ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্গাপূজায় চলবে ৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন


দুর্গাপূজায় চলবে ৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন

বাংলাদেশ রেলওয়ে আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঘরমুখী যাত্রীদের সুবিধার্থে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে যাত্রীদের চাপ মোকাবেলার জন্য ৫টি ট্রেনের অফ ডে (সাপ্তাহিক বন্ধ) প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী উল্লেখ করেছেন, আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ঢাকা স্পেশাল-৩ ট্রেন চলাচল করবে। তাছাড়া ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্যুরিস্ট স্পেশাল-১ ও ২ আগামী ২০, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর চলবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ২৪ অক্টোবর চট্টগ্রাম স্পেশাল-৪ ট্রেন চলাচল করবে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

যাত্রীদের চাপ সামলানোর জন্য পূর্বাঞ্চলের কক্সবাজার এক্সপ্রেসের ১৯ ও ২০ অক্টোবরের অফ ডে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ও রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসের ১৯ অক্টোবর, পদ্মা এক্সপ্রেসের ২০ অক্টোবর এবং মধুমতি এক্সপ্রেসের ২৪ অক্টোবরের অফ ডেও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

পূজা উপলক্ষে অতিরিক্ত যাত্রী চাহিদা মেটানোর জন্য পূর্বাঞ্চলে ২৩টি মিটারগেজ কোচ এবং পশ্চিমাঞ্চলে ছয়টি ব্রডগেজ কোচ যাত্রীবাহী ট্রেনে যুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ট্রেনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ইঞ্জিনের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখার জন্য এবং সিডিউল বিপর্যয় এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন ও সিগন্যাল কেবিনে কর্মকর্তা ও পরিদর্শকদের নিবিড় তদারকিতে ট্রেন পরিচালনা করা হবে। এছাড়া ট্র্যাক ও সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেলপথে পেট্রোলিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সিগন্যালিং ব্যবস্থা, কোচ ও ইঞ্জিনের নিবিড় পরিচর্যার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত পাঠানোর জন্য রিলিফ ট্রেন প্রস্তুত রাখা হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনাসহ প্রধান স্টেশনগুলোতে রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সহযোগিতায় পাহারা জোরদার করা হয়েছে। ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ১৯ ও ২০ অক্টোবর ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করা হবে।

চলন্ত ট্রেন, স্টেশন ও রেললাইনে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আরএনবি, জিআরপি ও রেলওয়ের কর্মচারীদের নজরদারি ও কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে বলে রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাহদী আমিন: প্রতিটি শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে রয়েছে বাবা-মায়ের ত্যাগের গল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ পি.এম


মাহদী আমিন: প্রতিটি শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে রয়েছে বাবা-মায়ের ত্যাগের গল্প

প্রতিটি শিক্ষার্থীর সাফল্য ও অর্জনের পেছনে বাবা-মায়ের ভালোবাসা ও ত্যাগের গল্প রয়েছে, এ মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

রোববার (১১ অক্টোবর) ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি)-এর ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র এ কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "আপনাদের জীবনে অনেক বড় বড় স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন, তা উচ্চশিক্ষায় একাডেমিয়াতেই হোক, মাস্টার্স বা পিএইচডি করার পরবর্তী ধাপেই হোক, পেশাগত ক্যারিয়ারের চাকরিতেই হোক, যা আপনারা বাংলাদেশে কিংবা দেশের বাইরে শুরু করতে যাচ্ছেন, কিংবা আপনাদের কোনো উদ্ভাবনী চিন্তাই হোক না কেন, সবকিছুই ভবিষ্যৎমুখী। এটি অসাধারণ, কারণ তা অর্জন করেছেন। আজ যে সার্টিফিকেটটি পেয়েছেন, তা আপনাদের একটি আলোকিত এবং সমৃদ্ধ ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত করবে।"

কিন্তু একই সঙ্গে পেছনের পথচলাটির দিকেও তাকাতে বলব। তিনি বলেন, "এই বর্তমানের পেছনে রয়েছে এক গৌরবোজ্জ্বল অতীত, যেখানে রয়েছে আপনাদের নির্ঘুম রাত, পরীক্ষার উদ্বেগ ও ল্যাবরেটরির নানা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে বাবা-মায়ের লক্ষ্যপূরণের দীর্ঘ পথচলা।"

আইইউটির গ্র্যাজুয়েটদের দেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও ব্র্যান্ডিং ধারণ করে বিশ্বমঞ্চে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, "আইইউটি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও দেশের সবচেয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়। অসাধারণ সব প্রতিভাবান প্রকৌশলী তৈরির এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানের, যারা বিশ্বজুড়ে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। গ্র্যাজুয়েটরা বের হওয়ার সময় আইইউটির সেই সুনাম ও ব্র্যান্ডিং সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন।"

আইইউটির সঙ্গে মুসলিম ভ্রাতৃত্ব ও বিএনপির গভীর ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, "এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি তার একটি বিশেষ ব্যক্তিগত অনুভূতিও রয়েছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ফিলিস্তিনের মহান নেতা ইয়াসির আরাফাতকে সঙ্গে নিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই আইইউটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে আইইউটির গুরুত্ব অপরিসীম।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বহুবার এই সবুজ ক্যাম্পাসে এসেছেন এবং সমাবর্তনে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেছেন। বর্তমানে বিএনপি সরকার দেশ পরিচালনায় রয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা মাহদী আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করেন, "অতীতের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আগামী দিনগুলোতে একইভাবে আইইউটি ক্যাম্পাসে আসবেন এবং শিক্ষা ও প্রযুক্তির প্রসারে অবদান রাখবেন, ইনশাআল্লাহ।"

আইইউটিকে মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করে শিক্ষার্থীদের সাধারণ ডিগ্রি অর্জনের বাইরে গিয়ে সমাজ ও মানবতার কল্যাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, "আইইউটি মুসলিম দেশগুলোর মধ্যকার গভীর ভ্রাতৃত্ব, অভিন্ন লক্ষ্য এবং একটি সমৃদ্ধ যৌথ ভবিষ্যতের প্রতি বিশ্বাসের প্রতিনিধিত্ব করে।"

গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে বক্তব্যে মাহদী আমিন বলেন, "অর্জিত সার্টিফিকেট ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কেবল ক্যারিয়ারের দিকনির্দেশক নয়। ক্যাম্পাসে কাটানো সময়ের অভিজ্ঞতা, গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব এবং অর্জিত বিশেষ দক্ষতা শিক্ষার্থীদের আগামী জীবনে এক বিশাল ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।"

শিক্ষার্থীদের মেধা ও দক্ষতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, "আপনারা এই জ্ঞান, দক্ষতা ও ডিগ্রি দিয়ে কী করবেন?" তিনি উল্লেখ করেন, গ্র্যাজুয়েটদের সামনে দুটি পথ রয়েছে—একটি হলো কেবল নিজের কথা ভাবা, ভালো চাকরি নিশ্চিত করা, উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা বা ব্যবসা শুরু করে ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গড়া।

তবে আইইউটির গ্র্যাজুয়েটদের সক্ষমতা ও মেধা অন্যদের চেয়ে আলাদা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "একটি সফল ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের চেয়েও বড় দায়িত্ব হলো সমাজ ও মানবজাতির সেবায় কাজ করা। সবার এই বিশেষ সুযোগ বা সামর্থ্য থাকে না, কিন্তু আইইউটির শিক্ষার্থীদের সেই অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কেবল নিজের সফলতায় সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজ ও দেশের মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে নতুন নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য তিনি তরুণ প্রকৌশলী ও গ্র্যাজুয়েটদের প্রতি আহ্বান জানান।"

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির এই আধুনিক যুগে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বজায় রেখে মানবকল্যাণে কাজ করার জন্য তরুণ প্রকৌশলী ও গ্র্যাজুয়েটদের আহ্বান জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, "কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা রোবোটিক্স বড় ডেটা বিশ্লেষণ করতে পারে, কোড লিখতে কিংবা নতুন উদ্ভাবনী ধারণা তৈরি করতে পারে; কিন্তু প্রযুক্তিকে কীভাবে চালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা হবে, তা চূড়ান্তভাবে মানুষের ওপরই নির্ভর করে। মানুষের সুবুদ্ধি, সততা ও মূল্যবোধই ঠিক করে দেবে, এই প্রযুক্তি সমাজের উপকারে আসবে নাকি ক্ষতি সাধন করবে।"

মাহদী আমিন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "কেবল প্রযুক্তির ব্যবহার নয়, বরং এটি সমাজকে এগিয়ে নেবে নাকি পিছিয়ে দেবে—সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের মূল ভূমিকা গ্র্যাজুয়েটদেরই পালন করতে হবে। তাই প্রযুক্তিকে মানবজাতির কল্যাণ এবং নারী, শিশু ও তরুণদের ক্ষমতায়নে ব্যবহারের অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা, ব্যবস্থাপনা কিংবা প্রকৌশল খাতের শিক্ষার্থীদের শিল্পখাতে নতুন রূপান্তর আনতে, বাস্তবমুখী গবেষণা করতে এবং সমাজের প্রকৃত সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার তাগিদ দেন।"

আইইউটির সম্ভাবনা ও সরকারের সদিচ্ছা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, "প্রযুক্তির পরবর্তী সেরা উদ্ভাবনটি যে কেবল সিলিকন ভ্যালি থেকেই আসতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আইইউটির গ্র্যাজুয়েটদের মধ্য থেকেই প্রযুক্তির পরবর্তী যুগান্তকারী বিপ্লব সূচিত হতে পারে। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে সঠিক সহায়তা প্রদান এবং শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পথ দেখিয়ে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।"

উপস্থিত বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রতি মাহদী আমিন আহ্বান জানান, "ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও মুসলিম বিশ্বের চ্যালেঞ্জ, মূল্যবোধ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা একই। তাই জ্ঞানকে অভিন্ন ভাষা, উদ্ভাবনকে যৌথ স্বার্থ এবং মানবতাকে মূল লক্ষ্য হিসেবে ধারণ করে বিশ্বজুড়ে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষার্থীরা যেন তাদের অর্জনের পেছনে বাবা-মায়ের অসামান্য ত্যাগ, ভালোবাসা ও সংগ্রামের কথা স্মরণে রেখে তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন—সেই বার্তাও দেন মাহদী আমিন।"

গ্র্যাজুয়েটদের সাহসের সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়া এবং অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক মঞ্চে নিজেদের সেরাটা তুলে ধরার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, "শিক্ষকরা জ্ঞান দিয়েছেন, পরিবার দিয়েছে আত্মপরিচয় ও শিকড়, আর অর্জিত শিক্ষা ও ডিগ্রি তরুণদের উড়ার ডানা দিয়েছে। এখন অর্জিত মেধা ও শক্তিকে কোন দিকে চালিত করবেন এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ব কীভাবে পালন করবেন—সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব গ্র্যাজুয়েটদের নিজেদেরই।"

মাহদী আমিন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "কেবল ক্ষণস্থায়ী সফলতা নয়, বরং এমন কিছু তৈরি করতে হবে, যা স্থায়ী হয় এবং যা মানুষের নিত্যদিনের সংকট ও সমস্যার সমাধান করে। বিনয়ের সঙ্গে মানুষের সেবা করা, অর্জিত আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতা করা এবং সমাজকে পথ দেখানোর তাগিদ দেন তিনি।"

বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে অসীম সম্ভাবনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, "অর্জিত ডিগ্রি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছাতে হবে এবং নিজেদের সাফল্যের মাধ্যমে আইইউটি, পরিবার, সমাজ তথা পুরো দেশকে গর্বিত করতে হবে।"

সকল গ্র্যাজুয়েটের ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত জীবনের সাফল্য কামনা করে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, "অর্জিত জ্ঞান যেন সমাজে প্রগতি নিয়ে আসে এবং চারিত্রিক গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে সবাই যেন সম্মান কুড়াতে পারেন। এই তরুণ মেধাবীরাই তাদের মেধা ও কর্মের মাধ্যমে আজকের বাংলাদেশকে ইতিবাচকভাবে বদলে দেবেন এবং বিশ্বজুড়ে এক গভীর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।"

আইইটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজের সভাপতিত্বে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)-এর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সহকারী মহাসচিব এইচ.ই. রাষ্ট্রদূত আফতাব আহমেদ খোখোর, ওআইসিতে বেনিন প্রজাতন্ত্রের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. জনাব আদম বাগৌদু জাকারি এবং রিয়াদে চাদ দূতাবাসের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা এইচ.ই. জনাব মাহামাদ সালেহ আলজাজৌলি।

এ ছাড়াও ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের মধ্য থেকে অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার এইচ.ই. ইমরান হায়দার, ইরাক দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এইচ.ই. আলী এম. আলওয়াশ, ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার এইচ.ই. হাজি হারিস বিন হাজি ওসমান এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রীয় দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন জনাব জিয়াদ এম. এইচ. হামাদ। দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের অন্যান্য প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামরাইয়ে দুই অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, জরিমানা দেড় লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ পি.এম


ধামরাইয়ে দুই অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, জরিমানা দেড় লাখ টাকা

পরিবেশ দূষণ রোধ এবং অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করার উদ্দেশ্যে নিয়মতান্ত্রিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকার ধামরাই উপজেলায় দুটি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে সোমভাগ ইউনিয়নের দেপাশাই কাউন্সিল এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

অভিযানটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ধামরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. ফাহিম শাহরিয়ার।

অভিযানের ফলে ইটভাটাদুটিকে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং একটি ভাটার আগুন দেওয়ার স্থান বা ‘কিলন’ এবং উৎপাদিত কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে ভাটার সব কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অভিযান চলাকালে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, লাইসেন্স এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকার অভিযোগে সোমভাগ ইউনিয়নের কাউন্সিল এলাকায় অবস্থিত ‘মা ব্রিকস’ নামে ইটভাটাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং এর কিলন সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এছাড়া একই এলাকার ‘হালাল ব্রিকস’ নামে অপর একটি ইটভাটাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ধামরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফাহিম শাহরিয়ার বলেন, "পরিবেশ দূষণকারী এবং বৈধ অনুমতি বা কাগজপত্র ছাড়া পরিচালিত অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে আমাদের এই ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়েছে।" তিনি আরও জানান, দুটি ইটভাটাকে আইন অনুযায়ী দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং একটির কিলন ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ধামরাইয়ের সব অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষামন্ত্রী: উচ্চতর ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ পি.এম


শিক্ষামন্ত্রী: উচ্চতর ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার উচ্চতর ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

গাজীপুরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে রোববার (১১ অক্টোবর) তিনি এসব মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ড. মো. কায়কোবাদ। আইইউটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজ স্বাগত বক্তব্য দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার উচ্চতর ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং গবেষণার জন্য বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জন্য এমন মানবসম্পদ প্রয়োজন, যারা দেশের বাস্তবতা ও প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে সক্ষম হবে।

তিনি আরও বলেন, উদ্ভাবনী শক্তি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন সমস্যার কার্যকর সমাধান তৈরি করা জরুরি। যারা ব্যয়বহুল প্রযুক্তি বা সমাধানের খরচ বহন করতে পারেন না, তাদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। উন্নত প্রকৌশল ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মাধ্যমে মৌলিক সেবা আরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। আইইউটির শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা ও মনন কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, "আপনারা এমন এক সময়ে কর্মজীবন শুরু করতে যাচ্ছেন, যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের ফলে প্রতিনিয়ত নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।" এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের নতুন নতুন প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহারে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।

আইইউটির আন্তর্জাতিক পরিবেশের প্রশংসা করে তিনি বলেন, "বাংলাদেশে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে আমরা গর্বিত।" বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এখানে এসে ভিন্ন ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে শিক্ষা অর্জনের জন্য একটি অভিন্ন ক্ষেত্র পান। বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা এসব সম্পর্ক ভবিষ্যতে গবেষণা, শিল্প ও শিক্ষার ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বে রূপ নিতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারেও এ প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শিক্ষামন্ত্রী ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং এর সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মোট ৬৫৯ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য সাতজন শিক্ষার্থীকে গোল্ড মেডেল দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আহমেদ রানী ওআইসি গোল্ড মেডেল অর্জন করেন। অন্য ছয়জন শিক্ষার্থী পান আইইউটি গোল্ড মেডেল।

শিক্ষামন্ত্রী পদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের গলায় পদক পরিয়ে দেন এবং তাদের হাতে সনদ তুলে দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী: জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী: জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন যে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বরাদ্দকৃত জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা যেন সঠিকভাবে দেশের ও মানুষের স্বার্থে ব্যয় হয়। সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার বিষয়ে তিনি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী সভায় বলেন, ‘আপনারা অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করেছেন, অনেকগুলো টার্গেট ঠিক করেছেন। সেই টার্গেটগুলো অর্জনের জন্য অবশ্যই সরকার থেকে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে। কিন্তু এটা জনগণের অর্থ। আমি আশা করব, জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা যাতে সঠিকভাবে দেশের স্বার্থে এবং মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে আপনারা সবাই মনোযোগ দেবেন।’

তিনি সরকারি দায়িত্বকে দেশের মানুষের জন্য কাজ করার বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার তুলনায় সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা সুবিধাপ্রাপ্ত অবস্থানে রয়েছেন। এই সুযোগকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো উচিত।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা যারা এখানে আছি, বাংলাদেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার তুলনায় আমরা সবাই সুবিধাপ্রাপ্ত। আল্লাহ তাআলা আমাদের দেশের জন্য, মানুষের জন্য কাজ করার একটা সুযোগ দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘যার যতটুকু কাজ করার সুযোগ আছে, আমরা যেন সেই কাজটি আন্তরিকভাবে করতে পারি। আমাদের সবার সেই চেষ্টা থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দায়িত্ব পালনের সুযোগ সব সময় থাকে না। তাই যে যখন যে দায়িত্বে রয়েছেন, তাকে সেই সুযোগ দেশের ও মানুষের কল্যাণে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।

সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই চেষ্টা করি, যার হাতে যত দিন সুযোগ আছে, সেই সুযোগটা যেন মানুষ ও দেশের জন্য ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারি।’

তিনি কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয়ভাবে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভবিষ্যতে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আবারও আলোচনা করার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, পরবর্তী বৈঠকগুলোতে কর্মকর্তারা আরও খোলামেলাভাবে নিজেদের অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ ও মতামত তুলে ধরবেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সচিব দেলোয়ার হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%