ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ রাতে আকাশে উল্কাবৃষ্টির অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখার চমৎকার সুযোগ


আজ রাতে আকাশে উল্কাবৃষ্টির অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখার চমৎকার সুযোগ

বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে আকাশে দেখা মিলতে পারে বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় মহাজাগতিক দৃশ্য, যাকে বলা হচ্ছে পার্সিড উল্কাবৃষ্টি। ১২ আগস্ট রাত পেরিয়ে ১৩ আগস্ট ভোর পর্যন্ত উল্কাবৃষ্টিটি সবচেয়ে সক্রিয় থাকবে। এ বছরের অমাবস্যার কারণে আকাশে চাঁদের আলো না থাকায় উল্কার ঝলকানি দেখার পরিবেশ তুলনামূলকভাবে অনুকূল থাকবে।

যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে কোনো খোলা ও অন্ধকার জায়গায় অবস্থান করা যায়, তাহলে ঘণ্টায় প্রায় ১০০টি পর্যন্ত উল্কা দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে রাত ১২টার পর থেকে ভোরের আগ পর্যন্ত উল্কা দেখার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

পার্সিড উল্কাবৃষ্টির উৎস হচ্ছে ধূমকেতু ১০৯পি/সুইফট-টাটল। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় এই ধূমকেতুটি মহাকাশে ধূলিকণা ও পাথুরে কণার একটি ধারা রাখে। পৃথিবী প্রতিবছর ওই ধ্বংসাবশেষের অঞ্চলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় এসব কণা প্রচণ্ড গতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে উত্তপ্ত হয়ে জ্বলে ওঠে। তখন রাতের আকাশে তৈরি হয় আলোর ঝলকানি, যা সাধারণভাবে ‘তারা খসা’ নামে পরিচিত।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

উত্তর গোলার্ধের দেশগুলো থেকে পার্সিড উল্কাবৃষ্টি দেখার সুযোগ তুলনামূলক ভালো হবে। তবে নির্দিষ্ট কোনো এক জায়গায় তাকানোর প্রয়োজন নেই। পারসিয়াস নক্ষত্রমণ্ডলের দিক থেকে উল্কাগুলো ছুটে আসছে বলে মনে হলেও, আকাশের বিভিন্ন স্থানে তাদের আলোর রেখা দেখা যেতে পারে। তাই যতটা সম্ভব বিস্তৃত আকাশ চোখের সামনে রাখা ভালো।

এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করতে টেলিস্কোপ বা দূরবীনের প্রয়োজন নেই। খালি চোখেই উল্কার ঝলকানি দেখা সম্ভব। তবে মেঘমুক্ত আকাশ এবং আশপাশে কম আলোর দূষণ থাকাও উল্কাবৃষ্টি দেখতে পাওয়ার জন্য প্রধান শর্ত।

অতএব, আজ রাতে সুযোগ থাকলে শহরের আলোর দূরে কোনো নিরাপদ খোলা জায়গায় গিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।几个 মিনিটের অপেক্ষাতেই চোখের সামনে দেখা মিলতে পারে ‘তারা খসার’ সেই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজনীতি নয়, ক্রীড়ার সঙ্গে মনেপ্রাণে জড়িত ছিলেন কোকো: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


রাজনীতি নয়, ক্রীড়ার সঙ্গে মনেপ্রাণে জড়িত ছিলেন কোকো: রিজভী

ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আরাফাত রহমান কোকো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তিনি ছিলেন আপাদমস্তক একজন ক্রীড়া সংগঠক।

ক্রীড়ার উন্নয়নে তাঁর অবদান স্মরণ করে রিজভী বলেন, ক্রীড়ার জন্য তিনি যে কাজগুলো করেছেন, সেটা হচ্ছে যারা ক্রীড়াবিদ হবে, এটাই তার পেশা হবে, এটা দিয়েই তার জীবন-জীবিকা হবে। রাষ্ট্র হবে এবং সরকার করবে সেই ধরনের ব্যবস্থা।

আজ বুধবার, আরাফাত রহমান কোকোর জন্মদিন উপলক্ষে তিনি বনানী কবরস্থানে উপস্থিত হন। সেখানে তিনি কোকোর কবর জিয়ারত করেন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন।

রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন এবং রাজনীতিতে তিনি কিছুই করেননি। তিনি চেয়েছেন ক্রীড়াবিদরা যাতে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন, সে ধরনের ব্যবস্থা রাষ্ট্র ও সরকার করবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। এর মাধ্যমে কোকোর ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন হবে।

রিজভী মন্তব্য করেন, আজকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এখানে আছেন। আমি মনে করি, তিনি অত্যন্ত যোগ্য ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এখানে তার যে কাজগুলো, সেই কাজগুলো সুসম্পন্ন করবেন। সেটা সুসম্পন্ন হলেই আরাফাত রহমান কোকোর আত্মা শান্তি পাবে।

মরহুম কোকোর স্মৃতি স্মরণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, কোকো হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। যখন তাঁর মরদেহ দেশে আনার সময়, তাঁর মা বেগম খালেদা জিয়া বন্দি ছিলেন। তাঁকে বালু ও কাঠের ট্রাক দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল এবং গোলমরিচের স্প্রে করা হয়েছিল।

‘ঐ পরিস্থিতিতে মায়ের কোলে সন্তানের লাশ তুলে দেওয়া ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও বিয়োগান্তক ঘটনা। পৃথিবীর সব বিয়োগান্তক ঘটনা, ট্র্যাজেডিকে অতিক্রম করে গেছে এই মর্মান্তিক ঘটনা। মায়ের কোলে সন্তানের লাশ-এটি ছিল প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ,’ বলেন তিনি।

রিজভী অভিযোগ করেন, জনগণের মধ্যে জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম ও জনপ্রিয়তা শেখ হাসিনা কখনো বরদাশত করতে পারেননি। তাই তাঁর পরিবারকে একের পর এক যন্ত্রণা দিয়েছেন। তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকার এই পরিবারকে রাজনৈতিকভাবে পর্যুদস্ত করতে এবং জনগণের মধ্যে তাদের জনপ্রিয়তা মুছে ফেলতে বিভিন্নভাবে হয়রানি, অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছিল। একচ্ছত্র আধিপত্য ও ক্ষমতা ধরে রাখার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকেই এসব করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ভূমিকার কারণে তাঁর পরিবারকে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর দুই সন্তানও বিভিন্ন সময়ে বন্দিত্ব ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অথচ আজ কি হয়েছে? জনগণের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। সেই তারেক রহমান, শহীদ জিয়া এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র আজ দেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, জনকল্যাণের সব যে কাজ, সেই কাজগুলো একের পর এক ক্ষমতা নেওয়ার দুই-তিন দিনের মধ্যে থেকেই বা শুরু থেকেই তিনি বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছেন। এবং তাঁর এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রিজভী বলেন, সেই ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চলমান আন্দোলন-সংগ্রামের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান। মুগ্ধ, ওয়াসিম আকরাম, আবু সাঈদ, আহনাফসহ যারা আত্মদান করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের আত্মত্যাগ মহিমান্বিত। জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের পেছনে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরও রক্ত ও আত্মত্যাগ রয়েছে।

রিজভী আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করা এবং মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের অবদানকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।

এ ধরনের প্রচেষ্টা জনগণের কাছে প্রশ্ন তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশের জনগণ যে কোনো মূল্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে প্রতিহত করবে।

এ সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক মো. আমিনুল হক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য রেজাউর করিম ফাহিম, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ইসরাফিল খসরু এবং বিএনপি নেতা কামাল জামাল মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোরে সুদানের রাজধানী এবং উত্তরাঞ্চলের দুই শহরে ড্রোন হা/ম/লা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২০ পি.এম


ভোরে সুদানের রাজধানী এবং উত্তরাঞ্চলের দুই শহরে ড্রোন হা/ম/লা

ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ : আজ ভোরে সুদানের রাজধানী খার্তুম এবং উত্তরাঞ্চলের আরও দুটি শহরে ড্রোন হামলা হয়েছে। এএফপির একজন সংবাদদাতা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বেশ কিছু মাসের তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতির পরে, রাজধানীতে এটি একটি সমন্বিত হামলা বলে মনে করা হচ্ছে।

এটি খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

গত ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদান ভয়াবহ যুদ্ধে জর্জরিত। একদিকে দেশটির সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের নেতৃত্বাধীন সুদানি সেনাবাহিনী, অন্যদিকে তার সাবেক উপপ্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগলো-র নেতৃত্বাধীন আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে এই সংঘর্ষ চলছে।

রাজধানী খার্তুম গত বছর সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসে। এর ফলে প্রায় ২৩ লাখ মানুষ শহরটিতে ফিরে আসেন। এর আগে ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হলেও, গত কয়েক মাস শহরটি তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল।

খার্তুমে থাকা এএফপির সংবাদদাতা জানান, স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে ড্রোন হামলার শব্দ শোনা যায়। একই সময়ে রাজধানীর যমজ শহর ওমদুরমানের ঠিক উত্তরে সেনাবাহিনীর ওয়াদি সাইদনা ঘাঁটির দিক থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার শব্দও শোনা যায়।

সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা উত্তরাঞ্চলের আতবারা ও এল-দামার শহরের প্রত্যক্ষদর্শীরাও একই ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা এবং আকাশে ড্রোন দেখতে পাওয়ার বিষয়ে জানান।

তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

সুদানজুড়ে ত্রাণকর্মীদের মতে, চলমান এই যুদ্ধে ২ লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ এই সংঘাতকে ‘নৃশংসতার যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। যুদ্ধের কারণে দেশটিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্ষুধা ও বাস্তুচ্যুতি সংকট তৈরি হয়েছে।

একসময় যে দুই নেতা মিত্র ছিলেন, বুরহান এবং দাগলো এখন ক্ষমতার তীব্র দ্বন্দ্বে পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন। যুদ্ধের বেশিরভাগ সময় দুই পক্ষই অনেকটা অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে। সিদ্ধান্তমূলক সামরিক সুবিধা অর্জনের চেষ্টা করতে গিয়ে তারা আলোচনায় বসতেও ভিন্নতা দেখাচ্ছেন।

গত বছর আরএসএফ পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ দারফুর অঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে। এরপর তারা দক্ষিণের কর্দোফান অঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বে ইথিওপিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালায়।

অন্যদিকে সেনাবাহিনী দেশের মধ্য, উত্তর ও পূর্বাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। গত মাসে কর্দোফানে একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক থেকে আরএসএফকে সরিয়ে দিয়ে সেনাবাহিনী সফলতা অর্জন করে। ওই সড়কটি রাজধানীর সঙ্গে সংযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।

এর পর দাগলো ঘোষণা করেন, তিনি তার যোদ্ধাদের ‘মুক্ত করে দেবেন’। তার বাহিনীর বিরুদ্ধে গণহত্যাসহ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এরপর থেকে আরএসএফ বারবার বড় ধরনের প্রতিশোধমূলক হামলার হুমকি দিয়ে আসছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে গোমূত্র কিনছে সরকার, প্রতি লিটারের দাম ২০ রুপি বিরোধী সমাজবাদী পার্টি এই সরকারি উদ্যোগের সমালোচনা করেছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


ভারতে গোমূত্র কিনছে সরকার, প্রতি লিটারের দাম ২০ রুপি  বিরোধী সমাজবাদী পার্টি এই সরকারি উদ্যোগের সমালোচনা করেছে।

ভারতে প্রথমবারের মতো সরকারি উদ্যোগে গোমূত্র সংগ্রহের একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প শুরু হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় উত্তর প্রদেশের বুলন্দশহরের ১৫টি গ্রামে গোমূত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে কৃষকদের কাছ থেকে।

ভবিষ্যতে এই প্রকল্পে প্রতি লিটার গোমূত্রের জন্য সরকার সর্বোচ্চ ২০ রুপি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লিখিত হয়েছে, বর্তমানে এ প্রকল্পের আওতায় প্রতিদিন প্রায় ৫০০ লিটার গোমূত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। গ্রামীণ নারীদের, যারা এ কাজে যুক্ত, প্রতি লিটারে ২ রুপি করে কমিশন প্রদান করা হচ্ছে।

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন সরকার জানিয়েছে, প্রকল্পটির মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির সঙ্গে গ্রামীণ নারীদের অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ প্রদান করা হবে। একইসঙ্গে দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া গরুগুলোর দেখভাল করতেও এ উদ্যোগ সহায়ক হবে বলতেও সরকারের বিশ্বাস।

তবে, বিরোধী সমাজবাদী পার্টি এই সরকারি উদ্যোগের সমালোচনা করেছে। তারা প্রকল্পটিকে ‘কেলেঙ্কারি’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে বুলন্দশহরের ১৫টি গ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে চালু থাকা প্রকল্পটি সফল হলে পরে এর পরিধি আরও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিম্বাবুয়েতে ফেরি ডুবে ১৫ জনের প্রা/ণ/হানি, ২৭ জন নি/খোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


জিম্বাবুয়েতে ফেরি ডুবে ১৫ জনের প্রা/ণ/হানি, ২৭ জন নি/খোঁজ

 জিম্বাবুয়ের কারিবা হ্রদে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি ফেরি ডুবে অন্তত ১৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বর্তমানে ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছে। বুধবার কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে।

উত্তরাঞ্চলীয় শহর কারিবা থেকে যাত্রী পরিবহনকারী ফেরিটি মঙ্গলবার প্রবল ঢেউয়ের ধাক্কায় উল্টে যায়, যা কয়েকটি দ্বীপ ও মাছ ধরার ক্যাম্পে যাত্রীদের নিয়ে যাচ্ছিল।

জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারে থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি খবরটি প্রচার করেছে।

জিম্বাবুয়ের সিভিল প্রোটেকশন ইউনিট (সিপিইউ) এক বিবৃতিতে জানায়, ফেরিটিতে মোট ১১৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী, পাঁচজন ক্রু সদস্য এবং কিছু শিশু ছিল, তবে ফেরিটির ধারণক্ষমতা ছিল মাত্র ৯০ জন।

নিখোঁজদের সন্ধান দিতে তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সিপিইউ জানায়, ‘এ পর্যন্ত মাতুসাদোনহা উদ্ধারকারী দল ও অন্যান্যরা ৭৭ জন যাত্রীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’ সংস্থাটি আরও জানায়, ‘১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।’

মরদেহগুলো সংগ্রহ করতে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য দুটি ফিউনারেল পার্লারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে এখনও প্রায় ২৭ জনের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

সিপিইউ জানায়, নিখোঁজদের সন্ধানে সহায়তার জন্য একটি বিশেষায়িত জলযান উদ্ধারকারী ইউনিটকে বিমানযোগে ঘটনাস্থলে নেওয়া হয়েছে।

কারিবা হ্রদটি জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়ার সীমান্তে অবস্থিত এবং রাজধানী হারারে থেকে এই হ্রদটির দূরত্ব ৩০০ কিলোমিটারের বেশি উত্তর-পূর্বে। এই হ্রদটি আয়তন নয়, জলধারণ ক্ষমতার ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম হ্রদ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%