেন্দেজের দৃঢ় বিশ্বাস, এবারের পুরস্কারটি জিতবেন বার্সেলোনার তরুণ প্রতিভা লামিনে ইয়ামাল।
ট্রান্সফার বিশেষজ্ঞ ফাব্রিজিও রোমানোর ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত মেন্দেজের মন্তব্য অনুযায়ী, ইয়ামালকে ব্যালন ডি’অরের জন্য স্পষ্ট ফেবারিট হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মেন্দেজ বলেন, "ব্যালন ডি’অর স্পষ্টভাবেই লামিনে ইয়ামালের জন্য।"
ইয়ামালের শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়ে নিজের অবস্থান আরও পরিষ্কার করে এই ফুটবল এজেন্ট বলেন, "ইয়ামালই সেরা। অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে তার ব্যবধানও খুব স্পষ্ট। আপনারা সবাই সেটা জানেন।"
এবারের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ইয়ামালের সঙ্গে রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে, প্যারিস সেন্ট জার্মেইনের ফাবিয়ান রুইজ এবং উসমান দেম্বেলে। ফলে পুরস্কার জয়ের দৌড়ে তারকায় ঠাসা প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও, মেন্দেজের মতে ইয়ামালই এগিয়ে রয়েছে।
এদিকে, বার্সেলোনার একাধিক খেলোয়াড়ের এজেন্ট হিসেবে কাজ করা মেন্দেজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ক্লাবটির সভাপতি হোয়ান লাপোর্তার সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোর বরাত দিয়ে জানা গেছে, বৈঠকটি আসন্ন ট্রান্সফার উইন্ডো নিয়ে ছিল না। গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন পরেই মেন্দেজ ও লাপোর্তার মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয় আসামির নাম হলো—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। উল্লেখ্য, দণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির সবাই বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে।
মামলার বিবরণ ও প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৮ জুন এ মামলার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। এরপর ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হলে আদালত তা আমলে নেন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। ১৭ ফেব্রুয়ারি সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দির মধ্য দিয়ে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়েছিল।
মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৯ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষীদের তালিকায় শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর আগে দেওয়া জবানবন্দিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। গত ২ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ৪ আগস্ট থেকে শুরু হয় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন। টানা ৯ কার্যদিবস প্রসিকিউশন ও স্টেট ডিফেন্সের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ১৭ আগস্ট মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়। একই সঙ্গে ১৫ সেপ্টেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে মোট ১২৩টি সিরিজের নথিপত্র বা ডকুমেন্ট প্রদর্শন করা হয়।
প্রসিকিউশনের আনীত অভিযোগে বলা হয়, জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমাতে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান এবং সহিংসতার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেন। তাদের আহ্বান ও প্ররোচনায় দেশজুড়ে আন্দোলনকারীদের ওপর সশস্ত্র হামলা ও কঠোর দমন-পীড়ন চালানো হয়। রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাত আসামির মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এই রায় ঘোষণা করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্যান্য আসামির মধ্যে রয়েছেন, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।
মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিদের কেউও ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন না।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় প্রদান করে। প্যানেলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় গত ১৮ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়। সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার দুপুরে সাত আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীর পশ্চিম খুলশী-জালালাবাদ এলাকায় ‘অনলাইন স্ক্যামিংয়ের’ অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের জন্য আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে (সিটিইউ) ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম) মুহিদুল ইসলাম এ আদেশ প্রদান করেন।
এই বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি-প্রসিকিউশন, ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী।
তিনি জানান, ৬৩ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। একই সঙ্গে তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে আগামী ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে পুলিশ পাহারায় ৬৩ বিদেশি নাগরিককে আদালতে হাজির করা হয়। রিমান্ড আবেদনের শুনানির সময় তারা এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) তাদের বিরুদ্ধে করা মামলায় রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ওই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে আটক মহসিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। মহসিন তাদের থাকার জন্য একটি আটতলা ভবন ভাড়া করে দিয়েছিলেন।
কয়েক দিন আগে মহসিন কুরিয়ারের মাধ্যমে ১১৮ গ্রাম কোকেন ঢাকার এক ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছিলেন। পরে কোকেনের চালানটি ফেরত আসে। ওই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ৬৩ বিদেশি নাগরিকের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত কার্যক্রমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে, আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, দণ্ডিত পাঁচ আসামির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তার মধ্যে ৫০ শতাংশ জুলাই শহীদের পরিবারের কাছে দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এই রায় ঘোষণা করা হয়। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
যারা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন এবং তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, এই পাঁচ আসামির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ৫০ শতাংশ জুলাই শহীদের পরিবারের কাছে দেওয়া হবে।
রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সরকারের অধীনে বাজেয়াপ্ত করা হবে। এর মধ্যে নির্ধারিত ৫০ শতাংশ সম্পদ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত, পঙ্গুত্ব বরণকারী এবং শহীদদের পরিবারের মধ্যে বণ্টন করা হবে। এসব সম্পদ জুলাই ফাউন্ডেশন অথবা এ ধরনের কোনো বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বণ্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ট্রাইব্যুনালের রুলস অ্যান্ড স্ট্যাটিউটসে সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে। তবে এবারই প্রথম ট্রাইব্যুনাল আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা সম্পদ শহীদ ও আহতদের মধ্যে বণ্টন করা হবে জুলাই ফাউন্ডেশন বা বিধিবদ্ধ কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় প্রধান কৌঁসুলি বলেন, "আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট এবং মনে করি, এটি একটি প্রত্যাশিত রায় হয়েছে।"
আসামিদের ৩০ দিনের মধ্যে রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করা হলে সরকারের পক্ষে রায় বাস্তবায়নে কোনো বাধা থাকবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ