০২:৫৯ পি.এম
বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে আকাশে দেখা মিলতে পারে বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় মহাজাগতিক দৃশ্য, যাকে বলা হচ্ছে পার্সিড উল্কাবৃষ্টি। ১২ আগস্ট রাত পেরিয়ে ১৩ আগস্ট ভোর পর্যন্ত উল্কাবৃষ্টিটি সবচেয়ে সক্রিয় থাকবে। এ বছরের অমাবস্যার কারণে আকাশে চাঁদের আলো না থাকায় উল্কার ঝলকানি দেখার পরিবেশ তুলনামূলকভাবে অনুকূল থাকবে।
যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে কোনো খোলা ও অন্ধকার জায়গায় অবস্থান করা যায়, তাহলে ঘণ্টায় প্রায় ১০০টি পর্যন্ত উল্কা দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে রাত ১২টার পর থেকে ভোরের আগ পর্যন্ত উল্কা দেখার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।
পার্সিড উল্কাবৃষ্টির উৎস হচ্ছে ধূমকেতু ১০৯পি/সুইফট-টাটল। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় এই ধূমকেতুটি মহাকাশে ধূলিকণা ও পাথুরে কণার একটি ধারা রাখে। পৃথিবী প্রতিবছর ওই ধ্বংসাবশেষের অঞ্চলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় এসব কণা প্রচণ্ড গতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে উত্তপ্ত হয়ে জ্বলে ওঠে। তখন রাতের আকাশে তৈরি হয় আলোর ঝলকানি, যা সাধারণভাবে ‘তারা খসা’ নামে পরিচিত।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
উত্তর গোলার্ধের দেশগুলো থেকে পার্সিড উল্কাবৃষ্টি দেখার সুযোগ তুলনামূলক ভালো হবে। তবে নির্দিষ্ট কোনো এক জায়গায় তাকানোর প্রয়োজন নেই। পারসিয়াস নক্ষত্রমণ্ডলের দিক থেকে উল্কাগুলো ছুটে আসছে বলে মনে হলেও, আকাশের বিভিন্ন স্থানে তাদের আলোর রেখা দেখা যেতে পারে। তাই যতটা সম্ভব বিস্তৃত আকাশ চোখের সামনে রাখা ভালো।
এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করতে টেলিস্কোপ বা দূরবীনের প্রয়োজন নেই। খালি চোখেই উল্কার ঝলকানি দেখা সম্ভব। তবে মেঘমুক্ত আকাশ এবং আশপাশে কম আলোর দূষণ থাকাও উল্কাবৃষ্টি দেখতে পাওয়ার জন্য প্রধান শর্ত।
অতএব, আজ রাতে সুযোগ থাকলে শহরের আলোর দূরে কোনো নিরাপদ খোলা জায়গায় গিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।几个 মিনিটের অপেক্ষাতেই চোখের সামনে দেখা মিলতে পারে ‘তারা খসার’ সেই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন