ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া, জানালো ইসি


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া, জানালো ইসি

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ২০শে অগাস্ট বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে বিরতিহীনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে তিনি সাংবাদিকদের কাছে নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

 

তিনি বলেন, ২০শে অগাস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা রাখা হবে। সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষে নিজ নিজ আসনেই অবস্থান করবেন। নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত কর্মকর্তারা তাদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেবেন।

 

আখ্তার আহমেদ জানান, প্রতিটি ব্যালট পেপারে দু’টি অংশ থাকবে- মুড়ি অংশ এবং মূল ব্যালট। মুড়ির অংশে প্রার্থীর ক্রমিক নম্বর, ভোটারের নাম, বিভক্তি নম্বর ও স্বাক্ষরের ঘর নির্ধারিত থাকবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

 

তিনি বলেন, ডানদিকের মূল ব্যালটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম থাকবে এবং পাশে থাকা ফাঁকা স্থানে ভোটার সংসদ সদস্য তার পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। ভোটারদের (সংসদ সদস্য) সুবিধার কথা মাথায় রেখে কক্ষে তিনটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স স্থাপন করা হবে, যার যেকোনো একটিতে তারা ভোট দিতে পারবেন।

 

আখতার আহমেদ বলেন, বিকেল ৫টায় ভোট গ্রহণ সমাপ্তির পরপরই অধিবেশন কক্ষের ভেতরে রাখা ব্যালট বক্সগুলোর সামনেই সরাসরি ভোট গণনা শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে নির্ধারিত চার বা পাঁচজনের গঠিত একটি ব্যালট গণক দল ব্যালট পেপার শর্ট আউট করে গণনা কার্যক্রম শেষ করবে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

 

ইসি সচিব আরও বলেন, মোট ৩৪৯টি ব্যালটের মধ্যে কতটি বৈধ বা বাতিল হয়েছে এবং কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন, তা নির্বাচন কর্তা হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) অধিবেশন কক্ষেই সরাসরি সবার সামনে ঘোষণা করবেন। পরবর্তীতে কমিশন সচিবালয়ে এসে অফিসিয়ালি ফলাফলের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

 

ইসি সচিব জানান, অধিবেশন কক্ষ থেকে ভোটের কার্যক্রমের সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ টেলিকাস্ট) করার সুবিধা থাকবে এবং সাংবাদিকদের বসার জন্য নির্ধারিত স্থান রাখা হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ মুহূর্তে আম বাজারে বেচাকেনা বেশ জমজমাট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ মুহূর্তে আম বাজারে বেচাকেনা বেশ জমজমাট

 

 আমের মৌসুম প্রায় শেষের পথে থাকলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন আম বাজারে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের উপস্থিতি বেশ লক্ষণীয়। তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বলছে, মৌসুমের শেষদিকে বাজারে বেচাকেনায় গতি ফিরলেও পুরো মৌসুমে অধিকাংশ চাষি উৎপাদন ব্যয়ের তুলনায় কাঙ্ক্ষিত দাম পাননি। ফলে মৌসুমের শেষদিকে কিছুটা দাম বাড়লেও অনেক চাষির মুখে হতাশার ছাপ রয়ে গেছে। যদিও ব্যবসায়ীরা বরাবরের মতো এবারও ভালো ব্যবসা করেছেন বলেও জানা গেছে।

এদিকে মৌসুমের শেষভাগে আশ্বিনা, বারি-৪, বারি-৮, গৌড়মতি, ব্যানানা এবং কাটিমনসহ বিভিন্ন বারোমাসি জাতের আমকে নিয়ে জেলার বৃহত্তম কানসাট বাজারে আমের বেচাকেনা চলতে থাকছে বেশ জমজমাট। প্রতিদিন হাজার হাজার মণ আমের বেচাকেনা হচ্ছে এই আম বাজারে। শেষ সময়েও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।

আজ মঙ্গলবার সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের আমচাষি হাসিবুল হাসান বাবুর সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, আমের মৌসুম প্রায় শেষ মুহূর্তে। তিনি বলেন, আজ আমি আশ্বিনা আম ৩ হাজার ৮শ’ টাকা মণ দরে বিক্রি করেছি। তবে উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় এ দাম সন্তোষজনক নয় বলেও জানান তিনি।

দুর্লভপুর ইউনিয়নের আমচাষি মনিরুল ইসলাম আজ কানসাট বাজারে প্রতি মণ বারি-৪ আম ৭ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে বলেন, কয়েক বছর আগেও একই জাতের আমের দাম আরও বেশি পাওয়া যেত। তিনি আরও জানান, এখন আমের দাম কিছুটা বেশি তবে প্রথম দিকে প্রত্যাশিত মূল্য পাওয়া যায়নি।

আমচাষি ও গণমাধ্যমকর্মী ফরহাদ আলী কাটিমন ম্যাঙ্গো নিয়ে বাজারে এসে প্রতি মণ ৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে কিছুটা খুশি হলেও তিনি আম নিয়ে শোনালেন হতাশার কথা।

দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে আমের ব্যবসা করে আসছেন ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, মৌসুমের শেষদিকে আমের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও এ বছর মৌসুমজুড়ে আমের বাজার স্থিতিশীল ছিল না। তবে আমাদের মতো ব্যবসায়ীরা চলতি বছর লাভজনক ব্যবসা করেছি।

আমচাষী আবুল হাসনাত বলেন, জেলার অন্য চার উপজেলার সম্মিলিত উৎপাদনের চেয়েও বেশি আম উৎপাদন হয় শিবগঞ্জ উপজেলায়। একসময় এখানকার প্রায় ৮০ শতাংশ বাগানে ফজলি আমের চাষ হতো কিন্তু কয়েক বছর থেকে ফজলি আম হারভেস্টিং করার সময় ব্যানানা, কাটিমন, আম্রপালি এবং বারি-৪সহ নতুন কয়েক জাতের আম বাজারে নামতে শুরু করেছে। ফলে এ সময় ফজলির পরিবর্তে এসব আমের চাহিদা বেশি থাকে। তাই চাষিরা ফজলি আমের ন্যায্যমূল্য পায় না।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর এলাকার আমচাষী সেন্টু মিয়া বলেন, প্রায় ২০ বছর ধরে আমের সঙ্গে যুক্ত আছি। প্রায় ১০ বছর আগে আম চাষ করে লাভবান হতাম, কিন্তু কয়েক বছর থেকে আমচাষে কাঙ্ক্ষিত লাভ মিলছে না। উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও বাজারমূল্য সেই অনুপাতে বাড়েনা।

শিবগঞ্জ আম আড়ৎদার সমিতির সভাপতি আবু তালেব বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার লক্ষাধিক মানুষের জীবিকা আমের সঙ্গে জড়িত। উৎপাদন খরচ প্রতি বছর বাড়ছে। কিন্তু সেই তুলনায় আমের দাম বাড়ছেনা। কয়েক বছর থেকে চাষিরা নায্যমূল্য পাচ্ছেনা। তাই চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ আম শিল্প আজ হুমকির মুখে। কাজেই এ খাতকে টিকিয়ে রাখতে আম প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলা, গবেষণা কার্যক্রম জোরদার এবং একটি পূর্ণাঙ্গ আম গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করণের জোর দাবি জানান তিনি।

এদিকে বর্তমানে জেলার কানসাট ও রহনপুরসহ অন্যান্য আমের বাজারে আশ্বিনা আম প্রতি মন ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা, বারি-৪ ৮ হাজার থেকে ১২ হাজার, গৌড়মতি ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার, কাটিমন ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার এবং ব্যানানা ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিকুল ইসলাম বাসসকে জানান, চলতি মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৩৭ হাজার ৪৮৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৯১২ মেট্রিক টন। মৌসুমের শেষভাগেও বাজারে আশ্বিনা, গৌড়মতি, ব্যানানা, বারি-৪সহ কয়েক জাতের আমের সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় সরকার তিনটি বন্ধ জুট মিল লিজ দিয়ে দিল। মিলকে প্রাণ আরএফএল এবং হ্যামকো গ্রুপের কাছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় সরকার তিনটি বন্ধ জুট মিল লিজ দিয়ে দিল। মিলকে প্রাণ আরএফএল এবং হ্যামকো গ্রুপের কাছে

বিপরীতে, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ তিনটি বন্ধ জুট মিলকে প্রাণ আরএফএল এবং হ্যামকো গ্রুপের কাছে লিজ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এই বিষয়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক শেষে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেছেন।

শরীফুল আলম আরো জানান, দুইটি কোম্পানি মিল তিনটিতে এক হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করবে। এই বিনিয়োগের ফলে ১১ হাজারের অধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে সরকার বন্ধ হয়ে যাওয়া অন্যান্য কিছু কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে। সরকারের এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে খুলনার খালিশপুরের প্লাটিনাম জুবিলি জুট মিল, খুলনার দিঘলিয়া স্টার জুট মিল এবং সিরাজগঞ্জের রায়পুরের জাতীয় জুট মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, বন্ধ থাকা মিল কারখানাগুলোর মধ্যে অনেকগুলোকেই আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালুর জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যু/দ্ধ শুরুর সময় যুক্তরাষ্ট্র ‘নিঃশর্ত আ/ত্মসমর্পণ’ দাবি করেছিল: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


যু/দ্ধ শুরুর সময় যুক্তরাষ্ট্র ‘নিঃশর্ত আ/ত্মসমর্পণ’ দাবি করেছিল: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি করেছিল। তবে ২০ দিন পরে, একই পক্ষ আলোচনার জন্য অনুরোধ করতে বাধ্য হয়েছিল। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এ দাবি করেছেন। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়টি সম্পর্কে বক্তব্য রেখেছেন।

আরাঘচি বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাত্র দুটি শব্দ লিখেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’। আরাঘচির ভাষ্য অনুযায়ী, ‘এটাই ছিল তাদের আমাদের কাছে চাওয়া। কিন্তু মাত্র ২০ দিন পর একই প্রতিপক্ষ আলোচনা শুরু করে’।

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের জয় দাবি করে আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইরান নিজেকে বিশ্বের সামনে একটি ‘কঠিন ও অপরাজেয় শক্তি’ হিসেবে প্রমাণ করেছে।

আরাঘচি আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তিনি বারবার শুনেছেন, ‘আপনারা ইরানিরা একটি অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়েছেন, পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন’। তিনি বলেন, ‘কেউ ভাবেনি যে ইরান এভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে’।

আরাঘচির দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের পেছনে ইসরাইল, পশ্চিমা বিশ্ব এবং আরও কয়েকটি দেশের সমর্থন ছিল। তিনি মন্তব্য করেন, এসব সমর্থন সত্ত্বেও ইরান প্রতিরোধ গড়ে তুলে নিজেদের সক্ষমতা ও শক্তির প্রমাণ দিয়েছে।

এদিকে, ওয়াশিংটন জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাসের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হতাহতদের জন্য তেহরানের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্পের এ বক্তব্যের কয়েক দিন আগে ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দাবি করে। হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার শর্ত হিসেবে ওয়াশিংটনের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়েছে তেহরান।

এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সম্প্রতি সাত ঘণ্টার এক বৈঠকে ঐক্যের বার্তা দিয়েছেন। পেজেশকিয়ান দাবি করেছেন, খামেনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তবে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মেয়েটাকে হ/ত্যা করা হয়েছে, বিচারের জন্য আমরা ঘুরছি’—ফিমার মায়ের কান্না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


‘মেয়েটাকে হ/ত্যা করা হয়েছে, বিচারের জন্য আমরা ঘুরছি’—ফিমার মায়ের কান্না

ঢাকার আজিমপুরে চাঞ্চল্যকর তাহিয়া তাসনিম ফিমা (১৯) হত্যা মামলার আসামি কাজী সাগরসহ দায়ীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য মানববন্ধন করেছে ফিমার পরিবার এবং স্বজনরা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য রাখেন ফিমার বাবা মো. তাজুল ইসলাম। এই সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

হত্যাকাণ্ডের শিকার ফিমার বাবা তাজুল ইসলাম বলেন, “বিয়ের পর আমার মেয়েটি কখনও ভালো ছিল না। ওর স্বামী আগেও গায়ে হাত তুলেছে, নির্যাতন করেছে। ফিমা ওর মায়ের কাছে সেই নির্যাতনের কথাও জানিয়েছিল। আমরা অপেক্ষা করেছিলাম, নতুন পরিবেশ, নতুন জীবন, কিছু দিনের মধ্যেই হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার মেয়েটিকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হলো।”

তিনি বলেন, “একটা কথা বলা জরুরি, আমার মেয়েটাকে হত্যা করা হয়েছে; কিন্তু আমি শুধু ফিমার জন্য আজ এখানে দাঁড়াইনি। দাঁড়িয়েছি অন্য ফিমাদের জন্যও, যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে এবং যাদের পরিবার সেই হত্যার ন্যায় বিচার পাননি। আমি সেই সকল পিতামাতার জন্য দাঁড়িয়ে আছি, যারা তাদের সন্তানদের হারিয়েছেন কারণ কোনো না কোনোভাবে আমাদের পুলিশ এবং বিচার ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে।”

তাজুল ইসলাম আরও বলেন, “আমি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ, পুলিশ, বিচার ব্যবস্থা এবং সর্বোপরি সরকারের কাছে অনুরোধ করছি ফিমা হত্যকাণ্ডের বিচার যেন দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হয়। আসামির যখন দোষী সাব্যস্ত হয়, তখন যেন সর্বোচ্চ দণ্ড দেওয়া হয়। আমি চাই যে কাজী সাগর এমন দণ্ড পাক, যা একটি বার্তা দেয় যে বাংলাদেশে নারী হত্যার কোনো সহনশীলতা নেই।”

তিনি যোগ করেন, “আমাদের বিচার প্রক্রিয়া গতিশীল করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতার মামলাগুলো পুলিশকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে, আদালতকে বিচার ত্বরান্বিত করতে হবে। রাষ্ট্রকে এখন নিশ্চিত করতে হবে যেন নারীদের জীবন এবং নিরাপত্তা অগ্রাধিকার পায়।”

মানববন্ধনে ফিমার মা রিনা ইয়াসমিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়েটিকে হত্যা করা হলো, তারপর থেকে আমরা থানার বারান্দায় ঘুরছি। কিন্তু চার্জশিট দিতে গড়িমসি করেছে পুলিশ। এটা এমন একটা হত্যাকাণ্ড যার সমস্ত আলামত রয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজেও সব স্পষ্ট, ময়নাতদন্তেও হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারপরও কেন এত দেরি হলো? আসলে মামলাটিকে প্রভাবিত করার সব চেষ্টাই করছে আসামিপক্ষ। এখন আদালতের কাছে আমি দ্রুত এই ঘটনার বিচার চাই।”

তিনি বলেন, “আমার সন্তান হত্যার বিচার যেন আটকে না থাকে এবং আমাদের মতো কেউ যেন স্বজনহারা না হয়, তাই আমরা মানববন্ধন করে দ্রুত এই হত্যাকারীর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”

এদিকে, জেলা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. সয়দুজ্জামান জানিয়েছেন, গত ২৬ জুন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) জমা দেওয়া হয়েছে। তদন্তে ভুক্তভোগী ফিমাকে নির্যাতন ও গলাটিপে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে। আসামি সাগরের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। এখন বাকিটা আদালতের বিষয়।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২০ মার্চ রাতে ঢাকার আজিমপুরের বিসি দাস স্ট্রিটের একটি বাসা থেকে তাহিয়া তাসনিম ওরফে ফিমার (১৯) ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনার পর থেকেই ফিমার স্বামী কাজী সাগর আত্মগোপন করে। বাড়ির নিরাপত্তা প্রহরীর সাক্ষ্য এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ ও ফিমার পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সাগরের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়। এ ঘটনায় বাদী হয়ে ফিমার বাবা তাজুল ইসলাম কাজী সাগরকে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। কাজী সাগরের বাবা কাজী মনিরুল হক ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার বানা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এবং আলফাডাঙ্গা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান।

পরবর্তীতে ২৭ মার্চ ভারতের নদীয়া জেলার গাঙনাপুর থানার এলাকায় কাজী সাগর, তার বাবা কাজী মনিরুল হক এবং সাগরের মামা জাফর মিয়াকে গ্রেপ্তার করে ভারতীয় পুলিশ। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪৫ দিন কারাগারে থাকার পর তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

ফিমার পরিবারের অভিযোগ, দেশে ফেরার পর কাজী সাগর উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে গোপনে বসবাস করছেন এবং এখন পর্যন্ত তাকে কারাগারে যেতে হয়নি।

এ অবস্থায় ফিমার পরিবার দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%