ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই মাসে জন্ম-মৃ/ত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে দেশের সেরা গলাচিপার ইউএনও ইজাজুল


জুলাই মাসে জন্ম-মৃ/ত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে দেশের সেরা গলাচিপার ইউএনও ইজাজুল

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে জুলাই মাসে গলাচিপা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক দেশসেরা হয়েছেন। নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ২১১.৫ শতাংশ কাজ করে দেশের শীর্ষে রয়েছে তার উপজেলা। শূন্য থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের ওপর এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন) এবং বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে জুলাই মাসে বরিশাল বিভাগ প্রথম স্থান অধিকার করেছে। নিবন্ধন কার্যক্রম লক্ষ্যমাত্রার ৭৭.৫ শতাংশ কাজ করে তারা এক নম্বরে চলে এসেছে। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছিল যথাক্রমে ১৪৮৯৬টি ও ৫০৬৪টি; যার মধ্যে অর্জিত হয়েছে ৯৮৮৩ টি ও ৪৪৮৮টি। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অর্জনের হার ৭৭.৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এদিকে রংপুর বিভাগ দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে, যার অর্জন ৬৫.৮ শতাংশ।

জেলা ক্যাটাগরিতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে ১১৩.৯ শতাংশ কাজ করে প্রথম হয়েছে পটুয়াখালী জেলা। এ জেলার জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬৯২টি, তারা করেছে ২১৯৯টি। মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৩০টি, তারা করেছে ১০৬৭টি। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে পটুয়াখালীর জেলার অর্জন ১১৩.৯ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনা জেলা। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে তাদের অর্জন ১০৩.৬ শতাংশ।

জুলাই মাসে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২৮টি। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অর্জন হয় ৬৩৭টি। মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১৬টি, অর্জিত হয়েছিল ৩১৮টি। শতাংশের হিসাব বের করলে অর্জন ২৭৪ শতাংশ। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন গড়ে ২১১.৫ শতাংশ; যেটা ছিল সারা দেশের মধ্যে শীর্ষ স্থানে। উপজেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান রয়েছে খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে যাদের অর্জন শতকরা ১৩০ শতাংশ।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক সময় সংবাদকে বলেন, ‘দেশসেরা হওয়ায় আমি আনন্দিত। সত্যি বলতে, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে পরিশ্রম করেছেন। আমি টিম লিডার হিসেবে নিয়মিত তদারকি করেছি। সকলকে একই সুতোয় গাঁথা সম্ভব হয়েছে বলেই আজকের এ সাফল্য।’

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ও পরিচালক, স্থানীয় সরকার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আহসান হাবিব সময় সংবাদকে জানান, ‘জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে সারা দেশের মধ্যে বরিশাল বিভাগ, পটুয়াখালী জেলা ও গলাচিপা উপজেলা প্রথম হওয়া সত্যি সুখের খবর। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে এ অঞ্চলের মানুষের আগ্রহ কম। সেই জায়গা থেকে ডিসি, ইউএনও ও জনপ্রতিনিধিদের পারস্পরিক সহযোগিতায় আমরা এ কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে শতভাগ সফলতা আনতে প্রতি মিটিংয়েই জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হয় বলেও জানান মো. আহসান হাবীব।

উল্লেখ্য, গত ২ মাসে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে গলাচিপা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক বরিশাল বিভাগের সেরা ইউএনও হয়েছিলেন। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে কার্যক্রমে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে দুমকী উপজেলা বর্ষসেরা উপজেলার কৃতিত্ব অর্জন করেছিল আর বর্ষসেরা ইউএনও হয়েছিলেন দুমকী উপজেলার তৎকালীন ইউএনও আবুজর মো. ইজাজুল হক।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনা রকেটের ভ/বহ বিস্ফোরণ উৎক্ষেপণের ৮৫ সেকেন্ডের মধ্যেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


চীনা রকেটের ভ/বহ বিস্ফোরণ উৎক্ষেপণের ৮৫ সেকেন্ডের মধ্যেই

মহাকাশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করার পর মাঝ আকাশেই বিস্ফোরিত হয়েছে চীনের একটি নভোযান।

সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সময়ানুযায়ী রকেটটি উৎক্ষেপণের মাত্র ৮৫ সেকেন্ডের মাথায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ২ মিনিটে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হেইনানের ওয়েনচ্যাং স্পেস লঞ্চ সেন্টার থেকে ‘লংমার্চ সেভেন-এ’ নামের রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। রকেটটিতে ‘ঝোংজিং ফোর-বি’ নামের একটি যোগাযোগ উপগ্রহ (কমিউনিকেশনস স্যাটেলাইট) ছিল, যা পৃথিবীর নির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপন করাই ছিল এ মিশনের মূল উদ্দেশ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ‘উড্ডয়নগত ত্রুটি’ বা যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে নভোযানটি বিস্ফোরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে দেশটির সংশ্লিষ্ট সংস্থা ইতিমধ্যেই পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে বিস্ফোরণের একটি ভিডিও চিত্র প্রকাশ করেছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, নৈশ আকাশে হঠাৎ বিশাল একটি অগ্নিগোলক তৈরি হয় এবং উপস্থিত দর্শনার্থীরা তা প্রত্যক্ষ করছেন। এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অন্যান্য ভিডিও তথ্য অনুযায়ী, আকাশে ওঠার ঠিক ৮৫ সেকেন্ডের মাথায় রকেটটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তিতে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে বেইজিং। দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিন প্রায়ই এ কর্মসূচিকে চীনের ‘মহাকাশ স্বপ্ন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন। চলতি বছরের জুলাই মাসেই দেশটি প্রথমবারের মতো একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেটের সফল অবতরণ ঘটায়, যা ছিল আন্তর্জাতিক মহাকাশ প্রতিযোগিতায় উৎক্ষেপণ খরচ কমানোর এক বড় অর্জন।

উল্লেখ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে মানববাহী নভোযান পাঠানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে চীন। এই একই লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসাও তাদের ‘আর্টেমিস’ কর্মসূচি নিয়ে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোনারগাঁতে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ছয় লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


সোনারগাঁতে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ছয় লাখ টাকা জরিমানা

নির্ধারিত স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়া নীতি অনুসরণ না করে খাদ্য প্রস্তুতির জন্য নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকার বৈশাখী ও শিকদার ডাইন নামে ২টি রেস্টুরেন্ট এবং ইঁশাখা মিষ্টি ঘর নামে একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর দুই লাখ করে মোট ছয় লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সোনারগাঁ কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিমের নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এই জরিমানা জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী করা হয় এবং স্থানেই তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযানে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, মজুত ও বিক্রিতে নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, খাদ্য সংরক্ষণ এবং ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে নিয়ম মানার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের জন্য দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অভিযানে সার্বিক সহায়তায় ছিলেন পেশকার মো. বায়েজিদ, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোশাররফ হোসেন এবং সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি টিম।

এ সময় সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম মন্তব্য করেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে আজ মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়া নীতি অনুসরণ না করায় এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুতের দায়ে তাদের বিভিন্ন সরকারি বিধি অনুযায়ী ৬ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া, জানালো ইসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া, জানালো ইসি

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ২০শে অগাস্ট বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে বিরতিহীনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে তিনি সাংবাদিকদের কাছে নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

 

তিনি বলেন, ২০শে অগাস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা রাখা হবে। সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষে নিজ নিজ আসনেই অবস্থান করবেন। নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত কর্মকর্তারা তাদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেবেন।

 

আখ্তার আহমেদ জানান, প্রতিটি ব্যালট পেপারে দু’টি অংশ থাকবে- মুড়ি অংশ এবং মূল ব্যালট। মুড়ির অংশে প্রার্থীর ক্রমিক নম্বর, ভোটারের নাম, বিভক্তি নম্বর ও স্বাক্ষরের ঘর নির্ধারিত থাকবে।

 

তিনি বলেন, ডানদিকের মূল ব্যালটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম থাকবে এবং পাশে থাকা ফাঁকা স্থানে ভোটার সংসদ সদস্য তার পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। ভোটারদের (সংসদ সদস্য) সুবিধার কথা মাথায় রেখে কক্ষে তিনটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স স্থাপন করা হবে, যার যেকোনো একটিতে তারা ভোট দিতে পারবেন।

 

আখতার আহমেদ বলেন, বিকেল ৫টায় ভোট গ্রহণ সমাপ্তির পরপরই অধিবেশন কক্ষের ভেতরে রাখা ব্যালট বক্সগুলোর সামনেই সরাসরি ভোট গণনা শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে নির্ধারিত চার বা পাঁচজনের গঠিত একটি ব্যালট গণক দল ব্যালট পেপার শর্ট আউট করে গণনা কার্যক্রম শেষ করবে।

 

ইসি সচিব আরও বলেন, মোট ৩৪৯টি ব্যালটের মধ্যে কতটি বৈধ বা বাতিল হয়েছে এবং কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন, তা নির্বাচন কর্তা হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) অধিবেশন কক্ষেই সরাসরি সবার সামনে ঘোষণা করবেন। পরবর্তীতে কমিশন সচিবালয়ে এসে অফিসিয়ালি ফলাফলের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

 

ইসি সচিব জানান, অধিবেশন কক্ষ থেকে ভোটের কার্যক্রমের সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ টেলিকাস্ট) করার সুবিধা থাকবে এবং সাংবাদিকদের বসার জন্য নির্ধারিত স্থান রাখা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ মুহূর্তে আম বাজারে বেচাকেনা বেশ জমজমাট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ মুহূর্তে আম বাজারে বেচাকেনা বেশ জমজমাট

 

 আমের মৌসুম প্রায় শেষের পথে থাকলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন আম বাজারে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের উপস্থিতি বেশ লক্ষণীয়। তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বলছে, মৌসুমের শেষদিকে বাজারে বেচাকেনায় গতি ফিরলেও পুরো মৌসুমে অধিকাংশ চাষি উৎপাদন ব্যয়ের তুলনায় কাঙ্ক্ষিত দাম পাননি। ফলে মৌসুমের শেষদিকে কিছুটা দাম বাড়লেও অনেক চাষির মুখে হতাশার ছাপ রয়ে গেছে। যদিও ব্যবসায়ীরা বরাবরের মতো এবারও ভালো ব্যবসা করেছেন বলেও জানা গেছে।

এদিকে মৌসুমের শেষভাগে আশ্বিনা, বারি-৪, বারি-৮, গৌড়মতি, ব্যানানা এবং কাটিমনসহ বিভিন্ন বারোমাসি জাতের আমকে নিয়ে জেলার বৃহত্তম কানসাট বাজারে আমের বেচাকেনা চলতে থাকছে বেশ জমজমাট। প্রতিদিন হাজার হাজার মণ আমের বেচাকেনা হচ্ছে এই আম বাজারে। শেষ সময়েও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।

আজ মঙ্গলবার সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের আমচাষি হাসিবুল হাসান বাবুর সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, আমের মৌসুম প্রায় শেষ মুহূর্তে। তিনি বলেন, আজ আমি আশ্বিনা আম ৩ হাজার ৮শ’ টাকা মণ দরে বিক্রি করেছি। তবে উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় এ দাম সন্তোষজনক নয় বলেও জানান তিনি।

দুর্লভপুর ইউনিয়নের আমচাষি মনিরুল ইসলাম আজ কানসাট বাজারে প্রতি মণ বারি-৪ আম ৭ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে বলেন, কয়েক বছর আগেও একই জাতের আমের দাম আরও বেশি পাওয়া যেত। তিনি আরও জানান, এখন আমের দাম কিছুটা বেশি তবে প্রথম দিকে প্রত্যাশিত মূল্য পাওয়া যায়নি।

আমচাষি ও গণমাধ্যমকর্মী ফরহাদ আলী কাটিমন ম্যাঙ্গো নিয়ে বাজারে এসে প্রতি মণ ৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে কিছুটা খুশি হলেও তিনি আম নিয়ে শোনালেন হতাশার কথা।

দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে আমের ব্যবসা করে আসছেন ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, মৌসুমের শেষদিকে আমের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও এ বছর মৌসুমজুড়ে আমের বাজার স্থিতিশীল ছিল না। তবে আমাদের মতো ব্যবসায়ীরা চলতি বছর লাভজনক ব্যবসা করেছি।

আমচাষী আবুল হাসনাত বলেন, জেলার অন্য চার উপজেলার সম্মিলিত উৎপাদনের চেয়েও বেশি আম উৎপাদন হয় শিবগঞ্জ উপজেলায়। একসময় এখানকার প্রায় ৮০ শতাংশ বাগানে ফজলি আমের চাষ হতো কিন্তু কয়েক বছর থেকে ফজলি আম হারভেস্টিং করার সময় ব্যানানা, কাটিমন, আম্রপালি এবং বারি-৪সহ নতুন কয়েক জাতের আম বাজারে নামতে শুরু করেছে। ফলে এ সময় ফজলির পরিবর্তে এসব আমের চাহিদা বেশি থাকে। তাই চাষিরা ফজলি আমের ন্যায্যমূল্য পায় না।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর এলাকার আমচাষী সেন্টু মিয়া বলেন, প্রায় ২০ বছর ধরে আমের সঙ্গে যুক্ত আছি। প্রায় ১০ বছর আগে আম চাষ করে লাভবান হতাম, কিন্তু কয়েক বছর থেকে আমচাষে কাঙ্ক্ষিত লাভ মিলছে না। উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও বাজারমূল্য সেই অনুপাতে বাড়েনা।

শিবগঞ্জ আম আড়ৎদার সমিতির সভাপতি আবু তালেব বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার লক্ষাধিক মানুষের জীবিকা আমের সঙ্গে জড়িত। উৎপাদন খরচ প্রতি বছর বাড়ছে। কিন্তু সেই তুলনায় আমের দাম বাড়ছেনা। কয়েক বছর থেকে চাষিরা নায্যমূল্য পাচ্ছেনা। তাই চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ আম শিল্প আজ হুমকির মুখে। কাজেই এ খাতকে টিকিয়ে রাখতে আম প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলা, গবেষণা কার্যক্রম জোরদার এবং একটি পূর্ণাঙ্গ আম গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করণের জোর দাবি জানান তিনি।

এদিকে বর্তমানে জেলার কানসাট ও রহনপুরসহ অন্যান্য আমের বাজারে আশ্বিনা আম প্রতি মন ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা, বারি-৪ ৮ হাজার থেকে ১২ হাজার, গৌড়মতি ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার, কাটিমন ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার এবং ব্যানানা ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিকুল ইসলাম বাসসকে জানান, চলতি মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৩৭ হাজার ৪৮৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৯১২ মেট্রিক টন। মৌসুমের শেষভাগেও বাজারে আশ্বিনা, গৌড়মতি, ব্যানানা, বারি-৪সহ কয়েক জাতের আমের সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%